| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   রাজনীতি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তাঁর প্রতি এই শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর এই মহান নেতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের অংশ হিসেবে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন প্রধানমন্ত্রী।

পরে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে শেখ হাসিনা জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।

এ সময় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী ও শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার কে এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে গঠিত হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ। প্রথম সভাপতি নির্বাচিত হন মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক হন শামসুল হক। শেখ মুজিবুর রহমান কারাগারে থাকা অবস্থায় তখন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরে তিনি দলটির সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক আদর্শের প্রতিফলন ঘটানোর জন্য ১৯৫৫ সালে দলের কাউন্সিলে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়। নাম হয় ‘আওয়ামী লীগ’। দলটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছে। তারা ১৩ বছর ধরে ক্ষমতায় রয়েছে।

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর
                                  

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তাঁর প্রতি এই শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর এই মহান নেতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের অংশ হিসেবে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন প্রধানমন্ত্রী।

পরে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে শেখ হাসিনা জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।

এ সময় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী ও শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার কে এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে গঠিত হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ। প্রথম সভাপতি নির্বাচিত হন মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক হন শামসুল হক। শেখ মুজিবুর রহমান কারাগারে থাকা অবস্থায় তখন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরে তিনি দলটির সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক আদর্শের প্রতিফলন ঘটানোর জন্য ১৯৫৫ সালে দলের কাউন্সিলে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়। নাম হয় ‘আওয়ামী লীগ’। দলটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছে। তারা ১৩ বছর ধরে ক্ষমতায় রয়েছে।

বাঙালি জাতির সব অর্জন এসেছে আওয়ামী লীগের হাত ধরে: তথ্যমন্ত্রী
                                  

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, দীর্ঘ ৭৩ বছরের পথচলায় আওয়ামী লীগের হাত ধরেই বাঙালি জাতির সমস্ত অর্জন এসেছে।

আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাজধানীর ধানমন্ডিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ কথা বলেন হাছান মাহমুদ। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ পরিচালক মীর আকরাম উদ্দিন আহম্মদ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে, বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ খাদ্যঘাটতির দেশ থেকে খাদ্যে উদ্বৃত্তের দেশে পরিণত হয়েছে। স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। অর্থাৎ, বাঙালি জাতির সমস্ত অর্জন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই হয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর আরও একটি বড় অর্জন হচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে, আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে। আর তা হলো বিশ্ব বেনিয়াদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পদ্মা সেতু নির্মাণ। তাই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ইতিহাস প্রকৃতপক্ষে বাঙালি জাতিরই ইতিহাস। বাঙালি জাতির সমস্ত অর্জনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সামনে চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, এখনো স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি বাংলাদেশে আস্ফালন করে। তাদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হচ্ছে বিএনপি। বিএনপি এখনো জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে রাজনীতি করে। তারা এখনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি, স্বাধীনতার বিরুদ্ধে তারা এখনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমস্ত ষড়যন্ত্রকে পরাস্ত করে আমরা বাংলাদেশকে উন্নতি-সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘অতীতে যেমন সমস্ত ষড়যন্ত্রকে ছিন্ন করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বিশেষ করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে, আমরা ইনশা আল্লাহ ২০৪১ সাল নাগাদ সমস্ত ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করব।’

দেশের মানুষের কাছে নৌকার কোনো বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী
                                  
আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাছবি: বাসস

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর দল প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছে। তাই দেশের মানুষের কাছে নৌকা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার সকালে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির ভাষণে এ কথা বলেন শেখ হাসিনা। তিনি গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের মূল অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।

শেখ হাসিনা বলেন, দেশবাসী জানে, নৌকা আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক। নৌকা ছাড়া তাদের গতি নেই। কেননা, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে নিজের ভাগ্য গড়ার জন্য নয়, বরং অনেক মানুষের ভাগ্য গড়তে। জন্মলগ্ন থেকে সেই আদর্শ নিয়েই আওয়ামী লীগ রাজনীতি করে যাচ্ছে।

অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বিষয়ে বিএনপিকে উদ্দেশ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘নেতৃত্বশূন্য কোনো দল নির্বাচন করবে, আর জনগণ ভোট দেবে কী দেখে? ওই চোর, ঠকবাজ, এতিমের অর্থ আত্মসাৎকারী অথবা খুন, অস্ত্র চোরাকারবারি, সাজাপ্রাপ্ত আসামি, তাদের জনগণ ভোট দেবে দেশ পরিচালনার জন্য? তারা তো তা দেবে না। বাংলাদেশের মানুষ এ ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা পদ্মা সেতু করেছি নিজেদের অর্থে। অথচ এটা নিয়ে বিএনপি প্রশ্ন তোলে। যাদের আপাদমস্তক দুর্নীতিতে ভরা, তারা আবার প্রশ্ন তোলে কোন মুখে?’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ওরা তো কিছুই করে যেতে পারেনি। জাতির পিতা তাঁর প্রথম জাপান সফরে যে যমুনা সেতু করার উদ্যোগ নেন, সেটা তাঁকে হত্যার পর ক্ষমতায় আসা জিয়াউর রহমান বন্ধ করে দেন। পরে এরশাদ ক্ষমতায় এসে আবার উদ্যোগ নেন সেতুটি করার। কিন্তু খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর সেতুর কাজ খুব বেশি এগোতে পারেনি। কারণ, সব জায়গায় তাদের ছিল কমিশন খাবার অভ্যাস।’

১৯৯৬ সালে সরকারে এসে আওয়ামী লীগ যমুনা সেতুর সঙ্গে রেললাইন, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের লাইন জুড়ে দিয়ে একে বহুমুখী করেছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতায় নেতৃত্বদানকারী সংগঠন আওয়ামী লীগ এ দেশের পল্লি-প্রকৃতি-মাটি-মানুষের কল্যাণ যতটা উপলব্ধি করতে পারে, আর কেউ ততটা বুঝবে না। কারণ, তাদের মনে এখনো রয়ে গেছে ‘পেয়ারা পাকিস্তান’। তা ছাড়া জিয়া, খালেদা, এমনকি এরশাদ কারও জন্মই বাংলাদেশে নয়।

শেখ হাসিনা বলেন, তিনি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু এই মাটিরই সন্তান। তাঁরা মাটির টানে, নাড়ির টানেই এ দেশের মানুষের ভাগ্য বিনির্মাণে কাজে লেগেছেন। আওয়ামী লীগের আদর্শই হচ্ছে জনগণের সেবা করা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বানভাসি মানুষের পাশে আওয়ামী লীগ যেমন দাঁড়িয়েছে, তেমনি প্রশাসন, সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সেখানে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রতিনিয়ত বানভাসিদের উদ্ধার, চিকিৎসা প্রদান, খাদ্য প্রদান ও অন্যান্য সহায়তা প্রদানে সেখানে এতটুকু গাফিলতি নেই।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রথম দিন থেকেই আমরা এই বানভাসি মানুষের পাশে আছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেসব প্রত্যন্ত অঞ্চলে কেউ যেতে পারছেন না, সেসব জায়গার খবর পাওয়ার সঙ্গেই তিনি সশস্ত্র বাহিনী মারফত হেলিকপ্টারে করে সেখানে সাহায্য পাঠাচ্ছেন। সেখানে উদ্ধার তৎপরতা চালানো বা খাদ্য পৌঁছানো হয়েছে। অথচ যারা আজ পর্যন্ত বানভাসি মানুষকে একমুঠো খাবারও দিতে পারেনি, তাদের পাশে দাঁড়ায়নি, ঘরে বসে তারা কেবল মায়া কান্না করছে। এটাই তাদের চরিত্র।

আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য দেন। দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ গণভবন থেকে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। দলটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছে। তারা ১৩ বছর ধরে ক্ষমতায় রয়েছে।

নানা দুর্ভোগের অবসান হবে ২৫ জুন’
                                  

পদ্মা সেতু নির্মাণের সময় বিভিন্ন মহল নানাভাবে ষড়যন্ত্র করেছে। একমাত্র ষড়যন্ত্রকারীরাই পদ্মা সেতু নিয়ে দুর্নীতির কথা বলেছেন। এরই মধ্যে নিজস্ব অর্থায়নে সেতু নির্মাণের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেতু নির্মাণে সবচেয়ে ব্যয়বহুল ইঞ্জিনিয়ারিং কার্যক্রম চালানো হয়েছিল। দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষের নানা দুর্ভোগের অবসান ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতেই নির্মাণ করা হয় সেতুটি।

বুধবার (২২ জুন) দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটি আয়োজিত ‘বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে পদ্মা সেতুর অবদান’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন বক্তারা।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সাহাব উদ্দিন চুপ্পু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা প্রজ্ঞা ও তার ফলেই আজকে পদ্মা সেতুর বাস্তবায়ন হয়েছে। অর্থনৈতিক অগ্রগতি ঘটবে এখন সেটা সবাই স্বীকার করছেন। বিশ্ব ব্যাংক যে অভিযোগ করেছিল সে অভিযোগকে সবাই বলেছিল যে এটা হয়তো সত্য। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো আমরা কোনো কিছু না দেখেই সেটা বিশ্বাস করে প্রচার করলাম দুর্নীতি হয়েছে। গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার হয়।

তিনি বলেন, বিশ্ব ব্যাংক বহুবার চেয়েছিল আমাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে একটি তদন্ত করতে, কিন্তু আমরা সেটি করিনি। তারা যখন বুঝতে পেরেছে যে তাদের ধারণা ঠিক হয়নি তখন তারা এখানে অর্থায়ন করতে চেয়েছিল। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদে বলেছেন আমরা নিজস্ব টাকায় অর্থায়নে আমাদের পদ্মা সেতু করবো। তারা নানা বিবৃতি ও সমালোচনা করেন। যারা পদ্মা সেতু নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে বলেছে তারাই ছিল ষড়যন্ত্রকারী।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দুইভাগ বৃদ্ধি পাবে। পদ্মা সেতুর সঙ্গে অর্থনীতির সম্পর্ক রয়েছে। সেইসঙ্গে নানা দুর্ভোগের অবসান হবে ২৫ জুন। অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা বলেছেন এই সেতু অর্থনীতিতে অবদান রাখবে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. খান মাহমুদ আমানত বলেন, দৈর্ঘ্যে পদ্মা সেতুর চেয়ে বড় অনেক সেতু রয়েছে। কিন্তু কারিগরি দিক থেকে পদ্মা সেতু অন্যতম। পদ্মা নদীর গতিপথ যেন পরিবর্তন না হয় সেটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বিশ্বের সবচেয়ে গভীরতম পাইল নির্মাণ করা হয়েছে এখানে।

পদ্মা সেতুতে ব্যবহৃত পেন্ডুলাম বিয়ারিং বিশ্বের সবচেয়ে অন্যতম। ভূপেন হাজারিকা সেতুর সঙ্গে পদ্মা সেতুর তুলনা করা হয়েছে এটাও ঠিক নয়। সেখানে সাড়ে সাত হাজার কিউসেক পানি প্রতি সেকেন্ডে প্রবাহিত হয় অথচ পদ্মা সেতুর সেখানে লাখের ওপরে পানি প্রবাহিত হয়। মেগা প্রজেক্টে ব্যয় বাড়ে যা নির্মাণ শুরুর পর বোঝা যায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক পরিচালক ড. জামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক পদ্মা সেতুর অর্থায়ন অন্ধ্রপ্রদেশের আবুল বারকাত বুঝতে পেরেছিলেন ৬ মাস আগে এবং সেটা নিয়ে আমাদের সঙ্গে কাজ করেছিলেন তখন। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু করার কাঠামোটা ড. বারাকাত দিয়েছিলেন। ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে মানুষজন গণমাধ্যমেও এটা সমালোচনা শুরু হয়।

১৯০৮ সালে হার্ডিং ব্রিজও আমাদের দেশের টাকা দিয়ে করা হয়। শত বছর পরে এসে পদ্মা সেতু নির্মাণ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কতটা ভূমিকা রাখবে সেটা আগামীতে দেখা যাবে। পদ্মা সেতু নির্মাণ এটা আমাদের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর বলেন, পদ্মা সেতুর মতো এ ধরনের জটিল ইঞ্জিনিয়ারিং কাজ করার সুযোগ তাদের জীবনে আসে না। আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন করতে সেখানে শিল্প গড়ে উঠবে। প্রধানমন্ত্রী আমাদের আস্থার জায়গা আমাদের গর্ব করার জায়গা তৈরি করে দিয়েছেন।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জামালপুরের ১৮৮ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ
                                  

জামালপুরে বন্যার পানি ঢুকে পড়ায় জেলার ১৬৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ২৩ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, জেলায় এক হাজার ১৬১টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৫৯১টি মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত পাঠদান চলে। কিন্তু সম্প্রতি বন্যায় কিছু প্রতিষ্ঠানের পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে। দেওয়ানগঞ্জের বাংলাদেশ রেলওয়ে উচ্চবিদ্যালয় এবং ইসলামপুরের চিনাডুলি উচ্চবিদ্যালয়কে প্রতিবারের মতো বন্যার্তদের আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করায় এ দুটি প্রতিষ্ঠানেও পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

 জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুর রাজ্জাক জাগো নিউজকে বলেন, জেলায় ২১৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্যার পানি ঢুকেছে। এর মধ্যে ১৬৫টি প্রতিষ্ঠানের পাঠদান বন্ধ রয়েছে। পানি নেমে যাওয়ার পরই এগুলো প্রতিষ্ঠানকে পাঠদানের জন্য উপযুক্ত করা হবে।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মনিরা মুস্তারী ইভা জাগো নিউজকে বলেন, জেলার ২৩টি প্রতিষ্ঠানে বন্যার পানি ঢুকে পড়ায় প্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান বন্ধ রয়েছে। দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বানভাসিদের আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়াও আরও কিছু প্রতিষ্ঠান বানভাসিদের আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করার জন্য আবেদন করা হয়েছে।

জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাঈদ জাগো নিউজকে বলেন, জেলার নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অপরিবর্তিত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনার পানি বিপৎসীমার ৫৭ সেন্টিমিটার এবং ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপৎসীমার ১৪ দশমিক ৬১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, বৃহস্পতিবার থেকে পানি কমতে পারে।

পদ্মা সেতুর দুর্নীতি আড়াল করতেই ‘ষড়যন্ত্র তত্ত্বে’ সরকার: রিজভী
                                  

পদ্মা সেতুর দুর্নীতি ও সমালোচনা আড়াল করতেই সরকার ‘ষড়যন্ত্র তত্ত্ব’ সাজিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেছেন, পদ্মা সেতু নিয়ে দুর্নীতি পাগলা ঘোড়ার মতো বেসামাল হয়ে পড়েছে। মানুষের সমালোচনাকে বাকরুদ্ধ করার জন্যই দমননীতি কার্যকর করা হচ্ছে।

বুধবার (২২ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, শেখ হাসিনা আসলেই আমাদের সমাজের অভ্যন্তরে অঘোষিত যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন। তার ক্ষমতা অজেয় ও তার কর্তৃত্ব অনতিক্রম্য। কদিন আগে তিনি আরও বেশি ক্ষমতা চান বলে জানিয়েছেন। এ মনোবৃত্তি হিটলার-মুসোলিনীর মতো।

তিনি বলেন, বর্তমানে শেখ হাসিনার যেটুকু ক্ষমতা তাতেই গণতন্ত্র, নির্বাচন, বাক-স্বাধীনতা দুমড়ে-মুচড়ে রাস্তার ধারে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এরপর আরও বেশি ক্ষমতার অধিকারী হলে দেশটাকে কোন পর্যায়ে নিয়ে যাবে তা চিন্তা করতেও গা শিউরে ওঠে। আর্তনাদ আর হাহাকারে দেশ ভরে উঠবে। শুরু হবে অন্ধকার প্রতিক্রিয়া ও দাসত্বের বাতাবরণ। শেখ হাসিনা আরও বেশি ক্ষমতার অধিকারী হলে জনগণের বিবেক ও চিন্তার স্বাধীনতা এবং আলো ও অগ্রগতি চিরতরে ধুলিস্যাৎ হয়ে যাবে।

বিএনপির এ অন্যতম মুখপাত্র বলেন, গত শনিবার (১৮ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে ইউট্যাবের একটি ঘরোয়া দাওয়াতে আমি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ও তিনজন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলাম। আমন্ত্রিত অতিথিসহ সব মিলিয়ে ১০ থেকে ১২ জন ছিলেন। এখানে যদি নাশকতার কোনো পরিকল্পনা করা হতো, তাহলে সিসিটিভির ক্যামেরার আওতার মধ্যে কিভাবে আমরা ডাইনিং কক্ষে গিয়ে বসলাম। সেখানে অনেকেই সস্ত্রীক উপস্থিত ছিলেন। এটিকেই এখন ‘ষড়যন্ত্র তত্ত্ব’ হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন এবং তাদের দলদাস কিছু শিক্ষক।

তিনি বলেন, আসলে এক দেশে দুই আইন। ক্লাবসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর আওয়ামী নেতা-মন্ত্রীদের অভয়ারণ্য। অনেক রাত পর্যন্ত তারা ক্লাবে আড্ডা দেয় এবং লনটেনিস খেলাসহ নানাবিধ কর্মকাণ্ড চালায়। তাদের জন্য সাত খুন মাফ। অথচ কোনো শিক্ষকের আমন্ত্রণে বিরোধী দলের কোনো নেতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু সময়ের অবস্থান করলেই সেখানে নাশকতার গন্ধ পায় সরকার।

রিজভী বলেন, এমনকি অন্য দেশের অনেক শিক্ষক-বুদ্ধিজীবীকে অহরহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়, যেটিতে অধিকাংশই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অগোচরে ব্যক্তিগত বা বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তারা দিব্যি সারা বিশ্ববিদ্যালয়ে দাপিয়ে বেড়ান। মূলত, সরকার তাদের সমালোচনাকারীদের কড়া নজরদারিতে রেখেছে। এখন বাংলাদেশের মানুষের দেহ ও মন সার্বক্ষণিক নজরদারিতে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু ও কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল প্রমুখ।

খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়া দরকার: নজরুল ইসলাম
                                  

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা খুব একটা ভালো না জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, তাকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়ার জন্য যে ধরণের সরঞ্জাম দরকার সেটা বাংলাদেশে নেই। সেজন্য তাকে চিকিৎসকরা বিদেশে নিতে বলেছেন।

সোমবার (২০ জুন) রাতে বাংলানিউজকে তিনি বলেন, রোববার রাতে দলীয় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তিনি (নজরুল ইসলাম খান) এভার কেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখতে গিয়েছিলেন।

কেমন দেখলেন জানতে চাইলে নজরুল ইসলাম বলেন, আমার কাছে মনে হয়েছে তিনি খুবই দুর্বল। তারতো এখানে ভালো চিকিৎসা হচ্ছে না চিকিৎসকরাই বলেছেন। উনার যে চিকিৎসা দরকার সেটা এখানে নেই। সেজন্য বিদেশে নেওয়া দরকার।

আপনাদের সঙ্গে খালেদা জিয়া কথা বলেছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আস্তে করে একটু কথা বলেছিলেন। তারমধ্যেই আবার অক্সিজেন স্যাচুরেশন কমে গেছে। মানে তার শরীর খুব একটা ভালো না। তার চিকিৎসা জরুরি কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন তার জন্য যে মেডিক্যাল সাপোর্ট দরকার সেটা বাংলাদেশে নেই। একটা করতে গেলে আর একটা ব্রেক করে। সেগুলো কভার করার মতো ফ্যাসিলিটিস এখানে নেই। সেজন্য তারা বলছেন এখানে তার পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসার সুযোগ নেই, এটা দেশের বাইরে আছে।

নজরুল ইসলাম খান আরও বলেন, এখানের চিকিৎসকরাতো তাকে চিকিৎসা দিতেও ভয় পাচ্ছেন। যেমন তার লিভার থেকে রক্ত বের হচ্ছিল। যার রক্তপাত হয় তার রক্ত হালকা করাতো আবার বিপদজ্জনক। অথচ হার্টে স্টেন করা হয়েছে। এই রোগীকেতো রক্ত যাতে জমাট না বাধে সেই ওষুধ দেওয়া হয়। কিন্তু ওনাকেতো সেটাও দেওয়া যাচ্ছে না। ওটা দিলে আবার রক্ত পাতলা হয়ে গেলে রক্তপাত হতে পারে। এই যে সমস্যাগুলো এগুলো কভার করার জন্য যে ফ্যাসিলিটিস দরকার সেটাতো আমাদের দেশে নেই।

খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে বিদেশে নেওয়ার বিষয়ে নতুন করে চেষ্টা করা হচ্ছে কি না জানতে চাইলে বিএনপির এই নেতা বলেন, সেটা আমি জানি না। পরিবারের পক্ষ থেকে কি করা হচ্ছে সেটা তারা বলতে পারবেন।

গত শুক্রবার (১০জুন) গভীর রাতে বুকে ব্যথা নিয়ে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। শনিবার দুপুরে খালেদা জিয়ার হৃৎপিণ্ডে এনজিওগ্রাম করে একটি ব্লক অপসারণ করে স্টেন্টিং করা হয়। তার হৃৎপিণ্ডে আরও দুটি ব্লক রয়েছে। তবে সেখানে  স্টেন্টিং  করার মতো শারিরীক অবস্থা নেই বলে জানান চিকিৎসকেরা। পাঁচ দিন সিসিইউতে থাকার পর গত ১৫জুন তাকে কেবিনে নেওয়া হয়েছে।

দেশের বন্যা পরিস্থিতির জন্য দায়ী প্রধানমন্ত্রী: রিজভী
                                  

 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দেশের মানুষ ডুবে যাবে আর আপনি প্রধানমন্ত্রিত্ব করবেন এটা এদেশের মানুষ আর মেনে নেবে না।

দেশের বন্যা পরিস্থিতির জন্য প্রধানমন্ত্রীকে দায়ী করে তিনি বলেন, দেশের এই পরিস্থিতির জন্য কে দায়ী? এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী আপনি প্রধানমন্ত্রী।অন্য কেউ দায়ী নয়।

 

সোমবার (২০ জুন) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণতন্ত্র ফোরাম আয়োজিত অসুস্থ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবিতে এবং বন্যাদুর্গত এলাকায় পর্যাপ্ত সহায়তা দেওয়ার দাবিতে প্রতীকী অনশনে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

রিজভী হুঁশিয়ারি উচারণ করে বলেন, জনগণের নেত্রী খালেদা জিয়াকে বন্দি করে তাকে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর দিকে আপনি ঠেলে দেবেন এটা আর এদেশের মানুষ সহ্য করবে না। সময় এসেছে আপনার সরকারের গলায় গামছা দিয়ে রাজপথে লুটিয়ে নেবে বাংলার মানুষ। সেই প্রত্যয় সেই অঙ্গীকার নিয়ে এখন মানুষ রাজপথে নেমে পড়বে।

সরকারের উদ্দেশে বিএনপির এই নেতা বলেন, আপনারা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেবেন তাহলে আজকে কেন রাত আটটা থেকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য নির্দেশ দিচ্ছেন। কারণ কোথাও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নেই। ঢাকা তো এখন এক থেকে দেড় ঘণ্টা রাত্রে, না হলে সকালে বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। আপনি যেসব আইন করেছেন শুধু আপনার লোকজনদের ধনী করার জন্য আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হওয়ার জন্য। আপনাদের লোকজন যাতে বাংলার মানুষের ভাগ্য হরণ করে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে এবং এই টাকাতে বিদেশে পাচার করতে পারে আপনি সেই সুযোগ করে দিচ্ছেন।

রিজভী বলেন, সিলেটের বন্যা আমরা যা দেখছি সকালে হাঁটুপানি দুপুরের মধ্যে কোমর পানি। গোটা সুনামগঞ্জ শহর রীতিমতো পানিতে ভাসছে। আর আপনি ভাসছেন আনন্দে।

তিনি বলেন, সিলেট ও সুনামগঞ্জে ৫০ লাখ লোক পানিবন্দি। তাদের জন্য এক থেকে দেড় টাকা,আর পদ্মা সেতুর বিচিত্র অনুষ্ঠানে ভারত থেকে নাকি একজন নৃত্যশিল্পী এনেছেন তাকে নাকি দেবেন তিন কোটি টাকা। আর সিলেট-সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও কুড়িগ্রামের বন্যার্ত মানুষ তাদের জন্য এক থেকে দেড় টাকা।

সংগঠনের সভাপতি আ ন ম খলিলুর রহমান ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে এবং কৃষক দল নেতা আব্দুল্লাহ আল নাইমের সঞ্চালনায় প্রতিকী অনশনে বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, আমিনুল ইসলাম, ওলামা দলের সদস্য সচিব মাওলানা নজরুল ইসলাম, সংগঠনের সমন্বয়কারী ইসমাইল হোসেন সিরাজী প্রমুখ বক্তব্য দেন।

 

পদ্মা সেতু, বিএনপি ষড়যন্ত্র করেছে:বাহাউদ্দিন নাছিম
                                  

: আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, পদ্মা সেতু নিয়ে দেশে-বিদেশে বিএনপি নানা ষড়যন্ত্র করেছে।  

সোমবার (২০ জুন) দুপুরে মাদারীপুর জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় তিনি এ কথা বলেন।

পদ্মা সেতু নির্মাণে দুর্নীতি ও ষড়যন্ত্র হয়েছে, এমন কথা দাতা সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগিদের কাছে নালিশ করেছেন ড. ইউনূস ও খালেদা জিয়া। তারা অপ্রচার করেছেন। তাদের কথার ওপর ভিত্তি করে বিশ্বব্যাংক সহযোগিতার কথা বলেও পদ্মা সেতু নির্মাণ থেকে সরে যায়। এ নিয়ে কানাডার আন্তর্জাতিক আদালতে দুর্নীতির মামলা হয়েছিল। সময়ের ব্যবধানে কানাডার আদালত পদ্মা সেতু নিয়ে কোনো দুর্নীতি কিংবা ষড়যন্ত্র হয়নি সেই রায়ও দেয়। এর থেকেই প্রমাণ হয় বিএনপি কত মিথ্যাচার করেছে।

খালেদা জিয়া পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তুর উদ্বোধন করেছেন, এটি বিএনপির শতাব্দীর সেরা মিথ্যা কথা বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকতেও পদ্মা সেতু নির্মাণের জায়গা নির্ধারণ করতে পারেনি। পদ্মা সেতু যাতে না হয়, তার তালবাহানা করেছে। সেই বিএনপি জামায়াত এখন বলে পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তুর উদ্বোধন করেছেন খালেদা জিয়া। এটি বিএনপির শতাব্দীর সেরা মিথ্যে কথা।  

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষের সমৃদ্ধির সঙ্গে নিজেদের যারা সম্পৃক্ত করতে পারে না। যারা ব্যক্তি স্বার্থ দেখে তারা বাংলাদেশের মানুষের বন্ধু হতে পারে না।  

মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাহাবুদ্দিন আহম্মেদ মোল্লার সভাপতিত্বে ২৫ জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা সফল করতে জেলা আওয়ামী লীগের এই বর্ধিত সভায় যোগ দেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজল কৃষ্ণ দে, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র খালিদ হোসেন ইয়াদ, জেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক খাইরুল হাসান নিটুল খন্দকারসহ আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।  

লুটপাটের জন্য ছয় লাখ কোটির বাজেট দিয়েছে সরকার: ফখরুল
                                  

লুটপাট করার জন্য সরকার ছয় লাখ কোটির বেশি টাকার বাজেট দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি`স মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

বৃহস্পতিবার (৯ জুন) রাজধানীতে বিএনপির কাফরুল থানার চারটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলে বক্তৃতাকালে তিনি একথা বলেন। রাজধানীর কল্যাণপুরে সাবেক সংসদ সদস্য এস এ খালেকের বাড়ি সংলগ্ন মাঠে এই কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়।

এই বাজেট নিয়ে বিএনপি`র কিছু বলার নেই উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, জনগনের নির্বাচিত সরকার নয় বলেই এই সরকারের বাজেট দেয়ার কোন অধিকার নেই।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা এর আগে বাজেটের প্রতিক্রিয়া দিয়েছি, বিভিন্ন সময় কথা বলেছি। কিন্তু এবার দিতে চাই না। দিতে চাই না যে, কোন বাজেটের প্রতিক্রিয়া দিবো? কার বাজেট? কারা এই বাজেট করছে? যারা জনগণের প্রতিনিধিত্ব নয়। তাদের বাজেট দেওয়ার কোনো অধিকার নেই।’

বাজেট নিয়ে সরকারের সমালোচনায় মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তারা এই সমস্ত বাজেট তৈরি করে নিজেদের দলের জন্য। কী করে ভবিষ্যতে আরও লুট করবে। তার একটা হিসাব তৈরি করে।’ 

তিনি বলেন, ‘এবার বাজেট দিয়েছে ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার। এই বাজেট থেকে কতটা লুট করবে সেই হিসাব করা হচ্ছে। সুতরাং এই বাজেট নিয়ে কী বলব উত্তর পাই না।’

 
কনটেইনার ডিপোর মালিক কোনোভাবেই দায় এড়াতে পারেন না’
                                  

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নে বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় কনটেইনার ডিপোর মালিক বা কর্তৃপক্ষ কোনভাবেই তাদের দায়িত্ব এড়াতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জনবন্ধু গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে সীতাকুণ্ডে অগ্নিদগ্ধদের দেখতে গিয়ে অর্থ সহায়তা দিয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের একথা বলেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের জীবনের কোনো নিরাপত্তা নেই। সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাব সর্বত্র। সরকারের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব মানুষের জীবনের নিরাপত্তা দেওয়া। দলকানা ও অযোগ্যদের স্বজনপ্রীতি করে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। একারণেই কোনো কিছুই সঠিকভাবে হচ্ছে না। কেউই সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেন না। তাই দুর্ঘটনা যেন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনো কিছুরই যেন পরিকল্পনা নেই। 

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, জোনায়েদ সাকির উপর হামলা খুবই খারাপ দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। আমরা এই জঘন্য ঘটনার নিন্দা জানিয়েছি। নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে সঠিক তদন্তের ভিত্তিতে দোষীদের শাস্তি দিতে হবে।
 
তিনি আরও বলেন, অসহায় মানুষদের দেখতে গিয়ে বা সহায়তা করতে গিয়ে সরকার সমর্থকের হামলার শিকার হতে হবে এরচেয়ে দুঃখজনক ঘটনা আর হতে পারে না।

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, পদ্মাসেতু উদ্বোধন বানচাল করতে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে সীতাকুণ্ডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা, এটা মনগড়া কথা। আর তাই যদি হয়, এই ষড়যন্ত্র মোকাবেলার দায়িত্ব সরকারেরই। 

জিএম কাদের বলেন, যারা সীতাকুণ্ডের অগ্নিকাণ্ডকে হত্যাকাণ্ড বলছেন, আমি মনে করি তারাও সঠিক বলছেন না। আমরা মনে করি এটি একটি দুর্ঘটনা। তবে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা রোধ করতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। কনটেইনার ডিপোর মালিক বা কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই তাদের দায়িত্ব এড়াতে পারে না। 

তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনার পর থেকেই চট্টগ্রামে জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে সার্বিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, আজ আমরা দিচ্ছি এবং শনিবার জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে আরও একটি টিম অগ্নিদগ্ধদের সহায়তা দেবে । 

এ সময় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে অগ্নিদগ্ধদের অর্থ সহায়তা দেন। তিনি অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের আত্মার শান্তি ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহিদুর রহমান টেপা, অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, উপদেষ্টা জহিরুল আলম রুবেল, যুগ্ম মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু, মো. বেলাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হেলাল উদ্দিন, দফতর সম্পাদক সুলতান মাহমুদ, দফতর সম্পাদক এম এ রাজ্জাক খান, যুগ্ম দফতর সম্পাদক মাহমুদ আলম, সমরেশ মণ্ডল মানিক, দ্বীন ইসলাম শেখ, ইব্রাহিম আজাদ, কেন্দ্রীয় নেতা মো. শামছুল হুদা মিঞা, মোখলেছুর রহমান বস্তু, জিয়াউর রহমান বিপুল, মেহেদী হাসান শিপন, আবুল কালাম আজাদ, ইজ্ঞিনিয়ার এলাহান উদ্দিন ও হুমায়ূন মজুমদার প্রমুখ।

পদ্মা সেতুকে বলতেই হয় আমাদের সোনার সেতু: রুমিন ফারহানা
                                  

বিএনপির সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, সংসদ অতিরিক্ত মিষ্টি হয়ে গেছে। এত বেশি মিষ্টি স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো না। তাই আমি কিছু তেতো কথা বলব, যাতে ভারসাম্যটা রক্ষা হয়। আর সেই সঙ্গে প্রদীপের নিচে অন্ধকারের দিকেও আমরা তাকাতে পারি।

তিনি বলেন, লিথুনিয়ার কৌনাস পৌরসভার মেয়র একটি শিপিং কন্টেইনারের মধ্যে দেড় কোটি টাকায় টয়লেট বানিয়েছিলেন। একই মানের একটি টয়লেট পাশের টেনিস ক্লাবে নির্মাণ করা হয় সাড়ে চার লাখ টাকায়। মানুষ মজা করে ওই টয়লেটের নাম দিয়েছিল সোনার টয়লেট। একই রকম কিংবা একটু বেশি দৈর্ঘ্যের বিশ্বের অন্যান্য সেতুর সঙ্গে পদ্মা সেতুর বর্তমান ব্যয় তুলনা করলে বলতেই হয় আমাদের সোনার সেতু। এটা কৌনাস সোনার টয়লেট মামলার মতো, বাংলাদেশ সোনার সেতু মামলা ও দুর্নীতির উদাহরণ হিসাবে থাকবে।

জাতিকে পদ্মা সেতু উপহার দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বুধবার জাতীয় সংসদে আনা প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে রুমিন ফারহানা এসব কথা বলেন।

এ সময় পদ্মা সেতুর সঙ্গে ভারতের কয়েকটি সেতুর নির্মাণ ব্যয়ের কথা তুলে ধরেন রুমিন ফারহানা। এ সেতুতে নির্মাণ ব্যয় দফায় দফায় বাড়ানো হয় বলে জানান তিনি। ভারতের ১০ কিলোমিটারের ৬ লেনের সেতু নির্মাণে ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয় বলে জানান তিনি। 

রুমিন ফারহানা বলেন, এ টাকা দিয়ে একই দৈর্ঘ্যের ১০টি সেতু সেখানে করা যেতে পারে। লুটপাট আর কাকে বলে।

পদ্মা সেতুতে রেল যোগাযোগের অন্যতম কারণ ছিল পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দরের সংযোগ- উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার বহু টাকা নয়ছয় করে পায়রাকে আর গভীর সমুদ্রবন্দর করেনি। সুতরাং রেল কন্টেইনার পরিবহণের যে পরিকল্পনা হয়েছিল, সেটিও হচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলছেন, রেলসেতু আর লাভজনক নয়।

তিনি বলেন, পদ্মা সেতু এমনই এক গোল্ডেন সেতু, যার পরতে পরতে কেবল দুর্নীতি আর দুর্নীতি। ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের ৫৫ কিলোমিটার নির্মাণ হচ্ছে সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকায়। অর্থ্যাৎ প্রতি কিলোমিটার ২০০ কোটি টাকার বেশি।

বিশ্বব্যাংকের ঋণ সরকার না নেওয়ার কারণ হিসাবে রুমিন দাবি করেন, বিশ্ব ব্যাংকের ঋণ নিলে জবাবদিহিতা থাকতে হয়। কিন্তু এই সরকার হরিলুট করেছে, সেটা তাদের থেকে ঋণ নিলে সম্ভব হতো না। যতই অস্বাভাবিক হোক, সেটা নিয়ে প্রশ্ন তোলার জো নেই। আজ সংসদের পরিবেশের দিকে তাকালে মনে হয়, কী বীভৎস, অসহিষ্ণু এক সংসদ।

হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্র আগামী বছরের মধ্যেই ফিরিয়ে আনব: ফখরুল
                                  

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে স্বৈরাচারী রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। বিএনপি নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত আন্দোলনের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের পতন ঘটিয়ে ২০২৩ সালের মধ্যে হারিয়ে যাওয়া সেই গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১৪ মে) দুপুরে দিনাজপুর ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে জেলা বিএনপির কাউন্সিল অধিবেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব। ফখরুল সারা দেশে হত্যা, খুন ইত্যাদি চলছে অভিযোগ করে বলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের নিজেই স্বীকার করে বলেছেন, যে সমস্ত নেতারা হাজার হাজার টাকা লুট করে পাচার করেছেন তাদের আওয়ামী লীগে জায়গা হবে না। এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন যে, তারাই হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করে বিদেশে পাচার করেছেন। ওবায়দুল কাদেরকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরো বলেন, আপনারা নির্যাতন করছেন, খুন করছেন, গুম করছেন। তার প্রমাণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে র‌্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন।

 

বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের অবিলম্বে পদত্যাগ দাবি করে ফখরুল বলেন, অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করে সবার অংশগ্রহণে একটি গ্রহণযোগ্য সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন। এজন্য দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার ঘোষণা দেন তিনি। তিনি বলেন, দেশ যাবে কোন পথে, ফয়সালা হবে রাজপথে।

দিনাজপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক এমপি রেজিনা ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, কেন্দ্রীয় বিএনপির কার্যকরী সহসভাপতি অধ্যাপক ডা. এ জে এম জাহিদ হোসেন, রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু, কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা রিয়াজুল ইসলাম রিজু প্রমুখ। এর আগে কাউন্সিলে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে বক্তব্য রাখেন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দ্বিতীয় অধিবেশনে দিনাজপুর জেলা বিএনপির কাউন্সিল শুরু হয়। এই কাউন্সিলে জেলার ১ হাজার ৯১৯ জন কাউন্সিলরের ভোটে নির্বাচিত হবে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ সাতটি পদে ৯ জন নেতা। এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৬ জন।

 
দেশ ও জাতি নয়, ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে বিএনপি
                                  

দেশ ও জাতি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে বলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মন্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মূলত ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে বিএনপি।

রোববার (১৫ মে) নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি আসলে কী চায়? তারা একবার চায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার, কখনো নিরপেক্ষ আবার কখনো চায় জাতীয় সরকার। এটা এখন জনগণেরও প্রশ্ন, বিএনপি আসলে কী চায়? যা তারা নিজেরাও জানে না।

তিনি বলেন, বিএনপির মহাসচিব বলে জনগণ নাকি তাদের দিকে তাকিয়ে আছে। আসলে জনগণ তাকিয়ে নেই, জনগণ ভালো করেই জানে, তাদের দলের নেতারা চাতক পাখির মতো তাকিয়ে থাকে টেমস নদীর ওপার থেকে নির্দেশনা আসার জন্য। যারা আন্দোলন ও নির্বাচনে ব্যর্থ, এমনকি দলের চেয়ারপারসনের মুক্তির জন্য একটা মিছিলও বের করতে পারেনি, সেই দলের দিকে জনগণের তাকিয়ে থেকে লাভ নেই। নেতিবাচক রাজনীতি করতে করতে বিএনপি এখন খাদের কিনারায়।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিদেশে গোপন ষড়যন্ত্র বাদ দিয়ে বিএনপি রাজপথে আসুক ভালো কথা, তাদের যেকোনো শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচিকে আমরা স্বাগত জানাই। তবে আন্দোলনের নামে যদি আবারও জ্বালাও-পোড়াও করা হয়, আগুন-সন্ত্রাস চালানো হয়, পেট্রোল বোমা মেরে নিরীহ মানুষ পুড়িয়ে মারা হয়, সংখ্যালঘুদের বাড়িঘরে হামলা চালানো হয়, সর্বোপরি বিএনপি যদি দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাওয়ার অপচেষ্টা করে তাহলে জনগণের জানমাল রক্ষায় দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।

টাকাপাচার নিয়ে তার করা বক্তব্য বিএনপির মহাসচিব বিকৃতি করেছে এমন দাবি করে ওয়াবদুল কাদের বলেন, তাদের নেতা তারেক রহমান দণ্ডিত, পলাতক আসামি, অর্থপাচারের অভিযোগে ২২ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ থেকে পাচার করেছে। এফবিআই তদন্ত করে তা খুঁজে পেয়েছে এবং সেজন্য বাংলাদেশের আদালতে সাক্ষ্য দিয়ে গেছে।

ডিজিটাল যুগে কাগজ বলে কিছু থাকবে না
                                  

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ডিজিটাল যুগে প্রচলিত ব্যবসা-বাণিজ্য অনিবার্য কারণেই ডিজিটাল বাণিজ্যে রূপান্তরিত হবে। ডিজিটাল যুগ হবে ক্যাশলেস সোস্যাইটির যুগ। এরই ধারাবাহিকতায় কাগজের সভ্যতা বিলুপ্ত হওয়ার পথে। সামনের দিনে প্রাকৃতিক ও প্রযুক্তিগত কারণে কাগজ বলে কিছু থাকবে না। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ই-ক্যাব আয়োজিত বৃহস্পতিবার (৫ মে) রাতে এক ঈদ আড্ডায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথায বলেন। ডিজিটাল যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ডিজিটাল দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল কমার্সকে বাণিজ্যখাত হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার বিকল্প নেই। তিনি বলেন, আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতাই বলে যে কোনো খাত গড়ে তুলতে বাণিজ্যিক সংগঠন অসাধারণ ভূমিকা পালন করে। দেশে কম্পিউটার প্রযুক্তি বিকাশের বৈপ্লবিক পরিবর্তনে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) এর উদ্যোগ তুলে ধরেন বিসিএস-এর সাবেক এ সভাপতি। তিনি বলেন, মাত্র ৩৬ সদস্যের বিসিএস-এর মাধ্যমে ১৯৯৮-৯৯ সালে কম্পিউটারের ভ্যাট-ট্যাক্স প্রত্যাহারের মাধ্যমে কম্পিউটার জনগণের কাছে সহজলভ্য করার প্রচেষ্টা বিসিএস’র সমন্বিত উদ্যোগের ফসল। বাণিজ্যিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ই-ক্যাবকেও অগ্রণী ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান ই-ক্যাব প্রতিষ্ঠার অন্যতম পৃষ্ঠপোষক ও উপদেষ্টা মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেন, ডিজিটাল বাণিজ্যতো দূরের কথা ই-কমার্স বোঝার লোকও ছিল না একসময়। কিন্তু করোনাকালে আপনারা দেখিয়ে দিয়েছেন গরুর হাট পর্যন্ত অনলাইনে হতে পারে। ই-ক্যাবকে দেশ ডিজিটাল কমার্সে রূপান্তরের অগ্রণী সৈনিক হিসেবে আখ্যায়িত করে মন্ত্রী বলেন, গ্রাহকরা যেন কোনোভাবেই প্রতারিত না হন, সেদিকে ই-ক্যাবকে আরও সচেষ্ট হতে হবে। তিনি বলেন, সুযোগ যেখানে থাকবে অপরাধীরা সেখানে অপরাধ করবে- সেটা প্রতিটি ক্ষেত্রেই। এটা বিক্রেতার পাশাপাশি ক্রেতার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। কাজেই ডিজিটাল অপরাধ ডিজিটাল প্রযুক্তি দিয়েই মোকাবিলা করতে হবে। যে যত বেশি ডিজিটাল প্রযুক্তিতে দক্ষ হবে সে তত বেশি ব্যবসায় সফল হবে। মন্ত্রী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সদস্যদের দক্ষতা বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণে ই-ক্যাবকে কর্মসূচি গ্রহণের আহ্বান জানান। এক্ষেত্রে ই-ক্যাবকে সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। মোস্তাফা জব্বার বলেন, এখন কোনো বাণিজ্য সংগঠন কেবল ঢাকাকেন্দ্রিক একটি কেন্দ্রীয় কমিটি করে সেই খাতকে দেশব্যাপী ছড়াতে পারবে না। বিসিএস প্রমাণ করেছে শাখা কমিটি কতো প্রয়োজনীয়। এখন তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসাতো কেবল ঢাকাকেন্দ্রিক নয়- তাই দেশব্যাপী ট্রেড বডির সংগঠন থাকতে হবে। তিনি ই-ক্যাবকে বিভাগ, জেলা বা উপজেলা পর্যন্ত সাংগঠনিক কাটামো গড়ে তোলার ও তাদের সক্রিয় করার আহ্বান জানান।


মানুষ যখন আনন্দ পায় বিএনপি কষ্ট পায়।
                                  

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মানুষ যখন আনন্দ পায় বিএনপি তখন কষ্ট পায়। শুক্রবার রাজধানীর সাইনবোর্ড এলাকায় নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড সড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। এবারের ঈদে বিগত যে কোন সময়ের তুলনায় সড়ক ভালো থাকায় মানুষের মুখে হাসি দেখতে পেয়ে ওবায়দুল কাদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। এ নিয়ে তিনি বলেন, “মানুষ নির্বিঘ্নে এবারের ঈদ যাত্রা সম্পন্ন করেছে এবং ফিরতি যাত্রায়ও কোন ভোগান্তি হয়নি। তবে মানুষের ভোগান্তি না হওয়াতে বিএনপির কষ্ট পেয়েছে। কারণ মানুষ যখন আনন্দ পায় বিএনপি তখন কষ্ট পায়।” তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংকটে একজন ক্রাইসিস ম্যানেজার। শেখ হাসিনা তাঁর দূরদর্শী রাজনীতি দিয়ে সকল সংকট মোকাবেলা করেন এবং করছেন।”


   Page 1 of 32
     রাজনীতি
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর
.............................................................................................
বাঙালি জাতির সব অর্জন এসেছে আওয়ামী লীগের হাত ধরে: তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
দেশের মানুষের কাছে নৌকার কোনো বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
নানা দুর্ভোগের অবসান হবে ২৫ জুন’
.............................................................................................
জামালপুরের ১৮৮ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ
.............................................................................................
পদ্মা সেতুর দুর্নীতি আড়াল করতেই ‘ষড়যন্ত্র তত্ত্বে’ সরকার: রিজভী
.............................................................................................
খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়া দরকার: নজরুল ইসলাম
.............................................................................................
দেশের বন্যা পরিস্থিতির জন্য দায়ী প্রধানমন্ত্রী: রিজভী
.............................................................................................
পদ্মা সেতু, বিএনপি ষড়যন্ত্র করেছে:বাহাউদ্দিন নাছিম
.............................................................................................
লুটপাটের জন্য ছয় লাখ কোটির বাজেট দিয়েছে সরকার: ফখরুল
.............................................................................................
কনটেইনার ডিপোর মালিক কোনোভাবেই দায় এড়াতে পারেন না’
.............................................................................................
পদ্মা সেতুকে বলতেই হয় আমাদের সোনার সেতু: রুমিন ফারহানা
.............................................................................................
হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্র আগামী বছরের মধ্যেই ফিরিয়ে আনব: ফখরুল
.............................................................................................
দেশ ও জাতি নয়, ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে বিএনপি
.............................................................................................
ডিজিটাল যুগে কাগজ বলে কিছু থাকবে না
.............................................................................................
মানুষ যখন আনন্দ পায় বিএনপি কষ্ট পায়।
.............................................................................................
ষড়যন্ত্র-সংকটের সাগর পেরিয়ে তীরে পৌঁছাবে বাংলাদেশ : কাদের
.............................................................................................
ভেদাভেদ ভুলে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ফখরুল
.............................................................................................
ঈদে সুবিধা বঞ্চিতদের প্রতি সহনশীল হওয়ার আহ্বান জিএম কাদেরের
.............................................................................................
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে প্রশ্নবিদ্ধ করাই বিএনপির কাজ’
.............................................................................................
দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি : দেশজুড়ে বিএনপি’র বিক্ষোভ কর্মসূচি
.............................................................................................
হুদার মতো আজ্ঞাবহ লোক দিয়ে হবে নতুন ইসি: মির্জা ফখরুল
.............................................................................................
সুজন এত দাদাগিরি করে কেন- তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
সরকারের ফাঁদে পা দেবেনা বিএনপি
.............................................................................................
মহান শহীদ দিবসে দুদিনের কর্মসূচি ঘোষণা বিএনপির
.............................................................................................
সাড়ে তিন বছরের শিশু ধর্ষণের মামলায় তরুণ গ্রেপ্তার
.............................................................................................
সরকার নির্বাচন কমিশনের উপর প্রভাব বিস্তার করে না:
.............................................................................................
সব দায় আওয়ামী লীগের - ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল
.............................................................................................
নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বে ব্যাঘাত ঘটলে দায় বিএনপির’
.............................................................................................
নির্বাচন কমিশন ব্যর্থ,তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা উচিত- ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল
.............................................................................................
বন্দিদের মুক্তি চেয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে হেফাজত নেতাদের বৈঠক
.............................................................................................
সার্চ কমিটির উদ্দেশ্য আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় বসানো: ফখরুল
.............................................................................................
আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীতে মায়া ও কামরুল
.............................................................................................
নির্বাচন কমিশন গঠনে ৬ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন
.............................................................................................
ময়মনসিংহে আওয়ামীলীগ থেকে ৪১ নেতা বহিষ্কার
.............................................................................................
রাজধানীতে র্যাব ৪ এর অভিযানে আটক ৩
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার সুস্থতায় বিএনপি নেতারা হতাশ।
.............................................................................................
মা বোনদের কাছে ক্ষমা চেয়ে যা বল্লেন মুরাদ
.............................................................................................
আ. লীগ থেকে বহিষ্কার হলেন মুরাদ
.............................................................................................
ডা. মুরাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে বিএনপি,ফখরুল
.............................................................................................
কে এই ডা: মুরাদ?
.............................................................................................
ডা. মুরাদ ছাত্রদল নেতা ছিলেন: ফখরুল
.............................................................................................
তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদকে পদত্যাগের নির্দেশ
.............................................................................................
জাকের পার্টির পীর সাহেবের বাণী সত্য বললেন ,আইভি
.............................................................................................
আন্দোলনের মধ্য দিয়েই এই সরকারকে বিদায় করা হবে : ফখরুল
.............................................................................................
মেয়র পদ থেকে বরখাস্ত জাহাঙ্গীর আলম
.............................................................................................
সাংবাদিক শামীম মাশরেকীর ইন্তেকাল
.............................................................................................
স্মারকলিপিটি গুরুত্ব সহকারে পরীক্ষা করে পরে সিদ্ধান্ত আইনমন্ত্রী
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার জীবন নিয়ে গভীর চক্রান্তে মেতে উঠেছে: রিজভী
.............................................................................................
শিক্ষার্থীদের গণপরিবহনে অর্ধেক ভাড়া নিশ্চিত করার দাবি জি এম কাদেরের
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম.এ মান্নান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আজমল হোসেন বাবু, সহ সম্পাদক কাওসার আহমেদ র্বাতা সম্পাদক আবু ইউসুফ আলী মন্ডল । বার্তা বিভাগ ফোন০১৬১৮৮৬৮৬৮২

ঠিকানাঃ বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়- নারায়ণগঞ্জ, সম্পাদকীয় কার্যালয়- জাকের ভিলা, হাজী মিয়াজ উদ্দিন স্কয়ার মামুদপুর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। শাখা অফিস : নিজস্ব ভবন, সুলপান্দী, পোঃ বালিয়াপাড়া, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ-১৪৬০, রেজিস্ট্রেশন নং 134 / নিবন্ধন নং 69 মোবাইল : 01731190131, 01930226862, E-mail : mannannews0@gmail.com, web: notunbazar71.com, facebook- notunbazar / সম্পাদক dhaka club
    2015 @ All Right Reserved By notunbazar71.com

Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD