| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   আজকের পত্রিকা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
রেজাউল করিম

   রেজাউল করিম

টাংগািইল জেলা প্রতিনিধি

রেজাউল করিম
                                  

   রেজাউল করিম

টাংগািইল জেলা প্রতিনিধি

‘শাস্তি’ চান দ্য ডেইলি স্টার ‘বন্ধ’ ও সম্পাদকের ‘শাস্তি’ চান: তাপস
                                  

ঢাকা: ‘দ্য ডেইলি স্টার’ পত্রিকা বন্ধ এবং এর স¤পাদক মাহফুজ আনামের শাস্তি দাবি করেছেন ঢাকার সংসদ সদস্য শেখ ফজলে নূর তাপস। দশম সংসদের নবম অধিবেশনে আজ রোববার জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান। তাপস বলেন, ‘আমরা মনে করি সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা। মাহফুজ আনাম সেই পেশাকে কলঙ্কিত করেছেন। উনাকে সাংবাদিকতা থেকে বহিষ্কার করতে হবে।’ এর আগে, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য-প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ও মাহফুজ আনামের শাস্তি দাবি করেন। বৃহ¯পতিবার নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্টে
স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

পুলিশের স্পর্ধা বাড়াবাড়ির পর্যায়ে পৌঁছেছে: ড. মিজানুর রহমান।
                                  

ঢাকা: পুলিশের স্পর্ধা বাড়াবাড়ির পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান।
মিরপুরে অগ্নিদগ্ধ চা দোকানদারকে দেখতে গিয়ে বৃহ¯পতিবার ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে তিনি সাংবাদিকদের একথা বলেন।

ইউপি নির্বাচনের পর জাতীয় নির্বাচন?
                                  

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট:

ঢাকা: দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান চলতি বছরেই হতে পারে। আসন্ন ইউপি নির্বাচনের পর জাতীয় নির্বাচন দিতে পারে আওয়ামী লীগ সরকার।
বেশকিছু দিন আগে আওয়ামী লীগ-বিএনপি নেতাদের মধ্যে আলাপ আলোচনা হয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যম এসব খবর বেশ ফলাও করে প্রকাশ করেছে। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর সরকারের প্রথম বর্ষপূর্তিতে ২০১৫ সালে জোর আন্দোলন করেছিল বিএনপি। তবে সরকারের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে কোন ধরণের আন্দোলনে যায় নি বিএনপি। ২০১৬ সালের ৫ জানুয়ারি ও এরপর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ-বিএনপি নেতারা নরম সূরে কথা কথা বলছে। বিএনপির পক্ষ থেকে বলা  হয়েছে তারা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ নেতারা বলছে, গণতন্ত্রের স্বার্থে কয়েকটি শর্ত সাপেক্ষে বিএনপির সঙ্গে আলোচনা রাজি আছে আওয়ামী লীগ। তাছাড়া ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর মধ্যবর্তী একটি নির্বাচনের কথা সব সময়ই শোনা গেছে। এ বিষয়ে সরকার ও তার দলের ইতিবাচক মনোভাবও একাধিকবার দেখা গেছে। সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা নির্বাচনের পর সরকার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনও দিচ্ছে। আগামী মার্চেই ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে। এই নির্বাচনের পরই হয়তো সরকার একটি জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন করবেন। কারণ আওয়ামী লীগ নিজেও বুঝে একটি নির্বাচনের
প্রয়োজন রয়েছে। ড. ফখরুদ্দীন আহমেদ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হয়ে অন্যায়ভাবে ২বছর ক্ষমতায় ছিল। পাশাপাশি রাজনৈতি নেতাদের উপর চালিয়েছে নির্যাতন। এ কারণেই স্বাধীনতা অর্জনকারী দল আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধাকয়ক সরকার ব্যবস্থা থেকে বের হয়ে আসতে চেয়েছিল। তবে সে ক্ষেত্রে বিএনপি তাদেরকে সহযোগিতা করেনি। আর এ জন্যই আজ বিএনপিসহ বেশকিছু রাজনৈতিক দল দুর্বস্থার মধ্যে পড়েছে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাদের গোপন আলোচনার পর এ বছরের প্রথম দিকে আন্দোলনে যায় নি বিএনপি। সে হিসেবে বলা যেতে পারে, দেশের রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের দিকে এগুচ্ছে দেশ। পাশাপাশি দুই দলের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ও ইউপি নির্বাচনের পর, একটি জাতীয় নির্বাচন দিতে পারে বর্তমান সরকার। আর হয়তো এ কারণেই নিশ্চুপ রয়েছে বিএনপি।

কুড়িগ্রামে ১৯ এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ফরমপূরণের টাকা আত্মসাত করেছে ছাত্রলীগ
                                  

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রাম: জেলার ভূরুঙ্গামারী কলেজের ১৯ জন এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ফরম পূরণের টাকা আত্মসাতসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতি ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণিত হওয়ায় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা ছাত্রলীগের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগ। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি খন্দকার মো. ওয়াহেদুন্নবী সাগর ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাকিব স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে কমিটি বিলুপ্তের ঘোষণা দেয়া হয়। ভূরুঙ্গামারী ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী আবু তাহের নাঈম, আবু শাহীন, হাফিজুর রহমান, মাসুদ রানা, আরিফুল ইসলামসহ ১৯ জন লিখিত অভিযোগে জানান, তারা সবাই আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল। আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে জন প্রতি দুই হাজার ২শ টাকা দিতে হয়। ভূরুঙ্গামারী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি খলিলুর রহমান (খলিল) অল্প টাকায় ফরমপূরণ করে দেয়ার নাম করে তাদের কাছে ৩০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। এরপর ফরমপূরণ না করে তালবাহানা করা হয়। পরে আমরা কলেজে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি আমাদের ফরম পূরণ হয়নি এবং আর সময়ও নেই। আমরা ছাত্রলীগের কর্মী-সমর্থক হওয়ার পরও উপজেলা ছাত্রলীগ নেতাদের প্রতারণার কারণে জীবন থেকে একটি বছর হারিয়ে গেল। আমরা এর ন্যায় বিচার চাই। রোববার কমিটি বিলুপ্তের পত্র হাতে পাওয়ার কথা স্বীকার করে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি খলিলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম। খলিলুর রহমান শিক্ষার্থীদের টাকা আত্মসাতের কথা অস্বীকার করে বলেন, ১৯ জন দরিদ্র শিক্ষার্থীর এইচএসসি ফরম পূরণের টাকা নেয়া হয়। কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষের অসহযোগিতার কারণে সময়মতো ফরম পূরণের কাজ করা সম্ভব হয়নি। ভূরুঙ্গামারী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মুকুল চৌধুরী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বোর্ড কন্ট্রোলারের কাছ থেকে অতিরিক্ত সাতদিন সময় নেয়ার পরও অভিযুক্ত খলিল শিক্ষার্থীদের কাগজপত্র ও টাকা জমা না দেয়ায় ১৯ জনের ফরম পূরণ হয়নি। ফরম পূরণের শেষ সময়সীমা ৩ জানুয়ারি হলেও বিশেষ অনুমতি নিয়ে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা করি। শুধুমাত্র বোর্ডের খরচ ২০ হাজার টাকা দিলে তাদের ফরম পূরণ করা যেত। দুঃখের বিষয় এসব শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে ঝরে গেল একটি বছর। এবিষয়ে জানতে চাইলে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাকিব বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা ভূরুঙ্গামারী উপজেলা কমিটি বাতিল করেছি। আজ নতুন কমিটি গঠন করা হবে। এই কমিটিতে অভিযুক্তদেরকে রাখা হবে না।এদিকে, কয়েকজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক বলেছেন, এঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

কুড়িগ্রামে ১৯ এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ফরমপূরণের টাকা আত্মসাত করেছে ছাত্রলীগ
                                  

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রাম: জেলার ভূরুঙ্গামারী কলেজের ১৯ জন এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ফরম পূরণের টাকা আত্মসাতসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতি ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণিত হওয়ায় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা ছাত্রলীগের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগ। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি খন্দকার মো. ওয়াহেদুন্নবী সাগর ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাকিব স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে কমিটি বিলুপ্তের ঘোষণা দেয়া হয়। ভূরুঙ্গামারী ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী আবু তাহের নাঈম, আবু শাহীন, হাফিজুর রহমান, মাসুদ রানা, আরিফুল ইসলামসহ ১৯ জন লিখিত অভিযোগে জানান, তারা সবাই আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল। আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে জন প্রতি দুই হাজার ২শ টাকা দিতে হয়। ভূরুঙ্গামারী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি খলিলুর রহমান (খলিল) অল্প টাকায় ফরমপূরণ করে দেয়ার নাম করে তাদের কাছে ৩০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। এরপর ফরমপূরণ না করে তালবাহানা করা হয়। পরে আমরা কলেজে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি আমাদের ফরম পূরণ হয়নি এবং আর সময়ও নেই। আমরা ছাত্রলীগের কর্মী-সমর্থক হওয়ার পরও উপজেলা ছাত্রলীগ নেতাদের প্রতারণার কারণে জীবন থেকে একটি বছর হারিয়ে গেল। আমরা এর ন্যায় বিচার চাই। রোববার কমিটি বিলুপ্তের পত্র হাতে পাওয়ার কথা স্বীকার করে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি খলিলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম। খলিলুর রহমান শিক্ষার্থীদের টাকা আত্মসাতের কথা অস্বীকার করে বলেন, ১৯ জন দরিদ্র শিক্ষার্থীর এইচএসসি ফরম পূরণের টাকা নেয়া হয়। কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষের অসহযোগিতার কারণে সময়মতো ফরম পূরণের কাজ করা সম্ভব হয়নি। ভূরুঙ্গামারী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মুকুল চৌধুরী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বোর্ড কন্ট্রোলারের কাছ থেকে অতিরিক্ত সাতদিন সময় নেয়ার পরও অভিযুক্ত খলিল শিক্ষার্থীদের কাগজপত্র ও টাকা জমা না দেয়ায় ১৯ জনের ফরম পূরণ হয়নি। ফরম পূরণের শেষ সময়সীমা ৩ জানুয়ারি হলেও বিশেষ অনুমতি নিয়ে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা করি। শুধুমাত্র বোর্ডের খরচ ২০ হাজার টাকা দিলে তাদের ফরম পূরণ করা যেত। দুঃখের বিষয় এসব শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে ঝরে গেল একটি বছর। এবিষয়ে জানতে চাইলে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাকিব বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা ভূরুঙ্গামারী উপজেলা কমিটি বাতিল করেছি। আজ নতুন কমিটি গঠন করা হবে। এই কমিটিতে অভিযুক্তদেরকে রাখা হবে না।এদিকে, কয়েকজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক বলেছেন, এঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

আমি সেখানে ছিলাম, তবে তরুণীর গায়ে হাত দেইনি!
                                  

ওমায়ের আহাম্মেদ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট:

ঢাকা: গত পহেলা বৈশাখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মোড়ে নারী লাঞ্ছনার ঘটনার সময় আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম। তবে আমি নিজে কোনো নারীকে লাঞ্ছিত করিনি। ঘটনার পর  এলাকাতেই ছিলাম। পরে ছবি প্রকাশের পর কিছুদিন ছিলাম আÍগোপনে। পরে আবার এলাকায় ফিরে আসি। তবে ঘটনার সময় মুখে দাড়ি ছিল। গ্রেফতার এড়াতে দাড়ি কেটে ফেলেছি। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এ কথা বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মোড়ে নারী লাঞ্ছনার ঘটনার ৯ মাস পর গ্রেফতার হওয়া মোঃ কামাল। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ তাকে দুই দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। শুক্রবার ছিল রিমান্ডের প্রথম দিন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর দীপক কুমার দাস বলেন, পুরান ঢাকার বাসিন্দা কামাল বিবাহিত। দু সন্তানের জনক। লেখাপড়া জানে না। জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছ থেকে অন্যদের ব্যাপারে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে তিনি জানিয়েছে, প্রতিবছরের মতো ২০১৫ সালেও পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে গিয়েছিল। তার সঙ্গে অন্য কেউ ছিল না। তবে টিএসসি মোড়ে ছিল প্রচণ্ড ভিড়। এ ভিড়ের মধে পড়ে আটকা পড়ে কয়েকজন তরুণী। আর সেই সুযোগে কয়েকজন নানাভাবে তাদের শরীরে হাত দিয়েছিল বলে সে দেখেছে। তবে নিজে এ কাজে অংশ নেয়নি। তদন্ত কর্মকর্তা আরো বলেন, নানাভাবে কামালকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। কিন্তু প্রতিবারই সে একই ধরনের কথা বলছে। তবে কামাল জানিয়েছে, সে মনে করেছিল, ভিড়ের মধ্যে এ ঘটনায় তেমন কিছু হবে না। ঘটনার পর সে এলাকাতেই অবস্থান করেছে। কিন্তু কয়েক দিন পর পত্রিকায় ছবি প্রকাশ পাওয়ায় সে ভয় পেয়ে যায়। এ অবস্থায় সে দাড়ি কেটে ফেলে অন্যত্র আÍগোপন করে। আÍগোপনের মাস দেড়েকের মধ্যে এলাকায় ফিরে সে স্বাভাবিকভাবেই তার কাঁচামালের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল। উল্লেখ্য, গত ১ বৈশাখে টিএসসি এলাকায় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে ৯টার মধ্যে হাজার হাজার মানুষের উপচেপড়া ভিড়ে উচ্ছৃঙ্খল কিছু যুবক মেয়েদের শ্লীলতাহানি করে। এ ঘটনায় পরদিন শাহবাগ থানার এসআই আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অজ্ঞাতনামা কতিপয় যুবকের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ দিন পর গত কযেকদিন আগে কামালকে আটক করা হয়।

গ্যাসের উপর নাকি ভাসছে দেশ, রান্নার গ্যাস গেল কোথায়?: তুহিন মালিক
                                  

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট:

এক. ইদানীং কাউকে নিমন্ত্রণ করেন না আমার মা। কারণ রাত ১১টার আগে চুলা জ্বলে না আমাদের পুরান ঢাকার চকবাজারের বাসায়। আগের রাতের খাবারটা পর্যন্ত পরদিন দুপুরে গরম করে খাবারও কোনোরকম সুযোগ নাই চরম গ্যাস সংকটের কারণে। কয়লার তন্দুরে বানানো বাখরখানিটাই আপাতত বাঁচিয়ে রেখেছে সকালের নাস্তাটাকে। ঐতিহ্যের বাখরখানি এখন অনেকটা যেন নিত্যদিনের অনুরোধে ঢেঁকি গেলারই মতো। রান্না করে খাবার  খেতে পারার এখন আর কোনো সুযোগই নাই ঢাকাসহ নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের মানুষের কাছে। রান্নার জন্য চাই গ্যাস। অথচ চরম গ্যাস সংকটে ভুগছে রাজধানীসহ আশেপাশের সব এলাকা। তবে মধ্যরাতে দেখা মেলে গ্যাসের। সারাদিন সংসারের কাজকর্ম সেরে রাত জেগে গৃহিণীদের রান্নাবান্না করতে হচ্ছে। দিনে গ্যাসের চুলায় যে আগুন পাওয়া যায় তাতে ভাত রান্না করতে তিন দিন সময়ের প্রয়োজন। গত মঙ্গলবার গ্যাসের দাবিতে ফতুল্লা ও ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রুটে ঝাড়– হাতে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করে এলাকাবাসী। রাত ১২টার পর যখন গার্মেন্টস বন্ধ হয় তখন এলাকার চুলা জ্বলে বলে অভিযোগ করে তারা। শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো কমপ্রেসারের সাহায্যে গ্যাস লাইনের পুরো গ্যাসটাই টেনে নিয়ে যাবার কারণেই নাকি চুলায় গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে সরকার গ্যাস সংকট সমাধান না করে জনগণকে পরামর্শ দিয়েই চলেছে। গত বুধবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী স্পষ্টতই জানিয়ে দেন, আবাসিক খাতে গ্যাসের এই সমস্যা থাকবেই। তিনি জনগণকে এলপিজি গ্যাস ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে নিজের দায়িত্ব সম্পন্ন করলেন। প্রতিমন্ত্রী আরও জানান ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হলো শিল্প এলাকায় প্রথমে গ্যাস সরবরাহ করা। আমরা সেদিকেই ধাবিত হচ্ছি।’ তবে শিল্পখাতকে সুবিধা দেয়ার জন্য আবাসিকে গ্যাসের কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। আসলে দেশের মোট উৎপাদিত গ্যাসের মাত্র ১২ শতাংশ গৃহস্থালিতে ব্যবহার হচ্ছে। অথচ শিল্পখাতের মাত্র ২ ভাগ কমিয়ে আবাসিক খাতে গ্যাসের ব্যবহার বৃদ্ধি করে দিলেই তো এই সমস্যা মিটে যায়। অথচ এর বদলে মন্ত্রীরা আবাসিক গ্যাস সংযোগ বন্ধের হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছেন।  এ যেন মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় সম্পর্কীয় সংসদীয় স্থায়ী কমিটিও সুপারিশ করে চলেছে বাসাবাড়িতে গ্যাসের ব্যবহার বন্ধের। দুই. মন্ত্রীদের প্রেসক্রিপশন মতে গ্যাসের আবাসিক সংযোগ বন্ধ হলে একটা পরিবারে কমপক্ষে সিলিন্ডারপ্রতি মাসে ৩৫০০ টাকা থেকে ৪০০০ টাকা গুনতে হবে। নি¤œবিত্ত পরিবারের কথা বাদই দিলাম, এর ফলে মধ্যবিত্ত পরিবারে চুলা জ্বালানোর খরচ নির্বাহ করাটাই দুর্বিষহ হয়ে পড়বে। পরিবারের রান্নাটা একটু বেশি হলেই রান্নার খরচ ৮/১০ হাজার টাকায় গিয়ে পৌঁছাবে। অথচ পুরো ঢাকা শহর এখন যেন সিএনজিময়। প্রাইভেট কার আর অটোরিকশা তো বটেই, বাস-ট্রাক পর্যন্ত এখন গ্যাসে চলে। পারলে যেখানে আমরা মোটরসাইকেল থেকে শুরু করে রিকশা পর্যন্ত সিএনজি দিয়ে চালাতে প্রস্তুত, সেখানে আবাসিক গ্যাস বন্ধের এহেন হুঁশিয়ারিতে রাজধানীবাসী সত্যিই আতঙ্কিত। খাবারের জন্য রান্না আগে, না গাড়ির গ্যাস আগেÑ এটা ভাববার সময় এখন এসেছে। সরকার বলছে, গ্যাসের উপর ভাসছে দেশ, অথচ রান্নার জন্য গ্যাস নেই কেন? একথার জবাব দিবে কে? খুবই দুঃখের বিষয় হচ্ছে, সরকার যেখানে বিদেশি কোম্পানিগুলোর কাছে নামমাত্র দামে আমাদের গ্যাসসহ প্রাকৃতিক সম্পদ বিক্রি করে দিচ্ছে, তা আবার চড়ামূল্যে তাদের কাছ থেকেই কিনে নিচ্ছে। আর সেখানে রান্নার জন্য দেশের মানুষকে রাত জেগে সেই গ্যাসের জন্যই অপেক্ষা করতে হচ্ছে তীর্থের কাকের মতো! এতে কর্তাব্যক্তিদের পকেট ভারী হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু এর কঠিন মূল্য দিতে হচ্ছে এদেশের দরিদ্র মানুষকে। ভাত রান্নার গ্যাস বন্ধের হুঁশিয়ারি হজম করা ছাড়া তো অন্য কোনো উপায়ও নেই জনগণের। তিন. যতই দিন যাচ্ছে রাজধানীতে গ্যাস সংকট ততই প্রকট হয়ে উঠছে। কোনো কোনো এলাকায় রাতে তির তির করে গ্যাস সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে, আবার কোথাও কোথাও দিন-রাত গ্যাস সরবরাহ পাওয়াটাই একেবারে কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে রাজধানীতে বসবাসকারী নাগরিকদের একটি বড় অংশের রান্না-খাওয়া বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। কর্মজীবী মানুষকে রাত জেগে বসে থাকতে হচ্ছে গ্যাস এলে রান্না করতে হবে। নগরের গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান তিতাস গ্যাসের কাছে রয়েছে অযুহাতের লম্বা ফিরিস্তি। যথারীতি সরকারি বুলি আওড়ানো হয়Ñ অমুক জায়গায় অত মেগাওয়াট প্ল্যান্ট বন্ধ, গ্যাসের চাপ কম, শীতের কারণে প্রেসার নাই, উৎপাদনের চাইতে চাহিদা বেশি, উন্নয়ন বাড়ছে তাই চাহিদা বাড়ছে ইত্যাদি সব গৎবাঁধা বুলি। পুরান ঢাকার চকবাজার, উর্দু রোড, ইসলামবাগ, বংশাল, হাজারীবাগ, লালবাগ, কোতোয়ালি, সূত্রাপুর থেকে শুরু করে ধানম-ি, মোহাম্মদপুর অথবা খিলগাঁও, সিপাহীবাগ, মিরপুর, মনিপুর কিংবা রামপুরা, বাড্ডা, মালিবাগ, বনশ্রী, ডেমরা, যাত্রাবাড়ী,  শনির আখড়া, পোস্তগোলা, উত্তরা, এমনকি গুলশান-বনানীতেও সর্বত্রই একই অবস্থা। ঢাকার আশেপাশের অঞ্চল নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের মানুষেরও এই একই ভোগান্তি। চার. এদিকে গত বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী জানালেন, ‘শীতকালে গ্যাস সংকট হয়। গ্যাসের চাপও কমে যায়। এই সমস্যা প্রতি শীতেই হয়।’ আসলে বাংলাদেশে শীতকাল কি এই সরকারের আমলেই এসেছে? আগে কখনও কি দেশে শীতকাল আসেনি? অথচ রাজধানীতে গ্যাস সংকট চলছে গত ছয় সাত বছর ধরেই। দুটি কারণে এ সংকট তীব্র আকার ধারণ করছে। রাজধানীর বহু এলাকায় জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় সংকীর্ণ ব্যাসার্ধের পাইপলাইনে সরবরাহকৃত গ্যাস চাহিদা পূরণ করতে পারছে না। জাতীয় গ্রিডলাইনে যখন গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি থাকে না তখনও কোনো কোনো এলাকায় রান্নার উপযোগী গ্যাস পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। চাহিদার তুলনায় যখন গ্যাস সরবরাহ কম থাকে তখন পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে। ফলে রাজধানীর বেশির ভাগ এলাকায় দেখা দেয় গ্যাস সংকট। গ্যাস সংকটের আরেকটি কারণ হলো, পাইপলাইনে গ্যাসের সঙ্গে থাকা তরল জ্বালানি কনডেনসেট জমে যাওয়া। এ মুহূর্তে গৃহস্থালি পর্যায়েই শুধু নয়, শিল্প কলকারখানায়ও গ্যাস চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে দেশে যে গ্যাস ক্ষেত্র রয়েছে এর মধ্যে গ্যাসের ঘাটতি রয়েছে ৫শ’ মিলিয়ন ঘনফুট। মোট উৎপাদিত গ্যাসের ৪২ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনে; ১৭ শতাংশ শিল্পে; ১৬ শতাংশ ক্যাপটিভ পাওয়ারে; ১২ শতাংশ গৃহস্থালিতে; ৭ শতাংশ সার-কারখানায়; ৫ শতাংশ সিএনজিতে; ১ শতাংশ বাণিজ্যিক এবং দশমিক ১ শতাংশ চা-বাগানে ব্যবহƒত হচ্ছে। সার কারখানাগুলোতে গ্যাসের চাহিদা রয়েছে গড়ে ২৩৭ মিলিয়ন ঘনফুট। কিন্তু পাচ্ছে গড়ে ৬৬ থেকে ৭০ মিলিয়ন ঘনফুট।  বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে গ্যাসের চাহিদা রয়েছে গড়ে সাড়ে ১৫শ’ মিলিয়ন ঘনফুটের মতো। পাচ্ছে গড়ে সাড়ে ৭শ’ মিলিয়ন ঘনফুট। প্রায় ৯শ’টি ক্যাপটিভ পাওয়ার প্ল্যান্টে গ্যাস ব্যবহারের পরিমাণ ৩৪০ মিলিয়ন ঘনফুট। এছাড়াও আবাসিক ও অন্যান্য গ্রাহকদের ১ হাজার ১শ’ ৬৪ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। যা মোট উৎপাদিত গ্যাসের ৫৩ দশমিক ৬ শতাংশ। বর্তমানে দেশের  বিতরণ কোম্পানির অধীনে বৈধ আবাসিক গ্যাস গ্রাহকের সংখ্যা ২৩ লাখের ঊর্ধ্বে। পেট্রোবাংলার হিসাব অনুযায়ী, বৈধ আবাসিক সংযোগে দৈনিক গ্যাস ব্যবহার হয় ২৫ কোটি ঘনফুটের মতো। যা মোট উৎপাদিত গ্যাসের ১২ শতাংশ। আর বর্তমানে আবাসিক খাতে গ্যাসের চাহিদা রয়েছে সাড়ে ২৭ কোটি ঘনফুট। অর্থাৎ মাত্র ২ কোটি ঘনফুট আবাসিক খাতে বৃদ্ধি করা হলেই এই সংকট আর থাকে না। পাঁচ. আশংকার বিষয় হচ্ছে, দেশে বর্তমানে মাত্র ১০ থেকে ১২ বছরের ব্যবহারের মতো গ্যাস মজুত রয়েছে। অথচ অচিরেই যখন দেশ গ্যাসশূন্য হয়ে পড়বে এটা মোকাবিলার কোনো বাস্তবিক পরিকল্পনা সরকারের হাতে নেই। অন্যদিকে সাগরের ১০, ১১, ১২, ১৬, ১৮, ১৯ নম্বর ব্লকে কোনোরকম দরপত্র ছাড়াই একটি বিদেশি কোম্পানিকে ইজারা দেয়ার কাজ এখন প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে। যার মধ্যে মাত্র দুটি ব্লকেই রয়েছে ৮ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। এই গ্যাস তুলতে হলে কূপ খনন ও পাইপলাইন তৈরিতে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন। সেদিকে কার্যকর কোনোরকম গুরুত্ব না দিয়ে সরকার কেন এভাবে সাধারণ মানুষের চুলার গ্যাসের উপর হামলা চালাচ্ছে তা বোধগম্য নয়। অথচ গ্যাসের সঠিক ব্যবহারের জন্য কোনো জাতীয় নীতিমালা এখন পর্যন্ত করতে পারেনি সরকার। সরকার ক্ষমতায় এসে নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিলেও আজ অবধি কার্যত কিছুই করা হয়নি। তবে এই নীতিমালার খসড়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে বহুবার। খসড়া নীতিমালায় বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়ে ধীরে ধীরে ক্যাপটিভ পাওয়ার প্ল্যান্ট বন্ধ এবং সার-কারখানায় গ্যাস বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হয়। আবাসিক ব্যবহার নিরুৎসাহিত করে এলপি গ্যাসের ব্যবহার বৃদ্ধির প্রস্তাব রাখা হয়। গ্যাসের একক নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প জ্বালানির সংস্থানের কথা বলা হয়েছে এতে। কিন্তু খাতওয়ারি গ্যাসের সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত করাসহ সংকটকালীন গ্যাস ব্যবস্থাপনার কোনো কথা এই খসড়া নীতিমালায় নেই। যেখানে দেশে উৎপাদিত গ্যাসের মাত্র ১২ শতাংশ দিয়ে জ্বলছে আমাদের রান্নার চুলাগুলো সেখানে দরিদ্র জনগণের চুলার উপর এত বিরাগের কারণ কি? ছয়. সরকারের দাবিকৃত ‘গ্যাসে ভাসা দেশে’ ভাত রান্নার জন্য গৃহস্থালি কাজে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়ার অধিকার এদেশের জনগণের রয়েছে। জনগণের বেঁচে থাকার এই আবশ্যকীয় অধিকারটুকু নিশ্চিত করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্বও বটে। কেননা, আমাদের সংবিধানে মানুষের বেঁচে থাকার অধিকারটুকুই যে শুধু মৌলিক অধিকার তা কিন্তু নয়। মানুষের জীবনধারণের জন্য মৌলিক সেবা পাওয়ার অধিকারও মানবাধিকার। তাই দরিদ্র জনগণের ভাত রান্নার জন্য মাসে তিন থেকে দশ হাজার টাকা খরচে বাধ্য করা হলে তা হবে চরম মানবাধিকারের লঙ্ঘন। ভাবতে কষ্ট হয়, যেখানে মন্ত্রী-এমপিদের নির্দেশনা দেখিয়ে নগদ অর্থের স্পীডমানির সুবাদে নতুন সংযোগ দেয়া হয় বলে খোদ সংসদীয় কমিটি অভিযোগ করে। হাজার হাজার কোটি টাকার গ্যাস সংযোগ বাণিজ্য হয় তিতাসে। সেখানে গরিব জনগণের রান্নার গ্যাস বন্ধের রক্তচক্ষুর আতঙ্কে ভুগতে হচ্ছে এদেশের সাধারণ মানুষকে। তাই গ্যাস সরবরাহের ক্ষেত্রে আবাসিক কাজে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতেই হবে। এ সরবরাহ কোনোক্রমেই ব্যাহত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এ ব্যাপারে জনগণকে আর ভয় না দেখিয়ে বা নতুন কোনো আতঙ্কে না ফেলে সরকারের উচিত অবিলম্বে জনদুর্ভোগ লাঘব করে রান্নার গ্যাসের পর্যাপ্ত সরবরাহের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। জনগণের পেটের ক্ষুধার আগুন মেটাতে চুলায় আগুনের দরকার। আর মানুষ চুলায় আগুন জ্বালাতে না পারলে প্রতিবাদের আগুন ধরাবার জন্য অপেক্ষায় বসে থাকবে না। 
লেখক: সুপ্রিম কোর্টের আইনজ্ঞ ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ

মুসার ত‌থ্যে ‘গড়‌মিল’ : দুদক ক‌মিশনার মো. সাহাবু‌দ্দিন চুপ্পু
                                  

আমির হোসেন হিটু
সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট:

আলোচিত ব্যবসায়ী ও ড্যাটকো গ্র“পের চেয়ারম্যান ড. মুসা বিন শমসেরের (প্রিন্স মুসা) দেওয়া স¤েপদর তেথ্য ‘গড়িমল’ আছে বেল জানিয়ছন দুর্নীতি দমন কিমশনের (দুদক) কিমশনার মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালেয় বৃহ¯িপতবার দুপুরে সাংবাদিকেদর এক প্রেশ্নর জবাবে এ কথা জানান তিনি। চুপ্পু বেলন, কয়েক দিনর মেধ্যই আমরা মুসার সুইচ ব্যাংকের ওই একাউন্টের তথ্য পাবে। জিজ্ঞাসাবাদে মুসা জানিয়ছন, তার পার্টনার কিছুদিনর মেধ্যই ওই একাউন্টের কাগজপত্র দেশ পাঠিয় দেব। এরপর মুসা তা কিমশেন সরবরাহ করেব। গুলশান ও বনানীতে দুটি বাড়ি ছাড়া সাভার ও গাজীপুরে এক হাজার ২০০ বিঘা জমির বিষেয় মুসা জানান, যে আইনজীবী এ সব দেখাশোনা করেতন তিন মারা গেছন। অল্পিদনর মেধ্যই ওই সব জিমর কাগজপত্র কিমশেন দাখিল করেবন, জানান দুদক কিমশনার। দুদেকর অনুসন্ধানে মুসা অসহেযাগিতা কেরছন মন্তব্য কের তিন আরও বেলন, কিমশেনর অনুসন্ধানে মুসা অসহেযাগিতা কেরছন। এ কারেণ অনুসন্ধান শেষ করেত সময় লাগেছ। তেব অনুসন্ধানে বেশ অগ্রগিত হেয়ছ। এখন আর তেমন সময় লাগেব না। মুসার জমা দেওয়া স¤পদের
হিসাবে গড়িমল পাওয়া গেছ। তেব মুসার বিরুদ্ধে মামলা হেব কি না তা অনুসন্ধান শেষ বলা যাবে বেলও জানান তিন। এর আগে বৃহ¯িপতবার সকাল ১১টা থেক দুপুর ১টা ২০ মিনট পর্যন্ত মুসাকে জিজ্ঞাসাবাদ কের দুদক। দুদকের পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তেব জিজ্ঞাসাবাদ শেষ দুদেকর কাছে সকল তথ্য দেওয়া হেয়ছ বেল সাংবাদিকেদর জানান প্রিন্স মুসা। দুদক সূত্র জানায়, অনুসন্ধান চালিয়ে সুইচ ব্যাংকে মুসার ওই একাউন্ট নম্বর সংগ্রহ করতে পারেনি দুদক। ১২ বিলিয়ন ডলারের ধুম্রজাল কাটাতে ২০১৫ সালের ৪ ডিসম্বর মুসাকে দ্বিতীয় দফায় জিজ্ঞাসাবাদের নোটিশ করে কমিশন। সে অনুসারে চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি তার জিজ্ঞাসাবাদ হওয়ার কথা ছিল। তবে সেদিন উপস্থিত না হয়ে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিন মাসের সময় বৃদ্ধির আবেদন করেন তিনি। মুসার আবেদন বিবেচনায় নিয়ে ১০ কার্যদিবস সময় বৃদ্ধি করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২৮ জানুয়ারি এ দিন নির্ধারণ করে কমিশন। সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ৭ জুন দুদকে স¤পদ বিবরণী জমা দেন মুসা বিন শমসের। স¤পদ বিবরণীতে তিনি সুইচ ব্যাংকে তার ১২ বিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি প্রায় ৯৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা- প্রতি ডলার ৭৮ টাকা হিসেবে) ফ্রিজ অবস্থায় থাকার কথা উল্লেখ করেন। সুইচ ব্যাংকে ৯০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের (বাংলাদেশি প্রায় ৭০০ কোটি টাকা) অলংকার জমার তথ্য দেন তিনি। এ ছাড়া দেশে তার স¤পদের মধ্যে গুলশান ও বনানীতে দুটি বাড়ি, সাভার ও গাজীপুরে এক হাজার ২০০ বিঘা জমির কথাও স¤পদ বিবরণীতে উল্লেখ রয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে মুসার বিরুদ্ধে স্বনামে/বেনামে বিপুল পরিমাণ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত স¤পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেলে ২০১৫ সালের ১৯ মে তার বিরুদ্ধে স¤পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করে কমিশন। সূত্র আরও জানায়, প্রিন্স মুসার বিরুদ্ধে ২০১১ সালে অবৈধ স¤পদের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। ওই সময় বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস’র প্রতিবেদন বিবেচনায় নিয়ে এ অনুসন্ধান শুরু করা হয়। তবে অজ্ঞাত কারণে দুদকের ওই অনুসন্ধান আলোর মুখ দেখেনি। তিন বছর পর ২০১৪ সালের শেষের দিকে ‘বিজনেস এশিয়া’ ম্যাগাজিনের প্রতিবেদন বিবেচনায় নিয়ে অবারও নতুন করে মুসার স¤পদের অনুসন্ধানে নামে দুদক। ২০১৪ সালের ৩ নভেম্বর দুদকের ওই কর্মকর্তাকে এ অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। একই বছরের ৪ ডিসেম্বর মুসাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ পাঠায় দুদক। ১৮ ডিসেম্বর হীরার জুতা থেকে শুরু করে আপাদমস্তক মূল্যবান অলঙ্কারে সজ্জিত হয়ে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদে হাজির হন প্রিন্স মুসা। সঙ্গে ছিল নারী-পুরুষের ৮০ জনের এক দেহরক্ষী বহর। দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সুইচ ব্যাংকে জব্দ করা অর্থ ফেরত পেলে পদ্মা সেতু নির্মাণে বিভিন্ন খাতে তা বিনিয়োগ করবেন বলে উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান মুসা। দুদকে দাখিল করা স¤পদের হিসাব মিথ্যা প্রমাণিত হলে জেল-জরিমানার বিধান রয়েছে।

দেশে বৈধ সিমের সংখ্যা ১৩ কোটি
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম সংসদে জানিয়েছেন, দেশের ৬টি মোবাইল ফোন কোম্পানির টুজি এবং থ্রিজি মিলিয়ে বৈধ সিমের সংখ্যা ১৩ কোটি ৩৭ লাখ ২০ হাজার ৪১০ টি।

দশম জাতীয় সংসদের নবম অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে গোলাম দস্তগীর গাজীর (নারায়ণগঞ্জ-১) তারকা চিহ্নত প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

সংসদে দেওয়া মন্ত্রীর তথ্যানুসারে, গ্রামীণফোনের বৈধ সিম ৫ কোটি ৬৬ লাখ ৭৯ হাজার ৪১২টি। রবি আজিয়াটা লিমিটেডের ২ কোটি ৮৩ লাখ ১৬ হাজার ৯৫৮টি। বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশন্সের ৩ কোটি ২৮ লাখ ৬৫ হাজার ১১৬টি। এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেড ১ কোটি ৭ লাখ ৯ হাজার ৬৬০টি। প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেডের ১০ লাখ ৬ হাজার ৬৮৪টি এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড ৪১ লাখ ৪২ হাজার ৫৮০টি।

আজিজের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী
                                  

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট:

ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এমএ আজিজের মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। এসময় তিনি মরহুমের আÍার
মাগফিরাত কামনা করেন এবং পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান।
শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় প্রধানমন্ত্রী মরহুম আজিজের ৩১, হোসনি দালানস্থ বাসায় যান। এরপর এমএ আজিজের মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। প্রধানমন্ত্রী সেখানে প্রায় আধাঘণ্টা
অবস্থান করেন।
এরআগে আজ শনিবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এমএ আজিজ।
মৃত্যুকালে এমএ আজিজের বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন ছেলেসহ অসংখ্য আÍীয়-স্বজন, সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। পুরনো ঢাকার বিখ্যাত সরদার পরিবারের এ সন্তান
১/১১ প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলনে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।

স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক ডেকেছেন বেগম খালেদা জিয়া
                                  

ওমায়ের আহাম্মেদ:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসবেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। শনিবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক ডেকেছেন তিনি। আজ শুক্রবার বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, শনিবার রাত ৮টায় গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
জানা গেছে, ওই বৈঠকে দলের কাউন্সিল, পুনর্গঠনসহ বর্তমান রাজনীতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে।


   Page 1 of 1
     আজকের পত্রিকা
রেজাউল করিম
.............................................................................................
‘শাস্তি’ চান দ্য ডেইলি স্টার ‘বন্ধ’ ও সম্পাদকের ‘শাস্তি’ চান: তাপস
.............................................................................................
পুলিশের স্পর্ধা বাড়াবাড়ির পর্যায়ে পৌঁছেছে: ড. মিজানুর রহমান।
.............................................................................................
ইউপি নির্বাচনের পর জাতীয় নির্বাচন?
.............................................................................................
কুড়িগ্রামে ১৯ এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ফরমপূরণের টাকা আত্মসাত করেছে ছাত্রলীগ
.............................................................................................
কুড়িগ্রামে ১৯ এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ফরমপূরণের টাকা আত্মসাত করেছে ছাত্রলীগ
.............................................................................................
আমি সেখানে ছিলাম, তবে তরুণীর গায়ে হাত দেইনি!
.............................................................................................
গ্যাসের উপর নাকি ভাসছে দেশ, রান্নার গ্যাস গেল কোথায়?: তুহিন মালিক
.............................................................................................
মুসার ত‌থ্যে ‘গড়‌মিল’ : দুদক ক‌মিশনার মো. সাহাবু‌দ্দিন চুপ্পু
.............................................................................................
দেশে বৈধ সিমের সংখ্যা ১৩ কোটি
.............................................................................................
আজিজের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক ডেকেছেন বেগম খালেদা জিয়া
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম.এ মান্নান
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ হাজী মোবারক হোসেন।। সহ-সম্পাদক : কাউসার আহম্মেদ।
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আজমল হোসেন বাবু।

ঠিকানাঃ বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়- নারায়ণগঞ্জ, সম্পাদকীয় কার্যালয়- জাকের ভিলা, হাজী মিয়াজ উদ্দিন স্কয়ার মামুদপুর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। শাখা অফিস : নিজস্ব ভবন, সুলপান্দী, পোঃ বালিয়াপাড়া, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ-১৪৬০, মোবাইল : 01731190131, 01930226862, E-mail : mannannews0@gmail.com, mannan2015news@gmail.com, web: notunbazar71.com, facebook- mannan dhaka club
    2015 @ All Right Reserved By notunbazar71.com

Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop