| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   নির্বাচন -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ভোটের আগেই তারা চেয়ারম্যান নির্বাচিত

বাগেরহাটের মোংলার ছয়টি ইউনিয়নের সব কয়টিতেই আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী ছাড়াও অনেকেই ছিলেন বিদ্রোহী প্রার্থী। বুধবার (২৪ মার্চ) ছয়টি ইউনিয়ন থেকে বিদ্রোহী ও প্রতিদ্বন্দ্বীসহ সকল প্রার্থী তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নেন। এদিকে, ওইসব ইউনিয়নে একক প্রার্থী হিসেবে টিকে যান নৌকার সমর্থিত প্রার্থীরা। ফলে তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হচ্ছেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।   

আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, নির্বাচন অফিস আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা না দিলেও বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী উদয় শংকর, সোনাইলতলায় ইউনিয়নে নাজরিনা বেগম নাজিনা, চাঁদপাই ইউনিয়নে মোল্লা তারিকুল ইসলাম, মিঠাখালী ইউনিয়নে উৎপল কুমার মন্ডল, সুন্দরবনে একরাম ইজারাদার ও চিলা ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান গাজী আকবর হোসেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। 

বিএনপি এ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ছয়টি ইউনিয়নেই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ছিল। কিন্তু বিদ্রোহীরা তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৪ মার্চ বুধবার নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। ফলে ছয়টি ইউনিয়নে এখন নির্বাচন হবে শুধু সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত সদস্যদের মধ্যে। তবে এরইমধ্যে কয়েকজন সদস্যও তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

নির্বাচন কর্মকর্তা আরও বলেন, বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য পদে একজন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এ পদে এখন নির্বাচন হবে ৩৭ জনের মধ্যে। আর সংরক্ষিত আসনে কেউ প্রত্যাহার না করায় প্রার্থী ১০ জনই আছেন। সোইনাইলতলা ইউনিয়নে একজন সাধারণ সদস্য পদ থেকে প্রত্যাহার করায় ২৮ জন ও সংরক্ষিত আসনে কেউ প্রত্যাহার না করায় ১১ জন নির্বাচন করছেন। 

মিঠাখালী ইউনিয়নে দুইজন সাধারণ সদস্য প্রত্যাহার করায় ৩৪ জন ও সংরক্ষিত আসনে কেউ প্রত্যাহার না করায় এ নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১১ জন। চাঁদপাই ইউনিয়নেও দুইজন সাধারণ সদস্য পদ প্রত্যাহার করায় ৩৬ জন ও সংরক্ষিত আসনে কেউ প্রত্যাহার না করায় ১৩ নির্বাচন অংশগ্রহণ করছেন। 

সুন্দরবন ইউনিয়নে নয়জন সাধারণ সদস্য প্রত্যাহার করায় ৩১ জন এবং সংরক্ষিত আসনে কেউ প্রত্যাহার না করায় ১২ জনই নির্বাচন করছেন। 

আর চিলা ইউনিয়নে একজন সাধারণ সদস্য পদ থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়ায় ৪২ জন ও সংরক্ষিত আসনে দুইজন প্রত্যাহার করায় ১৬ জন প্রার্থী রয়েছেন। 

আগামী ১১ এপ্রিল মোংলার ছয়টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে নারী পুরুষ মিলে মোট ভোটার রয়েছেন ৭৯ হাজার ৫৪০ জন।

ভোটের আগেই তারা চেয়ারম্যান নির্বাচিত
                                  

বাগেরহাটের মোংলার ছয়টি ইউনিয়নের সব কয়টিতেই আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী ছাড়াও অনেকেই ছিলেন বিদ্রোহী প্রার্থী। বুধবার (২৪ মার্চ) ছয়টি ইউনিয়ন থেকে বিদ্রোহী ও প্রতিদ্বন্দ্বীসহ সকল প্রার্থী তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নেন। এদিকে, ওইসব ইউনিয়নে একক প্রার্থী হিসেবে টিকে যান নৌকার সমর্থিত প্রার্থীরা। ফলে তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হচ্ছেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।   

আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, নির্বাচন অফিস আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা না দিলেও বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী উদয় শংকর, সোনাইলতলায় ইউনিয়নে নাজরিনা বেগম নাজিনা, চাঁদপাই ইউনিয়নে মোল্লা তারিকুল ইসলাম, মিঠাখালী ইউনিয়নে উৎপল কুমার মন্ডল, সুন্দরবনে একরাম ইজারাদার ও চিলা ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান গাজী আকবর হোসেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। 

বিএনপি এ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ছয়টি ইউনিয়নেই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ছিল। কিন্তু বিদ্রোহীরা তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৪ মার্চ বুধবার নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। ফলে ছয়টি ইউনিয়নে এখন নির্বাচন হবে শুধু সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত সদস্যদের মধ্যে। তবে এরইমধ্যে কয়েকজন সদস্যও তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

নির্বাচন কর্মকর্তা আরও বলেন, বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য পদে একজন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এ পদে এখন নির্বাচন হবে ৩৭ জনের মধ্যে। আর সংরক্ষিত আসনে কেউ প্রত্যাহার না করায় প্রার্থী ১০ জনই আছেন। সোইনাইলতলা ইউনিয়নে একজন সাধারণ সদস্য পদ থেকে প্রত্যাহার করায় ২৮ জন ও সংরক্ষিত আসনে কেউ প্রত্যাহার না করায় ১১ জন নির্বাচন করছেন। 

মিঠাখালী ইউনিয়নে দুইজন সাধারণ সদস্য প্রত্যাহার করায় ৩৪ জন ও সংরক্ষিত আসনে কেউ প্রত্যাহার না করায় এ নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১১ জন। চাঁদপাই ইউনিয়নেও দুইজন সাধারণ সদস্য পদ প্রত্যাহার করায় ৩৬ জন ও সংরক্ষিত আসনে কেউ প্রত্যাহার না করায় ১৩ নির্বাচন অংশগ্রহণ করছেন। 

সুন্দরবন ইউনিয়নে নয়জন সাধারণ সদস্য প্রত্যাহার করায় ৩১ জন এবং সংরক্ষিত আসনে কেউ প্রত্যাহার না করায় ১২ জনই নির্বাচন করছেন। 

আর চিলা ইউনিয়নে একজন সাধারণ সদস্য পদ থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়ায় ৪২ জন ও সংরক্ষিত আসনে দুইজন প্রত্যাহার করায় ১৬ জন প্রার্থী রয়েছেন। 

আগামী ১১ এপ্রিল মোংলার ছয়টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে নারী পুরুষ মিলে মোট ভোটার রয়েছেন ৭৯ হাজার ৫৪০ জন।

জনগণের সেবক হিসাবে পাশে থাকতে চাই । উথুরার চেয়ারম্যান প্রার্থী নূরুল ইসলাম।
                                  

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার উথুরা ইউনিয়নের তরুন উদীয়মান রাজনীতিবিধ, সমাজ সেবক, সাবেক মেধাবী ছাত্রনেতা , ৬নং চামিয়াদী ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক , ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা ও ব্যবসায়ী নূরুল ইসলাম আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে উথুরা চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ায় জনমনে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা মুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। তার প্রার্থীতায় ইউনিয়নবাসীর মাঝে আলোচিত প্রার্থী হিসাবে মানুষের মুখে-মুখে এখন রয়েছেন তিনি।

একজন জনবান্ধব তরুণ ক্লীন ইমেজধারী প্রার্থী হওয়ায় অল্প সময়ের মধ্য নিজের অবস্থান পাঁকাপোক্ত করেছেন নূরুল ইসলাম । প্রচার প্রচারনায় ব্যাস্থ সময় কাটাচ্ছেন নূরুল ইসলাম। তাঁর কর্মী, সমর্থকরা মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে জানান দিচ্ছেন নূরুল ইসলাম প্রার্থীতার খবর।উথুরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সাথে কথা বললে- তারা জানান নূরুল ইসলাম একজন সৎ, যোগ্য, শিক্ষিত, পরিশ্রমী হিসেবে পরিচিত। দলের দুর্দিনে দু:সময় এমনকি ১/১১ এর সময় দলের নেতাকর্মীর পাশে থেকে কাজ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া একজন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তিনি।তরুনদের কাছে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে আছেন তিনি। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে উথুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি সকলের নিকট টব ফেবারিট প্রার্থী।নূরুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে জনগনের প্রকৃত সেবক হতে চাই। মানুষের ভালোবাসা ও দোয়া নিয়ে নৌকার কান্ডারী হতে চাই। দলের নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করতে চাই।তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশের ছোঁয়া প্রতিটা গ্রামে গ্রামে লেগেছে। স্থানীয় সরকারে দুর্নীতি কমেছে, কাঙ্খিত উন্নয়ন হচ্ছে। উন্নয়নের পাশাপাশি সু শাসন প্রতিষ্ঠায় আমি কাজ করবো। উন্নয়ন সুশাসন নিশ্চিত করেই জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই ।

৭০ (সত্তর) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী শৌরভ দেবনাথ গ্রেফতার
                                  

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি

১০/০৩/২০২১ইং রাত ২০.২৫ ঘটিকার সময় জেলা গোয়েন্দা শাখা, লক্ষ্মীপুর এর অফিসার ইনর্চাজ জনাব এ কে এম আজিজুর রহমান মিয়া এর দিক নির্দেশনায় এসআই/মোঃ মোশারফ হোসেন, এএসআই/মোঃ সুলতান মাহাবুব ও সঙ্গীয় ফোর্স লক্ষ্মীপুর সদর থানাধীন ০১নং উত্তর হামছাদী ইউপির ০১নং ওয়ার্ড কাফিলাতলী সাকিন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া ৭০ (সত্তর) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী সৌরভ দেবনাথ(২৬), পিতা-কার্তিক দেবনাথ, মাতা-রেখা রানী দেবনাথ, সাং-হামছাদী, ৯নং ওয়ার্ড, (গোবিন্দ ডাক্তারের বাড়ী), ১নং উত্তর হামছাদী ইউপি, থানা ও জেলা-লক্ষ্মীপুর’কে গ্রেফতার করে। সে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী।

লক্ষ্মীপুর-২ আসনের উপনির্বাচনে নৌকার মাঝি এ্যাডভোকেট নূর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন
                                  

স্টাফ রিপোর্টার;-

লক্ষ্মীপুর-২ রায়পুর আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলিয় মনোনয়ন পেয়েছেন এডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন। তিনি লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক। আগামী ১১ এপ্রিল এ আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

আজ শনিবার (১৩ মার্চ) আওয়ামী লীগ সংসদীয় বোর্ড ও স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ড এ তথ্য জানায়।

এ বিষয়ে এডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন বলেন, মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। সেই সঙ্গে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সহ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যবৃন্দের প্রতি।

তিনি বলেন, আশা করছি লক্ষ্মীপুর-২ রায়পুর আসনের সাধারণ মানুষ আমাকে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচিত করে আধুনিক রায়পুর গড়ার সুযোগ করে দেবে।

তফসিল অনুযায়ী, লক্ষ্মীপুর-২ আসনের উপ-নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় আগামী ১৮ মার্চ, মনোনয়নপত্র বাছাই মার্চ ১৯, প্রার্থিতা প্রত্যাহার ২৪ মার্চ এবং ভোট গ্রহণ ১১ এপ্রিল।

কুমিল্লার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাকে উপ-নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ, এ আসনে একাদশ জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন মোহাম্মদ শহিদ ইসলাম পাপুল। গত ২৮ জানুয়ারি কুয়েতের ফৌজদারি আদালত পাপুলকে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করায় তার (লক্ষ্মীপুর-২) আসনটি গত ২২ ফেব্রুয়ারি শূন্য ঘোষণা করে সংসদ সচিবালয়। আসন শূন্য ঘোষণা গেজেট নির্বাচন কমিশনেও পাঠানো হয়। এরপর ইসি উপ-নির্বাচনের তফসিল দেয় গত ৩ মার্চ।

মেদুয়ারী ইউনিয়নে নৌকার মনোনয়ন চান ছাত্রলীগ নেতা রুবেল
                                  

ভালুকা উপজেলার ২ নং মেদুয়ারী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ হতে মনোনয়ন চান ভালুকা উপজেলা ছাত্রলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক রাইসুল ইসলাম রুবেল।ইউনিয়নের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে এই তরুন ছাত্রনেতাকে নিয়ে মানুষের মাজে এখন ব্যাপক আলোচনা চলছে।

জানা যায়ঃ  রাইসুল ইসলাম রুবেল ৫ নং ওয়ার্ডের একটি সম্ভ্রান্ত আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তান।তাহার পরিবার বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সৃষ্টিলগ্ন থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আদর্শিত।রাইসুল ইসলাম রুবেল ভাওয়াল বদরে আলম সরকারী কলেজ থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর শেষ করেন এবং ছাত্ররাজনীতির পাশাপাশি নিজেকে একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বর্তমানে তিনি বোর্ডবাজার গার্মেন্টস মেশিন ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিঃ এর সাধারন সম্পাদক ।তিনি ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক সদস্য।২০১৭ সালে ভালুকা উপজেলা ছাত্রলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদকের দায়ীত্ব পালন করে আসছেন।সেই শৈশব কাল থেকেই বঙ্গবন্ধু আদর্শ ধারন করে ছাত্ররাজনীতি করে আসছেন।দলের হয়ে জাতীয় এবং স্থানীয় নির্বাচনে নৌকার পক্ষে সক্রিয় ভুমিকা পালন করেছেন।এলাকার বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান মসজিদ মাদ্রাসায় ব্যক্তিগত তহবিল হতে সাহায্য সহযোগীতা করেন।করোনাকালীন সময়ে তিনি দলীয় ব্যানারে তিন ধাপে হতদরিদ্র অসহায় মানুষের মাজে ত্রান সামগ্রী ও মাস্ক বিতরণ করেন। গরীব দুঃখী মানুষের পাশে সর্বদায় নিজেকে বিলিয়ে দিতে আনন্দ পান।মেদুয়ারী ইউনিয়নের মানুষের কাছে !

এলাকা সূত্রে জানাযায়. বর্তমানে এই তরুন ছাত্রনেতাকে নিয়ে তারা একটি আধুনিক ইউনিয়ন গড়ার স্বপ্ন দেখছেন।এই উদিয়মান ছাত্রনেতা বলেন দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেন তাহলে সন্ত্রাস, ভুমিদষ্যু,মাদকমুক্ত একটি আধুনিক ইউনিয়ন গরতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করবেন।আর যদি মনোনয়ন না দেন তাহলে দল যাকে মনোনয়ন দিবেন তার পক্ষে তিনি কাজ করবেন।তারুণ্যর প্রাণশক্তি হোক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জননেত্রী শেখ হাসিনার ২০৪১ ভিশন বাস্তবায়নে তিনি কাজ করতে চান বলে তিনি যানান।

আমতলী ইউপি নির্বাচন। আওয়ামীলীগ মনোনয়ন প্রত্যাশী ৩৮!
                                  

বরগুনা প্রতিনিধি।
বরগুনার আমতলী উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আগামী ১১ এপ্রিল। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ দলীয় মনোনয়ন পেতে ৩৮ জন দলের শীর্ষ নেতাদের কাছে ধর্ণা দিচ্ছেন। উপজেলা আওয়ামীলীগ তৃণমুল নেতাকর্মীদের মতামত নিয়ে মনোনয়ন প্যানেল তালিকা করে ৩১ জনের নাম বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে পাঠিয়েছেন। জেলা আওয়ামীলীগ সুপারিশ করে ওই তালিকা থেকে ৩০ জনের নাম কেন্দ্রে পাঠিয়েছে বলে দলীয় সুত্রে জানা গেছে।

জানা গেছে, আমতলী উপজেলায় গুলিশাখালী, কুকুয়া, আঠারোগাছিয়া, হলদিয়া, চাওড়া ও আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ১১ এপ্রিল। এ ছয়টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩৮ জনে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। উপজেলা আওয়ামীলীগ তৃণমূল নেতাকর্মীদের নিয়ে ইউনিয়নে ইউনিয়নে বিশেষ বর্ধিত সভা শেষে ৩১ জনের প্যানেল তালিকা বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগ অফিসে পাঠিয়েছে। ওই তালিকা থেকে ক্রমানুসারে জেলা কমিটি ৩০ জনের সুপারিশ করে কেন্দ্রে পাঠিয়েছে বলে দলীয় সুত্রে জানাগেছে।

দলীয় বিশ^স্থ সুত্রে জানাগেছে, গুলিশাখালী ইউনিয়নে ছয় জনের মধ্যে বর্তমান চেয়ারম্যান আলহাজ¦ অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম গত ১০ বছর জনগনের সেবক হিসেবে কাজ করলেও তার প্রতি জনগনের অসন্তোষ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে তার বাবা মোঃ মফিজ উদ্দিন শরীফ স্বাধীনতার সময় পিস কমিটির সদস্য ছিলেন। কিন্তু এলাকাবাসী জানান তার বাবা পিস কমিটির সদস্য থাকলেও তিনি মানুষের ক্ষতি করেনি। অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মনি তরুন হিসেবে রাজনীতিতে পদার্পন করলেও তার বড় ভাই প্রকৌশলী আব্দুস ছত্তারের বিরুদ্ধে রয়েছে দূর্ণীতির বিস্তার অভিযোগ। তেমন জন সমর্থন না থাকলেও বড় ভাইয়ের টাকাই মনিরের নির্বাচনের মুল হাতিয়ার। এছাড়া ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুল মন্নান মৃধার ভাতিজা হিসেবে ব্যাপক পরিচিত মোঃ আসাদুর রহমান আসাদ মৃধার রয়েছে জনপ্রিয়তা কিন্তু বিতর্কও তার পিছু ছাড়ে নি। হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে তিনি হত্যা মামলাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে দাবী করেন। ওই ইউনিয়নের অপর নেতা উপজেলা যুবলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সোবাহান লিটন গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

কুকুয়া ইউনিয়নে তিন জনের প্যানেলের মধ্যে সাবেক এমপি নিজাম উদ্দিন তালুকদারের ছোট ভাই বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ বোরহান উদ্দিন মাসুম তালুকদার গত পাঁচ বছরে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দায়িত্ব পালন কালে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে তার জনপ্রিয়তায় ভাটা পরেছে। অপর দিকে ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ¦ সামসুদ্দিন আহম্মেদ ছজুর ভাইয়ের ছেলে মাওলানা মোঃ ফজলুল হক চাচার সুবাদে জনপ্রিয় হলেও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ দেলোয়ার হোসেন গাজীর সাথে জনগনের কোন সম্পৃক্ততা নেই।

আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের সাত জনের প্যানেলের মধ্যে বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ হারুন অর রশিদ হাওলাদার দলছুট নেতা। ২০০২ সালে তিনি ছিলেন আমতলী উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক। ২০১৬ সালে আলাদিনের চেরাগের বদৌলতে দল পাল্টে তিনি ইউপি চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন হাতিয়ে নেন। এছাড়া গত ১০ বছরে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন কালে তিনি কোটি টাকা আত্মসাত করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বড় ভাইয়ের স্ত্রীর নামে ভিজিএফসহ সকল কিছুতেই ছিল তার স্বজনপ্রীতি। তার বড় ভাই কালো টাকার মালিক অবসরপ্রাপ্ত কাষ্টমস কর্মকর্তা নুরুল ইসলামের প্রভাবেই তিনি হয়ে উঠেন জনপ্রিয়। কিন্তু গত ১০ বছরের কর্মকান্ডে এখন তিনি জনগণ থেকে বিছিন্ন। ওই ইউনিয়নে সাবেক চেয়ারম্যান বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ¦ গোলাম ছরোয়ার ফোরকানের ছোট ভাই মোঃ রফিকুল ইসলাম রিপন হাওলাদার চেয়ারম্যান থাকাকালীণ অবস্থায় তার নামে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ছিল। কিন্তু গত ১০ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকায় তার সেই অভিযোগ তলিয়ে গেছে। তবে তার রয়েছে এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা। এছাড়া ওই ইউনিয়ন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন খানের জেষ্ঠ পুত্র অ্যাডভোকেট মোঃ গোলাম দেলোয়ার হোসেন খাঁন এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল বারেক তালুকদারের এলাকায় জনপ্রিয়। অপর প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি মোঃ আব্দুল ছালাম সোহেল মোল্লা এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান একেবারেই নতুন মুখ। আমতলী উপজেলা জাতীয় শ্রমিক লীগ সভাপতি মোঃ জহিরুল ইসলাম খোকন মৃধা অতিথি হিসেবে আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ মনোনয়ন প্রত্যাশী। আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতার আসার পরে রাতারাতি তিনি বদলে যান। গড়ে তোলেন শ্রমিক সংগঠন।

হলদিয়া ইউনিয়নে পাঁচ জনের প্যানেলের মধ্যে বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ শহীদুল ইসলাম মৃধার বিরুদ্ধে অভিযোগের অন্ত নেই। বিএনপি জোট সরকারের আমলে তিনি তার ইউনিয়নে উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে ৬ টি আয়রন ব্রীজের কাজ পান। ওই সময়ে উপজেলা প্রকৌশলী আতিয়ার রহমানের সাথে আতাত করে ওই কাজ না করে সমুদয় টাকা তুলে আত্মসাৎ করেন। জমি দখল, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে কলেজ করে টাকা আত্মসাৎ, ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি ছিল তার সাধারণ ব্যাপার। ১০ বছরের তার কর্মকান্ডে হলদিয়ার মানুষ বিরক্ত। হলদিয়াবাসী এখন তার থেকে পরিত্রান চান। তার জনপ্রিয়তা নেই বললেই চলে দাবী এলাকাবাসীর। ওই ইউনিয়নে অপর প্যানেলভুক্ত সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম মোয়াজ্জেম হোসেন ফারুক মল্লিকের ছোট ভাই মোঃ আসাদুজ্জামান মিন্টু মল্লিকের রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। তিনি এলাকাবাসীর কাছে ক্লিন ইমেজের মানুষ হিসেবে পরিচিত। অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মনির, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম ঝন্টু তালুকদারের ছেলে মোঃ দিলসাত পারভেজ রিপন তালুকদার ও সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম আব্দুল লতিফ বিশ^াসের ছেলে মোঃ জাকির হোসেন বিশ^াসের তেমন জনপ্রিয়তা নেই।

চাওড়া ইউনিয়নে তিন জনের তালিকার মধ্যে তিন জনই জনপ্রিয়তা শুন্য। এদের মধ্যে আলতাফ হোসেন হাওলাদার তিন বার নির্বাচন করে এলাকায় পরিচিত হলেও জনগনের সাথে তেমন সম্পৃক্ততা নেই। এছাড়া ওই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আখতারুজ্জামান খান বাদলের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দূর্ণীতি, অনুপ্রবেশকারী এবং দলছুটের অভিযোগে তার নাম প্যানেল তালিকা থেকে বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগ বাদ দিয়েছেন বলে নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানা গেছে।

আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নে ছয় জনের প্যানেল তালিকার মধ্যে তিন জন নতুন মুখ। অপর তিন জনের মধ্যে মোঃ হুমায়ূন কবির ২০১৬ সালের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এক হাজার ৫’শ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে ছিলেন কিন্তু তিনিও সমালোচনার বাহিরে নন। তার বিরুদ্ধে রয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন কাজে অনিয়মের অভিযোগ। গত নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনয়ন নিয়ে সুলতাল আহম্মেদ নওয়াব মিয়া ৫’শ ২৫ এবং বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে মোঃ মাহবুবুর রহমান জাফর বিশ^াস ৪’শতাধিক ভোট পেয়ে জামানত হারান। ওই ইউনিয়নে প্যালেন তালিকায় একমাত্র নারী সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম একে এম নুরুল হক তালুকদারের স্ত্রী শিউলি পারভীন মালা। তিনি তার প্রায়াত স্বামীর জয়প্রিয়তায় জনপ্রিয়। কিন্তু বাস্তবে তার কোন জনপ্রিয়তা নেই।

আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) অ্যাডভোকেট এমএ কাদের মিয়া বলেন, যারা মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে আবেদন করেছেন সকলের নাম তালিকা করে বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগ অফিসে পাছিয়েছি। বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগ সুপারিশ করে কেন্দ্রিয় দপ্তরে পাঠিয়ে দিবে।

বরগুনার জেলা আওয়ামীলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ গোলাম সরোয়ার টুকু বলেন, আমতলী উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে মনোনয়ন প্রত্যাশী অনেকের নাম কেন্দ্রিয় দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, চাওড়া ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান বাদল খাঁন জেলা আওয়ামীলীগ নেতাদের কটাক্ষ করে কথা বলা এবং জাতীয় পার্টি ও বিএনপি রাজনৈতিক সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগে জেলা কমিটি তার নাম তালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন।

ঢাকা বিভাগীয় প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো.শাহ আলম তালুকদার
                                  

ঢাকা বিভাগীয় প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে রুদ্রবার্তার প্রকাশক ও সম্পাদক-

মো.শাহ আলম তালুকদার সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত করায়" নতুনবাজার ৭১ ডট কম এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও

অভিনন্দন। 
২নং মেদুয়ারী ইউ,পি নির্বাচনে নৌকার মাঝি হতে চান রুবেল
                                  


আবু ইউসুফ ভালুকা প্রতিনিধি 

 

পরিবর্তনের অঙ্গিকার নিয়ে ভালুকা উপজেলার ২নং মেদুয়ারী ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান ৫নং ওয়ার্ড, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সম্মানিত সদস্য, মোঃ আব্দুল মান্নানের সুযগ্য সস্ত্রন্ত আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তান ।জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুপ্রানিত ছাত্র জীবন থেকেই মুজিব আদর্শকে বুকে দারণ করে ছাত্র রাজনীতিতে অংস করেন এরি ধারাবাহিকতায় ২০১০ সাল হইতে ভাওয়াল বদরে আলম সরকারী কলেজ শাখা ছাত্রলীগের আহব্বায়ক কমিটির সদস্যর দায়িত্ব পালন করেন, ২০১৭ সাল হইতে ভালুকা উপজেলা ছাত্রলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক দায়িত্ব পালন করে আসছেন।দলের হয়ে জাতীয় ও উপজেলা এবং স্থানীয় নির্বাচনে নৌকার পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।বর্তমানে বোর্ড বাজার গার্মেন্টস মেসিন ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির লিঃ গাজীপুর’র সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।সামাজীক ভুমিকাঃ আজীবন দাতা সদস্য সোয়াইল দারুল উলুম হামিউসুন্নাহ হাফিজিয়া মাদরাসা দাতা সদস্য পানিভান্ডা পূর্বপাড়া জামে মসজিদ জানাযায় করোনা কালীন সময়ে ৩ ধাপে হত ধরিদ্র ও অসহায় মানুদের মাঝে মেদুয়ারী ইউনিয়নে ব্যক্তিগত হতে দলীয় ব্যানারে প্রয়োজনীয় এান সামগ্রী ও স্বাস্থ্য সচেতনতা মাস্ক বিতরন করেছেন। সামাজিক বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান : মসজিদ,মাদরাসার ব্যক্তিগত অর্থায়নে উন্নয়ন কাজে অংশ গ্রহন করেন।মানুষের মুখে মুখে এখন ব্যাপক আলোচনা এই তরুন উদিয়মান ছাত্রনেতাকে নিয়ে। সে লক্ষে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশায় ইউনিয়ন ব্যাপী দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে দোয়া ও সমর্থন চেয়ে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি অফুরন্ত উদ্যম ও পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে নির্বাচনী মাঠে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। আসন্ন ইউ, পি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশিত চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী, সময়ের সাহসী সস্তান, রাজপথ কাঁপানো মৃত্যুঞ্জয়ী ছাত্রনেতা রাইসুল ইসলাম রুবেল, ইউনিয়নকে মাদক,চাঁদাবাজ বাল্যবিবাহ,সন্ত্রাস, দুর্ণীতি ও অন্যায় অত্যাচার মুক্ত করে ইউনিয়নকে আধুনিক ও দৃশ্যমান ইউনিয়ন হিসাবে গড়তে চান। তারুণ্যের প্রাণশক্তি হোক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি" এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের একজন সৈনিক হিসেবে জাতির জনকের স্বপ্ন পুরণে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মেদুয়ারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে সর্বন্তরের জনতার সাথে ব্যাপক গণসংযোগ ও মতবিনিময় চালিয়ে যাচ্ছেন দলীয় বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের পদে দায়িত্বে থাকা ছাত্রনেতা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া তরুণ জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ রুবেল। তিনি আওয়ামী রাজনীতির পাশাপাশি একজন সফল ব্যবসায়ী ও দক্ষ সংঘঠক এবং সৎ আদর্শবান ব্যক্তি হিসাবে মানুষের বিভিন্ন সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখে দীর্ঘ দিন যাবৎ কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি ছাত্রলীগের নেতৃত্বের মাধ্যমে আওয়ামী রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে পরবর্তীতে দলীয় প্রতিটি কর্মকান্ডে সাহসী ভূমিকা রাখেন। রাজনীতি আর সমাজ সেবামোলক কর্মকান্ডে অংশ গ্রহণের মাধ্যমে তিনি জ্ঞানী গুনি রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গের সাথে থেকে জেনেছেন কিভাবে মানুষ কে ভালোবাসতে হয়, কিভাবে মানুষের সেবা করতে হয়। কারো চিকিৎসা করার কিংবা ঔষধ কেনার জন্য টাকা নেই , গরীব বাবার কন্যার বিয়ের খরচ সামাল দিতে পারছেন না, টাকার জন্য স্কুলে ভর্তি হতে কিংবা বই কিনতে পারছেন না দরিদ্র শিক্ষার্থী,এমন অসংখ্য দরিদ্র মানুষের পাশে দাড়িয়ে মানবতার এক অনন্য নজির সৃষ্টি করেছেন রুবেল। মেধাবী এই জনপ্রিয় ছাত্র নেতা রাজনীতি ছাড়াও এলাকার বিভিন্ন মসজিদ,মাদ্রসা ও সামাজিক সংগঠনের গুরুত্বপুর্ণ পদে দায়িত্বে থেকে সামাজিক কর্মকান্ডে ভূমিকা রেখে নিজেকে একজন সফল সমাজ সেবক হিসাবেও প্রতিষ্ঠিত করে তুলেছেন। । আগামী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে তরুণ এ প্রার্থী মেদুয়রী বাসীকে আশ্বন্ত করছেন,দল (আওয়ামী লীগ) মনোনয়ন দিলে এবং তিনি নির্বাচিত হলে জনগণের জীবনমানের উন্নয়ন করবেন। বদলে দেবেন মেদুয়ারী ইউনিয়নের চিত্র।

রাজশাহীর পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়জয়কার
                                  

পৌরসভা নির্বাচনের পঞ্চম ধাপে রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাজশাহীর চারঘাট ও দুর্গাপুর পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া এ দিন রাজশাহীর পবা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সবখানেই জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা।ভোট গণনা শেষে রাতে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, দুর্গাপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন বর্তমান মেয়র তোফাজ্জল হোসেন। নৌকা প্রতীক নিয়ে তিনি ৮ হাজার ৮০৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী জার্জিস হোসেন সোহেল পেয়েছেন ৬ হাজার ৪০১ ভোট। এখানে আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হাসানুজ্জামান সান্টু পেয়েছেন ১ হাজার ২০৭ ভোট। আর জাতীয় পার্টির প্রার্থী হুমায়ন কবির লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ১৩৪ ভোট। আওয়ামী লীগ নেতা তোফাজ্জল হোসেন টানা তৃতীয়বারের মতো পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হলেন।

এদিকে চারঘাট পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী একরামুল হক নৌকা প্রতীকে ১৪ হাজার ৯৮১ ভোট পেয়ে প্রথমবারের মতো মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জাকিরুল ইসলাম বিকুল ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৮১২ ভোট। বিকুল পৌরসভার বর্তমান মেয়র।দুপুর দেড়টার দিকে তিনি নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেন। ভোটকেন্দ্রে হাতবোমা বিস্ফোরণের পর তিনি ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। বেলা ১১টার দিকে সারদা থানাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে হতাহতের কোন ঘটনা না ঘটলেও ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়।

ঘটনার সময় আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী একরামুল হক এবং বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী জাকিরুল ইসলাম বিকুল ওই ভোটকেন্দ্রেই ছিলেন। তারা টেলিভিশন সাংবাদিকদের ইন্টার্ভিউ দিচ্ছিলেন। তখনই সামান্য দূরে ভোটারদের সারির পেছনে হাতবোমা দুটি নিক্ষেপ করা হয়। নির্বাচনে কেন্দ্র দখল এবং এজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগ তুলে বিকুল ভোট বর্জন করেন।

এদিকে রাজশাহীর পবা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদের উপ-নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান মুনসুর রহমান গত ২২ নভেম্বর মারা যান। এ কারণে তার পদে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো।

উপজেলা নির্বাচন অফিস জানিয়েছে, নির্বাচনে ৭৭ হাজার ৬৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াসিন আলী।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী মামুনুর সরকার জেড। তিনি ভোট পেয়েছেন ৬ হাজার ৩১৫টি। এছাড়া অন্য প্রার্থী মুসলীম লীগের আফজাল হোসেন হ্যারিকেন প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৫১২টি।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম প্রামাণিক জানান, ৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। উপ-নির্বাচনে পবা উপজেলার ২টি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়নের ২ লাখ ৪০ হাজার ৪৪৪ জন ভোটার ছিলেন। মোট ভোটারের মধ্যে ৩৫ দশমিক ২৮ শতাংশ ভোট দিয়েছেন।

হবিগঞ্জে বিএনপি প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
                                  

হবিগঞ্জে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী এনামুল হক সেলিমসহ চার মেয়র প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিম ১৩ হাজার ৩২২ ভোটে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান মেয়র মিজানুর রহমান মিজান পেয়েছেন ১০ হাজার ৯৯০ ভোট। বিএনপি প্রার্থীসহ বাকি ৪ মেয়র প্রার্থীই নিজেদের জামানত হারিয়েছেন।

রোববার রাত ৮টা ৪৪ মিনিটে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে মেয়র প্রার্থীদের এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

ফলাফলে দেখা যায়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক এনামুল হক সেলিম ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ২৪২ ভোট। হাতপাখা প্রতীক নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আলহাজ্ব সামছুল হুদা পেয়েছেন ৮৭৮ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী বশিরুল আলম কাওছার পেয়েছেন ২৩৬ ভোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী গাজী পারভেজ হাসান পেয়েছেন ২৪৮ ভোট।হবিগঞ্জ পৌরসভায় মোট ভোট পড়েছে ২৯ হাজার ৬টি। মোট কাস্টিং ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ না পাওয়ায় এই চার প্রার্থী জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে বলে জানায় জেলা নির্বাচন কমিশন।

পৌরসভা নির্বাচনে আবারো প্রচার প্রচারণায় নেমেছে ,জহিরুল ইসলাম মিল্টন
                                  

মিজানুর রহমানঃএম. জহুরুল ইসলাম মিল্টন, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি, ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হন, গন্তব্য রংপুর হয়ে বগুড়া। কেন্দ্রীয় নির্বাচনী টিমের সঙ্গে যুক্ত হয়ে, ২৮ফেব্রুয়ারি গুড়ারপৌরসভা নির্বাচন কে সামনে রেখে, বগুড়া জেলা আওয়ামী যুবলীগ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ২৫ ফেব্রুয়ারি সকাল: ১১ টায় বর্ধিত সভায় মিলিত হবে। চলতি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের শুরু থেকেই, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় টিম বিভিন্ন পৌরসভায় অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। তারা বিভিন্ন জায়গায় পৌরসভা নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন, অগ্রগতি এবং অগ্রযাত্রা সম্পর্কে আপামর জনসাধারণ কে জানানোর লক্ষে মিছিল মিটিং প্রচার প্রচারণা ও বিভিন্ন পথসভা চালিয়ে যাচ্ছেন।

কাঁঠালের ৭,৮,৯ ওয়ার্ডের নিরীহ গরীব দুঃখী অসহায় মানুষের সেবা করতে চান নারী নেত্রী ফাতেমা।
                                  

আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।। ময়মনসিংহের ত্রিশালের কাঁঠাল ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা আসনে মেম্বার পদে সকলের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী হয়ে ভোটারদের দ্বারে-দ্বারে ঘুরছেন সর্বস্তরের নারীদের প্রিয়নেত্রী,বাল্যবিবাহ যৌতুক ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী সাহসী নারী নেত্রী,কাঁঠাল ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি আবুল হোসেন রকির সহধর্মিণী মোছাঃ ফাতেমা খাতুন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে পথ চলা একজন মুজিব সৈনিক,একজন নারী উদ্যোগক্তা,সৎ,নিষ্টাবান,দক্ষ,নম্রমুখ,তরুন সমাজ সেবিকা,সংগঠক,এলাকার পরিচিত মুখ ফাতেমা ।যিনি কখনো অন্যায়-অত্যাচার কে প্রশ্রয় দেন না। যে কোন সাধারণ মানুষের যে কোন সমস্যায় তিনি সবার আগে ছুটে এসে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেন। সাংসারিক ব্যস্ততার পাশাপাশি নিজেকে সবসময় সমাজসেবায় নিয়োজিত রেখে অগ্রনী ভূমিকা পালন করে থাকেন ফাতেমা। রাজনীতির পাশাপাশি সমাজসেবা করে নিজেকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে এসেছেন সংরক্ষিত আসনের এই নারী প্রার্থী। সমাজের গরীব দুঃখী মেহনতি মানুষের সাথে থেকে অবহেলিত লোকজনের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে হলে জনপ্রতিনিধি হওয়া অতিব জরুরী বিধায় তিনি জনপ্রতিনিধি হাওয়ার লক্ষে মহিলা মেম্বার পদে প্রার্থী হয়ে মানুষের সমর্থন ও দোয়া চেয়ে বেড়াচ্ছেন। ফাতেমা একজন নিরহংকারী নারী,যিনি সকলের সাথে সমানভাবে মিশে কাজ করেন। যে কোন সময় তাকে ডাকলে সাড়া দেন বিধায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তার প্রার্থীতায় ব্যাপক সাড়া জেগেছে। ফাতেমা আক্তার কাঁঠাল ইউনিয়নের ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ড থেকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে মেম্বার প্রার্থী হিসেবে সকলের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করে মাঠে দিনে রাতে প্রচারনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। তারমত এমন মিশুক ও নিরহংকারী মহিলা নেত্রীকে প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনী মাঠে পেয়ে ভোটাররাও ব্যাপক খুশী। যে কারণে সে গণসংযোগে বের হলে তার সমর্থনে ভোটাররা ঐক্যবদ্ধ হওয়ায় গণসংযোগ গণমিছিলে পরিণত হয়। গত নির্বাচনেও সংরক্ষিত আসনের এই মহিলা প্রার্থীর স্বামী ইউনিয়নের সাবেক যুবলীগের সভাপতি আবুল হোসেন চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় ছিলেন।সামান্য ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হলেও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে তার স্বামী প্রার্থী হিসাবে মাঠে না থাকায় এবার তার স্ত্রী ফাতেমাকে প্রার্থী হিসাবে মাঠে নামিয়েছেন এবং এবার যে ভাবেই হউক আবুল হোসেনের সহধর্মিণী ফাতেমাকে জয়ের মালা তা পরাবে জনগণ এমন আলোচনায় চলছে। ফাতেমা খাতুন বলেন,তিনি যদি এবার নির্বাচনে ভোটে জয়ী হতে পারেন তাহলে নিজের জীবনের বিনিময়ে হলেও সমাজের নিরীহ গরীব দুঃখী অসহায় মানুষদের পাশে থেকে কাঁদে কাঁদ মিলিয়ে ওয়ার্ডবাসীর সেবা ও উন্নয়ন করার পাশাপাশি তার নির্বাচনী এলাকাকে,মাদক,সন্ত্রাস,বাল্যবিবাহ,নারী-নির্যাতনমুক্ত একটি মডেল এলাকা হিসাবে গড়তে অগ্রনী ভূমিকা রেখে কাজ করে যাবেন।

ত্রিশালে নারী নেত্রী রানু এখন মহিলা কাউন্সিলর।
                                  

 । আরিফ রববানী,ময়মনসিংহ।। চতুর্থ ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে ময়মনসিংহের ত্রিশালে প্রথমবার পৌরসভার ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন দক্ষ ও জনবান্ধব নারী নেত্রী বিউটি আক্তার রানু। রোববার (১৪) ফেব্রুয়ারি সকাল থেকেই প্রশাসন ও আইন শৃংখলা রক্ষা বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতায় অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, সেই নির্বাচনে সংরক্ষিত আসন এলাকার তিন ওয়ার্ডের ভোটারদের ভালোবাসায় কাউন্সিলর নির্বাচিত হন রানু। বিউটি আক্তার রানু দীর্ঘদিন যাবৎ নেতৃত্বের মাধ্যমে সমাজের একজন নারী সমাজ সেবক ও নারী উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করছেন। রানু বলেন, ‘একজন তৃর্ণমুলের রাজনৈতিক ও সামাজিক মহিলা কর্মী থেকে উঠে এসে আমি প্রথমবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছি। আমার দক্ষতা ও যোগ্যতা বিবেচনা করে আমার নির্বাচনী এলাকার জনগণ আমাকে ভোট দিয়েছেন জনগণের সেবা করার জন্য। তিনি বলেন, ‘কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত আমার পরিচয় ছিল আমি একজন সাধারন নারী। যেহেতু দীর্ঘদিন অবহেলিত মানুষের কথাগুলোর পাশে থাকতে চেষ্টা করেছি,সেহেতু তিন ওয়ার্ডের সব সমস্যা খুঁজে বের করে নির্বাচনী এলাকাকে মডেল ওয়ার্ডে হিসাবে রূপান্তর করার লক্ষে কাজ করে যাব। একই সাথে সংলক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত তিনি ওয়ার্ড বাসীদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। সংরক্ষিত আসনের ওয়ার্ডের কয়েকজন ভোটার জানান, রানু একজন মহিলা সমাজ সেবক হিসাবে এলাকার জনগণের স্বার্থে সব সময় কাজ করেছেন। সেই জনগণের সেবক যখন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে জনগণের পাশে দাঁড়াবেন তখন সাধারণ মানুষ সেবাটা বেশি পাবেন। ত্রিশাল পৌরসভার ৭,৮,৯নং ওয়ার্ড কে আধুনিক মডেল হিসাবে গড়ার পাশাপাশি জনগণের দোরগোড়ায় স্বচ্ছ ও দুর্ণীতিমুক্ত পৌর প্রশাসনকে পৌছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

ত্রিশালে হ্যাট্রিক জয় স্বতন্ত্র প্রার্থী আনিছের।
                                  

 ।প্রশাসনকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন পৌরবাসী।। আরিফ রববানী,ময়মনসিংহ।। চতুর্থ ধাপের নির্বাচনে ময়মনসিংহের ত্রিশালে সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে,সকল ষড়যন্ত্র - চক্রান্তকে উপেক্ষা করে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত অবাধ ও সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে পৌরসভার মেয়র হিসাবে বিজয়ের হাসি হাসলেন পৌরসভার দুইবারের নির্বাচিত মেয়র স্বতন্ত্রপ্রার্থী এবিএম আনিছুজ্জামান। এই নিয়ে তিনি তৃতীয় মেয়াদে আবারো ত্রিশালের মেয়র হিসাবে নির্বাচিত হলেন। রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই প্রশাসন ও আইন শৃংখলা রক্ষা বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতায় অবাধ, সুষ্ঠ ও কোন ধরনের বিশৃংখলা ছাড়াই অনুষ্ঠিত হয়েছে ময়মনসিংহের ত্রিশাল পৌরসভা নির্বাচন। জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান, পুলিশ সুপার আহমার উজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আয়েশা হক সহ জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা নির্বাচন সুষ্ঠু করার লক্ষে দিনভর বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। ২৬ হাজার ৮২২ জন ভোটারের ত্রিশাল পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ১৪টি ভোট কেন্দ্রে একযোগে সকাল আটটায় ভোটগ্রহন শুরু হয়। এতে ১৯২১৯ জন ভোট প্রদান করেন। মেয়র পদে তৃতীয়বারের মত মেয়র নির্বাচিত হলেন স্বতন্ত্রপ্রার্থী এবিএম আনিছুজ্জামান আনিছ। স্বতন্ত্রপ্রার্থী আনিছ পেয়েছেন ১১ হাজার ৬৫৯ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নবী নেওয়াজ সরকার পেয়েছেন ৬ হাজার ৬৭৪ ভোট, হাতপাখা প্রতীকে আবুল হাছান ৮০০ ও ধানের শীষ প্রতীকে রুবায়েত হোসেন শামীম ৮৬৫। এই নিয়ে মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান আনিছ তার ক্লীন ইমেজ ও জনপ্রিয়তা দিয়ে দ্বিতীয়বারের মত আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থীকে পরাজিত করে তৃতীয়বারের মত মেয়র হলেন। তার বিজয়ে ত্রিশালে সর্বস্তরের জনতার মাঝে বাধভাঙ্গা আনন্দ উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। একই সাথে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করে শান্তি শৃঙ্খলা ভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করায় জেলা প্রশাসক ও প্রশাসনের সকল কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান ত্রিশাল পৌরবাসী। অপরদিকে তৃতীয় মেয়াদে আবারো ত্রিশালের মেয়র নির্বাচিত করায় মেয়র আনিছ তার বক্তব্যে- ত্রিশাল পৌরসভার সর্বস্তরের জনগণ,সাংবাদিক ও প্রশাসনের সর্বস্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিজয়ের উল্ল্যাসে যেন নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন না হয় সে দিকেও লক্ষ রাখার আহবান জানান।

ত্রিশালে নির্বাচনী সহিংসতার প্রস্তুতিকালে ২৫ ভাড়াটে সন্ত্রাসী আটক।। দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার।
                                  

 । ষ্টাফ রিপোর্টারঃ ময়মনসিংহের ত্রিশাল পৌরসভা নির্বাচনে সহিংসতার প্রস্তুতি কালে প্রায় ২৫জনকে আটক করেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত আইন শৃংখলা বাহীনী। ১৩ই ফেব্রুয়ারী শনিবার রাত ১০টার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এদেরকে আটক রা হয়। আটককৃতরা আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সমর্থক বলে জানা গেছে। এসময় তদের নিকট থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে বিশ্বস্ত সুত্রে জানা গেছে। স্থানীয় একটি সুত্র জানিয়েছে- শনিবার রাতে ত্রিশাল পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে অবস্থিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী নবী নেওয়াজ সরকারের সমর্থনে আওয়ামী লীগের কিছু সন্ত্রাসী বাহীনী নির্বাচনী সহিংসতা ও ভোটারদের মাঝে আতঙ্ক ছড়াতে দা,লাঠিসহ দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে মহড়া চালাচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে ১৫-২০ জনকে আটক করলে এদের মধ্যে কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কর্মকর্তা তাদের কে তার জিম্মায় ছাড়িয়ে নিলেও বাকীদের আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অপরদিকে একই রাতে পৌর এলাকার ৯নং ওয়ার্ড বালিপাড়া রোডস্থ অপুর বিল্ডিং নামক একটি ভবন থেকে নির্বাচনী সংহিতার লক্ষে অবস্থানকালে ১৫-২০ জনকে আটক করা হয়েছে বলেও জানা গেছে। ভবনের মালিক অপু আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নবী নেওয়াজ সরকারের নিকটাত্মীয় বলে জানা গেছে। রবিবার নির্বাচন চলাকালে নৌকার সমর্থনে বিজয়ের লক্ষে সহিংসতা সৃষ্টি করার উদ্দেশ্য নৌকার প্রার্থী আরেক নিকটাত্মীয় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা জাকিবুল হাসান রনি আটককৃতদের কে ভাড়া করে এনে অপুর ভবনে রাত্রি যাপনের লক্ষে জায়গা করে দিয়েছিলো বলে সুত্র মোতাবেক জানা গেছে। ঘটনার সত্যতা জানতে ত্রিশাল থানার অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুল হাসান কে তার মুঠো ফোনে কল করলে তার ফোনটি বন্ধ থাকায় বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

ত্রিশালে সুষ্ঠু পরিবেশে কেন্দ্রে গিয়ে ভােটাধিকার প্রয়োগের নিশ্চয়তা চান ভোটাররা।
                                  

 । ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহের ত্রিশাল পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ভাের থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভােটারের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভােট চাইছেন । তবে নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে , সাধারণ ভােটারদের মধ্যে শঙ্কা – আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠা তত বাড়ছে। ইতিমধ্যে বৃহস্পতিবার রাতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর প্রচার মাইক-গাড়ী ও কেন্দ্র ভাংচুর অপরদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রার্থীর কর্মীসমর্থকদের উপর হামলার ঘটনা ঘটার ফলে ভােটারদের মাঝে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনে ভােট সুষ্ঠু না হলে সাধারণ মানুষ ঝামেলায় পড়বে এমন আলোচনাও চলছে বিভিন্ন মহলে । এদিকে সুষ্ঠু ভােট গ্রহণের আশ্বাস দিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন , নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযােগ্য করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে র্যার বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা টহল দিচ্ছে, এখানে আশঙ্কার কোনাে কারণ নেই ।নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান মেয়রসহ ৪জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মাঠে শক্তিশালী অবস্থানে আছেন বর্তমান মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান। তাকেই ফ্যাক্টর বলে গণ্য করছেন পৌরসদরসহ উপজেলার সর্বস্তরের জনতা। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী এবিএম আনিসুজ্জামান ও তার কর্মী সমর্থকরা অভিযােগ করেন , নির্বাচনের পরিবেশ ঘােলাটে করার জন্য আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা হামলা চালাচ্ছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীর জগ প্রতীকের কেন্দ্র ভাংচুর,কর্মীদের উপর হামলাসহ তাদের নামে মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে ইতিমধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান সহ তার ২৯জন কর্মীর নামে মিথ্যা বানোয়াট মামলাও দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন- আমি আমার নেতাকর্মীদের কারাে উসকানিতে যেন পা না বাড়ায় সেই নির্দেশনা দিয়েছি । ভােটের দিন পর্যন্ত মাঠে থাকতে চাই আমরা । তিনি বলেন-গত পৌর নির্বাচনে ও আমার কর্মীদের উপর এরকম হামলা চালানো হয়েছিলো,ভোটের দিনেও গুলিবর্ষণ করা হয়েছিলো, আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থীর নেতাকর্মীরা পরিবেশ নষ্ট করে এই পৌর এলাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটানোর পরও আমরা শান্ত ছিলাম,বিজয়ের মালা নিয়েই ঘরে ফিরেছিলাম,এবারও যত চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র, মামলা,হামলা হউক না আমরা নিরবে সহ্য করে বিজয় নিয়েই ঘরে ফিরতে চাই। তাই এবার সবাই সুষ্ঠু পরিবেশে যেন ভােট দিতে পারে সেজন্য নেতাকর্মীরাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সূত্রে জানা গেছে , পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার সঙ্গে জগ প্রতীকের ভােটযুদ্ধ হতে যাচ্ছে এখানে । এবারেও ভােটের লড়াইকে কেন্দ্র করে উৎসব – আমেজেরও কমতি নেই । ভােটারদের আশঙ্কা , বিগত নির্বাচনের মত ভােটের পরিবেশ হলে এতে সংঘাত অনিবার্য । তাই সুষ্ঠু পরিবেশে কেন্দ্রে গিয়ে যেন ভােট দিতে পারে সেই নিশ্চয়তা চান । স্বতন্ত্র প্রার্থীর অভিযােগ , প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নেতাকর্মীরা বাড়িতে বাড়িতে হুমকি – ধামকি দিয়ে চলছে । প্রচারণায় মাঝে যেন না থাকতে পারে, সেজন্য ভয়-ভিত্তি প্রদর্শন করে হয়রানি করা হচ্ছে । তবে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থীর কর্মীরা বলেছেন , আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন মানুষের দ্বার প্রান্তে পৌঁছে দেয়ার জন্য কাজ করছেন । কোন কর্মীদের হুমকি – হামলা ও হুমকি দেয়ার বিষয়ে আওয়ামী লীগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন । ত্রিশাল পৌর নির্বাচনে আওয়ামীলীগ, বিএনপি,স্বতন্ত্রসহ ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন । তবে পৌর এলাকার জনগণ সহ উপজেলার সর্বস্তরের জনতারা তাকিয়ে আছে সুষ্ঠু নির্বাচনের দিকে, উপজেলার সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরাও তাকিয়ে আছেন নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশের দিকে। পৌর এলাকাসহ উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের মাঝে গুঞ্জন চলছে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বর্তমান মেয়র আনিসুজ্জামান বিপুল ভোটের ব্যবধানে আবারো তৃতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হবেন বলে মনে করেন তারা। আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব নবী নেওয়াজ সরকার দলের একজন পরীক্ষিত সাবেক ছাত্রনেতা। তিনি উপজেলার রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ হিসাবে বিভিন্ন সময়ে দলীয় বিভিন্ন কর্মসুচী ও বিগত সংসদ,পৌর ও ইউপি নির্বাচন গুলোতে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে ভোট চাইতে গিয়ে মঞ্চ কাঁপানো বক্তব্য রেখেছেন তিনি।এবার নিজের জন্য ভোট যুদ্ধে নেমেছেন। তবে ত্রিশাল উপজেলা আওয়ামী লীগে রাজনৈতিক গ্রুপিংয়ের কারণে সুষ্ঠু ভোটে তার ভরাডুবির আশঙ্কা রয়েছে বলেও মনে করছেন উপজেলার রাজনৈতিক গবেষকরা। অপরদিকে বর্তমান মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান আনিছ বিগত দুই মেয়াদে ত্রিশাল পৌরসভার উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা থাকায় তার রয়েছে আকাশ ছোঁয়া জনপ্রিয়তা। তার বিপক্ষে বিজয়ী হওয়াটা যে কারো পক্ষেই একটি কঠিন ব্যাপার। মেয়র আনিছের প্রার্থীতায় দলীয় প্রতীককে গুরুত্ব না দিয়ে চলমান উন্নয়নকে অব্যাহত রাখতে স্বতন্ত্র প্রার্থী আনিছের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করছে ভোটাররা। তার আচার আচরণ ও ভদ্রতার কারণে মানুষ তাকে ছাড়তে নারাজ। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরাও তাকিয়ে আছে ত্রিশালের পৌর নির্বাচনের দিকে। এ ব্যাপারে কথা হলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ২/৩জন ইউপি চেয়ারম্যান বলেন-বর্তমান মেয়রের পক্ষে ভোটের যে জোয়ার বইছে, তাতে যে কোন প্রার্থীকে তার বিপক্ষে বিজয়ী হওয়া কঠিন হবে।তারা জানান- ত্রিশাল পৌর নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশের উপর নির্ভর করছে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।কারণ মাঠে ভোট না থাকার পরেও যদি ক্ষমতার দাপটে বিজয়ী হওয়া যায় তাহলে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যারা ক্ষমতাশীন দলীয় পরিচয়ে প্রার্থী হয়ে নির্বাচনী মাঠে আসবে বিজয়তো তারাই পাবে,আমরা নির্বাচনে অংশ গ্রহন করে আর লাভ কি। তারা দাবী করেন-আমরা চাই সুষ্ঠু নির্বাচন, আর পৌর নির্বাচন সুষ্ঠু হলে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনও সুষ্ঠু হবে বলে আমরা আশাবাদী। ইউপি চেয়ারম্যান গণ ছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়নের সম্ভাব্য প্রার্থীরাও এমন দাবী জানান।


   Page 1 of 2
     নির্বাচন
ভোটের আগেই তারা চেয়ারম্যান নির্বাচিত
.............................................................................................
জনগণের সেবক হিসাবে পাশে থাকতে চাই । উথুরার চেয়ারম্যান প্রার্থী নূরুল ইসলাম।
.............................................................................................
৭০ (সত্তর) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী শৌরভ দেবনাথ গ্রেফতার
.............................................................................................
লক্ষ্মীপুর-২ আসনের উপনির্বাচনে নৌকার মাঝি এ্যাডভোকেট নূর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন
.............................................................................................
মেদুয়ারী ইউনিয়নে নৌকার মনোনয়ন চান ছাত্রলীগ নেতা রুবেল
.............................................................................................
আমতলী ইউপি নির্বাচন। আওয়ামীলীগ মনোনয়ন প্রত্যাশী ৩৮!
.............................................................................................
ঢাকা বিভাগীয় প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো.শাহ আলম তালুকদার
.............................................................................................
২নং মেদুয়ারী ইউ,পি নির্বাচনে নৌকার মাঝি হতে চান রুবেল
.............................................................................................
রাজশাহীর পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়জয়কার
.............................................................................................
হবিগঞ্জে বিএনপি প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
.............................................................................................
পৌরসভা নির্বাচনে আবারো প্রচার প্রচারণায় নেমেছে ,জহিরুল ইসলাম মিল্টন
.............................................................................................
কাঁঠালের ৭,৮,৯ ওয়ার্ডের নিরীহ গরীব দুঃখী অসহায় মানুষের সেবা করতে চান নারী নেত্রী ফাতেমা।
.............................................................................................
ত্রিশালে নারী নেত্রী রানু এখন মহিলা কাউন্সিলর।
.............................................................................................
ত্রিশালে হ্যাট্রিক জয় স্বতন্ত্র প্রার্থী আনিছের।
.............................................................................................
ত্রিশালে নির্বাচনী সহিংসতার প্রস্তুতিকালে ২৫ ভাড়াটে সন্ত্রাসী আটক।। দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার।
.............................................................................................
ত্রিশালে সুষ্ঠু পরিবেশে কেন্দ্রে গিয়ে ভােটাধিকার প্রয়োগের নিশ্চয়তা চান ভোটাররা।
.............................................................................................
আমতলীতে নির্বাচনী সভা।
.............................................................................................
গোলাপগঞ্জে হ্যাটট্রিক জয় রুহিন খানের আর ডাবল হ্যাটট্রিক মনাক্কা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম.এ মান্নান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আজমল হোসেন বাবু। র্বাতা সম্পাদক আবু ইউসুফ আলী মন্ডল, ফোন ০১৬১৮৮৬৮৬৮২

ঠিকানাঃ বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়- নারায়ণগঞ্জ, সম্পাদকীয় কার্যালয়- জাকের ভিলা, হাজী মিয়াজ উদ্দিন স্কয়ার মামুদপুর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। শাখা অফিস : নিজস্ব ভবন, সুলপান্দী, পোঃ বালিয়াপাড়া, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ-১৪৬০, রেজিস্ট্রেশন নং 134 / নিবন্ধন নং 69 মোবাইল : 01731190131, 01930226862, E-mail : mannannews0@gmail.com, web: notunbazar71.com, facebook- notunbazar / সম্পাদক dhaka club
    2015 @ All Right Reserved By notunbazar71.com

Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop