| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   স্বাস্থ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
যে কারণে নারীদের গড় আয়ু পুরুষের চেয়ে বেশি

বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্বে পুরুষের তুলনায় নারীদের গড় আয়ু বেশি। বাংলাদেশে নারীদের গড় আয়ু পুরুষদের তুলনায় ৪ বছর বেশি।

জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল বা ইউএনএফপিএর ’বিশ্ব জনসংখ্যা পরিস্থিতি ২০২১’ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

 

প্রকাশিত ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে নারীদের গড় আয়ু ৭৫ বছর, যেখানে পুরুষদের গড় আয়ু ৭১ বছর। এছাড়া বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সবশেষ তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে নারীদের গড় আয়ু ৭৪.২ বছর। আর পুরুষদের ৭১.১ বছর।

 

শিশুকাল থেকে শুরু করে বয়স্ক হওয়া পর্যন্ত একজন পুরুষ ও নারীর যে সংগ্রাম, সেখানেই কিছুটা ছন্দপতন রয়েছে। পরিশ্রম করছে দুজনই, তারপরও কেন গড় আয়ুর এত পার্থক্য? এ প্রশ্ন হয়তো ঘুরপাক খাচ্ছে অনেকের মনেই। বিশেষজ্ঞরা এর কিছু ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

 

তাদের মতে, নারীর গড় আয়ু বেশি বা কম হওয়ার পেছনে নারীর সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক কাঠামো জড়িত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক বেল্লাল হোসেন  জানান বাংলাদেশে নারীর এই গড় আয়ু ২০০৩-০৫ এর মধ্যেই বৃদ্ধি হতে থাকে।

 

তার মতে, প্রায় দুই থেকে তিন দশক আগেও নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি ভীষণ অবহেলিত ছিল। নারীরা অপুষ্টিতে ভুগতেন, নারীর স্বাস্থ্যসেবা বিশেষ করে মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি গুরুত্ব পায়নি। যার কারণে নারীদের গড় আয়ু ছিল কম। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে।

 

অন্যদিকে, নারী পুরুষের আয়ুষ্কালের মধ্যে এ পার্থক্য নতুন কিছু নয়, বরং বিশেষজ্ঞরা এটি দশকের পর দশক ধরে লক্ষ্য করছেন।

 

অস্ট্রেলিয়ার সাউথ ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরোসাইকিয়াট্রি বিভাগের অধ্যাপক ডা পারমিন্দার সাচদেব মানুষের আয়ুষ্কাল নিয়ে গবেষণা করেছেন।

 

তার মতে, কেন নারীরা বেশিদিন বাঁচেন? এ ব্যাপারে জনপ্রিয় কিছু তত্ত্ব আছে, এর কিছু কিছু জীববিজ্ঞানের সাথে জড়িত; আবার কিছু কিছু মানব আচরণের সাথে জড়িত।

 

তার মতে, পুরুষেরা তুলনামূলকভাবে বেশি ধূমপান করেন, মদ্যপান করেন এবং অতিরিক্ত ওজনের অধিকারী হয়ে যান। তারা প্রাথমিক পর্যায়ে ডাক্তার দেখাতেও অনাগ্রহী এবং রোগ ধরা পড়লে তারা নিয়মিত চিকিৎসাও নেন না।

 

আর সবচেয়ে বড় কথা হলো, পুরুষেরা অতিরিক্ত ঝুঁকিপূর্ণ, জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ-এসব কাজ নিজের ঘাড়ে নিয়ে নেন।

 

এই যেমন- গাড়ি চালাতে গিয়ে দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া কিংবা ঝগড়া-লড়াই। এর পেছনে বৈজ্ঞানিক প্রমাণও রয়েছে। পুরুষের শরীরে থাকা মেল সেক্স হরমোন টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বেড়ে গিয়ে তাদেরকে এরকম ঝুঁকিপূর্ণ কাজের দিকে বেশি ধাবিত করে।

 

ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার সাথে ঝুঁকিপূর্ণ আচরণের সম্পর্ক রয়েছে।

 

পারমিন্দার সাচদেব এর মতে, পুরুষের হরমোনকে দোষ দেয়া যায় না; বরং নারীদের হরমোনই তাদের বিশেষ কিছু সুবিধা দিয়ে যায় আজীবন। এস্ট্রোজেন নামের হরমোন নারীদের বলতে গেলে সুরক্ষাই দেয়; এর একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভূমিকা আছে।

 

ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব এন্ডোক্রিনোলজি এর ২০১৩ সালের রিভিউতে দেখা যায়, ডিএনএ ক্ষতিকে প্রতিরোধ করতে পারে এস্ট্রোজেন।

 

রিভিউ থেকে আরও জানা যায় যে, এস্ট্রোজেন কোষের কার্যক্রমকে স্বাভাবিক ও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এরকম নানা ধরনের গবেষণা থেকে প্রাপ্ত ফলাফল নারীদের অধিক আয়ুষ্কাল সম্পর্কেই যুক্তি দেয়। 
যে কারণে নারীদের গড় আয়ু পুরুষের চেয়ে বেশি
                                  

বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্বে পুরুষের তুলনায় নারীদের গড় আয়ু বেশি। বাংলাদেশে নারীদের গড় আয়ু পুরুষদের তুলনায় ৪ বছর বেশি।

জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল বা ইউএনএফপিএর ’বিশ্ব জনসংখ্যা পরিস্থিতি ২০২১’ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

 

প্রকাশিত ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে নারীদের গড় আয়ু ৭৫ বছর, যেখানে পুরুষদের গড় আয়ু ৭১ বছর। এছাড়া বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সবশেষ তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে নারীদের গড় আয়ু ৭৪.২ বছর। আর পুরুষদের ৭১.১ বছর।

 

শিশুকাল থেকে শুরু করে বয়স্ক হওয়া পর্যন্ত একজন পুরুষ ও নারীর যে সংগ্রাম, সেখানেই কিছুটা ছন্দপতন রয়েছে। পরিশ্রম করছে দুজনই, তারপরও কেন গড় আয়ুর এত পার্থক্য? এ প্রশ্ন হয়তো ঘুরপাক খাচ্ছে অনেকের মনেই। বিশেষজ্ঞরা এর কিছু ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

 

তাদের মতে, নারীর গড় আয়ু বেশি বা কম হওয়ার পেছনে নারীর সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক কাঠামো জড়িত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক বেল্লাল হোসেন  জানান বাংলাদেশে নারীর এই গড় আয়ু ২০০৩-০৫ এর মধ্যেই বৃদ্ধি হতে থাকে।

 

তার মতে, প্রায় দুই থেকে তিন দশক আগেও নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি ভীষণ অবহেলিত ছিল। নারীরা অপুষ্টিতে ভুগতেন, নারীর স্বাস্থ্যসেবা বিশেষ করে মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি গুরুত্ব পায়নি। যার কারণে নারীদের গড় আয়ু ছিল কম। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে।

 

অন্যদিকে, নারী পুরুষের আয়ুষ্কালের মধ্যে এ পার্থক্য নতুন কিছু নয়, বরং বিশেষজ্ঞরা এটি দশকের পর দশক ধরে লক্ষ্য করছেন।

 

অস্ট্রেলিয়ার সাউথ ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরোসাইকিয়াট্রি বিভাগের অধ্যাপক ডা পারমিন্দার সাচদেব মানুষের আয়ুষ্কাল নিয়ে গবেষণা করেছেন।

 

তার মতে, কেন নারীরা বেশিদিন বাঁচেন? এ ব্যাপারে জনপ্রিয় কিছু তত্ত্ব আছে, এর কিছু কিছু জীববিজ্ঞানের সাথে জড়িত; আবার কিছু কিছু মানব আচরণের সাথে জড়িত।

 

তার মতে, পুরুষেরা তুলনামূলকভাবে বেশি ধূমপান করেন, মদ্যপান করেন এবং অতিরিক্ত ওজনের অধিকারী হয়ে যান। তারা প্রাথমিক পর্যায়ে ডাক্তার দেখাতেও অনাগ্রহী এবং রোগ ধরা পড়লে তারা নিয়মিত চিকিৎসাও নেন না।

 

আর সবচেয়ে বড় কথা হলো, পুরুষেরা অতিরিক্ত ঝুঁকিপূর্ণ, জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ-এসব কাজ নিজের ঘাড়ে নিয়ে নেন।

 

এই যেমন- গাড়ি চালাতে গিয়ে দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া কিংবা ঝগড়া-লড়াই। এর পেছনে বৈজ্ঞানিক প্রমাণও রয়েছে। পুরুষের শরীরে থাকা মেল সেক্স হরমোন টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বেড়ে গিয়ে তাদেরকে এরকম ঝুঁকিপূর্ণ কাজের দিকে বেশি ধাবিত করে।

 

ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার সাথে ঝুঁকিপূর্ণ আচরণের সম্পর্ক রয়েছে।

 

পারমিন্দার সাচদেব এর মতে, পুরুষের হরমোনকে দোষ দেয়া যায় না; বরং নারীদের হরমোনই তাদের বিশেষ কিছু সুবিধা দিয়ে যায় আজীবন। এস্ট্রোজেন নামের হরমোন নারীদের বলতে গেলে সুরক্ষাই দেয়; এর একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভূমিকা আছে।

 

ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব এন্ডোক্রিনোলজি এর ২০১৩ সালের রিভিউতে দেখা যায়, ডিএনএ ক্ষতিকে প্রতিরোধ করতে পারে এস্ট্রোজেন।

 

রিভিউ থেকে আরও জানা যায় যে, এস্ট্রোজেন কোষের কার্যক্রমকে স্বাভাবিক ও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এরকম নানা ধরনের গবেষণা থেকে প্রাপ্ত ফলাফল নারীদের অধিক আয়ুষ্কাল সম্পর্কেই যুক্তি দেয়। 
গ্রাম থেকে ১৪ দিন পর ঢাকায় ফেরার অনুরোধ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের
                                  

সরকারের নির্দেশনা উপেক্ষা করে যারা বাড়ি গিয়েছেন, তাদের অফিস খোলা না হলে ১৪ দিন পর ঢাকায় ফেরার অনুরোধ জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। রোববার (১৬ মে) দুপুরে ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মুখপাত্র নাজমুল ইসলাম এ অনুরোধ জানান।তিনি বলেন, সরকার পরামর্শ দিয়েছিল আমরা যেন এবারের ঈদে নিজ নিজ অবস্থান ছেড়ে বাইরে চলে না যাই। কিন্তু আমরা দেখেছি, বড় সংখ্যক মানুষ এই পরামর্শ উপেক্ষা করেও নানাভাবে ঘরে ফেরার চেষ্টা করেছেন। সেখানে কিছু মর্মান্তিক দৃশ্য দেখেছি।

অধিদপ্তরের এ মুখপাত্র বলেন, যারা বাড়িতে গেছেন, এখনও অফিস খোলেনি। স্কুল-কলেজে দেরি করে ফিরলেও কোনো ক্ষতি হচ্ছে না, তারা অন্তত সাত থেকে ১৪ দিন দেরি করে ফিরে আসবেন।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঢাকায় ফেরার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, যাদের ইতোমধ্যে উপসর্গ দেখা গেছে, তারা নিকটস্থ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা জেলা সদর হাসপাতালে আরটি-পিসিআর পরীক্ষা অবশ্যই করিয়ে নেবেন। ফিরে আসার সময় শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতেই হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভারত থেকে যারা এসেছেন তাদের আমরা প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রেখেছি। যাদের উপসর্গ আছে তাদের নিয়মিত পরীক্ষা করছি। গত মাসে শেষ সপ্তাহে যে পরীক্ষাগুলো করা হয়েছিল, তাদের মধ্যে যাদের পজিটিভ পাওয়া গিয়েছিল, সেখান থেকে জিনোম সিকোয়েন্সে মাধ্যমে আমরা জানলাম, ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টকে আমরা চিহ্নিত করতে পেরেছি। ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তদের মধ্যে পাঁচ জন একদম সুস্থ আছেন। তাদের সংস্পর্শে যারা এসেছিল, সেখানেও আমরা কোনো সংক্রমিত রোগী পাইনি। এখন পর্যন্ত ছয়টি ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। নতুন করে আরও জিনোম সিকোয়েন্স হচ্ছে, নতুন ভ্যারিয়েন্ট আমরা জানাবো।


মাস্ক পরিধানে এবং খুলতে সাবধানতা
                                  

মহামারি করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত মানুষের জনজীবন। প্রতিদিন হু-হু করে বাড়ছে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। করোনাভাইরাস মহামারি যত দিন না শেষ হচ্ছে তত দিন মাস্ক হবে প্রত্যেকের আবশ্যক নিত্যসঙ্গী। তবে মাস্ক শুধু পরে থাকা যথেষ্ট নয়। মাস্ক ব্যবহার করার নিয়ম জেনে নেওয়াও জরুরি।চিকিৎসকরা এখন সাধারণত সার্জিকাল মাস্ক ব্যবহার করার উপদেশ দিচ্ছেন। নির্ধারিত সময়ের জন্য তা ব্যবহার করে, নিয়ম মেনে বর্জন করতে হবে। পরার সময়ে যেমন সতর্ক থাকতে হবে, তার চেয়েও বেশি সাবধান হতে হবে মাস্ক খোলার সময়ে। ব্যবহৃত মাস্কে জমে থাকা জীবাণু যাতে আপনার ক্ষতি না করতে পারে, সে বিষয়ে সাবধান থাকা জরুরি।

মাস্ক খোলার সময় যেসব নিয়ম মানতে হবে:

মাস্ক ধরার আগে সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত পরিষ্কার করা জরুরি।

মাস্কটি সতর্কতার সঙ্গে এমনভাবে পরুন যেন তা সম্পূর্ণভাবে নাক ও মুখ ঢেকে রাখে এবং এমনভাবে বাঁধুন যেন মুখ ও মাস্কের মাঝে কোনো ফাঁকা না থাকে।

আট ঘণ্টা ব্যবহার করা হয়ে গেলে সেই সার্জিকাল মাস্ক ফেলে দেওয়া ভালো। 

কোনো কারণে পরিহিত মাস্কটি ভিজে বা অপরিষ্কার হয়ে গেলে তা খুলে ফেলে সঙ্গে সঙ্গে আর একটি মাস্ক পরিধান করুন।

মাস্ক পরিধান বা খোলার সময় মাস্কের দুই পাশের ফিতা/ইলাস্টিকটি ব্যবহার করুন, মাস্কের সামনের অংশ স্পর্শ করবেন না। তাই মাস্ক ব্যবহারে আমাদের আরও সচেতন হতে হবে।

রাস্তায় বা ময়লা ফেলার জায়গায় মাস্ক ফেলা যাবে না। কোনও কাগজের ব্যাগে ভরে ফেলতে হবে। যাতে জীবাণু না ছড়ায়।

মাস্ক খোলার পর অন্য কিছুতে হাত দেওয়ার আগে আবার ভালোভাবে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে।।

ওজন ও মেদ কমাতে পারে চাল কুমড়া
                                  

চাল কুমড়া একজি সবজি। গ্রামে গঞ্জে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ঘরের চালে এ সবজি হয় বলে এটি চাল কুমড়া নামে পরিচিত। তবে এ সবজিটি মাচায় এবং জমিতেও চাষ করলে ফলন ভালো হয়। তরকারি হিসেবে খাওয়া ছাড়াও এ সবজি দিয়ে মোরব্বা, হালুয়া, পায়েস ও বড়ি তৈরি করা হয়ে থাকে।শুধু চাল কুমড়াই নয় এর কচি পাতা ও ডগা শাক হিসেবে খাওয়া হয়। চাল কুমড়াতে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন, খনিজ, শর্করা ও ফাইবার পাওয়া যাওয়ায় এটি শরীরের জন্য দারুণ উপকারী। নিয়মিত চাল কুমড়া খেলে যেসব উপকারিতা মিলবে।

১. চাল কুমড়াতে অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল উপাদান থাকায় এটি পেট এবং অন্ত্রের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সাহায্য করে। এটি গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সংক্রমণ বা আলসার রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এটি পাকস্থলীতে তৈরি হওয়া অ্যাসিড দূর করতে সাহায্য করে।

২. চাল কুমড়া মানসিক রোগীদের জন্য ওষুধ হিসেবে কাজ করে, কারণ এটি মস্তিষ্কের নার্ভ ঠান্ডা রাখে। এ জন্য চাল কুমড়াকে ব্রেইন ফুড বলা হয়।

৩. প্রতিদিন চাল কুমড়ার রস খেলে যক্ষ্মা রোগের উপসর্গ কেটে যায়। চাল কুমড়া রক্তপাত বন্ধ করতে সাহায্য করে।

৪. চাল কুমড়া শরীরের ওজন ও মেদ কমাতে অনেক উপকারী। এটি রক্তনালিতে রক্ত চলাচল সহজ করে। চাল কুমড়া অধিক ক্যালরি যুক্ত খাবারের বিকল্প হিসেবেও খাওয়া যায়।

৫. মুখের ত্বক এবং চুলের যত্নেও চাল কুমড়ার রস অনেক সাহায্য করে। চাল কুমড়ার রস নিয়মিত চুল ও ত্বকে মাখলে চুল চকচকে হয় এবং ত্বক সুন্দর হয়। ত্বকে বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করতেও চাল কুমড়া সাহায্য করে।

৬.চাল কুমড়োর বীজ গ্যাস্ট্রিক রোগ নিরাময়ে ভূমিকা রাখে। কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা এবং প্রস্রাব কোনও কারণে অনিয়মিত হয়ে গেলে চাল কুমড়া খেলে উপকার পাওয়া যায়।

প্রতিদিন কতটুকু আনারস খাওয়া সঠিক?
                                  

মৌসুমি ফলগুলোর মধ্যে আনারস অন্যতম। বর্তমানে বাজারে গেলেই এই ফলটির দেখা মেলে। সহজলভ্যতা ও সাশ্রয়ী হওয়ায় ফলটির চাহিদাও তুঙ্গে। তাছাড়া গরমে বেশ আরামও দিয়ে থাকে আনারস। মৌসুমি ফল আনারস স্বাস্থ্যের জন্যও বেশ উপকারী। তাই ছোট-বড় সবারই আনারস খাওয়া জরুরি।
আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে রোগ প্রতিরোধী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা শরীরকে ফিট ও সুস্থ রাখে। আনারস ফাইবার, ভিটামিন-সি, পটাশিয়াম, ফোলেট, ম্যাগনেসিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ সমৃদ্ধ। তাইতো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে আনারস খেতে পারেন। ফ্ল্যাভোনয়েড থাকায় আনারস পুষ্টিগুণেও ভরপুর।

তবে আমাদের মাঝে অনেকেই আছেন যারা জানেন না রোগ প্রতিরোধে প্রতিদিন কতটুকু আনারস খাওয়া সঠিক? তাই চলুন জেনে নেয়া যাক রোগ প্রতিরোধে প্রতিদিন কতটুকু পরিমাণ আনারস খাওয়া জরুরি-

আনারসের রস না খেয়ে ফল খাবেন, তবেই পুষ্টি সম্পূর্ণ হয়। কারণ রসে ফাইবার থাকে না।

একটা পুরো আনারস নয় বরং রোজ অর্ধেকটুকু খান।

নিয়মিত ছোট বাটির এক বাটি অর্থাৎ কয়েক টুকরো আনারস খেলে সহজেই বেশ কিছু রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে।

পাঁচ থেকে ছয় টুকরো আনারস প্রতিদিন ডায়েটে রাখলে তা যথেষ্ট উপকারী।

এছাড়াও ফেনলিক অ্যাসিড বা ফ্ল্যাভেনয়েড থাকায় এই ফল পুষ্টিগুণে ভরপুর। এছাড়াও বর্ষাকালে হজমের একটা সমস্যা দেখা যায়। সেক্ষেত্রে ব্রোমেলেইন উৎসেচক প্রোটিনের অণুগুলোকে ভেঙে দেয়। ক্ষুদ্রান্ত্রের শোষণে সুবিধা হয়।

ডাবল চিন থেকে রক্ষা পাওয়ার জাদুকরী উপায়
                                  

ওজন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আমাদের দেহেও কিছু পরিবর্তন দেখা যায়। যেমন- পেট, হাতের বাহু, কোমর ইত্যাদিতে মেদ জমা। সেই সঙ্গে চিবুকেও ডাবল চিন দেখা দেয়। এছাড়াও বংশগত বৈশিষ্ট্য, বয়সসহ বিভিন্ন কারণে ডাবল চিন দেখা দিতে পারে। যা খুবই বিরক্তিকর। কারণ গলার এই বাড়তি মেদ মুখের সম্পূর্ণ সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয়।
লোকের চোখে যাতে এই ডাবল চিন ধরা না পড়ে, তাই এটি ঢাকার জন্য অনেকেই স্কার্ফ ব্যবহার করেন। আবার অনেকে হাই কলার ড্রেস পরিধান করে। যা খুবই অস্বস্তিকর। এই সমস্যা সমাধানের জন্য অনেকে ডাক্তারের শরণাপন্ন হন। তবে আজকে আপনাদের জন্য রয়েছে এমন কিছু উপায়, যা অনুসরণ করে আপনি ঘরে বসেই ডাবল চিনের সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।

চলুন তবে জেনে নেয়া যাক ডাবল চিনে মেদ জমা সমস্যা সমাধানের কিছু জাদুকরী উপায়-

ডাবল চিন থেকে রক্ষা পেতে হলে ডায়েটে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। জাংক ফুড, ফাস্ট ফুড এবং অন্যান্য খাবার যা ক্যালরি এবং ফ্যাটে পরিপূর্ণ সেগুলো খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিন।

খাবারের তালিকায় ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাদ্য যেমন ব্রাউন রাইস, বার্লি, মটরশুঁটি, আপেল এবং সবুজ শাক সবজি রাখার চেষ্টা করুন।

সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন তৈলাক্ত মাছ খাবারের লিস্টে রাখুন। মাছের ওমেগা ৩ এবং ওমেগা ৬ তেল মুখের ইলাস্টিসিটি উন্নতি করে।

দিনে কয়েকবার সুগার ফ্রি চুউইং গাম চিবাতে পারেন। খাবারে লবণের পরিমাণ কমান এবং খাবার খাওয়ার সময় ভালো মতো চিবিয়ে খান।

এছাড়াও প্রতিদিন ১ ঘণ্টা শারীরিক এক্সার্সাইজ এবং ২০ মিনিট মুখের এক্সার্সাইজ করার অভ্যাস করুন।

অ্যাকজিমা সারাতে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার ব্যবহার করবেন যেভাবে
                                  

এটোপিক ডার্মাটাইটিস। যা অ্যাকজিমা নামেই বেশি পরিচিত। এটি একটি চর্মরোগ। এর কারণে ত্বক শুষ্ক, লালচে ও চুলকানি সৃষ্টি হয়। জেনে রাখা ভালো, অ্যাকজিমার প্রতিকার নেই।
তবে চিকিত্সার মাধ্যমে এর অস্বস্তিকর লক্ষণগুলো সারিয়ে তোলা সম্ভব। অনেকেই ঘরোয়া প্রতিকার হিসেবে নারকেল তেল ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু জানেন কি, অ্যাপেল সিডার ভিনেগার অ্যাকজিমা সারাতে বেশ কার্যকর। নিশ্চয়ই অ্যাপেল সিডার ভিনেগারের গুণাগুণ সম্পর্কে সবারই জানা। এটি ওজন কমাতে,এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে জাদুর মতো কাজ করে। জানেন কি? এ উপাদানটি ত্বকের দীর্ঘমেয়াদি চর্মরোগ সারিয়ে তুলতেও জাদুর মতোই কাজ করে।

ত্বক অ্যাকজিমাপ্রবণ হলে ত্বকের পিএইচ স্তরগুলো বাড়তে থাকে। এর ফলে ত্বক হয়ে পড়ে আর্দ্র। র‌্যাশ বের হয়, ফলে চুলকানি ও জ্বালাপোড়া হয়ে থাকে। অ্যাপেল সিডার ভিনেগার অ্যাসিডিক হওয়ায় এটি ব্যবহারে ত্বকের প্রাকৃতিক পিএইচ ভারসাম্য ফিরে আসে।

অ্যাকজিমার জন্য এসিভি যেভাবে কাজ করে

পিএইচ লেভেল ৭ এর উপরে গেলেই ত্বক ক্ষারীয় হয়ে পড়ে। স্বাস্থ্যকর ত্বকের প্রাকৃতিক পিএইচ স্তর ৫ এর কম। অ্যাকজিমাযুক্ত ব্যক্তিদের শরীরে অন্যদের তুলনায় পিএইচ মাত্রা বেশি থাকে।

গবেষকদের মতে, পিএইচ স্তরগুলো ত্বককে রক্ষা করে। অ্যাসিডিটির স্তরগুলো ত্বকের মাইক্রোবায়োটার ভাঙ্গনের সঙ্গে সম্পর্কিত। যা ত্বককে খারাপ ব্যাকটেরিয়া থেকে রক্ষা করে।

সাবান, শ্যাম্পুসহ বিভিন্ন প্রসাধনীর ব্যবহার ত্বকের পিএইচ স্তরকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করে। এমনকি ট্যাপের পানি ত্বকের অম্লতা হ্রাস করে। এসব কারণে অ্যাকজিমাপ্রবণ ত্বকে মারাত্মক লক্ষণ প্রকাশ পায়।

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার ব্যবহারে ত্বকের পিএইচ স্তর নিয়ন্ত্রণে আসে। এসিভিতে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্যও রয়েছে। এটি ক্ষেত্রবিশেষ সাবানের পরিবর্তেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

অ্যাকজিমার জন্য যেভাবে এসিভি ব্যবহার করবেন

গোসলের পানিতে এসিভি ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য গোসলের পানিতে এসিভি মিশিয়ে ১৫-২০ মিনিট ত্বকে ব্যবহার করুন।

এসিভি ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন। এসিভি ত্বক আর্দ্র করে পিএইচ ভারসাম্য পুনরুদ্ধার করে। এজন্য ১ টেবিল চামচ এসিভিতে ১/৪ কাপ এক্সট্রা ভার্জিন নারকেল তেল মিশিয়ে নিন।

এসিভিতে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যা ত্বকের স্ট্যাফ ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। এটি ত্বকের যেকোনো সংক্রমণের আশঙ্কা দূর করে। টোনার হিসেবে এসিভি পানিতে মিশিয়ে ত্বক পরিষ্কারের জন্য ব্যবহার করতে পারেন।

তেলের সঙ্গেও এসিভি ব্যবহার করতে পারেন। এতে রয়েছে অ্যান্টি-ফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য। যা ম্যালাসেজিয়া নামক খুশকি সৃষ্টিকারী ছত্রাকের বিরুদ্ধে লড়াই করে। অ্যাকজিমা এবং ম্যালাসেজিয়া সৃষ্টিকারী ছত্রাক একই ধরনের। ১ টেবিল চামচ এসিভিতে ১/৪ কাপ সূর্যমুখী তেল মিশিয়ে চুলে ও মাথার ত্বকে ব্যবহার করুন।

অ্যাকজিমা কারণে তীব্র জ্বালাপোড়া অনুভব করলে, একটি ভেজা কাপড়ে এসিভি মিশিয়ে নিন। ১ কাপ গরম পানিতে ১ টেবিল চামচ এসিভি মিশিয়ে একটি সুতি কাপড় ভিজিয়ে নিন। অ্যাকজিমার স্থানে কাপড়টি বেধে রাখুন। কমপক্ষে তিন ঘণ্টা এমনকি সারারাত এটি ব্যান্ডেজের মতো আক্রান্ত স্থানে বেঁধে রাখুন। এসিভি ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়াগুলোকে মেরে ফেলে।

সতর্কতা

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের সময় আগে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলতে হবে। অ্যাকজিমা আপনার শরীরের জন্য সঠিক কি-না, তা পরীক্ষার জন্য কানের পেছনে বা হাতে লাগিয়ে দেখবেন ব্যবহারের আগে। যদি এসিভি জ্বালা সৃষ্টি করে তবে ব্যবহার বন্ধ করুন।

১০ রোগ থেকে মুক্তি দেবে বরই
                                  

ছোট কিংবা বড় সবারই খুব পছন্দের একটি মৌসুমি ফল হচ্ছে বরই। স্বাদের টক ও মিষ্টি দুই-ই হয়ে থাকে। কাঁচা অবস্থায় সবুজ আর পাকলে লাল রঙের হয়ে থাকে এই ফলটি। তবে এই ফলটি কাঁচা কিংবা পাকা, যেকোনো অবস্থাতেই খাওয়া যায়। এমনকি শুকনো বরইও খেতে বেশ লাগে। বরইয়ের তৈরি আচার খেতেও অসাধারণ লাগে।
জানেন কি, ছোট্ট গোলগাল এই ফলটি শুধু খেতেই সুস্বাদু নয়, এটি আপনার শরীরের জন্যও অনেক উপকারী। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক বরই আমাদের যে ১০ ভয়াভহ রোগ থেকে মুক্তি দেয়-

বরই অবসাদ এবং দুশ্চিন্তা দুর করে।

শরীরের ফ্রি র‍্যাডিকেলগুলো লিভারের ক্ষতি করে। বরই এর মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি লিভারকে সুরক্ষা প্রদান করে।

বরইতে ফ্যাট নাই বললেই চলে। ২ আউন্স (প্রায় ৪টি) বরই খেলে শরীরে ৪৪ ক্যালরি শক্তি যোগান দেয়, কিন্তু ফ্যাট প্রায় শূন্য। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণেও এরা সাহায্য করতে পারে।

এই ফলে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন ইত্যাদি সহ আরো অনেক ভিটামিন ও মিনারেল পাওয়া যায় যা হাড় শক্ত ও মজবুত করতে সাহায্য করে।

বরইতে থাকা আয়রন ও ফসফরাস শরীরে রক্ত উৎপাদন এবং রক্ত সঞ্চালনের প্রক্রিয়া বৃদ্ধি করে।

বরই এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান বিদ্যমান, যারা টিউমারের উপর সাইটোটক্সিক প্রভাব বিস্তার করে। যার ফলে শরীরে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

শুকনো বরই এর মধ্যে স্যাপোনিন, অ্যাল্কালয়েড এবং ট্রাইটারপেনয়েড উপাদান থাকে। যা রক্ত পরিশুদ্ধ করে এবং হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে।

ইনসোমনিয়া এবং দুশ্চিন্তা অনেক মানুষের ক্ষেত্রে দেখা যায়। বরই এর শক্তিশালী কেমিক্যালগুলো অনিদ্রা এবং দুশ্চিন্তা কমিয়ে আনতে সাহায্য করে।

বরইতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ফ্রি র‍্যাডিকেলগুলোকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। এছাড়াও এর মধ্যে ভিটামিন সি, এ, বি২, ফাইটোকেমিক্যাল ইত্যাদি পাওয়া যায় যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

এছাড়াও বিভিন্ন দেশে পেটের সমস্যা দূর করতে, মাংসপেশি শক্তিশালী করতে এই ফল ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

দুধের সঙ্গে যে খাবার খাবেন না
                                  

শরীরের পুষ্টির জন্য দুধের তুলনা নেই। তবে সেই পুষ্টির সঙ্গে যদি ভুল খাবার খাওয়া হয়, তাহলে হিতেবিপরীত হতে পারে। অনেকেই দুধের সঙ্গে চকলেট, কখনো বা ফল মিশিয়ে খেয়ে থাকেন। কিন্তু সেই সব খাবার কতটা স্বাস্থ্যসম্মত এ ব্যাপারে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।যেমন-

দুধ ও ডিম : উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ পানীয়ের মধ্যে একটি হল দুধ। এটি ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ খনিজেরও উৎস। কিন্তু আয়ুর্বেদ চিকিৎসা অনুযায়ী ডিম ও দুধ একসঙ্গে খাওয়া ঠিক নয়। কারণ দুটি খাবার একসঙ্গে খেলে হজমে সমস্যা হয়। এছাড়া দুধের সঙ্গে যে কোনও তেলেভাজা খাবার খেলেও তার মারাত্মক প্রভাব পড়ে শরীরে।

কলা ও চেরি: কলা ও চেরি কখনই দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া ঠিক নয়। তাহলে হজমজনিত সমস্যা বাড়ে।

দুধ ও টকদই: দুধ -টকদই একসঙ্গে খেলে হজম হয় না। এছাড়াও টকদইয়ের সঙ্গে কখনোই কোনো গরম খাবার খাবেন না। দই শরীরকে ঠান্ডা রাখে। এমনকী পরোটা জাতীয় খাবারের সঙ্গেও দই খাওয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকর।

দুধ ও লেবু: দুধ খাওয়ার পরে ভুলেও টকজাতীয় কোনো জিনিস যেমন-লেবু খাবেন না। এতে অ্যাসিডিটি হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে, যা থেকে পেটেরও সমস্যা হয়।

দুধ ও ইস্ট জাতীয় খাবার: দুধ সবসময় টাটকা খাওয়ার চেষ্টা করুন। চাইলে দুধের সঙ্গে গুড় মিশিয়ে খেতে পারেন কিন্তু ইস্টজাতীয় (ময়দা, দই,  চিনি সফ গুড়ো দিয়ে বানানো একটি খাদ্য উপাদান) খাবার ভুল করেও দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খাবেন না।

টিকা নিলেন তিন বিচারপতি
                                  

গণটিকাদানের প্রথম দিন রোববার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) টিকা নিয়েছেন হাইকোর্টের তিন বিচারপতি। তারা হলেন- বিচারপতি জিনাত হক, ‍বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি রুহুল কুদ্দুস।  এদিন ঢাকায় প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিবদের অনেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে টিকা নেবেন। এর আগে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) গণহারে করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। 

এদিন তিনি বলেন, দেশের সব জেলার সঙ্গে আমরা যুক্ত হয়েছি। সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ আছেন। তাদের সঙ্গে আমরা ভ্যাকসিন নেব। এটা নিয়ে যেন কোনো রকমের রিউমার না হয়। এই ভ্যাকসিন খুবই নিরাপদ, যতগুলা ভ্যাকসিন আছে তাদের মধ্যে এটা সবচেয়ে নিরাপদ। এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। আমরা হাজার হাজার মানুষকে ভ্যাকসিন দেব, লাখও ছাড়িয়ে যেতে পারে। 

ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোভিড-১৯ এর টিকাদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন
                                  

মোঃ আফজাল হোসেন, ফুলবাড়ী দিনাজপুর প্রতিনিধি
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন।
গতকাল রবিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবনে কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আতাউর রহমান মিল্টন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপত্বি করেন উপজেলান স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মশিউর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রিয়াজ উদ্দীন, দিনাজপুর ৪২-বিজিবি’র সেক্টরের মেডিকেল অফিসার লেঃ কর্ণেল সাইফুল ইসলাম। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মঞ্জ রায় চৌধুরী, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নীরু সামসুন্নাহার, পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব মাহমুদ আলম লিটন, ফুলবাড়ী থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফখরুল ইসলাম।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ফুলবাড়ী উপজেলা খয়ের বাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আবু তাহের মন্ডল, বেতদীঘি ইউপি চেয়ারম্যান শাহ মোঃ আব্দুল কুদ্দুস, দৌলতপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ মন্ডল, আলাদীপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোজাফ্ফর হোসেন, কাজিহাল ইউপি চেয়ারম্যনা মানিক রতন।
টিকা দানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর কর্মকর্তা কর্মচারী, নার্স, ডাক্তার ও ফুলবাড়ী প্রেস ক্লাব ও ফুলবাড়ী থানা প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবি’র ১৫ জন সৈনিক ও কৃষককে কোভিড-১৯ এর টিকা প্রদান করেন। প্রথম টিকা প্রদান করা হয় ২৯-বিজিবি’র প্রধান সহকারী উত্তম কুমার শিং কে। আয়োজনে ছিলেন, ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।

টিকা নিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক
                                  

করোনা ভাইরাসের টিকা নিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) গণহারে করোনা ভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করার পর তিনি টিকা গ্রহণ করেন।রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে করোনা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, `আমরা আজকে একটি মহৎ কাজ করতে যাচ্ছি। বাংলাদেশে প্রথম কোভিড-১৯ দেখা দেয় ৮ মার্চ। তখন আমরা রোগী শনাক্ত করতে সক্ষম হই এবং ১৮ মার্চ প্রথম করোনায় মৃত্যু হয়। তখন থেকেই আমরা প্রস্তুতি গ্রহণ শুরু করি। সব কিছু মিলিয়ে আমরা সুফল পায়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা এগোতে থাকি। অনেক সমালোচনা হয়েছে, সমস্ত সমালোচনার উর্ধ্বে উঠে আমরা কাজ করতে থাকি।`

তিনি বলেন, `বাংলাদেশের অবস্থান অন্যন্য দেশের থেকে তুলণামূলক অনেক ভালো। আমরা জুন মাস থেকে ভ্যাকসিন আনার কাজ শুরু করি। আজকে আমরা সারাদেশব্যাপী ভ্যাকসিন কার্যক্রম উদ্ধোধন করতে যাচ্ছি। দেশের সকল জেলার সাথে আমরা যুক্ত হয়েছি।`

মন্ত্রী বলেন, আজকে আমরা দেশের সকল সম্মানিত ব্যক্তিদের সাথে একসাথে ভ্যাকসিন গ্রহণ করব। এই ভ্যকসিন নিয়ে যাতে কোন ভুয়া তথ্য না ছড়ায় এই আশা করছি। এই ভ্যাকসিন সব চেয়ে বেশি নিরাপদ। যতগুলো ভ্যাকসিন আছে তারমধ্যে অ্যাষ্ট্রোজেনেকার ভ্যাকসিন বেশি নিরাপদ। এর পার্শপ্রতিক্রিয়া নেই বললেই চলে। যতগুলো মানুষকে আমরা ভ্যাকসিন দিয়ে তারা সবাই ভালো আছে সুস্থ আছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, ভ্যাকসিন অ্যাপসের মাধ্যমে নিবন্ধিত হচ্ছে। যদি অ্যাপসের মাধ্যমে কেউ নিবন্ধন না করতে পারেন তাহলে আমাদের আরো নির্দেশনা আছে তারা ইউনিয়ন বা উপজেলায় গিয়ে তথ্য সেন্টারের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন এবং ভ্যাকসিন নিতে পারবেন। এটাও যদি না পারে তাহলে তারা আসলেই ভ্যাকসিন নিতে পারবে। ফর্ম ফিলাপ করলেই তারা ভ্যাকসিন পাবে। ভ্যাকসিন না নিয়ে কেউই যাবে না। আমাদেরই এটিই লক্ষ্য। আমাদের কাছে ৭০ লাখ ভ্যাকসিন আছে। যেটা ৩৫ লাখ লোককে আমরা দুই ডোজ করে দিতে পারব। 

তিনি আরো বলেন, সারা বছরব্যাপী আমাদের এই করোনা ভাইরাসের টিকা কর্মসূচী চলবে। এটা একদিনের বিষয় নয়, এক মাসের বিষয় নয়। সারা বছর ধরে এই ভ্যাকসিন কার্যক্রম চলমান থাকবে। আমাদের ভ্যাকসিন আসতে ছয় মাস লাগবে। তারপর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে কোভ্যাক্স ভ্যাকসিন আসবে। তারপর থেকে থেকে আমরা সেই ভ্যাকসিন দিতে থাকব। 

স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, টিকা নিতে ইতোমধ্যে তিন লাখ ২৮ হাজার জন নিবন্ধন করেছেন। টিকার কর্মসূচী সফল করতে সকল প্রকার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেই এই কর্মসূচী শুরু করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

জানা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে প্রধান বিচারপতি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব টিকা নেবেন।

এর আগে গত ২৭ জানুয়ারি দেশে প্রথম করোনা টিকার প্রথম পরীক্ষামূলক কর্মসূচি শুরু হয়। এদিন প্রথম টিকা নেন রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স রুনু ভেরোনিকা কস্তা। প্রথম দফায় কয়েকজন ফ্রন্টলাইনারকে পরীক্ষামূলক টিকা দেওয়া হয়। 

স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখা সূত্রে জানা গেছে, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সর্বমোট এক হাজার ১৫টি হাসপাতালে টিকা বা ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। স্বাস্থ্যকর্মীদের ২ হাজার ৪০২টি দল টিকাদানে নিয়োজিত থাকবে। ঢাকায় ৬৫টি স্থানে টিকাদান হবে। সেখানে কাজ করবে স্বাস্থ্যকর্মীদের ২০৬টি দল।

টিকা নিলেন ডা. জাফরুল্লাহ, বললেন সবাইকে নিতে
                                  

করোনা ভাইরাসের টিকা নিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি করোনার টিকা নেন।করোনা টিকা নেওয়ার পর ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, টিকা নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। এ সময় তিনি দেশবাসীকে এই টিকা নেয়ার আহ্বান জানান।

এর আগে একই দিন সকাল ১০টায় স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে গণহারে করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করার পর তিনি টিকা গ্রহণ করেন। এ ছাড়াও টিকা নেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামসহ আরও অনেক বিশিষ্টজন।

১৫ হাজার পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত ৪৮৫, মৃত্যু ১৩
                                  

মহামারি করোনা ভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ১৩ জন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮ হাজার ১৭৫ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও ৪৮৫ জনের শরীরে। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা শনাক্ত দাঁড়াল ৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩০ জন।বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংস্থার অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এদিন সুস্থ হয়েছেন আরও ৬১১ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৮১ হাজার ৯১৭ জন।

এর আগে বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দেশে আরও ৫২৫ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে মারা যান ১৩ জন।এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১০ কোটি ৪৯ লাখ ১ হাজার ৭০৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২২ লাখ ৭৮ হাজার ৪৪০ জনের। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন সাত কোটি ৬৬ লাখ ২৯ হাজার ৪৩৪ জন।

করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন দুই কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার ৪৫৭ জন। মৃত্যু হয়েছে চার লাখ ৬১ হাজার ৯৩০ জনের।

আক্রান্তে দ্বিতীয় ও মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছেন এক কোটি সাত লাখ ৯১ হাজার ১২৩ জন এবং মারা গেছেন এক লাখ ৫৪ হাজার ৭৪২ জন।

আক্রান্তে তৃতীয় এবং মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত করোনায় ৯৩ লাখ ৩৯ হাজার ৪২০ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে দুই লাখ ২৭ হাজার ৫৬৩ জনের।

আক্রান্তের দিক থেকে রাশিয়া চতুর্থ স্থানে রয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৯ লাখ ১ হাজার ২০৪ জন। ভাইরাসটিতে মারা গেছে ৭৪ হাজার ৬৮৪ জন।

আক্রান্ত ও মৃত্যুর হিসাবে যুক্তরাজ্য বিশ্বে পঞ্চম স্থানে রয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৩৮ লাখ ৭১ হাজার ৮২৫ জন। এর মধ্যে মারা গেছে এক লাখ নয় হাজার ৩৩৫ জন। 

এদিকে আক্রান্তের তালিকায় ফ্রান্স ষষ্ঠ, স্পেন সপ্তম, ইতালি অষ্টম, তুরস্ক নবম এবং জার্মানি দশম স্থানে আছে। এছাড়া বাংলাদেশের অবস্থান ৩১তম।

গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯।

গ্যাস্ট্রিক নির্মূলের কার্যকরী ঘরোয়া পদ্ধতি
                                  

গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি। এ যেন এক আতঙ্কের নাম। এ গ্যাস্ট্রিক যেন এখন সবার ঘরে ঘরে। মূলত খাবারের বদহজমে গ্যাস্ট্রিক হয়ে থাকে। ফলে ডায়রিয়া, বমি ও পেটে ব্যথা হতে পারে। এমনকি জ্বর, শক্তির অভাব এবং পানিশূন্যতা ঘটতে পারে।পৃথিবীতে গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি ভালো করার অসংখ্য ওষুধ রয়েছে। তবে আমরা ওষুধ এর পাশাপাশি ঘরোয়াভাবে এ রোগটি খুব সহজেই প্রতিরোধ করতে পারি। চলুন দেখে নেওয়া যাক কীভাবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে গ্যাস্ট্রিক নির্মূল করা যায়।দারুচিনির ব্যবহার: দারুচিনি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সমাধানে বিশেষভাবে কার্যকরী। দারুচিনি অ্যাসিডিটি, পেটে ব্যথা এবং পেটের গ্যাসের সমস্যা সমাধান করে তাৎক্ষণিকভাবেই।

কফি, ওটমিল কিংবা গরম দুধে দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন, খুব দ্রুত ফলাফল পাবেন। তবে যদি দুধে সমস্যা থাকে তাহলে দুধ খাবেন না।

চাইলে পানিতে দারুচিনি গুঁড়ো ফুটিয়ে ছেঁকে মধু মিশিয়ে চায়ের মতো পান করতে পারেন। এতেও সমস্যার উপশম হবে।

লাইফস্টাইল ডেস্ক
 
  
আপডেট
৩০-০১-২০২১, ০৬:২৮

গ্যাস্ট্রিক নির্মূলের কার্যকরী ঘরোয়া পদ্ধতি

গ্যাস্ট্রিক নির্মূলের কার্যকরী ঘরোয়া পদ্ধতি
গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি। এ যেন এক আতঙ্কের নাম। এ গ্যাস্ট্রিক যেন এখন সবার ঘরে ঘরে। মূলত খাবারের বদহজমে গ্যাস্ট্রিক হয়ে থাকে। ফলে ডায়রিয়া, বমি ও পেটে ব্যথা হতে পারে। এমনকি জ্বর, শক্তির অভাব এবং পানিশূন্যতা ঘটতে পারে।

পৃথিবীতে গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি ভালো করার অসংখ্য ওষুধ রয়েছে। তবে আমরা ওষুধ এর পাশাপাশি ঘরোয়াভাবে এ রোগটি খুব সহজেই প্রতিরোধ করতে পারি। চলুন দেখে নেওয়া যাক কীভাবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে গ্যাস্ট্রিক নির্মূল করা যায়।

দারুচিনির ব্যবহার: দারুচিনি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সমাধানে বিশেষভাবে কার্যকরী। দারুচিনি অ্যাসিডিটি, পেটে ব্যথা এবং পেটের গ্যাসের সমস্যা সমাধান করে তাৎক্ষণিকভাবেই।

কফি, ওটমিল কিংবা গরম দুধে দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন, খুব দ্রুত ফলাফল পাবেন। তবে যদি দুধে সমস্যা থাকে তাহলে দুধ খাবেন না।

চাইলে পানিতে দারুচিনি গুঁড়ো ফুটিয়ে ছেঁকে মধু মিশিয়ে চায়ের মতো পান করতে পারেন। এতেও সমস্যার উপশম হবে।

বেকিং সোডার ব্যবহার: বেকিং সোডার অ্যাসিডিক উপাদান পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, গ্যাস দূর করে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সমাধানে কাজ করে।

১/৪ চা চামচ বেকিং সোডা ১ গ্লাস পানিতে ভালো করে গুলে নিন। এ মিশ্রণটি পেটে সমস্যা অনুভূত হওয়ার সময়ে পান করে নিন। এতে দ্রুত ভালো ফলাফল পাবেন।আদার ব্যবহার: আদা গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী। আদার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান প্রদাহ ও গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা উপশমে কাজ করে।

২ কাপ পানিতে ১ টেবিল চামচ আদা কুচি একটু ছেঁচে দিয়ে ফুটাতে থাকুন। পানি শুকিয়ে ১ কাপ হয়ে এলে এতে ১-২ চা চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন, বেশ ভালো ও দ্রুত ফল পাবেন। চাইলে শুধু আদা লবণ দিয়ে চিবিয়ে খেয়ে দেখতে পারেন। এতেও অনেক উপকার হবে।
সূত্র: হেলথডাইজেস্ট
এক সপ্তাহ পিছিয়েছে জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন সুষ্ঠু ও সুচারুরূপে বাস্তবায়নের জন্য এক সপ্তাহের জন্য পেছানো হয়েছে। আগের ঘোষিত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৮ অক্টোবরের পরিবর্তে আগামী ৪-১৭ অক্টোবর সময়ে উদযাপন করা হবে বলে জানিয়েছে জাতীয় পুষ্টিসেবা।

এক বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানায়, অ্যাডভোকেসি সভা, স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষণ, সাংবাদিক অরিয়েন্টেশন, প্রচার-প্রচারণা, স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী প্রন্তিক পর্যায়ে পাঠানো ও প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ এবং ক্যাম্পেইন সংক্রান্ত অন্যান্য কার্যাবলী যথাযথভাবে সম্পন্ন করার জন্য আগের ঘোষিত তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ মহামারির প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এ সেবা ও কার্যক্রম পালন করা হবে।

এ জন্য স্বাস্থ্যকর্মী ও নির্বাচিত স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়মিত কোভিড-১৯ পরীক্ষা করা এবং কোনো স্বাস্থ্যকর্মী বা স্বেচ্ছাসেবক জ্বর/সর্দি/কাশিতে আক্রান্ত হলে তার পরিবর্তে অন্যকে দায়িত্ব দিতে হবে। ক্যাম্পেইন চলাকালীন সময়ে ইপিআই কেন্দ্র, কমিউনিটি ক্লিনিক ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে (মুখে মাস্ক পড়া, সাবান ও পানি দিয়ে ২০ সেকেন্ড ধরে ভালোভাবে বার বার দুই হাত ধৌত করা/ হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে বার বার হাত পরিষ্কার করা) শিশুদের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে।

নির্ধারিত ইপিআই সিডিউল অনুযায়ী, সাধারণত প্রত্যেক ওয়ার্ডের (পুরাতন) ৮টি সাব-ব্লকে সপ্তাহে দুইদিন ইপিআই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়ে থাকে। ওই দুইদিন ছাড়া বাকি চারদিন নির্ধারিত ইপিআই কেন্দ্রে পর্যায়ক্রমে স্বাস্থ্য সহকারী, পরিবার কল্যাণ সহকারী ও স্বেচ্ছাসেবীদের শিশুদের ভিটামিন-এ ক্যাপুসল খাওয়ানো হবে। এছাড়া কমিউনিটি ক্লিনিক ও অন্যান্য সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

উপজেলার ক্ষেত্রে স্থানীয়ভাবে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা স্বাস্থ্য পরিদর্শক এবং উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা পরিবার কল্যাণ পরিদর্শকের সাথে সমন্বয় করে সপ্তাহে চারদিন নির্ধারিত ইপিআই কেন্দ্রে/পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে রুটিন দায়িত্ব হিসাবে পর্যায়ক্রমে শিশুদের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য পরিকল্পনা করতে হবে। সিটি করপোরেশন/পৌরসভার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মেয়রের পরামর্শে স্বাস্থ্য সেক্টরে কর্মরত মেডিকেল কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় করে সপ্তাহে চারদিন নির্ধারিত ইপিআই কেন্দ্রে রুটিন দায়িত্ব হিসাবে পর্যায়ক্রমে শিশুদের স্ব স্ব পৌরসভায় ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর পরকিল্পনা করবেন।

কোভিড-১৯’র সংক্রমণ প্রতিরোধের স্বার্থে কেন্দ্রসমূহে সামাজিক নিরাপত্তা বিষয়ক সতর্কতা (ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও কমপক্ষে ৩ ফুট শারিরীক দূরত্ব নিশ্চিত করা) মেনে চলার কথা বলা হয়েছে।


   Page 1 of 5
     স্বাস্থ্য
যে কারণে নারীদের গড় আয়ু পুরুষের চেয়ে বেশি
.............................................................................................
গ্রাম থেকে ১৪ দিন পর ঢাকায় ফেরার অনুরোধ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের
.............................................................................................
মাস্ক পরিধানে এবং খুলতে সাবধানতা
.............................................................................................
ওজন ও মেদ কমাতে পারে চাল কুমড়া
.............................................................................................
প্রতিদিন কতটুকু আনারস খাওয়া সঠিক?
.............................................................................................
ডাবল চিন থেকে রক্ষা পাওয়ার জাদুকরী উপায়
.............................................................................................
অ্যাকজিমা সারাতে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার ব্যবহার করবেন যেভাবে
.............................................................................................
১০ রোগ থেকে মুক্তি দেবে বরই
.............................................................................................
দুধের সঙ্গে যে খাবার খাবেন না
.............................................................................................
টিকা নিলেন তিন বিচারপতি
.............................................................................................
ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোভিড-১৯ এর টিকাদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন
.............................................................................................
টিকা নিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক
.............................................................................................
টিকা নিলেন ডা. জাফরুল্লাহ, বললেন সবাইকে নিতে
.............................................................................................
১৫ হাজার পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত ৪৮৫, মৃত্যু ১৩
.............................................................................................
গ্যাস্ট্রিক নির্মূলের কার্যকরী ঘরোয়া পদ্ধতি
.............................................................................................
এক সপ্তাহ পিছিয়েছে জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন
.............................................................................................
২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন
.............................................................................................
প্রথম করোনা ভ্যাকসিন আসছে ১২ অগস্ট
.............................................................................................
৫০ শতাংশ ক্লিনিকের লাইসেন্স নবায়ন নেই
.............................................................................................
বাতাস থেকেও ছড়ায় করোনাভাইরাস!
.............................................................................................
এ বছরই মিলবে করোনা ভ্যাকসিন!
.............................................................................................
যেসব ভুলে নষ্ট হচ্ছে আপনার চোখ!
.............................................................................................
মাত্র এক কোয়া রসুন!
.............................................................................................
কেন গর্ভাবস্থায় তরমুজ খাবেন?
.............................................................................................
এক নজরে ৬৪ জেলায় করোনাক্রান্ত
.............................................................................................
করোনার আরেকটি উপসর্গ চিহ্নিত
.............................................................................................
চোখ দেখেও বুঝতে পারবেন আপনি করোনায় আক্রান্ত কিনা!
.............................................................................................
গরমে করোনার তীব্রতা কমবে!
.............................................................................................
যেভাবে ছড়ায় করোনাভাইরাস
.............................................................................................
মাত্র ১৫ মিনিটে চিহ্নিত হবে করোনা!
.............................................................................................
করোনায় ব্যবহার করা যেতে পারে যেসব ওষুধ
.............................................................................................
করোনাঃ ঢাকা মেডিকেল কলেজ বন্ধ ঘোষণা
.............................................................................................
ঢাকা মেডিকেলের ৪ ডাক্তার হোম কোয়ারেন্টাইনে
.............................................................................................
করোনা শরীরে প্রবেশের পর যেভাবে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়
.............................................................................................
`এ` গ্রুপের রক্ত বহনকারীদের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা বেশি
.............................................................................................
করোনার প্রথম টিকা গ্রহণকারী জেনিফার হ্যালার
.............................................................................................
করোনাভাইরাস থেকে বাঁচার ১২ উপায়
.............................................................................................
করোনার লক্ষণ দেখা দিলে যা করবেন
.............................................................................................
করোনাভাইরাসের সবচেয়ে বেশী ঝুঁকিতে ধূমপায়ীরা!
.............................................................................................
করোনা: মাস্ক সরবরাহ করবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
.............................................................................................
করোনা প্রতিরোধে জাতীয় কমিটির সভা আজ
.............................................................................................
যৌন ইচ্ছা কমিয়ে দেয় যেসব খাবার
.............................................................................................
না.গঞ্জ হাম রুবেলা ক্যাম্পইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা
.............................................................................................
ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে পারে যেসব খাবার
.............................................................................................
ফুসফুসের ক্যান্সার থেকে বাঁচাবে চার উপাদান
.............................................................................................
করোনায় আক্রান্ত হলে আপনার শরীরে যা ঘটতে পারে
.............................................................................................
বিশ্ব শিশু ক্যানসার দিবস আজ
.............................................................................................
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সর্বোৎকৃষ্ট ফল পেয়ারা
.............................................................................................
গর্ভকালীন কিছু কমন সমস্যা ও করণীয়
.............................................................................................
ব্রেস্ট ক্যান্সার কাদের বেশি হয়?
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম.এ মান্নান
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ হাজী মোবারক হোসেন।। সহ-সম্পাদক : কাউসার আহম্মেদ।সহ সম্পাদক মুশিদুল আলম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আজমল হোসেন বাবু। র্বাতা সম্পাদক আবু ইউসুফ আলী মন্ডল, ফোন ০১৬১৮৮৬৮৬৮২

ঠিকানাঃ বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়- নারায়ণগঞ্জ, সম্পাদকীয় কার্যালয়- জাকের ভিলা, হাজী মিয়াজ উদ্দিন স্কয়ার মামুদপুর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। শাখা অফিস : নিজস্ব ভবন, সুলপান্দী, পোঃ বালিয়াপাড়া, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ-১৪৬০, মোবাইল : 01731190131, 01930226862, E-mail : mannannews0@gmail.com, web: notunbazar71.com, facebook- notunbazar / সম্পাদক dhaka club
    2015 @ All Right Reserved By notunbazar71.com

Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop