| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   স্বাস্থ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রাণ

মানবজীবন রক্ষায় স্বেচ্ছায় রক্তদান ইসলাম পরিপন্থী নয়। স্বেচ্ছায় রক্তদান সব ধরনের জনকল্যাণমূলক কাজের শীর্ষে অবস্থান করছে। একজন সুস্থ-সবল মানুষ তিন মাস অন্তর রক্ত দান করতে পারেন, এতে শারীরিক কোনো ক্ষতি হয় না। ১৮ থেকে ৫৫ বছর পর্যন্ত যেকোনো সুস্থ ব্যক্তিই রক্তদান করতে পারবেন। রক্ত দেওয়ার সময় যদি কোনো রকম রোগ-ব্যাধি থাকে এবং কোনো ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক চলে, তবে ওই মুহূর্তে অনিরাপদ রক্ত না দেওয়াই ভালো। কাউকে রক্তদানের আগে রক্তদাতার কোনো অসুখ আছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য গবেষণাগারে স্ক্রিনিং পরীক্ষা করা হয়। নিরাপদ রক্তের জন্য একজন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ ব্যক্তি অন্তত তিন-চার মাস অন্তর রক্ত দিতে পারেন। স্বেচ্ছায় রক্তদানের জন্য পুরুষের ন্যূনতম ওজন ৫০ কেজি বা ১০০ পাউন্ড এবং নারীর ৯৫ পাউন্ড হওয়া বাঞ্ছনীয়।ইসলামের দৃষ্টিতে স্বেচ্ছায় রক্তদানে অন্য মানুষের মূল্যবান জানপ্রাণ রক্ষা পায় এবং নিজের জীবনও ঝুঁকিমুক্ত থাকে; তাই রক্তদানের ব্যাপারে ইসলামে কোনো বিধিনিষেধ নেই। অথচ দেশের হাজার হাজার মানুষ প্রতিবছর রক্তের অভাবে মৃত্যুবরণ করছে। রক্তদাতার এক ব্যাগ মূল্যবান রক্তদানের মাধ্যমেই মৃত্যুপথযাত্রী অন্য মানুষের জীবন বাঁচানো যেতে পারে। কেউ যদি স্বেচ্ছায় রক্ত দান করেন, তাহলে এতে একজন বিপদগ্রস্ত মানুষের বা মুমূর্ষু রোগীর জীবন যেমন বাঁচবে, তেমনি রক্তদাতা ও রক্তগ্রহীতার মধ্যে গড়ে উঠবে রক্তের বন্ধন। স্বেচ্ছায় রক্ত দিলে শুধু অন্যের জীবন বাঁচানো নয়, বরং নিজের জীবনও ঝুঁকিমুক্ত রাখা সম্ভব হবে। বিপন্ন মানুষের মহামূল্যবান জীবনের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পবিত্র কোরআনে ঘোষিত হয়েছে, ‘আর কেউ কারও প্রাণ রক্ষা করলে সে যেন পৃথিবীর সমগ্র মানবগোষ্ঠীকে প্রাণে রক্ষা করল।"তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রাণ ডোনেট নংঃ- ৪০৬ রক্তদাতাঃ- মাসুদ রক্তের গ্রুপঃ- B+(ve) ব্যক্তিগত দানঃ- ১ম বার রক্তদানের স্থানঃ- দেওয়ান ক্লিনিক… রক্তদানের তারিখঃ- ২-০৪-২০২২ বর্ণ অনেক ধর্ম অনেক জাতি অনেক রক্ত ১ এগিয়ে আসুন রক্ত দানে, ফুটুক হাসি নতুন প্রাণে। গোড়াই ব্লাড ব্যাংক

তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রাণ
                                  

মানবজীবন রক্ষায় স্বেচ্ছায় রক্তদান ইসলাম পরিপন্থী নয়। স্বেচ্ছায় রক্তদান সব ধরনের জনকল্যাণমূলক কাজের শীর্ষে অবস্থান করছে। একজন সুস্থ-সবল মানুষ তিন মাস অন্তর রক্ত দান করতে পারেন, এতে শারীরিক কোনো ক্ষতি হয় না। ১৮ থেকে ৫৫ বছর পর্যন্ত যেকোনো সুস্থ ব্যক্তিই রক্তদান করতে পারবেন। রক্ত দেওয়ার সময় যদি কোনো রকম রোগ-ব্যাধি থাকে এবং কোনো ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক চলে, তবে ওই মুহূর্তে অনিরাপদ রক্ত না দেওয়াই ভালো। কাউকে রক্তদানের আগে রক্তদাতার কোনো অসুখ আছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য গবেষণাগারে স্ক্রিনিং পরীক্ষা করা হয়। নিরাপদ রক্তের জন্য একজন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ ব্যক্তি অন্তত তিন-চার মাস অন্তর রক্ত দিতে পারেন। স্বেচ্ছায় রক্তদানের জন্য পুরুষের ন্যূনতম ওজন ৫০ কেজি বা ১০০ পাউন্ড এবং নারীর ৯৫ পাউন্ড হওয়া বাঞ্ছনীয়।ইসলামের দৃষ্টিতে স্বেচ্ছায় রক্তদানে অন্য মানুষের মূল্যবান জানপ্রাণ রক্ষা পায় এবং নিজের জীবনও ঝুঁকিমুক্ত থাকে; তাই রক্তদানের ব্যাপারে ইসলামে কোনো বিধিনিষেধ নেই। অথচ দেশের হাজার হাজার মানুষ প্রতিবছর রক্তের অভাবে মৃত্যুবরণ করছে। রক্তদাতার এক ব্যাগ মূল্যবান রক্তদানের মাধ্যমেই মৃত্যুপথযাত্রী অন্য মানুষের জীবন বাঁচানো যেতে পারে। কেউ যদি স্বেচ্ছায় রক্ত দান করেন, তাহলে এতে একজন বিপদগ্রস্ত মানুষের বা মুমূর্ষু রোগীর জীবন যেমন বাঁচবে, তেমনি রক্তদাতা ও রক্তগ্রহীতার মধ্যে গড়ে উঠবে রক্তের বন্ধন। স্বেচ্ছায় রক্ত দিলে শুধু অন্যের জীবন বাঁচানো নয়, বরং নিজের জীবনও ঝুঁকিমুক্ত রাখা সম্ভব হবে। বিপন্ন মানুষের মহামূল্যবান জীবনের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পবিত্র কোরআনে ঘোষিত হয়েছে, ‘আর কেউ কারও প্রাণ রক্ষা করলে সে যেন পৃথিবীর সমগ্র মানবগোষ্ঠীকে প্রাণে রক্ষা করল।"তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রাণ ডোনেট নংঃ- ৪০৬ রক্তদাতাঃ- মাসুদ রক্তের গ্রুপঃ- B+(ve) ব্যক্তিগত দানঃ- ১ম বার রক্তদানের স্থানঃ- দেওয়ান ক্লিনিক… রক্তদানের তারিখঃ- ২-০৪-২০২২ বর্ণ অনেক ধর্ম অনেক জাতি অনেক রক্ত ১ এগিয়ে আসুন রক্ত দানে, ফুটুক হাসি নতুন প্রাণে। গোড়াই ব্লাড ব্যাংক

ফোনে কথা বলতে বলতে শিক্ষার্থীকে চার ডোজ টিকা
                                  

নেত্রকোনার মদন উপজেলার এক স্কুল শিক্ষার্থীকে পর পর চার ডোজ করোনার টিকা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এনিয়ে শঙ্কায় আছে শিক্ষার্থীর পরিবার। 

তবে, চার ডোজ করোনার টিকা নেয়া শিক্ষার্থীর শারীরিক অবস্থা ভালো আছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। আর গোটা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে উপজেলা প্রশাসন। 

শনিবার সকালে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিতে মদন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যান অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী আদিবা বিনতে আজিজ। সেখানেই ঘটে অঘটনটি।

শহীদ স্বরণিকা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী আবিদা জানিয়েছেন, হাসপাতাল কক্ষের ভেতরে গেলে টিকা কার্যক্রমের দায়িত্বে থাকা এক নার্স মুঠোফোনে কথা বলতে বলতে তাকে চার ডোজ টিকা দেন।

তার কথায়, একজনকে কয়টি টিকা দেয়া হয় এমন প্রশ্ন করলে তিনি ফোন রেখে আমার দিকে তাকিয়ে থাকেন। আমাকে তো আপনি চারটি টিকা দিলেন- এই কথা বলার পরেও মুঠোফোনে কথা বলতে বলতে তিনি আমাকে বাসায় চলে যেতে বলেন।

বাইরে এসে মা রাজিয়া সুলতানাকে বিষয়টি জানান আবিদা। ভেতরে গিয়ে চার ডোজের টিকার কথা বললে সেবিকারা জানান, এতে কিছুই হবে না। পরে হাসপাতালের ডাক্তার রিফাত সাঈদকে বিষয়টি জানানো হলে উল্টো রাজিয়া সুলতানার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়।

বিষয়টি জানাজানির পর গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা কোন সেবিকা এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন জানতে চাইলে মুখ খুলতে রাজি হননি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কৌশলে সরিয়ে দেয়া হয় অভিযুক্তকে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অভিযুক্ত নার্সকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনার পর শিক্ষার্থী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। তাকে পর্যবেক্ষণে রেখেছে চিকিৎসকরা। এই শিক্ষার্থী সুস্থ আছে দাবি করে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ জানায়, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। 

এরিমধ্যে একই সময় টিকার চার ডোজ দেয়ার অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। রোববার নেত্রকোনার সিভিল সার্জন ডা. সেলিম মিয়া এই কমিটি গঠন করেন।

সদর হাসপাতালের অভিজিত লোহকে প্রধান করে গঠিত এই কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন মেডিক্যাল অফিসার উত্তম কুমার পাল ও ইপিআই তত্ত্বাবধায়ক মজিবুর রহমান।

টিকা দেয়ায় করোনা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, দেশের নাগরিকদের বড় অংশ টিকার আওতায় আসায় করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের প্রাদুর্ভাবের পরও পরিস্থিতি এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। আজ বৃহস্পতিবার (১০ই ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভায় এসব কথা জানান তিনি। 

এসময় তিনি বলেন, দেশে প্রায় ২০ লাখ ক্যান্সার আক্রান্ত রোগী রয়েছে। প্রতিবছর এ সংখ্যা বাড়ছে এবং মানুষ মারাও যাচ্ছে। যা করোনার থেকেও বেশি দুশ্চিন্তার। দেশের ৮টি ক্যান্সার হাসপাতালে আরো ১৪শ’ নতুন শয্যা চালু করা হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। 

করোনা টিকা পাচ্ছেন ৩য় লিঙ্গের মানুষ
                                  

দেশে প্রথমবারের মতো তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের করোনা ভ্যাকসিন দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার চট্টগ্রামে জেলা পর্যায়ে দুপুর থেকে প্রাথমিক তালিকায় থাকা ৫শ জনকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হবে।

যাদের টিকা দেওয়ার রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ নেই বা এনআইডি নেই তাদেরও টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ কার্যক্রমের আওতায় টিকা প্রাপ্তির ঘোষণায় উচ্ছসিত এই জনগোষ্ঠী।

নিজ উদ্যোগেই ভ্যাকসিনের খবর প্রচার করেছেন তারা। প্রথম ধাপে ৫শ জনকে টিকার আওতায় আনা হলেও ধাপে ধাপে বাকিদেরও টিকা দেওয়ার কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

দেশে করোনা টিকার নিবন্ধন শুরু হয় গত ২৭ জানুয়ারি। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। ১৮ বছর বয়সী যেকোনো মানুষ এখন টিকা নিতে পারছেন।

দেশে এখন অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা, সিনোফার্ম, মডার্না ও ফাইজার—এই চার ধরনের টিকা দেওয়া হচ্ছে। ১ আগস্ট পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ২৮ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মানুষ করোনার টিকা নিয়েছেন। নয় মাস পেরোলেও টিকা কর্মসূচিতে এতো দিন ঠাঁই পাননি এই তৃতীয় লিঙ্গের মানুষগুলো।

দেশে হিজড়ার সংখ্যা কত—এ নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো হালনাগাদ তথ্য বা জরিপ নেই। তবে সমাজসেবা অধিদপ্তরের ২০১৩ সালের করা এক জরিপ বলছে, এদের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। তবে হিজড়াদের নিয়ে কাজ করা সংগঠনের হিসাবে, সারা দেশে এই সংখ্যা লাখ ছাড়াবে।

২০১৯ সালে এই হিজড়ারা স্বতন্ত্র লিঙ্গীয় পরিচয়ে ভোটাধিকার লাভ করে। এখন তাঁরা পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্রে লিঙ্গীয় পরিচয় হিসেবে হিজড়া উল্লেখ করতে পারেন। রাষ্ট্রীয়ভাবে লিঙ্গীয় স্বীকৃতি লাভ করলেও তারা এখন পর্যন্ত সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী। কারণ, তাঁদের অধিকাংশেরই জন্মনিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিচয় নেই।

শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব, কীভাবে বুঝবেন?
                                  

ক্যালসিয়াম একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খনিজ। এটি শক্তিশালী হাড় এবং দাঁতের গঠনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তা ছাড়া এটি হার্ট এবং শরীরের অন্যান্য পেশীগুলোর কার্যকারিতা ঠিক রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ক্যালসিয়ামের অভাবে অস্টিওপোরোসিস, অস্টিওপেনিয়া এবং আরও অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে। আসুন জেনে নেওয়া যাক, ক্যালসিয়ামের অভাবে কী কী শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়।

১) পেশীর সমস্যা : ক্যালসিয়ামের অভাবজনিত লক্ষণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো- পেশীতে টান ধরা, ব্যথা হওয়া। ক্যালসিয়াম পেশী সংকুচিত এবং শিথিল করতে সহায়তা করে। এর অভাবে পেশীগুলো তাদের স্বাভাবিক টোন বজায় রাখতে পারে না। এর ফলে পেশীর দুর্বলতা, খিঁচুনি, যন্ত্রণার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

 

২) অসাড়তা এবং শিহরণ : হাইপোক্যালসেমিয়ার অন্যতম উপসর্গ হলো হাত এবং পায়ে শিহরণ কিংবা ঝি-ঝি ধরা।  এ ছাড়া ক্যালসিয়ামের গুরুতর অভাবে শরীরে অসাড়তাও সৃষ্টি হতে পারে। আমাদের শরীরের প্রতিটি স্নায়ুকোষে এর প্রয়োজন। তাই শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব ঘটলে স্নায়ু কোষগুলো সংবেদনের অনুভূতি এবং সংকেত পাঠাতে বাধাপ্রাপ্ত হয়।

৩) অত্যন্ত ক্লান্তি বোধ : ক্যালসিয়ামের অভাবে শরীরে অত্যন্ত ক্লান্তি এবং অলসতা দেখা দিতে পারে।  এর ফলে অনিদ্রার সমস্যাও হতে পারে। এ ছাড়া হালকা মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা এবং ব্রেন ফগ হতে পারে, যার ফলে মনোযোগের অভাব, ভুলে যাওয়া এবং বিভ্রান্তি দেখা দিতে পারে।

৪) নখ এবং ত্বকের সমস্যা : দীর্ঘদিন ধরে যদি ক্যালসিয়ামের অভাব দেখা দেয়, তাহলে শুষ্ক ত্বক, শুষ্ক ও ভঙ্গুর নখ, রুক্ষ চুল, একজিমা, ত্বকের প্রদাহ, ত্বকে চুলকানির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই খাদ্যতালিকায় ভিটামিন এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাদ্য রাখা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

৫) অস্টিওপেনিয়া এবং অস্টিওপরোসিস : হাড় ক্যালসিয়াম ভালভাবে সঞ্চয় করে রাখতে পারে। তাই শরীরে এর অভাব দেখা দিলে শরীর হাড় থেকে প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম শোষণ করতে শুরু করে। যার ফলে হাড়ের গঠন দুর্বল, ভঙ্গুর এবং আঘাতের প্রবণ হয়ে ওঠে। তা ছাড়া দীর্ঘদিন যদি এর অভাব থেকে যায় তাহলে হাড়ের খনিজের ঘনত্ব হ্রাস পায় এবং এটি শরীরকে অস্টিওপেনিয়ার দিকে নিয়ে যাতে পারে। আর এই অস্টিওপেনিয়ার থেকে পরবর্তী সময়ে অস্টিওপোরোসিসও সৃষ্টি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে হাড়গুলো অত্যন্ত পাতলা হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ফ্রাকচার প্রবণও হয়ে ওঠে।

৬) রিকেট : ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়ামের অন্যতম অভাবজনিত রোগ হলো রিকেট। এটি মূলত বাচ্চাদের একটি রোগ। ক্যালসিয়ামের অভাব হাড়কে নরম এবং দুর্বল করে তোলে। তা ছাড়া এটি হাড়ের স্বাভাবিক গঠনেও বাধা সৃষ্টি করে।

৭) দাঁতের সমস্যা দেখা দেয় : শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব দেখা দিলে দাঁতের ক্ষয়, ভঙ্গুর দাঁত, অকালে দাঁত পড়ে যাওয়া, মাড়ির সমস্যা এবং দাঁতের শিকড় দুর্বল হয়ে যাওয়ার মতো বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৮) PMS-এর সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে : মহিলাদের শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব দেখা দিলে প্রিমেনস্ট্রুয়াল সিন্ড্রোম (PMS) এর গুরুতর সমস্যা দেখা দিতে পারে। ২০১৭ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, দুই মাস ৫০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়ামের নিয়মিত সেবন, অংশগ্রহণকারী মহিলাদের মেজাজ ভালো রাখার পাশাপাশি তরল ধারণ হ্রাস করতেও সহায়তা করে। তা ছাড়া ২০১৯ সালের আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, শরীরে ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়ামের অভাব মাসিক চক্রের দ্বিতীয়ার্ধে পিএমএসের সমস্যা বাড়িয়ে তুলতে পারে।

এক কেজি ফলের দাম ২০ লাখ টাকা!
                                  

অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি। এক কেজি ফলের দাম ২০ লাখ টাকা। তরমুজ গোত্রের এই সুস্বাদু ফলটি পাওয়া জাপানে। একে বিশ্বের সবথেকে দামি ফল দাবি করা হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজএইটিনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ফলটির নাম ইউবারি মেলন। দেখতে খুব একটা সুন্দর না হলেও দাম আকর্ষণীয়। এক কেজি ফল কিনতে যে টাকা প্রয়োজন তা দিয়ে স্বর্ণালঙ্কার বা জমি কেনা যাবে অনায়াসে।

 

তবে এই ফলটি জাপানে মিললেও সহজলভ্য নয়। ফলের দোকানে সহজেই এটি পাওয়া যাবে এমন ভাবাও ভুল। ইউবারি মেলন জাপানের এক বিশেষ শ্রেণির মানুষের কাছে বিক্রি হয়।

বিলাসবহুল খাবার ও পানীয় বার্বন, শ্যাম্পেন বা কোবে বিফের মতো ইউবারি মেলন এক বিশেষ পরিবেশের মধ্যে ইউবারি অঞ্চলে চাষ করা হয়। ২০১৯ সালে এক জোড়া ইউবারি মেলন বিক্রি হয়েছিল প্রায় ৩২ লাখ টাকায়।

বিজনেস ইনসাইডারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফলটি বড় হতে সময় নেয় ১০০ দিন। সারা বছরই ফলে। আগ্নেয়গিরি সৃষ্ট মাটি ও অতিরিক্ত বর্ষণ এই ফল চাষের উপযুক্ত পরিবেশ।

৩ কোটি টিকা দেওয়া হবে এ মাসেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
                                  

গাজীপুর: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, এ পর্যন্ত প্রায় ছয় কোটির বেশি টিকা দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক মাসে টিকা দেওয়ার কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।

 

এ মাসে আশা করছি তিন কোটি ডোজ টিকা দেওয়া হবে।  

রোববার (৭ নভেম্বর) গাজীপুরের কাশিমপুর থানার সুরাবাড়ী এলাকায় ডিবিএল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড কারখানার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।  

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, তিন কোটি ডোজ দিতে পারলে আরও দুই কোটি নতুন লোক টিকা পেয়ে যেতে পারে। ২১ কোটি টিকা ক্রয় করা হয়েছে। সিরিঞ্জও বিদেশ থেকে ক্রয় করেছি। সেগুলো আমরা সিডিউল অনুযায়ী পাচ্ছি।  

তিনি বলেন, টিকা কার্যক্রম চলতে থাকবে, গতি লাভ করবে। করোনা নিয়ন্ত্রণে আছে বিধায় দেশের জীবন যাত্রা প্রায় স্বাভাবিক হয়ে আসছে। এটা আমরা স্বাভাবিক রাখতে চাই। এটা সম্ভব হবে আমরা যদি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি।  

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ডিবিএল গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এ ওয়াহেদ। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডিবিএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ জব্বার।  

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সায়েফ উদ্দিন আহমেদ, ড. হাবিব-ই- মিল্লাত এমপি, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এস এম আব্দুর রহমান প্রমুখ।  

অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওষুধ কারখানাটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এবং কারখানা চত্বরে ঔষুধি গাছের চারা রোপণ করেন।  

১২ একর জমির উপর প্রায় দুই বিলিয়ন ইউনিট উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ডিবিএলের প্রকল্পটিতে ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, সিরাপ, ইনজেকশন, ইনহেলারসহ প্রায় সব ধরনের ওষুধ উৎপাদন হবে। প্রায় ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগে গাজীপুরের কাশিমপুরে সুরাবাড়ী এলাকায় এ প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়েছে। 

আরও ১৪৬ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি
                                  

ঢাকা: গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে আরও ১৪৬ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।  

সোমবার (১ নভেম্বর ) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে নতুন ডেঙ্গুরোগী ভর্তি হয়েছেন ১৪৬ জন। এর মধ্যে ঢাকাতে ১২৪ জন এবং ঢাকার বাইরের সারাদেশে ভর্তি  হয়েছেন ২২ জন।   

এতে আরও বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ৭৫৬ জন ডেঙ্গুরোগী ভর্তি আছেন। এর মধ্যে ঢাকার ৪৬টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ৬০৬ জন এবং অন্যান্য বিভাগে বর্তমানে সর্বমোট ১৫০ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।

এ বছর ১ জানুয়ারি থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা সর্বমোট ২৩ হাজার ৮০১ জন। একই সময়ে তাদের মধ্য থেকে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২২ হাজার ৯৫৪ জন রোগী। এ পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে ৯১ জনের মৃত্যুর হয়েছে। 

উৎসাহ-উদ্দীপনায় টিকা নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা
                                  

ঢাকা: ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং আনন্দের সঙ্গে করোনা ভাইরাসের টিকা নিচ্ছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (৩ নভেম্বর) সকালে ধানমন্ডিতে অবস্থিত কাকলি স্কুল অ্যান্ড কলেজে এ চিত্র দেখা যায়।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, স্কুলের সামনে অভিভাবকসহ শিক্ষার্থীরা টিকা নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন। আবার অনেক শিক্ষার্থীকে টিকা নেওয়া শেষে বিশ্রাম নিতে দেখা যায়। এ সময় করোনা ভাইরাসের টিকা নেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ এবং উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।

টিকা নেওয়া শেষে অপেক্ষারত ঢাকা সিটি কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী সানজানা হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, টিকা নেওয়ার সময় একটু ভয় এবং ব্যথা পেয়েছিলাম। তবে টিকা নেওয়া হাতে এখন সামান্য ব্যথা থাকলেও ভয় লাগছে না। বরং টিকা নিতে পেরে ভালো লাগছে।

সিটি কলেজের আরেক শিক্ষার্থী মাশরুরা জাহান বলেন, টিকা নেওয়ার মুহূর্তে ভয়ে শরীর কাঁপছিল। তবে টিকা নেওয়ার পর এখন আর ভয় লাগছে না। টিকা নেওয়ার পর করোনা ভাইরাসের ভয়টাও কেটে গিয়েছে।

ধানমন্ডি ১৫ নম্বরে অবস্থিত কাকলি হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে মোহাম্মাদপুর, আদাবর, ধানমন্ডি, শেরেবাংলা নগর, মিরপুর, কলাবাগান এলাকার নিবন্ধিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা টিকা নিচ্ছেন।  

শিক্ষার্থীদের টিকাদান প্রসঙ্গে কাকলি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ দীন মোহাম্মদ খান বাংলানিউজকে বলেন, গতকাল থেকে আমাদের এখানে টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। স্পোর্টস ডে কিংবা অন্যান্য অ্যাকটিভিটিতে তারা যেভাবে অংশগ্রহণ করে টিকা দেওয়ার বিষয়টাও শিক্ষার্থীরা সেভাবেই লুফে নিয়েছে। শিক্ষার্থীরা ভাবছে, আমরা যদি ভ্যাকসিন নেই তাহলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারবো। , স্বাভাবিকভাবে খেলাধুলা করতে পারবো, স্কুল কলেজে যেতে পারবো, বন্ধু বান্ধবের সঙ্গে দেখা করতে পারবো। এই ভাবনায় তাদের মধ্যে টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাপক উৎসাহ এবং উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে।  

তিনি আরও বলেন, সকাল ৯টা থেকে আমাদের এখানে টিকা দেওয়ার কথা, তবে আমি সকাল ৮টায় এসেই দেখি টিকা নেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ লাইন। বিকেল ৩টা পর্যন্ত টিকা দেওয়ার কথা থাকলেও, ৩টার পরেও অনেক শিক্ষার্থীরা টিকা নিতে এসেছে।

এদিন কাকলি হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ ছাড়াও রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকার হার্ডকো ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, মালিবাগ ও রামপুরার সাউথ পয়েন্ট স্কুল, চিটাগং গ্রামার স্কুল, মতিঝিলের আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের সাউথ ব্রিজ স্কুলে, মিরপুর ১৩ নম্বরের স্কলাস্টিকা স্কুলে শিক্ষার্থীদের করোনা ভাইরাসের টিকা দেওয়া হচ্ছে।

যে কারণে নারীদের গড় আয়ু পুরুষের চেয়ে বেশি
                                  

বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্বে পুরুষের তুলনায় নারীদের গড় আয়ু বেশি। বাংলাদেশে নারীদের গড় আয়ু পুরুষদের তুলনায় ৪ বছর বেশি।

জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল বা ইউএনএফপিএর ’বিশ্ব জনসংখ্যা পরিস্থিতি ২০২১’ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

 

প্রকাশিত ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে নারীদের গড় আয়ু ৭৫ বছর, যেখানে পুরুষদের গড় আয়ু ৭১ বছর। এছাড়া বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সবশেষ তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে নারীদের গড় আয়ু ৭৪.২ বছর। আর পুরুষদের ৭১.১ বছর।

 

শিশুকাল থেকে শুরু করে বয়স্ক হওয়া পর্যন্ত একজন পুরুষ ও নারীর যে সংগ্রাম, সেখানেই কিছুটা ছন্দপতন রয়েছে। পরিশ্রম করছে দুজনই, তারপরও কেন গড় আয়ুর এত পার্থক্য? এ প্রশ্ন হয়তো ঘুরপাক খাচ্ছে অনেকের মনেই। বিশেষজ্ঞরা এর কিছু ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

 

তাদের মতে, নারীর গড় আয়ু বেশি বা কম হওয়ার পেছনে নারীর সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক কাঠামো জড়িত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক বেল্লাল হোসেন  জানান বাংলাদেশে নারীর এই গড় আয়ু ২০০৩-০৫ এর মধ্যেই বৃদ্ধি হতে থাকে।

 

তার মতে, প্রায় দুই থেকে তিন দশক আগেও নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি ভীষণ অবহেলিত ছিল। নারীরা অপুষ্টিতে ভুগতেন, নারীর স্বাস্থ্যসেবা বিশেষ করে মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি গুরুত্ব পায়নি। যার কারণে নারীদের গড় আয়ু ছিল কম। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে।

 

অন্যদিকে, নারী পুরুষের আয়ুষ্কালের মধ্যে এ পার্থক্য নতুন কিছু নয়, বরং বিশেষজ্ঞরা এটি দশকের পর দশক ধরে লক্ষ্য করছেন।

 

অস্ট্রেলিয়ার সাউথ ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরোসাইকিয়াট্রি বিভাগের অধ্যাপক ডা পারমিন্দার সাচদেব মানুষের আয়ুষ্কাল নিয়ে গবেষণা করেছেন।

 

তার মতে, কেন নারীরা বেশিদিন বাঁচেন? এ ব্যাপারে জনপ্রিয় কিছু তত্ত্ব আছে, এর কিছু কিছু জীববিজ্ঞানের সাথে জড়িত; আবার কিছু কিছু মানব আচরণের সাথে জড়িত।

 

তার মতে, পুরুষেরা তুলনামূলকভাবে বেশি ধূমপান করেন, মদ্যপান করেন এবং অতিরিক্ত ওজনের অধিকারী হয়ে যান। তারা প্রাথমিক পর্যায়ে ডাক্তার দেখাতেও অনাগ্রহী এবং রোগ ধরা পড়লে তারা নিয়মিত চিকিৎসাও নেন না।

 

আর সবচেয়ে বড় কথা হলো, পুরুষেরা অতিরিক্ত ঝুঁকিপূর্ণ, জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ-এসব কাজ নিজের ঘাড়ে নিয়ে নেন।

 

এই যেমন- গাড়ি চালাতে গিয়ে দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া কিংবা ঝগড়া-লড়াই। এর পেছনে বৈজ্ঞানিক প্রমাণও রয়েছে। পুরুষের শরীরে থাকা মেল সেক্স হরমোন টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বেড়ে গিয়ে তাদেরকে এরকম ঝুঁকিপূর্ণ কাজের দিকে বেশি ধাবিত করে।

 

ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার সাথে ঝুঁকিপূর্ণ আচরণের সম্পর্ক রয়েছে।

 

পারমিন্দার সাচদেব এর মতে, পুরুষের হরমোনকে দোষ দেয়া যায় না; বরং নারীদের হরমোনই তাদের বিশেষ কিছু সুবিধা দিয়ে যায় আজীবন। এস্ট্রোজেন নামের হরমোন নারীদের বলতে গেলে সুরক্ষাই দেয়; এর একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভূমিকা আছে।

 

ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব এন্ডোক্রিনোলজি এর ২০১৩ সালের রিভিউতে দেখা যায়, ডিএনএ ক্ষতিকে প্রতিরোধ করতে পারে এস্ট্রোজেন।

 

রিভিউ থেকে আরও জানা যায় যে, এস্ট্রোজেন কোষের কার্যক্রমকে স্বাভাবিক ও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এরকম নানা ধরনের গবেষণা থেকে প্রাপ্ত ফলাফল নারীদের অধিক আয়ুষ্কাল সম্পর্কেই যুক্তি দেয়। 
গ্রাম থেকে ১৪ দিন পর ঢাকায় ফেরার অনুরোধ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের
                                  

সরকারের নির্দেশনা উপেক্ষা করে যারা বাড়ি গিয়েছেন, তাদের অফিস খোলা না হলে ১৪ দিন পর ঢাকায় ফেরার অনুরোধ জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। রোববার (১৬ মে) দুপুরে ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মুখপাত্র নাজমুল ইসলাম এ অনুরোধ জানান।তিনি বলেন, সরকার পরামর্শ দিয়েছিল আমরা যেন এবারের ঈদে নিজ নিজ অবস্থান ছেড়ে বাইরে চলে না যাই। কিন্তু আমরা দেখেছি, বড় সংখ্যক মানুষ এই পরামর্শ উপেক্ষা করেও নানাভাবে ঘরে ফেরার চেষ্টা করেছেন। সেখানে কিছু মর্মান্তিক দৃশ্য দেখেছি।

অধিদপ্তরের এ মুখপাত্র বলেন, যারা বাড়িতে গেছেন, এখনও অফিস খোলেনি। স্কুল-কলেজে দেরি করে ফিরলেও কোনো ক্ষতি হচ্ছে না, তারা অন্তত সাত থেকে ১৪ দিন দেরি করে ফিরে আসবেন।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঢাকায় ফেরার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, যাদের ইতোমধ্যে উপসর্গ দেখা গেছে, তারা নিকটস্থ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা জেলা সদর হাসপাতালে আরটি-পিসিআর পরীক্ষা অবশ্যই করিয়ে নেবেন। ফিরে আসার সময় শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতেই হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভারত থেকে যারা এসেছেন তাদের আমরা প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রেখেছি। যাদের উপসর্গ আছে তাদের নিয়মিত পরীক্ষা করছি। গত মাসে শেষ সপ্তাহে যে পরীক্ষাগুলো করা হয়েছিল, তাদের মধ্যে যাদের পজিটিভ পাওয়া গিয়েছিল, সেখান থেকে জিনোম সিকোয়েন্সে মাধ্যমে আমরা জানলাম, ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টকে আমরা চিহ্নিত করতে পেরেছি। ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তদের মধ্যে পাঁচ জন একদম সুস্থ আছেন। তাদের সংস্পর্শে যারা এসেছিল, সেখানেও আমরা কোনো সংক্রমিত রোগী পাইনি। এখন পর্যন্ত ছয়টি ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। নতুন করে আরও জিনোম সিকোয়েন্স হচ্ছে, নতুন ভ্যারিয়েন্ট আমরা জানাবো।


মাস্ক পরিধানে এবং খুলতে সাবধানতা
                                  

মহামারি করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত মানুষের জনজীবন। প্রতিদিন হু-হু করে বাড়ছে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। করোনাভাইরাস মহামারি যত দিন না শেষ হচ্ছে তত দিন মাস্ক হবে প্রত্যেকের আবশ্যক নিত্যসঙ্গী। তবে মাস্ক শুধু পরে থাকা যথেষ্ট নয়। মাস্ক ব্যবহার করার নিয়ম জেনে নেওয়াও জরুরি।চিকিৎসকরা এখন সাধারণত সার্জিকাল মাস্ক ব্যবহার করার উপদেশ দিচ্ছেন। নির্ধারিত সময়ের জন্য তা ব্যবহার করে, নিয়ম মেনে বর্জন করতে হবে। পরার সময়ে যেমন সতর্ক থাকতে হবে, তার চেয়েও বেশি সাবধান হতে হবে মাস্ক খোলার সময়ে। ব্যবহৃত মাস্কে জমে থাকা জীবাণু যাতে আপনার ক্ষতি না করতে পারে, সে বিষয়ে সাবধান থাকা জরুরি।

মাস্ক খোলার সময় যেসব নিয়ম মানতে হবে:

মাস্ক ধরার আগে সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত পরিষ্কার করা জরুরি।

মাস্কটি সতর্কতার সঙ্গে এমনভাবে পরুন যেন তা সম্পূর্ণভাবে নাক ও মুখ ঢেকে রাখে এবং এমনভাবে বাঁধুন যেন মুখ ও মাস্কের মাঝে কোনো ফাঁকা না থাকে।

আট ঘণ্টা ব্যবহার করা হয়ে গেলে সেই সার্জিকাল মাস্ক ফেলে দেওয়া ভালো। 

কোনো কারণে পরিহিত মাস্কটি ভিজে বা অপরিষ্কার হয়ে গেলে তা খুলে ফেলে সঙ্গে সঙ্গে আর একটি মাস্ক পরিধান করুন।

মাস্ক পরিধান বা খোলার সময় মাস্কের দুই পাশের ফিতা/ইলাস্টিকটি ব্যবহার করুন, মাস্কের সামনের অংশ স্পর্শ করবেন না। তাই মাস্ক ব্যবহারে আমাদের আরও সচেতন হতে হবে।

রাস্তায় বা ময়লা ফেলার জায়গায় মাস্ক ফেলা যাবে না। কোনও কাগজের ব্যাগে ভরে ফেলতে হবে। যাতে জীবাণু না ছড়ায়।

মাস্ক খোলার পর অন্য কিছুতে হাত দেওয়ার আগে আবার ভালোভাবে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে।।

ওজন ও মেদ কমাতে পারে চাল কুমড়া
                                  

চাল কুমড়া একজি সবজি। গ্রামে গঞ্জে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ঘরের চালে এ সবজি হয় বলে এটি চাল কুমড়া নামে পরিচিত। তবে এ সবজিটি মাচায় এবং জমিতেও চাষ করলে ফলন ভালো হয়। তরকারি হিসেবে খাওয়া ছাড়াও এ সবজি দিয়ে মোরব্বা, হালুয়া, পায়েস ও বড়ি তৈরি করা হয়ে থাকে।শুধু চাল কুমড়াই নয় এর কচি পাতা ও ডগা শাক হিসেবে খাওয়া হয়। চাল কুমড়াতে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন, খনিজ, শর্করা ও ফাইবার পাওয়া যাওয়ায় এটি শরীরের জন্য দারুণ উপকারী। নিয়মিত চাল কুমড়া খেলে যেসব উপকারিতা মিলবে।

১. চাল কুমড়াতে অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল উপাদান থাকায় এটি পেট এবং অন্ত্রের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সাহায্য করে। এটি গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সংক্রমণ বা আলসার রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এটি পাকস্থলীতে তৈরি হওয়া অ্যাসিড দূর করতে সাহায্য করে।

২. চাল কুমড়া মানসিক রোগীদের জন্য ওষুধ হিসেবে কাজ করে, কারণ এটি মস্তিষ্কের নার্ভ ঠান্ডা রাখে। এ জন্য চাল কুমড়াকে ব্রেইন ফুড বলা হয়।

৩. প্রতিদিন চাল কুমড়ার রস খেলে যক্ষ্মা রোগের উপসর্গ কেটে যায়। চাল কুমড়া রক্তপাত বন্ধ করতে সাহায্য করে।

৪. চাল কুমড়া শরীরের ওজন ও মেদ কমাতে অনেক উপকারী। এটি রক্তনালিতে রক্ত চলাচল সহজ করে। চাল কুমড়া অধিক ক্যালরি যুক্ত খাবারের বিকল্প হিসেবেও খাওয়া যায়।

৫. মুখের ত্বক এবং চুলের যত্নেও চাল কুমড়ার রস অনেক সাহায্য করে। চাল কুমড়ার রস নিয়মিত চুল ও ত্বকে মাখলে চুল চকচকে হয় এবং ত্বক সুন্দর হয়। ত্বকে বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করতেও চাল কুমড়া সাহায্য করে।

৬.চাল কুমড়োর বীজ গ্যাস্ট্রিক রোগ নিরাময়ে ভূমিকা রাখে। কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা এবং প্রস্রাব কোনও কারণে অনিয়মিত হয়ে গেলে চাল কুমড়া খেলে উপকার পাওয়া যায়।

প্রতিদিন কতটুকু আনারস খাওয়া সঠিক?
                                  

মৌসুমি ফলগুলোর মধ্যে আনারস অন্যতম। বর্তমানে বাজারে গেলেই এই ফলটির দেখা মেলে। সহজলভ্যতা ও সাশ্রয়ী হওয়ায় ফলটির চাহিদাও তুঙ্গে। তাছাড়া গরমে বেশ আরামও দিয়ে থাকে আনারস। মৌসুমি ফল আনারস স্বাস্থ্যের জন্যও বেশ উপকারী। তাই ছোট-বড় সবারই আনারস খাওয়া জরুরি।
আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে রোগ প্রতিরোধী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা শরীরকে ফিট ও সুস্থ রাখে। আনারস ফাইবার, ভিটামিন-সি, পটাশিয়াম, ফোলেট, ম্যাগনেসিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ সমৃদ্ধ। তাইতো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে আনারস খেতে পারেন। ফ্ল্যাভোনয়েড থাকায় আনারস পুষ্টিগুণেও ভরপুর।

তবে আমাদের মাঝে অনেকেই আছেন যারা জানেন না রোগ প্রতিরোধে প্রতিদিন কতটুকু আনারস খাওয়া সঠিক? তাই চলুন জেনে নেয়া যাক রোগ প্রতিরোধে প্রতিদিন কতটুকু পরিমাণ আনারস খাওয়া জরুরি-

আনারসের রস না খেয়ে ফল খাবেন, তবেই পুষ্টি সম্পূর্ণ হয়। কারণ রসে ফাইবার থাকে না।

একটা পুরো আনারস নয় বরং রোজ অর্ধেকটুকু খান।

নিয়মিত ছোট বাটির এক বাটি অর্থাৎ কয়েক টুকরো আনারস খেলে সহজেই বেশ কিছু রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে।

পাঁচ থেকে ছয় টুকরো আনারস প্রতিদিন ডায়েটে রাখলে তা যথেষ্ট উপকারী।

এছাড়াও ফেনলিক অ্যাসিড বা ফ্ল্যাভেনয়েড থাকায় এই ফল পুষ্টিগুণে ভরপুর। এছাড়াও বর্ষাকালে হজমের একটা সমস্যা দেখা যায়। সেক্ষেত্রে ব্রোমেলেইন উৎসেচক প্রোটিনের অণুগুলোকে ভেঙে দেয়। ক্ষুদ্রান্ত্রের শোষণে সুবিধা হয়।

ডাবল চিন থেকে রক্ষা পাওয়ার জাদুকরী উপায়
                                  

ওজন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আমাদের দেহেও কিছু পরিবর্তন দেখা যায়। যেমন- পেট, হাতের বাহু, কোমর ইত্যাদিতে মেদ জমা। সেই সঙ্গে চিবুকেও ডাবল চিন দেখা দেয়। এছাড়াও বংশগত বৈশিষ্ট্য, বয়সসহ বিভিন্ন কারণে ডাবল চিন দেখা দিতে পারে। যা খুবই বিরক্তিকর। কারণ গলার এই বাড়তি মেদ মুখের সম্পূর্ণ সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয়।
লোকের চোখে যাতে এই ডাবল চিন ধরা না পড়ে, তাই এটি ঢাকার জন্য অনেকেই স্কার্ফ ব্যবহার করেন। আবার অনেকে হাই কলার ড্রেস পরিধান করে। যা খুবই অস্বস্তিকর। এই সমস্যা সমাধানের জন্য অনেকে ডাক্তারের শরণাপন্ন হন। তবে আজকে আপনাদের জন্য রয়েছে এমন কিছু উপায়, যা অনুসরণ করে আপনি ঘরে বসেই ডাবল চিনের সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।

চলুন তবে জেনে নেয়া যাক ডাবল চিনে মেদ জমা সমস্যা সমাধানের কিছু জাদুকরী উপায়-

ডাবল চিন থেকে রক্ষা পেতে হলে ডায়েটে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। জাংক ফুড, ফাস্ট ফুড এবং অন্যান্য খাবার যা ক্যালরি এবং ফ্যাটে পরিপূর্ণ সেগুলো খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিন।

খাবারের তালিকায় ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাদ্য যেমন ব্রাউন রাইস, বার্লি, মটরশুঁটি, আপেল এবং সবুজ শাক সবজি রাখার চেষ্টা করুন।

সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন তৈলাক্ত মাছ খাবারের লিস্টে রাখুন। মাছের ওমেগা ৩ এবং ওমেগা ৬ তেল মুখের ইলাস্টিসিটি উন্নতি করে।

দিনে কয়েকবার সুগার ফ্রি চুউইং গাম চিবাতে পারেন। খাবারে লবণের পরিমাণ কমান এবং খাবার খাওয়ার সময় ভালো মতো চিবিয়ে খান।

এছাড়াও প্রতিদিন ১ ঘণ্টা শারীরিক এক্সার্সাইজ এবং ২০ মিনিট মুখের এক্সার্সাইজ করার অভ্যাস করুন।

অ্যাকজিমা সারাতে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার ব্যবহার করবেন যেভাবে
                                  

এটোপিক ডার্মাটাইটিস। যা অ্যাকজিমা নামেই বেশি পরিচিত। এটি একটি চর্মরোগ। এর কারণে ত্বক শুষ্ক, লালচে ও চুলকানি সৃষ্টি হয়। জেনে রাখা ভালো, অ্যাকজিমার প্রতিকার নেই।
তবে চিকিত্সার মাধ্যমে এর অস্বস্তিকর লক্ষণগুলো সারিয়ে তোলা সম্ভব। অনেকেই ঘরোয়া প্রতিকার হিসেবে নারকেল তেল ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু জানেন কি, অ্যাপেল সিডার ভিনেগার অ্যাকজিমা সারাতে বেশ কার্যকর। নিশ্চয়ই অ্যাপেল সিডার ভিনেগারের গুণাগুণ সম্পর্কে সবারই জানা। এটি ওজন কমাতে,এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে জাদুর মতো কাজ করে। জানেন কি? এ উপাদানটি ত্বকের দীর্ঘমেয়াদি চর্মরোগ সারিয়ে তুলতেও জাদুর মতোই কাজ করে।

ত্বক অ্যাকজিমাপ্রবণ হলে ত্বকের পিএইচ স্তরগুলো বাড়তে থাকে। এর ফলে ত্বক হয়ে পড়ে আর্দ্র। র‌্যাশ বের হয়, ফলে চুলকানি ও জ্বালাপোড়া হয়ে থাকে। অ্যাপেল সিডার ভিনেগার অ্যাসিডিক হওয়ায় এটি ব্যবহারে ত্বকের প্রাকৃতিক পিএইচ ভারসাম্য ফিরে আসে।

অ্যাকজিমার জন্য এসিভি যেভাবে কাজ করে

পিএইচ লেভেল ৭ এর উপরে গেলেই ত্বক ক্ষারীয় হয়ে পড়ে। স্বাস্থ্যকর ত্বকের প্রাকৃতিক পিএইচ স্তর ৫ এর কম। অ্যাকজিমাযুক্ত ব্যক্তিদের শরীরে অন্যদের তুলনায় পিএইচ মাত্রা বেশি থাকে।

গবেষকদের মতে, পিএইচ স্তরগুলো ত্বককে রক্ষা করে। অ্যাসিডিটির স্তরগুলো ত্বকের মাইক্রোবায়োটার ভাঙ্গনের সঙ্গে সম্পর্কিত। যা ত্বককে খারাপ ব্যাকটেরিয়া থেকে রক্ষা করে।

সাবান, শ্যাম্পুসহ বিভিন্ন প্রসাধনীর ব্যবহার ত্বকের পিএইচ স্তরকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করে। এমনকি ট্যাপের পানি ত্বকের অম্লতা হ্রাস করে। এসব কারণে অ্যাকজিমাপ্রবণ ত্বকে মারাত্মক লক্ষণ প্রকাশ পায়।

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার ব্যবহারে ত্বকের পিএইচ স্তর নিয়ন্ত্রণে আসে। এসিভিতে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্যও রয়েছে। এটি ক্ষেত্রবিশেষ সাবানের পরিবর্তেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

অ্যাকজিমার জন্য যেভাবে এসিভি ব্যবহার করবেন

গোসলের পানিতে এসিভি ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য গোসলের পানিতে এসিভি মিশিয়ে ১৫-২০ মিনিট ত্বকে ব্যবহার করুন।

এসিভি ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন। এসিভি ত্বক আর্দ্র করে পিএইচ ভারসাম্য পুনরুদ্ধার করে। এজন্য ১ টেবিল চামচ এসিভিতে ১/৪ কাপ এক্সট্রা ভার্জিন নারকেল তেল মিশিয়ে নিন।

এসিভিতে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যা ত্বকের স্ট্যাফ ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। এটি ত্বকের যেকোনো সংক্রমণের আশঙ্কা দূর করে। টোনার হিসেবে এসিভি পানিতে মিশিয়ে ত্বক পরিষ্কারের জন্য ব্যবহার করতে পারেন।

তেলের সঙ্গেও এসিভি ব্যবহার করতে পারেন। এতে রয়েছে অ্যান্টি-ফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য। যা ম্যালাসেজিয়া নামক খুশকি সৃষ্টিকারী ছত্রাকের বিরুদ্ধে লড়াই করে। অ্যাকজিমা এবং ম্যালাসেজিয়া সৃষ্টিকারী ছত্রাক একই ধরনের। ১ টেবিল চামচ এসিভিতে ১/৪ কাপ সূর্যমুখী তেল মিশিয়ে চুলে ও মাথার ত্বকে ব্যবহার করুন।

অ্যাকজিমা কারণে তীব্র জ্বালাপোড়া অনুভব করলে, একটি ভেজা কাপড়ে এসিভি মিশিয়ে নিন। ১ কাপ গরম পানিতে ১ টেবিল চামচ এসিভি মিশিয়ে একটি সুতি কাপড় ভিজিয়ে নিন। অ্যাকজিমার স্থানে কাপড়টি বেধে রাখুন। কমপক্ষে তিন ঘণ্টা এমনকি সারারাত এটি ব্যান্ডেজের মতো আক্রান্ত স্থানে বেঁধে রাখুন। এসিভি ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়াগুলোকে মেরে ফেলে।

সতর্কতা

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের সময় আগে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলতে হবে। অ্যাকজিমা আপনার শরীরের জন্য সঠিক কি-না, তা পরীক্ষার জন্য কানের পেছনে বা হাতে লাগিয়ে দেখবেন ব্যবহারের আগে। যদি এসিভি জ্বালা সৃষ্টি করে তবে ব্যবহার বন্ধ করুন।


   Page 1 of 6
     স্বাস্থ্য
তুচ্ছ নয় রক্তদান বাঁচাতে পারে একটি প্রাণ
.............................................................................................
ফোনে কথা বলতে বলতে শিক্ষার্থীকে চার ডোজ টিকা
.............................................................................................
টিকা দেয়ায় করোনা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
করোনা টিকা পাচ্ছেন ৩য় লিঙ্গের মানুষ
.............................................................................................
শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব, কীভাবে বুঝবেন?
.............................................................................................
এক কেজি ফলের দাম ২০ লাখ টাকা!
.............................................................................................
৩ কোটি টিকা দেওয়া হবে এ মাসেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
আরও ১৪৬ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি
.............................................................................................
উৎসাহ-উদ্দীপনায় টিকা নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
যে কারণে নারীদের গড় আয়ু পুরুষের চেয়ে বেশি
.............................................................................................
গ্রাম থেকে ১৪ দিন পর ঢাকায় ফেরার অনুরোধ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের
.............................................................................................
মাস্ক পরিধানে এবং খুলতে সাবধানতা
.............................................................................................
ওজন ও মেদ কমাতে পারে চাল কুমড়া
.............................................................................................
প্রতিদিন কতটুকু আনারস খাওয়া সঠিক?
.............................................................................................
ডাবল চিন থেকে রক্ষা পাওয়ার জাদুকরী উপায়
.............................................................................................
অ্যাকজিমা সারাতে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার ব্যবহার করবেন যেভাবে
.............................................................................................
১০ রোগ থেকে মুক্তি দেবে বরই
.............................................................................................
দুধের সঙ্গে যে খাবার খাবেন না
.............................................................................................
টিকা নিলেন তিন বিচারপতি
.............................................................................................
ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোভিড-১৯ এর টিকাদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন
.............................................................................................
টিকা নিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক
.............................................................................................
টিকা নিলেন ডা. জাফরুল্লাহ, বললেন সবাইকে নিতে
.............................................................................................
১৫ হাজার পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত ৪৮৫, মৃত্যু ১৩
.............................................................................................
গ্যাস্ট্রিক নির্মূলের কার্যকরী ঘরোয়া পদ্ধতি
.............................................................................................
এক সপ্তাহ পিছিয়েছে জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন
.............................................................................................
২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন
.............................................................................................
প্রথম করোনা ভ্যাকসিন আসছে ১২ অগস্ট
.............................................................................................
৫০ শতাংশ ক্লিনিকের লাইসেন্স নবায়ন নেই
.............................................................................................
বাতাস থেকেও ছড়ায় করোনাভাইরাস!
.............................................................................................
এ বছরই মিলবে করোনা ভ্যাকসিন!
.............................................................................................
যেসব ভুলে নষ্ট হচ্ছে আপনার চোখ!
.............................................................................................
মাত্র এক কোয়া রসুন!
.............................................................................................
কেন গর্ভাবস্থায় তরমুজ খাবেন?
.............................................................................................
এক নজরে ৬৪ জেলায় করোনাক্রান্ত
.............................................................................................
করোনার আরেকটি উপসর্গ চিহ্নিত
.............................................................................................
চোখ দেখেও বুঝতে পারবেন আপনি করোনায় আক্রান্ত কিনা!
.............................................................................................
গরমে করোনার তীব্রতা কমবে!
.............................................................................................
যেভাবে ছড়ায় করোনাভাইরাস
.............................................................................................
মাত্র ১৫ মিনিটে চিহ্নিত হবে করোনা!
.............................................................................................
করোনায় ব্যবহার করা যেতে পারে যেসব ওষুধ
.............................................................................................
করোনাঃ ঢাকা মেডিকেল কলেজ বন্ধ ঘোষণা
.............................................................................................
ঢাকা মেডিকেলের ৪ ডাক্তার হোম কোয়ারেন্টাইনে
.............................................................................................
করোনা শরীরে প্রবেশের পর যেভাবে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়
.............................................................................................
`এ` গ্রুপের রক্ত বহনকারীদের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা বেশি
.............................................................................................
করোনার প্রথম টিকা গ্রহণকারী জেনিফার হ্যালার
.............................................................................................
করোনাভাইরাস থেকে বাঁচার ১২ উপায়
.............................................................................................
করোনার লক্ষণ দেখা দিলে যা করবেন
.............................................................................................
করোনাভাইরাসের সবচেয়ে বেশী ঝুঁকিতে ধূমপায়ীরা!
.............................................................................................
করোনা: মাস্ক সরবরাহ করবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
.............................................................................................
করোনা প্রতিরোধে জাতীয় কমিটির সভা আজ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম.এ মান্নান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আজমল হোসেন বাবু, সহ সম্পাদক কাওসার আহমেদ র্বাতা সম্পাদক আবু ইউসুফ আলী মন্ডল । বার্তা বিভাগ ফোন০১৬১৮৮৬৮৬৮২

ঠিকানাঃ বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়- নারায়ণগঞ্জ, সম্পাদকীয় কার্যালয়- জাকের ভিলা, হাজী মিয়াজ উদ্দিন স্কয়ার মামুদপুর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। শাখা অফিস : নিজস্ব ভবন, সুলপান্দী, পোঃ বালিয়াপাড়া, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ-১৪৬০, রেজিস্ট্রেশন নং 134 / নিবন্ধন নং 69 মোবাইল : 01731190131, 01930226862, E-mail : mannannews0@gmail.com, web: notunbazar71.com, facebook- notunbazar / সম্পাদক dhaka club
    2015 @ All Right Reserved By notunbazar71.com

Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD