| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
খুলনায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রাক-বাজেট আলোচনা সভা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বলেছেন, আমরা সবাই উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ দেখতে চাই। আমরা সমৃদ্ধ দেশের নাগরিক হতে চাই। এর জন্য সরকারের রাজস্ব ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে হবে। তাহলেই দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

আজ শুক্রবার দুপুরে খুলনার অভিজাত হোটেলে ২০২১-২০২২ অর্থ বছরের প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও খুলনা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন খুলনা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি কাজী আমিনুল হক। 

বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য, করনীতি মো. আলমগীর হোসেন, সদস্য কাষ্টমস নীতি ও আইসিটি সৈয়দ গোলাম কিবরীয়া এবং সদস্য মুসক নীতি মো. মাসুদ সাদিক। 

খুলনায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রাক-বাজেট আলোচনা সভা
                                  

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বলেছেন, আমরা সবাই উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ দেখতে চাই। আমরা সমৃদ্ধ দেশের নাগরিক হতে চাই। এর জন্য সরকারের রাজস্ব ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে হবে। তাহলেই দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

আজ শুক্রবার দুপুরে খুলনার অভিজাত হোটেলে ২০২১-২০২২ অর্থ বছরের প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও খুলনা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন খুলনা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি কাজী আমিনুল হক। 

বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য, করনীতি মো. আলমগীর হোসেন, সদস্য কাষ্টমস নীতি ও আইসিটি সৈয়দ গোলাম কিবরীয়া এবং সদস্য মুসক নীতি মো. মাসুদ সাদিক। 

ময়মনংসিহরে ভালুকা উথুরা বাজারে অগ্রণী ব্যাংক এজেন্ট শাখার কার্যক্রম চালু
                                  

 ভালুকা উপজেলার প্রতিনিধি 

 ময়মসংিহরে ভালুকা উপজেলার ১নং উথুরা ইউনিয়নের উথুরা বাজারে অগ্রণী ব্যাংক এজেন্ট শাখার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত ২৮ জানুয়ারী থেকে অগ্রণী ব্যাংক উথুরা বাজার এজেন্ট ব্যাংক শাখায় সকল কার্যক্রম শুরু করা হয়। উথুরা অগ্রনী ব্যাংক শাখায় যে সমস্ত সেবা প্রদান করা হয়,
যেমনঃ সঞ্চয়ী হিসাব খোলা,চলতি হিসাব খোলা, এস এন টি ডি হিসাব,স্কুল ব্যাংকিং হিসাব,ডি পি এস হিসাব,ফিক্সড ডিপোজিট হিসাব,টাকা জমা ও উত্তোলন, অনলাইন সার্ভিস (যে কোন শাখায়), বিভিন্ন ভাতা বিতরণ (যেমনঃ বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা), ঋণ বিতরণ ও কিস্তি পরিশোধ, যেকোন ব্যাংকের যেকোন একাউন্টে টাকা পাঠানো এবং বিদেশী রেমিট্যান্স প্রদান। এছাড়াও সরকারি সকল কর্মচারীদের বেতন EFT এর মাধ্যমে উথুরা বাজার অগ্রণী ব্যাংক এজেন্ট শাখা থেকে প্রদান করা হয়।
অগ্রণী ব্যাংক উথুরা বাজার শাখাটি উথুরা বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের বিপরীতে আমেরিকান প্রবাসী আব্দুল খালেক সরকার মার্কেটের ২য় তলায় অবস্হিত । অত্র শাখায় শুক্রবার বাদে প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে সন্ধা ৬ টা পর্যন্ত সকল প্রকার লেনদেন / কার্যক্রম পরিচালিত হয়। **হাতের কাছেই ব্যাংকিং সেবার সকল ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় উথুরাবাসী এর সুফল ভোগ করতে পারবে বলে, ধারণা করছেন স্হানীয় সচেতন মহল। এ ব্যাপারে অগ্রণী ব্যাংক উথুরা বাজার শাখার এজেন্ট নুর মোহাম্মদ বলেন, সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে এবং হয়রানি বন্ধে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা লক্ষ্যে এই শাখার এজেন্ট নিয়েছি। আমার একটাই উদ্দেশ্য মানুষকে সেবা প্রদান। উথুরা বাজারে অগ্রণী ব্যাংকের এজেন্ট শাখা কার্যক্রম শুরু হওয়ার মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত গ্রাম হবে, শহর কার্যক্রম আরো একধাপ এগিয়ে গেল। এজেন্ট নুর মোহাম্মদ আরো বলেন, ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পেতে আমাদের সাথে যে কেউ যোগাযোগ করতে পারবে – ০১৭২৬- ৯৩৮০৭০, ০১৭১৮ -১৭৬৪৪৪ নাম্বারে। আমরা ২৪ ঘন্টা সর্বসাধারণকে ব্যাংকিং সেবা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য বা পরামর্শ দিয়ে থাকি।

বর্ডারে চালের ট্রাক আটকে আছে, এলেই দাম কমবে: খাদ্যমন্ত্রী
                                  

ভারত থেকে আমদানি করা চাল স্থলবন্দরে খালাসে দেরি হওয়ায় তা এখনো বাজারে প্রবেশ করেনি। এ কারণেই অসাধু ব্যবসায়ীরা বাড়তি দামে তা বিক্রির সুযোগ নিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর প্রবাসী কল্যাণ ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের চালের মোকামগুলোতেও সরকারের বিভিন্ন সংস্থার নজরদারি আছে।  

তিনি আরও বলেন, বর্ডারে ট্রাকের লাইন ধরে আছে। চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে হয়ে যাবে আমদানি করা চাল দেশের বাজারে প্রবেশ করলে। তখন দাম কমে যাবে। আটকে থাকা পাথরবাহী ট্রাকের কারণে চালবাহী ট্রাক ঢুকতে পারছে না। কোনো সিন্ডেকেট নেই, আমদানির ক্ষেত্রে এলসি দুই চার পাঁচ জনকে দেওয়া হয়নি, ৪০০ জনের পর ব্যবসায়ীকে আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যখন অসাধু ব্যবসায়ী দেখছেন বর্ডারে চাল আটকে পড়ছে সহজে আসছে না এ সুযোগে তারা বাড়তি দামে বিক্রির সুযোগ নিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কাছে আমাদের রিপোর্ট যায়।

মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : ২০২১ সালে মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) বাংলাদেশ ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।

আইএমএফের ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুকের (ডব্লিউইও) তথ্য অনুযায়ী, ডলারের হিসাবে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি ২০২০ সালে এক হাজার ৮৮৮ ডলার হয়ে ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে ভারতের মাথাপিছু জিডিপি ১০.৫ শতাংশ কমে ১ হাজার ৮৭৭ ডলারে নেমে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছে, যা গত চার বছরে সর্বনিম্ন হবে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনোমিকস টাইমস ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড জানিয়েছে, করোনার ধাক্কায় ভারত দক্ষিণ এশিয়ায় তৃতীয় গরিব দেশ হচ্ছে। দেশটি থেকে কেবল পিছিয়ে থাকছে নেপাল এবং পাকিস্তান।

এদিকে বাংলাদেশ, ভুটান, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ ভারতের চেয়ে এগিয়ে থাকবে।

ডব্লিউইও প্রতিবেদন অনুযায়ী, শ্রীলঙ্কার পরে দক্ষিণ এশিয়ায় করোনা মহামারীতে ভারতীয় অর্থনীতি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে, দেশটির মাথাপিছু জিডিপি বর্তমান পঞ্জিকা বছরে ৪ শতাংশ সংকুচিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে নেপাল ও ভুটান এ বছর তাদের অর্থনীতি বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আইএমএফ আগামী বছরে ভারতে ব্যাপক অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের পূর্বাভাস দিয়েছে।

আইএমএফের পরিসংখ্যানে ২০২১ সালে আবার ভারতের অগ্রগতির পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। ওই সময়ে বাংলাদেশের চেয়ে অল্প ব্যবধানে এগিয়ে থাকতে পারে প্রতিবেশী দেশটি।

২০২১ সালে ভারতের মাথাপিছু জিডিপি ৮.২ শতাংশ অগ্রগতি হয়ে ২ হাজার ৩০ ডলারে দাঁড়াতে পারে। বিপরীতে বাংলাদেশের অগ্রগতি হতে পারে ৫.৪ শতাংশ বা ১ হাজার ৯৯০ ডলার।

পাঁচ বছর আগেও ভারতের মাথাপিছু জিডিপি বাংলাদেশের চেয়ে প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি ছিল।

ঘরে বসেই যেভাবে ৩৬ টাকায় মিলবে পেঁয়াজ!
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

খন থেকে অনলাইনে অর্ডার করে ঘরে বসেই কেনা যাবে সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পেঁয়াজ। একজন ৩৬ টাকা কেজি দরে তিন কেজি করে পেঁয়াজ কিনতে পারবে।


রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং ই-কমার্সের আয়োজনে জুম প্লাটফর্মে টিসিবির ‘ঘরে বসে স্বস্থির পেঁয়াজ’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, আমাদের সমস্যা আছে এবং সেই সমস্যা সমাধানের সর্বোচ্চ পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি। সাধারণ মানুষের কাছে একটা ম্যাসেজ পৌঁছানো দরকার সেটা হলো যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু কিনলে কোনো সমস্যা হবে না।

তিনি আরো বলেন, আমাদের এখনো পর্যাপ্ত পেঁয়াজ মজুদ আছে। এছাড়া যদি কিছুটা কমও পড়ে সেটি আগামী ১ মাসের মধ্যে তুরস্ক, মিয়ানমার থেকে চলে আসবে। সবকিছু আমাদের হাতের নাগালেই আছে।

মন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। দেশের অভ্যন্তরে দেশি ও আমদানিকৃত পর্যাপ্ত পেঁয়াজ মজুত রয়েছে। ভারত ইতোমধ্যে ২৫ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি প্রদান করেছে, এগুলো বাংলাদেশে প্রবেশ শুরু হয়েছে। আশা করা যায় আরো ১০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি প্রদান করবে ভারত।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, অন্যান্য পণ্যের মতো এখন সাশ্রয়ী মূল্যের পেঁয়াজও ক্রেতাগণ বাসায় বসে কিনতে পারবেন। ই-কমার্সের মাধ্যমে পেঁয়াজ বিক্রয়ের ধারণাটি নতুন। এ ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা আসতে পারে। আমরা থেমে থাকব না, সমস্যার সমাধান করে এগিয়ে যাবো।

মন্ত্রী আরো বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে শুধু ঢাকা ও চট্রগ্রামে এ পেঁয়াজ বিক্রয় শুরু করা হচ্ছে। পর্যায় ক্রমে ই-কমার্সের আওতায় দেশের সকল স্থানে টিসিবি সাশ্রয়ী মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করবে। এ জন্য ক্রেতা-বিক্রেতা এবং সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

এদিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি প্রতিরোধ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির ক্রেতাদের ই-কমার্সে পেঁয়াজ পেতে এ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার। প্রাথমিকভাবে দেশের ৫টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৩৬ টাকা মূল্যে ৩ কেজি করে পেঁয়াজ বিক্রি করা হবে। পরে বাড়ানো হবে প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ও পেঁয়াজের পরিমাণ।

ই-ক্যাব জানায়, আপাতত পাঁচটি অনলাইন প্রতিষ্ঠান ঢাকা ও চট্টগ্রামে অনলাইনে পেঁয়াজ বিক্রি করতে পারবে। প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত টিসিবির অনলাইন ডিলারশিপ পেতে যাচ্ছে- চালডাল, স্বপ্ন অনলাইন, সিন্দাবাদ ডট কম, সবজিবাজার ডট কম এবং বিডিসোল কম।

সোমবার থেকে যাচাই ডটকম, একশপ ও অন্য একটি প্রতিষ্ঠান এই ধারাবাহিকতায় যুক্ত হতে পারে। এছাড়া উইন্ডি নামে নারী উদ্যোক্তাদের একটি কমন প্ল্যাটফর্ম থেকেও টিসিবির পেঁয়াজ বিক্রি করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আরিফুল হাসান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্তি সচিব (রপ্তানি) মো. ওবায়দুল আজম এবং অতিরিক্ত সচিব (আমদানি) হাফিজুর রহমান। আরও বক্তব্য রাখেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের মহাপরিচালক এবং ই-কমার্স প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, ই-কমার্সের প্রেসিডেন্ট শমি কায়সার, চালডাল কর্মসূচির পরিচালক ইসরাত জাহান নাবিলা এবং নাদিয়া বিনতে আমীন।

৩০ টাকায় টিসিবির পেঁয়াজ মিলবে কাল থেকে
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আগামীকাল রোববার থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করবে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। সারা দেশে ২৭৫টি ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে এ পেঁয়াজ বিক্রি করা হবে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটি একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ ২ কেজি করে কিনতে পারবেন। এ ছাড়া পেঁয়াজের সঙ্গে চিনি, মশুর ডাল ও সয়াবিন তেলও ভর্তুকি মূল্যে বিক্রি হবে।

টিসিবির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার এ তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতিকেজি চিনি ও মশুর ডাল ৫০ টাকা কেজি দরে একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ ২ কেজি করে কিনতে পারবেন। এ ছাড়া সয়াবিন তেল প্রতিলিটার ৮০ টাকা দরে একজন ভোক্তা দুই লিটার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পাঁচ লিটার পর্যন্ত কিনতে পারবেন।

টিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমান করোনা পরিস্থিতি ও বন্য পরবর্তী পরিস্থিতিতে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে করে টিসিবি এসব পণ্য বিক্রি করবে। সেক্ষেত্রে ঢাকায় ৪০টি ট্রাক, চট্টগ্রামে ১০টি, রংপুর ৭টি, ময়মনসিংহে ৫টি, রাজশাহীতে ৫টি, খুলনায় ৫টি, বরিশালে ৫টি, সিলেটে ৫টি, বগুড়ায় ৫টি, কুমিল্লায় ৫টি, ঝিনাইদহে ৩টি ও মাদারীপুরে ৩টি করে অবশিষ্ট জেলা ও উপজেলায় প্রত্যেকটিতে ২টি করে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে পণ্য বিক্রি করা হবে। এ ছাড়া টিসিবির আঞ্চলিক কার্যালয়ের আওতাভুক্ত উপজেলায় অতিরিক্ত ৫টি ট্রাকে ও বন্যাকবলিত জেলা ও উপজেলায় পরিস্থিতি বিবেচনায় ১৩টি ট্রাক পণ্য বিক্রি করবে। আর এই বিক্রি কার্যক্রম শুক্রবার ও শনিবার বাদে ১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলবে। এছাড়াও প্রতিটি ট্রাকে চিনি ৫০০-৭০০ কেজি বরাদ্দ থাকবে। সঙ্গে মশুর ডাল ৪০০-৬০০ কেজি, সয়াবিন তেল ৭০০ থেকে এক হাজার লিটাল ও পেঁয়াজ ২০০ থেকে সর্বোচ্চ ৪০০ কেজি বরাদ্দ থাকবে।

গত বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, পেঁয়াজের দাম বাজারে একটু বেড়েছে। বন্যার কারণে সরবরাহে সমস্যা হয়েছে। আমরা দাম কমাতে চেষ্টা করছি। টিসিবি বড় পরিসরে নামছে। আগামী ১৩ তারিখ (রোববার) থেকে ন্যায্যমূল্যে খোলাবাজারে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করবে টিসিবি। এ ছাড়া এবার আমরা সর্বকালের রেকর্ড ভঙ্গ করে সর্বোচ্চ পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি করব। আমরা ফুল মনিটর করছি।

ফের অস্থিতিশীল পেঁয়াজের বাজার!
                                  

কাউসার আহম্মেদঃ

বছর না ঘুরতেই আবার অস্থিতিশীল পেঁয়াজের বাজার। অজুহাত একই- দেশের বাজারে সরবরাহ ঘাটতি, দাম বাড়ছে ভারতের বাজারেও। তবে এটি নিছকই খোঁড়া যুক্তি। প্রতিকেজি পেঁয়াজ ১৪ থেকে ১৫ টাকায় ভারত থেকে আমদানি করা হচ্ছে। আর সেই পেঁয়াজ কয়েক হাত বদল হয়ে খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে চার গুণ বেশি দামে- ৬০ টাকায়।

গত মাসে বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি হয়েছে ৮৩ হাজার ৬৬৬ টন পেঁয়াজ। এর বেশিরভাগই এসেছে ভারত থেকে। ১৫ টাকা ব্যয়ে আমদানি করা পেঁয়াজ কেন খুচরা বাজারে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর কারণ খুঁজতে গিয়ে বরাবরের মতো মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের কারসাজির তথ্যই উঠে এসেছে। পর্যাপ্ত পেঁয়াজ মজুদ থাকলেও তারা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে আবারও দাম বাড়াচ্ছেন।


সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির কোনো বাস্তবসম্মত কারণ নেই। এর পরও হঠাৎ করে কেন দাম বাড়ছে তা খতিয়ে দেখা উচিত। তারা বলছেন, পেঁয়াজের মূল্য কারসাজি করে যেসব ব্যবসায়ী বারবার মুনাফা লুটছেন, তাদের বিরুদ্ধে কখনো দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। ফলে তারা কারসাজি করে বারবার ক্রেতাদের পকেট কাটার সুযোগ পেয়ে যাচ্ছেন।



সূত্র জানায়, ফের ‘সেপ্টেম্বর আতঙ্কে’ দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্থির হয়ে উঠেছে। গত তিন সপ্তাহে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে সব ধরনের পেঁয়াজের দাম। দেশি পেঁয়াজের দাম দ্বিগুণ বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। গত মাসের মাঝামাঝিতে যার দাম ছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। আর আমদানি করা ভারতের পেঁয়াজের দাম এখন ৫০ থেকে ৬০ টাকা, যা আগে ছিল ২৫ থেকে ৩০ টাকা। রাজধানীর মানিকনগরের এক দোকানি বলেন, শ্যামবাজারের মোকাম থেকে বেশি পেঁয়াজ আনতে পারিনি। দাম অনেক বেড়েছে। আমরা বেশি দামে কিনে সামান্য লাভ রেখে বিক্রি করি। দাম বাড়লে বিক্রি করতে আমাদের মতো দোকানদারদের সমস্যা বেশি হয়।

কিন্তু দাম বৃদ্ধির জন্য বরাবরের মতো একে অপরকে দোষারোপ করছেন বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা। রাজধানীর কারওয়ানবাজারের আড়তদার হাবিবুর রহমান বলেন, আমরা সরাসরি ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করি না। কিছু আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তারাই পেঁয়াজ আমদানি করে আমাদের সরবরাহ করেন। আমরা তাদের দাম অনুযায়ী বাজারে পেঁয়াজ ছাড়ি। এখানে আমরা সামান্য কিছু কমিশন পেয়ে থাকি। বেশি দামে কিনে বিক্রিও করি বেশি দামে।


বিদেশ থেকে পণ্য আমদানির তথ্য পর্যবেক্ষণ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সপ্তাহভিত্তিতে ব্যাংকগুলোর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই পর্যবেক্ষণ করা হয়। সবশেষ গত আগস্টে ব্যাংকগুলোতে ঋণপত্র (এলসি) খুলে ৮৩ হাজার ৬৬৬ টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে। এতে আমদানিকারকদের ব্যয় হয়েছে এক কোটি ৩৯ লাখ ৩৬ হাজার ডলার বা ১১৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। প্রতিটনে ব্যয় হয়েছে ২২৭ ডলার। গত বছরের আগস্টে আমদানি করা হয় ৫৭ হাজার ৪৭৯ টন। এই হিসাবে এ বছর আমদানি বেড়েছে ৪৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- আগস্টের প্রথম ও শেষ সপ্তাহে প্রতিকেজি পেঁয়াজ ১৫ টাকা দরে আমদানি করা হয়। দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ সপ্তাহে দাম আরও কম ছিল- ১৪ টাকা কেজি। গত বছরের আগস্টে আমদানিতে পেঁয়াজের দাম ছিল কেজিপ্রতি ১৭ থেকে ২৫ টাকা। এই হিসাবে এবার আমদানিতে দাম কমেছে ১৭ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত। তবে আগস্টের শেষ সপ্তাহে নতুন করে আমদানি করতে গিয়ে যে এলসি খোলা হয়েছে, তাতে পেঁয়াজের দাম কয়েক টাকা বেড়েছে। প্রতিকেজি পেঁয়াজের দাম পড়েছে ১৯ টাকা।

ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানিকারক হাফিজুর রহমান জানান, পেঁয়াজ আসতে অন্তত এক সপ্তাহ প্রয়োজন হয়। আগে এলসি খোলা হলেও পেঁয়াজ আনতে হয় সপ্তাহখানেক পরের দামে। ভারতে এখন পেঁয়াজের দাম অনেকখানি বেড়েছে। তাই আমাদেরও বেশি দামে পেঁয়াজ আনতে হয়েছে। তার ওপর পরিবহন ভাড়া, শ্রমিকদের মজুরি দিয়ে দেশের বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে।

আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা জানান, বন্দরে পেঁয়াজের চালান আসার পর সরকারি কিছু খরচসহ আনুষঙ্গিক ব্যয় বাবদ প্রতিকেজিতে আরও এক টাকা খরচ হয়। এ ছাড়া এসব পেঁয়াজ বন্দর থেকে রাজধানী পর্যন্ত আসতে কেজিপ্রতি আরও এক থেকে দেড় টাকা খরচ হয়ে থাকে। এর পর আমদানিকারকরা পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছে এসব পেঁয়াজ বিক্রি করেন। পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তা খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছে। সব মিলিয়ে ভারত থেকে আমদানি করার পর তিন-চার হাত হয়ে পেঁয়াজ ভোক্তার কাছে পৌঁছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দেশে বার্ষিক পেঁয়াজের চাহিদা ২৪ লাখ টন। গত বছর উৎপাদন হয় ২৩ দশমিক ৩০ লাখ টন। বাকিটা আমদানি করা হয়।

দেশি পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে মালিবাগের পাইকারি ব্যবসায়ী শাহাবুদ্দিন বলেন, দেশে পেঁয়াজের সংকট নেই। ভারতে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ায় একশ্রেণির অসাধু মজুদদার বাজারে পেঁয়াজ কম ছাড়ছে। এতে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হচ্ছে, দেশি পেঁয়াজের দামও বেড়ে যাচ্ছে। পেঁয়াজ এখন মজুদদারদের কাছে। সেখানে বৃষ্টি-বন্যায় পেঁয়াজের ক্ষতি হওয়ার কথা নয়। যতটুকু ক্ষতি হয়, সেটুকু ক্ষতি বিবেচনা করেই দাম নির্ধারণ করা থাকে। নতুন করে দাম বাড়ার কথা নয়।

গত বছর সেপ্টেম্বরে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির কারণ জানতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর তদন্ত চালায়। সেখানে দাম বৃদ্ধির জন্য আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত মুনাফার লোভে কারসাজি ছাড়াও কিছু বাস্তবসম্মত কারণ উল্লেখ করা হয়। দাম বৃদ্ধির অন্যতম মূল কারণ হচ্ছে- আমদানির জন্য এককভাবে ভারত নির্ভরতা। তাই আমদানির জন্য বিকল্প দেশ খোঁজা এবং সারাবছর সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করে ওই কমিটি।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, ব্যবসার ক্ষেত্রে নীতিমালা চলে না। ব্যবসায়ীদের একটাই নীতি কীভাবে মুনাফা হবে। তাই তারা কেবল সুযোগ খোঁজেন। এর আগেও কারসাজিবাজদের তালিকা হয়েছে। কিন্তু দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়নি। এতে অসাধু ব্যবসায়ীরা আরও সাহসী হয়ে উঠছে। তিনি আরও বলেন, ভারতে দাম বাড়ছে। সরকারের উচিত মিয়ানমার, মিসর ও চীনের মতো বিকল্প উৎস থেকে পেঁয়াজের আমদানি বাড়িয়ে দেওয়া। এতে দাম কমে আসবে। তবে সরকারের উচিত দেশের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা। আমদানি নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসা। চাহিদার বিপরীতে দেশীয় উৎপাদন সন্তোষজনক পর্যায়ে থাকলে বাজার আপনা থেকেই স্থিতিশীল থাকবে।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে ভারত রপ্তানি বন্ধ করলে দেশের বাজারে হু হু করে বেড়ে পেঁয়াজের কেজি ২৫০ টাকা পর্যন্ত উঠে যায়। সংকট কাটাতে মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, মিসর, চীন, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। এমনকি বিমানে করেও আনা হয় পেঁয়াজ। এর পর চলতি বছরের মার্চের শুরুতে ভারত রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। এতে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম ৩০ থেকে ৪০ টাকায় নামে।

‘পিঁয়াজের দাম মনিটরিং জোরদার করা হচ্ছে’
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

এবার রেকর্ড পরিমাণে পিঁয়াজ আমদানি করা হবে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, পিঁয়াজের দাম মনিটরিং জোরদার করা হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর নিজ দপ্তরে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সঙ্গে হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট প্রতিনিধিদলের বৈঠক শেষে তিনি একথা জানান।

পিঁয়াজের দাম খুব শিগগিরই নিয়ন্ত্রণে আসবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, পিঁয়াজ আমদানিতে ৫ শতাংশ ট্যাক্স কমানো হচ্ছে। এছাড়াও আমরা সর্বকালের রেকর্ড ভেঙে সর্বোচ্চ পরিমাণ পিঁয়াজ আমদানি করব। ফলে খুব শিগগিরই দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বেশ কয়েকটি টিম আমদানির স্থানগুলোতে যেমন, বেনাপোল ও হিলিতে যাবে। সেখানে দেখবে আমদানির কী অবস্থা। একটু দাম বেড়েছে বাজারে। বন্যার কারণে সরবরাহে সমস্যা হয়েছে। আমরা খুব চেষ্টা করছি। টিসিবি বড় পরিসরে নামছে। আগামী ১৩ তারিখ থেকে ন্যায্যমূল্যে খোলাবাজারে পিঁয়াজ বিক্রি শুরু করবে।

নতুন মাইলফলকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

করোনাভাইরাস সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নতুন মাইলফলক অতিক্রম করতে চলেছে। বৃহস্পতিবার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৮.৯০ বিলিয়ন ডলার, যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। করোনাকালে রিজার্ভের পরিমাণ বাড়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা।

প্রতি মাসে চার বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় হিসেবে এই রিজার্ভ দিয়ে সাড়ে নয় মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। আগামী সপ্তাহের শুরুতেই রিজার্ভ ৩৯ বিলিয়ন (তিন হাজার ৯০০ কোটি) ডলার ছাড়াবে বলে প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের পাশাপাশি রফতানি আয় বাড়ায় রিজার্ভ নতুন মাইলফলক অতিক্রম করতে চলেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, চলতি আগস্টের গত ২০ দিনে প্রবাসীরা ১৩৪ কোটি ১০ লাখ ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন। গতবছরের পুরো আগস্টে ১৪৪ কোটি ৪৭ লাখ ডলার রেমিটেন্স এসেছিল।

প্রবাসীরা গত জুলাইয়ে ২৬০ কোটি ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছিলেন দেশে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে এক মাসে এত রেমিটেন্স কখনো আসেনি। এর আগে এক মাসে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স এসেছিল গত জুনে। ওই মাসে ১৮৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার রেমিটেন্স এসেছিল।

শস্য ও ফসল চাষের ঋণে আগ্রহ নেই ২৮ ব্যাংকের
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে আগামীতে খাদ্যের উৎপাদন ও খাদ্য সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে কৃষি খাতে শস্য ও ফসল চাষের জন্য কৃষক পর্যায়ে স্বল্প সুদে কৃষিঋণ বিতরণে ব্যাংকগুলো নির্দেশনা দেয়া হয় গত এপ্রিলে। কিন্তু এ নির্দেশনা পরিপালনে ব্যর্থ হয়েছে ২৮ ব্যাংক। ব্যাংকগুলো কেন আগ্রহ দেখাচ্ছে না তার কারণ খুঁজে সমাধানের চেষ্ঠা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

জানা গেছে, মহামারি নভেল করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে সৃষ্ট সংকট মোকাবেলায় আমদানি বিকল্প ফসলগুলোর পাশাপাশি কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচিতে উল্লিখিত ধান, গমসহ সব দানা শস্য, অর্থকরী ফসল, শাক-সবজি ও কন্দাল ফসল চাষের জন্যও সুদ-ক্ষতি সুবিধার আওতায় কৃষক পর্যায়ে প্রণোদনা হিসেবে ৪ শতাংশ রেয়াতি সুদ হারে কৃষিঋণ বিতরণের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন ২০২১ পর্যন্ত এ সুবিধা দেয়া হয়। বিতরণকৃত ঋণের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকৃত সুদ-ক্ষতি বাবদ ৫ শতাংশ হারে সুদ-ক্ষতি প্রদান করবে। অর্থাৎ ব্যাংকগুলো এ ঋণ বিতরণের বিপরীতে ৯ শতাংশ সুদ পাবে। কিন্তু এ ঋণ বিতরণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাথে সরকারি-বেসরকারি ও বিদেশী মালিকানার মোট ৫৫টি ব্যাংক চুক্তিবদ্ধ হলেও গত ৩০ জুলাই পর্যন্ত ঋণ বিতরণ করেছে মাত্র ২৭ ব্যাংক। বাকি ২৮ টি ব্যাংক এক টাকাও বিতরণ করেনি।

ব্যাংক এ ঋণের বিতরণের বিপরীতে ৯ শতাংশ সুদ পাবে তারপরও কেন বিতরণ করছে না, তার কারণ খতিয়ে দেখছেন বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের ফোন দেয়ার পাশাপাশি, শাখা পর্যায়ের ব্যবস্থাপকদের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। খুব শিগগিরি এ ঋণ বিতরণের পরিমান বাড়বে বলে আশাবাদী ব্যাংকগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক।

চারিদিকে বণ্যা ও করোনার কারণে কৃষকদের এ ঋণ নিতে তেমন আগ্রহী নয় এমনটাই দাবি করেছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর শীর্ষ নির্বাহীরা।

চলতি বছরের ৩০ জুলাই শেষে ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সমাহীন ঋণ বিতরণের সুযোগ থাকলেও ২৭ব্যাংক মাত্র ৪৬৬ কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করেছে। বাকি ২৮ ব্যাংক এক টাকাও ঋণ বিতরণ করেনি। সবচেয়ে বেশি ঋণ বিতরণ করেছে রাষ্ট্রায়ত্ব খাতের বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক। ব্যাংকটি এ সময়ে ৪০ হাজার ৭৩৯ জন কৃষকে ৩০৩ কোটি ৪২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা ঋণ বিতরণ করেছে। এরপরেই রয়েছে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, ব্যাংকটি ৭ হাজার ৮০৩ জন কৃষকের বিপরীতে ৫৫ কোটি ১৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা বিতরণ করেছে। সোনালী ব্যাংক ৭ হাজার ২৬ আবেদনের বিপরীতে ৩৫ কোটি ৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, অগ্রণী ব্যাংক ৫ হাজার ৬৯৪ টি আবেদনের বিপরীতে ২৫ কোটি ১৩ লাখ ৯ হাজার টাকা, জনতা ব্যাংক ১ হাজার ৯৮৬ জনকে ১২ কোটি ৮৪ লাখ ৬১ হাজার টাকা , বেসিক ব্যাংক ১১ কৃষককে ২৭ লাখ টাকা, রূপালী ব্যাংক ২৯ কৃষককে ১৩ লাখ ১০ হাজার টাকার ঋণ বিতরণ করেছে।

বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে আল আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক ৫৪ জনকে ৫৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ৩ কৃষককে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা, ইসলামী ব্যাংক ১৩ জনকে ১৩ লাখ ২০ হাজার টাকা, মার্কেন্টাইল ব্যাংক ৮৬ জনকে ৭৩ লাখ ১৭ হাজার টাকা, ন্যাশনাল ব্যাংক ২ হাজার ৭৩৬ জনকে ১৯ কোটি ৯০ লাখ ৬২ হাজার টাকা, এনসিসি ব্যাংক ১৮৯ জনকে ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক ২ জনকে সাড়ে ৮ কোটি টাকা, প্রাইম ব্যাংক ১১ জনকে ১১ লাখ ২০ হাজার টাকা, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ১ জনকে ৫ লাখ টাকা, স্টান্ডার্ড ব্যাংক ১ জনকে ২ লাখ টাকা, ট্রাস্ট ব্যাংক ৩ জনকে আড়াই লাখ টাকা, উত্তারা ব্যাংক ১১৬ জনকে ৬২ লাখ টাকা ঋণ বিতরণ করে।

তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাথে চুক্তিবদ্ধ হলেও এক টাকাও ঋণ বিতরণ করেনি এবি, কমার্স ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, ডাচ্ বাংলা, ব্র্যাক, ঢাকা, এক্সিম, আইএফআইসি, কমিউনিটি, যমুনা, মধুমতি, মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট, এনআরবি, এনআরবি গ্লোবাল, ওয়ান, পূবালী, সীমান্ত, সোশ্যাল ইসলামী, সাউথ বাংলা, সাউথইস্ট, সিটি, প্রিমিয়ার, ইউনিয়ন, ইউসিবি, মেঘনা, মিডল্যান্ড, বিডিবিএল, ব্যাংক আল-ফালাহ্ এবং এইচএসবিসি ব্যাংক।

নির্দেশনার ৪ মাস অতিবাহিত হলেও কেন ঋণ বিতরণ করেননি জানতে চাইলে ওয়ান ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম ফখরুল আলস ঢাকা টাইমসকে জানান, এই ঋণ বিতরণে তাদের অনাগ্রহ নয়, বরং গোছাতে একটু দেরি হয়ে গেছে। কৃষকের কাছে সরাসরি ঋণ পৌঁছাতে তারা চেষ্ঠা চালাচ্ছেন। খুব দ্রুত ঋণ বিতরণ শুরু করবে তারা। আবার কিছু এলাকায় বন্যার কারণে ঋণ বিতরণে অনেক বিষয় আশয় বিবেচনা করার জন্যও দেরি হচ্ছে।

কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া ঢাকা টাইমসকে জানান, করোনা বির্ধস্ত অর্থনীতি পুরুদ্ধানে এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অক্ষরে অক্ষরে পালন করছি। এ লক্ষ্য লক ডাউনেও আমরা একদিনও অফিস মিস করেনি। আমাদের ১ হাজার ৩৮ টি শাখা খোলা ছিল। দ্বায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমার ৪ জন সহকর্মী করোনায় মারা গেছে এবং ৩ শতাধিক কর্মকর্তা আক্রান্ত।

তিনি আরো বলেন, ‘দেশের কৃষি, কৃষক ও অর্থনীতি বাঁচাতে আমরা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা মেনে লক্ষ্য নির্ধারণ করে সেই ভিত্তিতে কাজ করছি।’

দাম কমেছে স্বর্ণ ও রুপার
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দাম কমেছে স্বর্ণ ও রুপার। স্বর্ণের দাম প্রায় সাড়ে চার শতাংশ এবং রুপার দাম সাড়ে ছয় শতাংশের বেশি কমেছে। চলতি বছরের প্রথম সাড়ে ৭ মাস দাম ওঠানামার মধ্যে বেশ অস্থির সময় পার করেছে দেশের স্বর্ণের বাজার। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে মোট ৬ বার বাড়ানো হয় স্বর্ণেরর দাম। এর মধ্যে টানা ৪ বার বাড়ে মূল্যবান এই ধাতুর দাম। আর দামের বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে দুইবার কমানো হয় এই আভিজাত্যের প্রতীকের দাম।

অর্থাৎ ৫ জানুয়ারি থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত ৮ বার স্বর্ণের বাজার দর ঠিক করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি, বাজুস। তবে, দেশের ব্যবসায়ীরা একবারও হাত দেননি রুপাতে। অর্থাৎ সাড়ে ৭ মাসে দাম ওঠানামায় বাজারে সোনা অস্থিরতা দেখালেও মূল্যবান এই ধাতুর পাশে নীরব থেকেছে রুপা।

 

এদিকে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দরপতন শুরু হয় গত সপ্তাহের আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস (৭ আগস্ট) থেকে। অবশ্য এ দরপতন শুরু হওয়ার আগে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম রেকর্ড ২ হাজার ৭৫ ডলারে ওঠে।

এরপর দফায় দফায় দাম কমে গত বুধবার (১২ আগস্ট) এক পর্যায়ে এক হাজার ৮৯৫ ডলারে নেমে আসে স্বর্ণের আউন্স। অর্থাৎ তিনদিনের ব্যবধানে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১৮০ ডলার পর্যন্ত কমে যায়। এর মধ্যে মঙ্গলবারই কমে ১১২ ডলার।

বিশ্ববাজারে এই রেকর্ড দরপতনের প্রেক্ষিতে বুধবার দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। ভরিতে সাড়ে তিন হাজার টাকা কমানো হয় স্বর্ণের দাম।

অবশ্য দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর আগেই বিশ্ববাজারে আবার দাম বাড়ার আভাস দেখা দেয়। বুধবার লেনদেনের শুরুতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ২১ ডলার কমে গেলেও, লেনদেনের পরবর্তী সময়ে প্রায় ৩০ ডলার বেড়ে যায়। এরপর বৃহস্পতিবারও (১৩ আগস্ট) স্বর্ণের দাম বাড়ে। এতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম এক হাজার ৯৬০ ডলারে উঠে আসে।

তবে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শুক্রবার (১৪ আগস্ট) আবারও দরপতন হয়। এ দিন প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১৬ দশমিক ২০ ডলার কমে এক হাজার ৯৪৩ দশমিক ৬৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে ৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

এদিকে স্বর্ণের পাশাপাশি গত সপ্তাহে ব্যাপক অস্থিরতার মধ্যে দিয়ে গেছে রুপার দামও। স্বর্ণের পাশাপাশি গত মঙ্গলবার বড় দরপতন হয় রুপার দামে। একদিনে রুপার দাম ১২ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। তবে বুধবার ও বৃহস্পতিবার রুপার দাম কিছুটা বাড়ে।

অবশ্য শুক্রবার আবার দরপতন হয়। এ দিন প্রতি আউন্স রুপার দাম এক দশমিক ১৯ ডলার বা ৪ দশমিক ৩১ শতাংশ কমে ২৬ দশমিক ৪২ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে রুপার দাম কমেছে ৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

এদিকে আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষণ নিয়ে করা দেশি-বিদেশি বিভিন্ন গবেষণা সংস্থার পূর্বাভাস রয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রতি আউন্স সোনার দাম ২১ হাজার ডলার পার হবে। আর আগামী দুই বছরের মধ্যে মূল্যবান এই ধাতুর প্রতি আউন্সের দাম দাঁড়াবে সাড়ে ৩ হাজার ডলারে। তবে করোনাকাল পার করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এ দাম কমে যেতে পারে বলেও মনে করছেন অনেকেই।

 

দেশে মাথাপিছু গড় আয় বেড়েছে ১৫৫ ডলার
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দেশে ২০১৯-২০ অর্থবছর শেষে মানুষের মাথাপিছু গড় আয় দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৬৪ ডলার। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ও মাথাপিছু আয়ের সাময়িক হিসাবে এই চিত্র উঠে এসেছে।

এক বছরের ব্যবধানে দেশের মানুষের মাথাপিছু গড় আয় বেড়েছে ১৫৫ ডলার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মাথাপিছু গড় আয় ছিল ১ হাজার ৯০৯ ডলার।


মাথাপিছু গড় আয় কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত আয় নয়। একটি দেশের মোট আয়কে মাথাপিছু ভাগ করে দেওয়া হয়। বিদায়ী অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ। এটি সাময়িক হিসাব।

করোনার কারণে বিদায়ী বছরে প্রবৃদ্ধি কমেছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল।

আজ থেকে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আরেক দফা বেড়ে আজ বৃহস্পতিবার থেকে দেশের বাজারে নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন মানের সোনা। নতুন দামের বিষয়টি গতকাল বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। বৃহস্প‌তিবার থেকে স্বর্ণের এ নতুন দর কার্যকর হলো।

বর্তমানে প্রতি ভরি স্বর্ণে চার হাজার ৪৩২ টাকা বাড়িয়ে নতুন দর নির্ধারণ করেছে বাজুস। বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে বাজুসের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালার স্বাক্ষ‌রিত বিজ্ঞপ্তিতে।

নতুন দামে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম চার হাজার ৪৩২ টাকা বা‌ড়ি‌য়ে নির্ধারণ করা হ‌য়ে‌ছে ৭৭ হাজার ২১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ ৭৪ হাজার ৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ৬৫ হাজার ৩১৮ টাকায় ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি ৫৪ হাজার ৯৯৬ টাকা নির্ধারণ করা হ‌য়ে‌ছে।

সারা দেশে পানির দামে চামড়া বিক্রি!
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

চামড়াজাত পণ্যের দাম বাড়লেও প্রতিবছরই কমছে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম। ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবছর কোরাবনির ঈদের আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চামড়ার দাম কমিয়ে পুনর্নির্ধারণ করে দেয়। আর এভাবেই গত কয়েক বছরে গরুর চামড়ার দাম কমে অর্ধেকের নিচে ও খাসি চারভাগের একভাগে নেমেছে। এতে করে ট্যানারি মালিকরা লাভবান হলেও বঞ্চিত হচ্ছেন মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী ও চামড়ার টাকার হক ভাগিদার গরিব সাধারণ মানুষ।

ইসলামি বিধান অনুযায়ী, কোরবানির পশুর চামড়া বা বিক্রি করা অর্থ দান করতে হয়। এই দান এতিমখানা, মাদরাসা এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীই পেয়ে থাকে। কিন্তু গেল বছরের চিত্র ছিল পুরো ভিন্ন। চামড়ার দাম পেয়ে যাদের উপকৃত হওয়ার কথা সেই গরিব মানুষের পকেটে কোনও টাকা যায়নি। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আড়তদার, ব্যবসায়ী আর ট্যানারি মালিকরা চামড়া বিক্রির টাকায় নিজেদের পকেট ভারি করেছেন। এবছরও নানা কায়দা-কৌশলে চামড়ার দামে জল ঢেলে গরিবের ভাগ্য লুটছে ট্যানারি শিল্প মালিকরা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ২০১৩ সালে লবণযুক্ত প্রতি বর্গফুট গরুর কাঁচা চামড়ার মূল্য ছিল ৮৫ থেকে ৯০ টাকা। ওই সময়ে লবণযুক্ত ছাগলের চামড়ার বিক্রি হয়েছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকায়। মাত্র সাত বছরের ব্যবধানে ২০২০ সালে লবণযুক্ত প্রতিবর্গফুট গরুর কাঁচা চামড়ার দাম মাত্র ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় এবং প্রতি বর্গফুট ছাগলের চামড়ার ১৩ থেকে ১৫ টাকায় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

গত ৭ বছরে গরুর চামড়া দাম কমেছে ৫৮ দশমিক ৮২ শতাংশ। একই সময়ে ছাগলের চামড়ার দাম কমেছে ৭৪ শতাংশ। অর্থাৎ ২০১৩ সালে ছাগলের চামড়া যে দামে পাওয়া যেত, ২০২০ সালে এসে গরুর চামড়া তার চেয়েও কম দামে পাওয়া যাচ্ছে।

কোরবানির গরু-ছাগলের চামড়ার কেনাবেচা নিয়ে বিক্রেতা ফরিয়া ও বেপারি, তিনপক্ষই অসন্তুষ্ট। বিক্রেতারা বলছেন, সরকারের নির্ধারিত মূল্য পাচ্ছেন না তারা। ফরিয়ারা বলছেন, যে দামে বিভিন্ন মহল্লা থেকে চামড়া কিনেছেন, সেই দামে বেপারিদের কাছে বিক্রি করতে পারছেন না।

আর বেপারিরা বলছেন, যে দামে চামড়া কেনার কথা সে দামে পাচ্ছেন না তারা। চামড়ার বাজারের এই অবস্থার কারণে অনেকেই তাদের পশুর চামড়া বিভিন্ন এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংকে বিনামূল্যে দিয়ে দিয়েছেন।

এর বাইরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পশু কোরবানির যে সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে তাতেও উপরের কারণগুলোই স্পষ্ট। করোনা আর ট্যানারি মালিকদের কাছে চামড়া ব্যবসায়ীদের বড় অঙ্কের বকেয়া।

এদিকে সরকার নির্ধারিত মূল্যে চামড়া বিক্রি ও যথাযথ প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণের কাজ তদারকি করতে অভিযান শুরু করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।

অধিদফতরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক (উপসচিব) মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, ‘অধিদফতরের মহাপরিচালকের নির্দেশনায় রাজধানী ঢাকায় দুইটি টিমসহ দেশের ৬১ জেলায় সরকার নির্ধারিত মূল্যে চামড়া বিক্রয় হচ্ছে কিনা এবং যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সংরক্ষণ করা হচ্ছে কিনা তা তদারকি করা হয়।’

এর আগে গত সপ্তাহে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তৈরি করা “জাতীয় সম্পদ চামড়া, রক্ষা করবো আমরা” স্লোগানে কাঁচা চামড়া সংরক্ষণ পদ্ধতি বিষয়ক লিফলেট বিলি করা হয়। সেই আলোকে কোরবানির চামড়া সংরক্ষণ করা হচ্ছে কি-না তা তদারকি করা হয়।

চামড়া শিল্প নগরীতে অভিযান
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর সাভারের হেমায়েতপুর চামড়া শিল্প নগরীতে কোরবানির চামড়া ক্রয় ও ব্যবস্থাপনা তদারকি করতে অভিযান চালিয়েছে।

আজ রবিবার ঢাকার অদূরে সাভারের হেমায়েতপুর চামড়া শিল্প নগরীতে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযান পরিচালনা করছেন অধিদফতরের সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মন্ডল ও মাগফুর রহমান।

সরকার নির্ধারিত মূল্যে কোরবানির পশুর চামড়া কেনা-বেচা ও সঠিক প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ করা হচ্ছে কি-না তা দেখা হয় অভিযানে।

সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মন্ডল এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানান, আমরা সাভারের চামড়া শিল্প নগরীতে কাঁচা চামড়া সংরক্ষণ প্রক্রিয়া তদারকি করছি। এখনে মূলত জাতীয় সম্পদ চামড়া সঠিক প্রক্রিয়ায় লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করা হচ্ছে কি-না এটি দেখা হচ্ছে। এছাড়া সরকার নির্ধারিত মূল্যে চামড়া কেনা-বেচা হচ্ছে কি-না তাও দেখা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমাদের অভিযান চলছে কোনো অনিয়ম বা অভিযোগ পেলে আমরা আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেব।

গত বছরের মতো এবারও কোরবানির চামড়ার বাজারে বড় ধরনের ধস নেমেছে। খোদ রাজধানীতে প্রতিপিস গরুর চামড়া কেনা-বেচা হয়েছে মাত্র ২০০ থেকে ৪০০ টাকায় যা সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক কম। যদিও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি কর্মকর্তাদের।

নির্ধারিত দামের চেয়েও কমে বিক্রি হচ্ছে চামড়া
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

প্রতি বছরের মতো এবারও কোরবানিকৃত পশুর চামড়ার দর সরকার নির্ধারন করে দিলেও তার চেয়েও কম দামে চামড়া কিনছেন ব্যবসায়ীরা। গরুর চামড়া নির্ধারিত দরের কমে কেনার পাশাপাশি ছাগলের চামড়া বিক্রি হচ্ছে একেবারে পানির দরে।

শনিবার ঈদের দিন দুপুরে সায়েন্স ল্যাব এলাকায় দেখা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে অনেকেই চামড়া সংগ্রহ করে এখানে বিক্রির জন্য নিয়ে এসেছেন। আড়াতদার ও ট্যানারি মালিকরা সেসব চামড়া কিনলেও দাম দিচ্ছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত দরের চেয়েও অনেক কম।

পুরান ঢাকার বকশি বাজার থেকে বেশ কয়েকটি ছাগলের চামড়া সংগ্রহ করে বিক্রি করতে এনেছিলেন ইউনূস মিয়া নামের এক ব্যক্তি। তিনি জানান, বড় ছোট মিলিয়ে প্রতিটি চামড়া মাত্র চল্লিশ টাকা করে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন।

মহামারীকালে এবার কোরবানির ঈদে রাজধানীর পাড়া-মহল্লায় ফড়িয়া বা মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীদের তেমন একটা দেখা যায়নি। তবে হতদরিদ্র ও বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহে দেখা গেছে।

এসব কাঁচা চামড়ার অধিকাংশই শনিবার দুপুরে রাজধানীর সাইন্সল্যাব মোড়ে কেনাবেচা করতে দেখা গেছে। এখানে প্রতিটি বড় গরুর চামড়া ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি চামড়া ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা ও ছোট দেড়শ থেকে ৩০০ টাকা। প্রতিটি খাসির বড় চামড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকা ও ছোট চামড়া ২০ থেকে ২৫ টাকায় কিনছেন ব্যবসায়ীরা।

যদিও চামড়া খাতের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রতিবর্গ ফুট গরুর লবণযুক্ত চামড়া ঢাকায় ৩৫ থেকে ৪০ টাকা ও ঢাকার বাইরে ২৮ থেকে ৩২ টাকা নির্ধারণ করে। আর খাসির চামড়া ১৩ থেকে ১৫ টাকা ও বকরি ১০ থেকে ১২ টাকা দর নির্ধারণ করা হয়েছিল।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত এই দরে ঢাকায় লবণ ছাড়া প্রতিটি ছোট গরুর চামড়া ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, মাঝারি গরু ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা ও বড় গরু ১২০০ থেকে দেড় হাজার টাকার উপরে বিক্রি হওয়ার কথা। ঢাকার বাইরে ছোট চামড়া ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, মাঝারি ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা ও বড় চামড়া ১ হাজার থেকে ১২০০ টাকা।

অথচ দেখা গেছে, নির্ধারিত এই দরের চেয়ে অনেক কমে বিক্রি হচ্ছে গরুর চামড়া। আর ছাগলের চামড়া অনেকটা পানির দামে বিক্রি হচ্ছে।


   Page 1 of 6
     অর্থ-বাণিজ্য
খুলনায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রাক-বাজেট আলোচনা সভা
.............................................................................................
ময়মনংসিহরে ভালুকা উথুরা বাজারে অগ্রণী ব্যাংক এজেন্ট শাখার কার্যক্রম চালু
.............................................................................................
বর্ডারে চালের ট্রাক আটকে আছে, এলেই দাম কমবে: খাদ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ
.............................................................................................
ঘরে বসেই যেভাবে ৩৬ টাকায় মিলবে পেঁয়াজ!
.............................................................................................
৩০ টাকায় টিসিবির পেঁয়াজ মিলবে কাল থেকে
.............................................................................................
ফের অস্থিতিশীল পেঁয়াজের বাজার!
.............................................................................................
‘পিঁয়াজের দাম মনিটরিং জোরদার করা হচ্ছে’
.............................................................................................
নতুন মাইলফলকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ
.............................................................................................
শস্য ও ফসল চাষের ঋণে আগ্রহ নেই ২৮ ব্যাংকের
.............................................................................................
দাম কমেছে স্বর্ণ ও রুপার
.............................................................................................
দেশে মাথাপিছু গড় আয় বেড়েছে ১৫৫ ডলার
.............................................................................................
আজ থেকে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম
.............................................................................................
সারা দেশে পানির দামে চামড়া বিক্রি!
.............................................................................................
চামড়া শিল্প নগরীতে অভিযান
.............................................................................................
নির্ধারিত দামের চেয়েও কমে বিক্রি হচ্ছে চামড়া
.............................................................................................
১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খুলে নেয়া যাবে নগদ সহায়তা
.............................................................................................
দাম বাড়বে যেসব পণ্যের
.............................................................................................
যেসব পণ্যের দাম কমবে
.............................................................................................
মোবাইল রিচার্জে ১০০ টাকায় ২৫ টাকা নেবে সরকার
.............................................................................................
বিড়ি-সিগারেটসহ তামাকজাত পণ্যের দাম বাড়বে
.............................................................................................
দাম বাড়তে পারে যেসব পণ্যের
.............................................................................................
বুড়িমারী স্থালবন্দর বন্ধ করে দিল ভারত
.............................................................................................
১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার রেকর্ড ঘাটতি বাজেট আসছে
.............................................................................................
১০ লাখ নতুন করদাতা শনাক্তের টার্গেট
.............................................................................................
দ্বিতীয় দিনেই শেয়ারবাজারে বড় দরপতন
.............................................................................................
শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু
.............................................................................................
৩১ মে থেকে স্বাভাবিক হচ্ছে ব্যাংকিং কার্যক্রম
.............................................................................................
ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরু
.............................................................................................
৮০০ মিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা
.............................................................................................
দেড় মাস পর ভারত-বাংলাদেশের বানিজ্য শুরু
.............................................................................................
পোশাক শিল্পে ৫ হাজার কোটি টাকা অনুদান নয়, স্বল্পসুদে ঋণ
.............................................................................................
করোনা: অর্থনৈতিক ক্ষতি মোকাবেলায় সিগারেটের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব
.............................................................................................
করোনার ধাক্কায় মন্দার কবলে বিশ্ব অর্থনীতি
.............................................................................................
হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু
.............................................................................................
গার্মেন্টসহ কর্মীঘন প্রতিষ্ঠানে প্রবেশে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পরামর্শ
.............................................................................................
আসছে ভারতীয় পেঁয়াজ
.............................................................................................
৪ বছরে বেসিক ব্যাংকের ক্ষতি ৩৮৮৪ কোটি টাকা
.............................................................................................
নির্দেশনা অমান্য করায় ৯ ব্যাংককে জরিমানা
.............................................................................................
বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি বন্ধ
.............................................................................................
১৮ মার্চ থেকে বাজারে পাওয়া যাবে ২০০ টাকার নোট
.............................................................................................
ভারতের পেঁয়াজ আসবে ১৫ মার্চ থেকে
.............................................................................................
আট মাসে রেমিট্যান্স বৃদ্ধি ২০ শতাংশ
.............................................................................................
এক অঙ্কের সুদহার বাস্তবায়নে দিশেহারা ব্যাংকাররা
.............................................................................................
পরিচালক ঋণে ভারাক্রান্ত ব্যাংক খাত
.............................................................................................
রিজার্ভ চুরি মামলার প্রতিবেদন ২৯ মার্চ
.............................................................................................
ইউরোপে পোশাক রপ্তানি কমছে
.............................................................................................
দেড় যুগ পর ব্যাংক রেট কমানোর উদ্যোগ
.............................................................................................
২১ ফেব্রুয়ারি ঘিরে ২০ কোটি টাকার ফুলের ব্যবসা
.............................................................................................
জাপানি কোম্পানিগুলোর শীর্ষ পছন্দ বাংলাদেশ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম.এ মান্নান
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ হাজী মোবারক হোসেন।। সহ-সম্পাদক : কাউসার আহম্মেদ।
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আজমল হোসেন বাবু। র্বাতা সম্পাদক আবু ইউসুফ আলী মন্ডল, ফোন ০১৬১৮৮৬৮৬৮২

ঠিকানাঃ বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়- নারায়ণগঞ্জ, সম্পাদকীয় কার্যালয়- জাকের ভিলা, হাজী মিয়াজ উদ্দিন স্কয়ার মামুদপুর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। শাখা অফিস : নিজস্ব ভবন, সুলপান্দী, পোঃ বালিয়াপাড়া, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ-১৪৬০, মোবাইল : 01731190131, 01930226862, E-mail : mannannews0@gmail.com, web: notunbazar71.com, facebook- notunbazar / সম্পাদক dhaka club
    2015 @ All Right Reserved By notunbazar71.com

Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop