| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   স্বাস্থ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
এক সপ্তাহ পিছিয়েছে জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন সুষ্ঠু ও সুচারুরূপে বাস্তবায়নের জন্য এক সপ্তাহের জন্য পেছানো হয়েছে। আগের ঘোষিত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৮ অক্টোবরের পরিবর্তে আগামী ৪-১৭ অক্টোবর সময়ে উদযাপন করা হবে বলে জানিয়েছে জাতীয় পুষ্টিসেবা।

এক বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানায়, অ্যাডভোকেসি সভা, স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষণ, সাংবাদিক অরিয়েন্টেশন, প্রচার-প্রচারণা, স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী প্রন্তিক পর্যায়ে পাঠানো ও প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ এবং ক্যাম্পেইন সংক্রান্ত অন্যান্য কার্যাবলী যথাযথভাবে সম্পন্ন করার জন্য আগের ঘোষিত তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ মহামারির প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এ সেবা ও কার্যক্রম পালন করা হবে।

এ জন্য স্বাস্থ্যকর্মী ও নির্বাচিত স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়মিত কোভিড-১৯ পরীক্ষা করা এবং কোনো স্বাস্থ্যকর্মী বা স্বেচ্ছাসেবক জ্বর/সর্দি/কাশিতে আক্রান্ত হলে তার পরিবর্তে অন্যকে দায়িত্ব দিতে হবে। ক্যাম্পেইন চলাকালীন সময়ে ইপিআই কেন্দ্র, কমিউনিটি ক্লিনিক ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে (মুখে মাস্ক পড়া, সাবান ও পানি দিয়ে ২০ সেকেন্ড ধরে ভালোভাবে বার বার দুই হাত ধৌত করা/ হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে বার বার হাত পরিষ্কার করা) শিশুদের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে।

নির্ধারিত ইপিআই সিডিউল অনুযায়ী, সাধারণত প্রত্যেক ওয়ার্ডের (পুরাতন) ৮টি সাব-ব্লকে সপ্তাহে দুইদিন ইপিআই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়ে থাকে। ওই দুইদিন ছাড়া বাকি চারদিন নির্ধারিত ইপিআই কেন্দ্রে পর্যায়ক্রমে স্বাস্থ্য সহকারী, পরিবার কল্যাণ সহকারী ও স্বেচ্ছাসেবীদের শিশুদের ভিটামিন-এ ক্যাপুসল খাওয়ানো হবে। এছাড়া কমিউনিটি ক্লিনিক ও অন্যান্য সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

উপজেলার ক্ষেত্রে স্থানীয়ভাবে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা স্বাস্থ্য পরিদর্শক এবং উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা পরিবার কল্যাণ পরিদর্শকের সাথে সমন্বয় করে সপ্তাহে চারদিন নির্ধারিত ইপিআই কেন্দ্রে/পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে রুটিন দায়িত্ব হিসাবে পর্যায়ক্রমে শিশুদের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য পরিকল্পনা করতে হবে। সিটি করপোরেশন/পৌরসভার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মেয়রের পরামর্শে স্বাস্থ্য সেক্টরে কর্মরত মেডিকেল কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় করে সপ্তাহে চারদিন নির্ধারিত ইপিআই কেন্দ্রে রুটিন দায়িত্ব হিসাবে পর্যায়ক্রমে শিশুদের স্ব স্ব পৌরসভায় ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর পরকিল্পনা করবেন।

কোভিড-১৯’র সংক্রমণ প্রতিরোধের স্বার্থে কেন্দ্রসমূহে সামাজিক নিরাপত্তা বিষয়ক সতর্কতা (ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও কমপক্ষে ৩ ফুট শারিরীক দূরত্ব নিশ্চিত করা) মেনে চলার কথা বলা হয়েছে।

এক সপ্তাহ পিছিয়েছে জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন সুষ্ঠু ও সুচারুরূপে বাস্তবায়নের জন্য এক সপ্তাহের জন্য পেছানো হয়েছে। আগের ঘোষিত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৮ অক্টোবরের পরিবর্তে আগামী ৪-১৭ অক্টোবর সময়ে উদযাপন করা হবে বলে জানিয়েছে জাতীয় পুষ্টিসেবা।

এক বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানায়, অ্যাডভোকেসি সভা, স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষণ, সাংবাদিক অরিয়েন্টেশন, প্রচার-প্রচারণা, স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী প্রন্তিক পর্যায়ে পাঠানো ও প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ এবং ক্যাম্পেইন সংক্রান্ত অন্যান্য কার্যাবলী যথাযথভাবে সম্পন্ন করার জন্য আগের ঘোষিত তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ মহামারির প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এ সেবা ও কার্যক্রম পালন করা হবে।

এ জন্য স্বাস্থ্যকর্মী ও নির্বাচিত স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়মিত কোভিড-১৯ পরীক্ষা করা এবং কোনো স্বাস্থ্যকর্মী বা স্বেচ্ছাসেবক জ্বর/সর্দি/কাশিতে আক্রান্ত হলে তার পরিবর্তে অন্যকে দায়িত্ব দিতে হবে। ক্যাম্পেইন চলাকালীন সময়ে ইপিআই কেন্দ্র, কমিউনিটি ক্লিনিক ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে (মুখে মাস্ক পড়া, সাবান ও পানি দিয়ে ২০ সেকেন্ড ধরে ভালোভাবে বার বার দুই হাত ধৌত করা/ হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে বার বার হাত পরিষ্কার করা) শিশুদের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে।

নির্ধারিত ইপিআই সিডিউল অনুযায়ী, সাধারণত প্রত্যেক ওয়ার্ডের (পুরাতন) ৮টি সাব-ব্লকে সপ্তাহে দুইদিন ইপিআই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়ে থাকে। ওই দুইদিন ছাড়া বাকি চারদিন নির্ধারিত ইপিআই কেন্দ্রে পর্যায়ক্রমে স্বাস্থ্য সহকারী, পরিবার কল্যাণ সহকারী ও স্বেচ্ছাসেবীদের শিশুদের ভিটামিন-এ ক্যাপুসল খাওয়ানো হবে। এছাড়া কমিউনিটি ক্লিনিক ও অন্যান্য সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

উপজেলার ক্ষেত্রে স্থানীয়ভাবে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা স্বাস্থ্য পরিদর্শক এবং উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা পরিবার কল্যাণ পরিদর্শকের সাথে সমন্বয় করে সপ্তাহে চারদিন নির্ধারিত ইপিআই কেন্দ্রে/পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে রুটিন দায়িত্ব হিসাবে পর্যায়ক্রমে শিশুদের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য পরিকল্পনা করতে হবে। সিটি করপোরেশন/পৌরসভার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মেয়রের পরামর্শে স্বাস্থ্য সেক্টরে কর্মরত মেডিকেল কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় করে সপ্তাহে চারদিন নির্ধারিত ইপিআই কেন্দ্রে রুটিন দায়িত্ব হিসাবে পর্যায়ক্রমে শিশুদের স্ব স্ব পৌরসভায় ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর পরকিল্পনা করবেন।

কোভিড-১৯’র সংক্রমণ প্রতিরোধের স্বার্থে কেন্দ্রসমূহে সামাজিক নিরাপত্তা বিষয়ক সতর্কতা (ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও কমপক্ষে ৩ ফুট শারিরীক দূরত্ব নিশ্চিত করা) মেনে চলার কথা বলা হয়েছে।

২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

২৬ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে পক্ষকালব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন। এই সময়ে নির্ধারিত ইপিআই কেন্দ্রসমূহ পর্যায়ক্রমে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের ১টি নীল রঙের- ১ লক্ষ আই, ইউ এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ১টি লাল রঙের- ২ লক্ষ আই, ইউ উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এছাড়াও ঐ সময় পুষ্টি বিষয়ক বিভিন্ন বার্তা জনগণের মাঝে প্রচার করা হবে।

বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ মহামারির প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্য বিধি মেনে আসন্ন ‘জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন’কে সর্বাত্মকভাবে সফল করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

 

ভিটামিন ‘এ’ শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়। অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধে এবং শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে সরকার প্রতি বছর ২ বার ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের ১টি নীল রঙের এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ১টি লাল রঙের ভিটামিন খাওয়ানোর কর্মসূচি গ্রহণ করে থাকে।

প্রথম করোনা ভ্যাকসিন আসছে ১২ অগস্ট
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ভ্যাকসিন এলেই মিলবে করোনা থেকে মুক্তি। এমন আশায় বসে আছেন গোটা বিশ্বের মানুষ। এরই মধ্যে সুখবর দিল রাশিয়া। রাশিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দাবি, বিশ্বের প্রথম করোনা ভ্যাকসিন আসছে ১২ অগস্ট। রাশিয়াতেই তৈরি হয়েছে সেই ভ্যাকসিন

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে এই ভ্যাকসিন তৈরি করেছে গামালেয়া রিসার্চ ইনস্টিউট। গতকাল শুক্রবার (৭ আগস্ট) একথা জানিয়েছেন সে দেশের উপস্বাস্থ্যমন্ত্রী ওলেগ গ্রিডনেভ। তিনি বলেন, সাফল্যের সঙ্গে এটি লঞ্চ করা হলে, এটিই হবে বিশ্বের প্রথম করোনা ভ্যাক্সিন।

আপাতত এই ভ্যাকসিনের তৃতীয় বা শেষ পর্যায়ের ট্রায়াল চলছে। মন্ত্রী বলেন, চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও বয়স্ক লোকদের আগে এই ভ্যাক্সিন দেওয়া হবে।
এর আগে জানানো হয়, মস্কোর তরফ থেকে পরিকল্পনা করা হয়েছে যে, অক্টোবরেই ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। ম্যাস ভ্যাকসিনেশন অর্থাৎ বহু মানুষকে একসঙ্গে ভ্যাকসিন দেওয়ার পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে। রাশিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিখাইল মুরাশকো এমনটাই জানিয়েছিলেন।

খবর অনুযায়ী, গামালেয়া ভ্যাকসিন শর্তসাপেক্ষে আগস্টে নথিভুক্ত করা হবে। এর অর্থ হলো ব্যবহারের জন্য অনুমতি দেওয়া হচ্ছে তবে পাশাপাশি তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা-নিরীক্ষা কাজ চলবে। ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল যতদিন না সম্পূর্ণ হচ্ছে ততদিন তা শুধুমাত্র চিকিৎসকরাই সেটা নিয়ন্ত্রণ করবে।

যদিও বিজ্ঞানী এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছে তাড়াহুড়ো করে ভ্যাকসিন বের করার ব্যাপারে। তারা চাইছেন, নিরাপত্তা এবং কার্যক্ষমতার ব্যাপারে নিশ্চিত না হয়ে ব্যবহারের জন্য অনুমোদন করা উচিত নয়।

রাশিয়ান ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (আরডিআইএফ) প্রধান ক্রিমিল দিমিত্রিভ আগেই জানিয়েছিলেন, প্রথম দেশ হিসেবে রাশিয়া তাদের করোনা টিকা বাজারে আনবে। এ ব্যাপারে ক্রিমিল দিমিত্রিভ বলেছিলেন, স্পুতনিকের মহাকাশ যাত্রা দেখে মার্কিনীরা যেমন অবাক হয়েছিল। একই ঘটনা ঘটবে করোনা টিকার ক্ষেত্রেও। বিশ্ববাসী অবাক হয়ে রাশিয়ার সাফল্য দেখবে।

৫০ শতাংশ ক্লিনিকের লাইসেন্স নবায়ন নেই
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রাজধানীসহ দেশের বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর ৩০ শতাংশের কোনো পরিবেশ ছাড়পত্র নেই। আর ৫০ শতাংশ লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই চালিয়ে যাচ্ছে চিকিৎসাকার্যক্রম। এ তালিকায় অনেক নামীদামি বেসরকারি হাসপাতালও রয়েছে। পরিবেশ অধিদফতরের একটি সূত্র বলছে, হাইকোর্টের নির্দেশের পরও পরিবেশ ছাড়পত্র নেয়নি দেড় হাজারের বেশি হাসপাতাল ও ক্লিনিক। ফলে পরিশোধন ছাড়াই এদের ফেলা ক্ষতিকর মেডিক্যাল বর্জ্য মারাত্মক দূষিত করছে পরিবেশকে। আইন অনুযায়ী হাসপাতাল বা ক্লি¬নিকের বা যেকোনো ধরনের চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদনের জন্য পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র নেয়া বাধ্যতামূলক। এ ছাড়া অনুমোদিত চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য প্রতি বছর লাইসেন্স নবায়ন বাধ্যতামূলক; কিন্তু দেশের প্রায় অর্ধেক হাসপাতালে বাস্তবে তার চিত্র উল্টো। নিয়মের তোয়াক্কা না করেই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাবে বর্তমানে লাইসেন্স আছে এমন হাসপাতাল ও ক্লিনিকের সংখ্যা পাঁচ হাজার ৫৫টি। রাজধানীসহ ঢাকা জেলায় আছে ২৯৪টি। এর মধ্যে এ পর্যন্ত অনলাইনে লাইসেন্স নিয়েছে চার হাজার ৮৪টি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। তবে যারা আগে ম্যানুয়ালি লাইসেন্স নিয়েছে তাদেরও আবার অনলাইনে লাইসেন্স নিতে হবে। এসব হাসপাতালের অর্ধেকই লাইসেন্স নবায়ন করেনি। বাস্তবে সারা দেশে সাত হাজারের মতো প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক আছে, যার একটি অংশের লাইসেন্সই নেই। কেউ কেউ আবার আবেদন করেই হাসপাতাল চালু করে দেন।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের উপপরিচালক (প্রাইভেট হাসপাতাল) জানান, ‘শর্ত পূরণ ছাড়া লাইসেন্স প্রদানের যেমন নিয়ম নেই, তেমনি লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করলে বা তা নবায়ন না করলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক তা বাতিলের বিধান রয়েছে। তিনি জানান, ২০১৮ সালে ঢাকার ৩০টি প্রাইভেট ক্লিনিককে শোকজ করে ১৫ দিনের মধ্যে সাময়িকভাবে বন্ধ করতে বলেছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর; কিন্তু সেই হাসপাতালগুলো আবারো চালু হয়েছে। ২০১৯ ও ২০২০ সালে কোনো হাসপাতালকে সাময়িক বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়নি।
বিষয়টি স্বীকার করে বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা: মনিরুজ্জামান জানান, ‘লাইসেন্স ছাড়াও অনেক হাসপাতাল-ক্লিনিক আছে। তাদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে একাধিকবার তারা স্বাস্থ্য অধিদফতরকে বলেছেন। তার মতে, তাদের অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ১০ হাজারের বেশি। তবে এরমধ্যে হাসপাতাল ও ক্লিনিক কতটি সে হিসাব তাদের কাছে নেই। এরমধ্যে রিজেন্ট হাসপতাল তাদের সদস্য নয়। ওই ধরনের হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তারা পত্রিকায় বিজ্ঞাপনও দিয়েছেন।
অপর দিকে পরিবেশ অধিদফতরের একজন কর্মকর্তা জানান, দেশের বেশির ভাগ সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকগুলোর মেডিক্যাল বর্জ্য পরিশোধনের ব্যবস্থা নেই। এরই মাঝে হাইকোর্টের নির্দেশের পরও পরিবেশ ছাড়পত্র নেয়নি রাজধানীতে এমন দেড় হাজারের বেশি হাসপাতাল ও ক্লিনিক রয়েছে। যারা দিনের পর দিন ক্ষতিকর মেডিক্যাল বর্জ্য পরিশোধন ছাড়াই ফেলছে, যা মারাত্মক দূষিত করছে পরিবেশকে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অর্ধশতাধিক হাসপাতালকে একাধিকবার নোটিশ দেয়া হয়েছে, যার মধ্যে রাজধানীর নামীদামি হাসপাতাল ও ক্লিনিক রয়েছে। নোটিশ পাওয়ার পর এদের খুব সামান্য অংশ সতর্ক হলেও বাকিরা তা না মেনেই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে জানা যায়, সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য ২০০৮ সালে আইন পাস হয়; কিন্তু তার কার্যকারিতা শতভাগ বাস্তবায়ন করতে না পারায় হাসপাতালের মেডিক্যাল বর্জ্য এখন জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতি বেলার প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানান, হাসপাতালগুলো পরিবেশ আইন অমান্য করায় এর মারাত্মক প্রভাব পড়ে জনস্বাস্থ্যে। কারণ পরিবেশ ও মানবস্বাস্থ্যের জন্য মেডিক্যাল বর্জ্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এসব বর্জ্য হাসপাতালগুলোর ওয়ার্ডে, অপারেশন থিয়েটারে, আইসিইউতে (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) বিভিন্ন ডাস্টবিনে রাখা হয়। প্রতিদিনের বর্জ্য কিছু সময় পরপর আলাদা করে পৃথক পৃথক ডাস্টবিনে রাখা হয়। তারপরও ড্রেসিংয়ের গজ, ব্যান্ডেজ, তুলা থেকে জীবাণুর মাধ্যমে ইনফেকশন ছড়ানোর ঝুঁকি থেকেই যায়। তাই জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইন মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি বলেন, কেউ পরিবেশ আইন ভঙ্গ করলে নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্টরা তাকে প্রথমে নোটিশ দেবে। এতে সংশোধন না হলে পরে এ প্রতিষ্ঠানের গ্যাস বিদ্যুৎ পানি বিচ্ছিন্ন করে সে প্রতিষ্ঠান বন্ধের বিধান রয়েছে।

বাতাস থেকেও ছড়ায় করোনাভাইরাস!
                                  

নতুনবাজার ডেস্কঃ
আক্রান্তের হাঁচি, কাশির মাধ্যমে বের হওয়া জলীয় কণার মাধ্যমে কোভিড-১৯ ছড়ায় বলে এতদিন মনে করা হলেও ভাইরাসটির বাতাসে ভেসে থাকার ক্ষমতা নিয়ে এখন নতুন প্রমাণ সামনে এসেছে। গবেষকরা বলছেন, ভাইরাসটি বাতাসের মাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

নিউইয়র্ক টাইমস ও লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউএস সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের পক্ষ থেকে করোনাভাইরাসের শুধু দুই ধরনের সংক্রমণ সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়ে থাকে। একটি হচ্ছে আশপাশের কোনো সংক্রমিত ব্যক্তির কাছ থেকে শ্বাসপ্রশ্বাসের ড্রপলেট শ্বাসের মাধ্যমে ঢুকে গেলে সংক্রমণ ছড়ায়। আরেকটি হচ্ছে ভাইরাসযুক্ত পৃষ্ঠ স্পর্শ করার পর চোখ, নাক বা মুখ স্পর্শ করার মাধ্যমে করোনাভাইরাস সংক্রমিত হয়। তবে অন্য বিশেষজ্ঞরা যুক্তি দেখান যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকায় ক্রমবর্ধমান প্রমাণকে উপেক্ষা করা হচ্ছে। সংক্রমণের ক্ষেত্রে তৃতীয় যে আরেকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, সে বিষয়টি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অস্বীকার করে আসছে। গবেষকরা বলছেন, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, শ্বাসপ্রশ্বাসের ড্রপলেটের ক্ষুদ্র সংস্করণ বা অ্যারোসল কণা দীর্ঘসময় বাতাসে ভেসে থাকতে পারে। এটি কয়েক মিটার পর্যন্ত ভেসে যেতে পারে। এটি যেসব ঘরে আলো-বাতাস কম বা বাসসহ বিভিন্ন যানবাহনের বন্ধ জায়গায় বেশি মারাত্মক হতে পারে। এমনকি এসব জায়গায় ১ দশমিক ৮ মিটার দূরত্ব রেখেও কোনো লাভ হয় না।

অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনের কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির বিজ্ঞান এবং পরিবেশ প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক লিডিয়া মোরাউসকা বলেন, ‘আমরা এ বিষয়টি শতভাগ নিশ্চিত।’ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে তারা একটি খোলা চিঠি লিখেছেন, যাতে জাতিসংঘের এ সংস্থাকে এ ঝুঁকি সম্পর্কে যথাযথ সতর্ক করতে ব্যর্থ বলে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ওই চিঠিতে ৩২টি দেশের ২৩৯ জন গবেষক স্বাক্ষর করেছেন। আগামী সপ্তাহে একটি বিজ্ঞান সাময়িকীতে এটি প্রকাশ হতে পারে।

সাক্ষাৎকারে গবেষকরা বলেছেন, অ্যারোসল সংক্রমণ বা বাতাসে ভাইরাসের সংক্রমণের বিষয়টি কয়েকটি বিস্তৃত সংক্রমণের ব্যাখ্যা করার একমাত্র উপায় হতে পারে। এর মধ্যে চীনের রেস্তোরাঁয় বা ওয়াশিংটনে শিল্পীদের মহড়ার সময় আগাম সতর্কব্যবস্থা নেয়ার পরও সংক্রমণের বিষয়টি উদাহরণ হিসেবে দেখা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে অ্যারোসলের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণের বিষয়টি স্বীকার করা হলেও বলা হচ্ছে, এটি কেবল ইনটিউবেশনের মতো চিকিৎসা কার্যক্রমের সময় ছড়াতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষজ্ঞ বেনডেট্টা অ্যালেগারাঞ্চি বলেন, মোরাউসকা ও তার গবেষক দল পরীক্ষাগারের তত্ত্বের ভিত্তিতে এ কথা বলছেন। তাদের মাঠপর্যায়ের কোনো প্রমাণ নেই। আমরা এ বিতর্কে তাদের অবদান ও মতামতকে সম্মান দিচ্ছি। সাপ্তাহিক টেলিকনফারেন্সে ৩০ জনের বেশি আন্তর্জাতিক গবেষক দলের অধিকাংশই বাতাস থেকে সংক্রমণের বিষয়টি যথেষ্ট বিশ্বাসযোগ্য নয় বলে মত দিয়েছেন। তারা বলছেন, এক্ষেত্রে সঠিক উপায়ে মাস্ক পরলে তা থেকে মুক্ত থাকা যাবে। এছাড়া ঘরে যথেষ্ট আলো-বাতাস ঢোকার ব্যবস্থা থাকতে হবে।


এ বছরই মিলবে করোনা ভ্যাকসিন!
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

করোনার ভ্যাকসিন এই বছরের শেষের দিকে আসতে পারে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ডভিত্তিক জৈবপ্রযুক্তি কোম্পানি নোভাভ্যাক্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্ট্যানলি এরক। সিএনবিসি ও রয়টার্সের প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

এসময় করোনা মহামারিতে সামনের সারির কর্মীরা সবার আগে ভ্যাকসিন পাবেন এবং তা উৎপাদন হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও ভারতে বলেও জানান তিনি।

ভ্যাকসিনের দাম প্রসঙ্গে স্ট্যানলি বলেন, তাঁর সংস্থার সম্ভাব্য ভ্যাকসিনকে সাশ্রয়ী দিক বিবেচনায় ধরে স্তরভিত্তিক পদ্ধতিতে দাম নির্ধারণ করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি, ভ্যাকসিন তৈরি হলে তা সবার আগে সামনের সারির কর্মী, বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের দেওয়ার বিষয়ে সবাই একমত হবেন। আমাদের আশানুরূপ নিরাপত্তা ও রোগ প্রতিরোধ শক্তিশালী করার ক্ষমতা যদি ভ্যাকসিনটির দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষার তথ্য দেখাতে পারে, আমরা যদি এটার কার্যকারিতার প্রমাণ দেখতে পাই, তবে চলতি বছরের চতুর্থ প্রান্তিকের কোনো এক সময় ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হবে।

তিনি জানান,পরের বছরের জন্য আমাদের লক্ষ্যটি বেশ উচ্চাভিলাষী। তবে আমরা মনে করি, তা করতে পারব। এক বিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন উৎপাদন করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন মহাদেশে এটি উৎপাদন করা হবে।

সোমবার থেকে নোভাভ্যাক্স করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের প্রথম দফার পরীক্ষা শুরু করেছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের ভ্যাকসিন একজনের শরীরে প্রয়োগ করে এই পরীক্ষা শুরু করে। জুলাই মাসে এর ফল পাওয়া যেতে পারে।

বিশ্বজুড়ে ১০০ টির বেশি ভ্যাকসিন তৈরিতে কাজ চলছে। এর মধ্যে যে কয়েকটি ভ্যাকসিন মানবদেহে পরীক্ষার পর্যায়ে পৌঁছেছে, এর মধ্যে নোভাভ্যাক্সের ভ্যাকসিনটি অন্যতম।

যেসব ভুলে নষ্ট হচ্ছে আপনার চোখ!
                                  

নতুনবাজার ডেস্কঃ

চোখ আমাদের দেহের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। যা প্রতিটি মানুষের জন্যই খুব মূল্যবান। চোখ না থাকলে আমরা দুনিয়ার সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারতাম না। আর না পারতাম নিজেকে সমাজের উচ্চতর স্থানে নিয়ে যেতে। চোখ ছাড়া আমরা কোনো কাজই করতে সক্ষম থাকতাম না।

তবে জানেন কি, আমরা সব থেকে বেশি অবহেলা করি আমাদের চোখকে। নিজেদের অজান্তেই আমরা এমন কিছু ভুল করি যা চোখের নানা ক্ষতির জন্য দায়ী। চলুন জেনে নেয়া যাক নিত্যদিনের যেসব ভুলে আমাদের মূল্যবান চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে-

> চলন্ত ট্রেন, বাস বা দূরন্ত গতির গাড়িতে বসে অনেকেই বই পরেন কিংবা মোবাইল স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকেন। এই সময় ছোট ছোট কম্পমান অক্ষর পড়তে গিয়ে চোখে চাপ পড়ে বেশি। তাই এই বদ অভ্যাস একদম এড়িয়ে যান।

> অন্ধকারে টিভি স্ক্রিন, ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে চোখ রাখলে পুরো মনোযোগ মনিটরে গিয়ে পড়ে। যা চোখের পক্ষে অস্বস্তিদায়ক। ব্লু রে’র প্রভাবও অত্যন্ত ক্ষতিকর। সেক্ষেত্রে একটানা তাকিয়ে থাকবেন না। তবে ঘরের আলো জ্বালিয়ে দেখাটাই সঠিক। এতে চোখের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

> যাদের সারাদিন কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করতে হয়, তাদের কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোম খুব কমন। চোখের ড্রাইনেসও দেখা যায়। তাই কিছু সময় অন্তর মেশিনের সামনে থেকে উঠে চোখে পানির ঝাপটা দিয়ে আসুন। তাছাড়া লুব্রিকেটিং আই ড্রপও ব্যবহার করতে পারেন।

> টেলিভিশন, মোবাইল এবং কম্পিউটার স্ক্রিনের ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখুন। চশমার লেন্সে অ্যান্টি গ্লেয়ার, অ্যান্টি রিফ্লেক্টিভ কোটিং ব্যবহার করুন। এতে চোখ ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবে।

> অনেকেই সানগ্লাস ব্যবহার করেন না, যা খুব জরুরি। তাছাড়া হাত না ধুয়ে ভুলেও চোখে হাত দেবেন না। এতে সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়ে। চোখের পেশিকে আরাম দিতে অন্তত সাত-আট ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। যা অনেকেই করেন না।

মাত্র এক কোয়া রসুন!
                                  

নতুনবাজার ডেস্কঃ

রান্নাবান্নায় রসুন দিলে অনেক গুন স্বাদ বাড়িয়ে খাবারকে অনেক মজাদার করে তোলে। রান্নার জন্য রসুন একটি প্রয়োজনীয় উপকরণ। খাবার রান্নার জন্যই সাধারণত রসুনের ব্যবহার বেশি হয়ে থাকে। কিছু কিছু তরকারি আছে রসুন না দিলে সেই তরকারির স্বাদ হবেই না। তবে অনেকেই আমরা জানি না, রসুনের গুণাগুণ সম্পর্কে। সকালে খালি পেটে এক কোয়া রসুন খেলে অনেক রোগ সারতে পারে। আরও কত রসুনের গুনাগুন রয়েছে। সকালে খালি পেটে এক কোয়া রসুন খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো। তবে সত্যিই কি তাই? এত মসলা থাকতে খালি পেটে রসুন খাওয়া কী আসলেই উপকারী। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা করলেন পুষ্টিবিদ অন্তরা মজুমদার। তিনি বলেন, রসুন খাওয়ার এই প্রচলিত ধারণা মিথ্যা নয় মোটেও। এটি সত্যি খুব উপকারী। প্রাকৃতিকভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ এ রসুন অনেক উপকারী।

অনেক সময় পেট খালি থাকার পর এটি খেলে এর রস সহজে শরীরকে ডিটক্সিফাই করতে পারে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মেটাবলিক রেটও একটু বেশি থাকে। তাই খালি পেটে এ মসলা খেলে উপকার পাওয়া যাবে। আসুন জেনে নেই সকালে খালি পেটে এক কোয়া রসুন খেলে যেসব উপকার পাওয়া যাবে-

 

১. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ রসুন রক্তকে পরিশুদ্ধ রাখে। রক্তে উপস্থিত শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণেও করে রসুন।

২. সকালে খালি পেটে রসুনের কোয়া খেলে সারা রাত ধরে চলা বিপাকক্রিয়ার কাজ উন্নত হয়। এ ছাড়া শরীরের দূষিত টক্সিনও মূত্রের মাধ্যমে বেরিয়ে যেতে পারে।

৩. শীতে ঠান্ডা লাগলে খালি পেটে এক কোয়া রসুন খেলে উপকার পাওয়া যাবে। দুই সপ্তাহ সকালে রসুন খেলে ঠান্ডা লাগার প্রবণতা অনেকটা কমে।

৪. হার্টের রোগীদের ক্ষেত্রে রসুন বিশেষ কার্যকর। হৃদস্পন্দনের হার নিয়ন্ত্রণ করতে ও হৃদপেশির দেয়ালে চাপ কমাতে সাহায্য করে।

৫. রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখে রসুন। কমায় রক্তনালির ওপর রক্তের চাপও। তাই উচ্চ রক্তচাপের অসুখে ভুগছেন এমন রোগীর ডায়েটে রাখতে পারেন রসুন।

৬. যকৃত ও মূত্রাশয়কে নিজের কাজ করতে সাহায্য করে রসুন। এ ছাড়া পেটের নানা সমস্যাও হজমের সমস্যা মেটাতেও রসুন ভালো কাজ করে।

৭. ভাইরাস ও সংক্রমণজনিত অসুখ যেমন- ব্রংকাইটিস, নিউমোনিয়া, হাঁপানি, হুপিং কাফ ইত্যাদি প্রতিরোধে করে।

৮. স্নায়বিক চাপ কমিয়ে মানসিক চাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম রসুন।

কেন গর্ভাবস্থায় তরমুজ খাবেন?
                                  

নতুনবাজার ডেস্কঃ

গর্ভকালীন সময় প্রত্যেক নারীর জীবনেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই সময় সবারই উচিত নিজের ডায়েটের দিকে নজর রাখা। এই সময়ে অস্বাস্থ্যকর ডায়েট মা এবং শিশুর উপর খারাপ প্রভাব ফেলে। তাই নিয়ম মেনে চলার পাশাপাশি গর্ভাবস্থায় সুষম ডায়েটের মধ্যে অবশ্যই বিভিন্ন প্রকারের ফল অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গর্ভাবস্থায় ফলের মধ্যে তরমুজ খাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তরমুজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পানি, ভিটামিন সি, এ, বি কমপ্লেক্স, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাশিয়াম। এছাড়াও এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় তরমুজ গর্ভবতী নারীদের জন্য একটি আদর্শ ও স্বাস্থ্যকর খাবার। তবে চলুন জেনে নেয়া যাক গর্ভবতীদের জন্য তরমুজের স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো-

প্রাতঃকালীন অসুস্থতাকে নিয়ন্ত্রণ করে

গর্ভাবস্থার প্রথম কয়েকটি মাস বেশিরভাগ নারীরাই বমিভাবযুক্ত অস্বস্তিতে ভোগেন। এটি সারাদিনে যেকোনো সময় ঘটতে পারে। যার ফলে খাবার খেতেও অরুচি দেখা দেয়। এই অস্বস্তিকে দূর করতে তরমুজ খুবই উপকারী। সকালে অল্প কিছু খাওয়ার পর তরমুজের টুকরো বা এক গ্লাস রস পান করলে শরীরে সতেজতা ফিরে আসে। তাই গর্ভবতীদের জন্য দিনের প্রথম খাবার হিসেবে তরমুজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ডিহাইড্রেশন দূর করে

গর্ভাবস্থায় অনেকেই ডিহাইড্রেশনে ভোগেন। এটি এসময় খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। এর ফলে দেখা দিতে পারে নানারকম জটিলতা। যেমন ক্লান্তি, অলসতা, শারীরিক শক্তির অভাব ইত্যাদি। তরমুজের প্রায় নব্বই শতাংশই পানি। তাই এ সময় ডিহাইড্রেশন দূর করতে তরমুজ খুবই কার্যকরী।

ইডিমা বা ফোলাভাব রোধ করতে

প্রায় গর্ভবতী নারীদের হাত ও পা ফুলে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দেয়। যা ইডিমা নামে পরিচিত। যখন মূত্রের স্বল্পতা, রক্তহীনতার কারণে শরীরের কিছু নির্দিষ্ট টিস্যুতে অস্বাভাবিকভাবে তরল জমা হয়ে ফুলে ওঠে, তখন তাকে ইডিমা বলা হয়। এই ফোলাভাব বা ইডিমা গর্ভাবস্থার একটি সাধারণ সমস্যা। তরমুজ কার্যকরভাবে পেশী এবং শিরাগুলোতে তৈরি হওয়া বাধাগুলোকে ঠিক করে। তাই হাত পায়ের ফোলাভাব দূর করতে এবং রোধ করতে আপনি এসময় তরমুজ খেতেই পারেন।

অম্বল নাশক হিসেবে কাজ করে

গর্ভাবস্থায় দেহে হরমোনের পরিবর্তন ঘটতে থাকে। এই পরিবর্তনগুলো গর্ভবতীদের ক্ষেত্রে কিছুটা অস্বস্তি নিয়ে আসে। যার ফলে খাবারে অরুচি দেখা দেয়। আর দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকা বা হজমের সমস্যার কারণে অম্বলের সৃষ্টি হয়। তাই এই সময়ে অল্পকিছু খাওয়ার পর তরমুজ কেটে খেতে পারেন। এটি হজম ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে এবং অ্যাসিডিটি বা অম্বল থেকে মুক্তি দেয়। এছাড়াও পাচনতন্ত্রের সমস্যায় দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে তরমুজের রস বা টুকরো তরমুজ খান।

দেহকে ডিটক্সিফায়িং করে

তরমুজের মধ্যে মূত্রবর্ধক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যা দেহের বিষাক্ত পদার্থগুলো বের করতে এবং দেহের ইউরিক অ্যাসিড হ্রাস করতে সহায়তা করে। তরমুজের এই বৈশিষ্ট গর্ভাবস্থায় লিভার এবং কিডনিকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি ত্বকের এসপিএফ বাড়াতেও সহায়তা করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

গর্ভাবস্থায় নারীদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার মাত্রা হ্রাস পায়। যার ফলে এই সময়ে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তরমুজের লাল অংশে লাইকোপেন নামক একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। যা অনাক্রম্যতার স্তরকে বাড়িয়ে তোলে। এছাড়াও ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ থাকায় দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে

এসময় কোষ্ঠকাঠিন্য খুবই সাধারণ এবং অস্বস্তিকর সমস্যা। এই সময় গর্ভবতী নারীদের যে কোনো ধরনের ওষুধ খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হয়। তাই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে তরমুজ খেতে পারেন। কারণ তরমুজে থাকা ফাইবার মল গঠনে সহায়তা করে। যা পেটের সমস্যাকে দূর করতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিনই অল্প করে তরমুজ খেতে পারেন।

ভ্রূণের হাড় গঠনে সাহায্য করে

গর্ভাবস্থায় তরমুজ খাওয়ার আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হল, এটি গর্ভে থাকা শিশুর হাড় এবং দাঁত গঠনে সহায়তা করে। তরমুজে থাকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং পটাশিয়াম। যা ভ্রূণের সঠিক হাড়ের বিকাশের জন্য সহায়ক।

এছাড়াও তরমুজের রয়েছে আরো অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা। গর্ভাবস্থায় এটি অন্যান্য ফলের পাশপাশি খুবই দরকারি। তাই এসময় প্রতিদিনই আপনি এক গ্লাস তরমুজের রস পান করতে পারেন। আবার টুকরো করে কেটেও খেতে পারেন।

এক নজরে ৬৪ জেলায় করোনাক্রান্ত
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে গোটা বিশ্ব। এই ভাইরাসের তাণ্ডবে আমেরিকা, ব্রিটেন, ইতালি, স্পেন ও ফ্রান্সের মতো দেশ মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। সারাবিশ্বে এখন পর্যন্ত (রবিবার সকাল ৮টা) এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৪১ লাখ ৭২৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৮০ হাজার ৪৩১ জনের।

বাংলাদেশেও হানা দিয়েছে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস। এখন পর্যন্ত (৯ মে পর্যন্ত) দেশে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ হাজার ৭৭০ জন।
৯ মে নতুন করে আক্রান্তত হয়েছেন ৬৩৬ জনের আক্রান্ত হওয়ার কথা জানানো হয়েছে। বাংলাদেশে আক্রান্তদের মধ্যে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ২১৪ জন, সুস্থ হয়েছেন ২,৪১৪ জন। বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ঢাকা মহানগর।

ঢাকা মহানগরীতে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৬ হাজার ৪২৩ জন।

এক নজরে কোন জেলায় কতজন করোনাক্রান্ত:
ঢাকা বিভাগ
ঢাকা সিটি: ৬,৪২৩
ঢাকা (জেলা): ২০৬
গাজীপুর: ৩৩২
কিশোরগঞ্জ: ২০২
মাদারীপুর: ৫৪
মানিকগঞ্জ: ২৮
নারায়ণগঞ্জ: ১,১৭৭
মুন্সিগঞ্জ: ২১২
নরসিংদী: ১৭১
রাজবাড়ী: ২৩
ফরিদপুর: ২১
টাঙ্গাইল: ৩১
শরীয়তপুর: ৫৭
গোপালগঞ্জ: ৫০

চট্টগ্রাম বিভাগ
চট্টগ্রাম: ২০৭
কক্সবাজার: ৭৭
কুমিল্লা: ১৬৯
ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ৫৭
খাগড়াছড়ি: ৩
লক্ষীপুর: ৫৮
বান্দরবান: ৪
রাঙ্গামাটি: ৪
নোয়াখালী: ২৭
ফেনী: ৮
চাঁদপুর: ৫৫

সিলেট বিভাগ
মৌলভীবাজার: ৩০
সুনামগঞ্জ: ৩৭
হবিগঞ্জ: ৭০
সিলেট: ২৮

রংপুর বিভাগ
রংপুর: ১২০
গাইবান্ধা: ২৪
নীলফামারী: ৪১
লালমনিরহাট: ১৩
কুড়িগ্রাম: ৩৪
দিনাজপুর: ৩৮
পঞ্চগড়: ১০
ঠাকুরগাঁও: ২৩

খুলনা বিভাগ
খুলনা: ২০
যশোর: ৭৯
বাগেরহাট: ৩
নড়াইল: ১৩
মাগুরা: ১২
মেহেরপুর: ৫
সাতক্ষীরা: ৪
ঝিনাইদহ: ৩৮
কুষ্টিয়া: ২০
চুয়াডাঙ্গা: ২৩

ময়মনসিংহ বিভাগ
ময়মনসিংহ: ২১২
জামালপুর: ১০৪
নেত্রকোনা: ৬৮
শেরপুর: ৩০

বরিশাল বিভাগ
বরগুনা: ৩৫
ভোলা: ৭
বরিশাল: ৪৮
পটুয়াখালী: ২৮
পিরোজপুর: ৬
ঝালকাঠি: ১৩

রাজশাহী বিভাগ
জয়পুরহাট: ৩৯
পাবনা: ১৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জ: ১৪
বগুড়া: ১৮
নাটোর: ১২
নওগাঁ: ২৪
সিরাজগঞ্জ: ৬
রাজশাহী: ২৬

সূত্র: আইইডিসিআর

করোনার আরেকটি উপসর্গ চিহ্নিত
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপী এক বিপর্যয়ের নাম। এরই মধ্যে ২০০টির বেশি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। এর দাপটে অসহায় হয়ে পড়েছে গোটা বিশ্ব। কোনও ধরনের ভ্যাকসিন না থাকায় মরছে মানুষ।

এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসে বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত হয়েছে ৭ লাখ ৮৬ হাজার মানুষ। এর মধ্যে মারা গেছে সাড়ে ৩৭ হাজার। আর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এখনও মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে সাড়ে ২৯ হাজার মানুষ।

এই ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির উপসর্গ জ্বর থেকে শুরু করে শুষ্ক কাশি- এ ধরনের একাধিক উপসর্গ দেখা দেয় বলে এতদিন জানা ছিল। এবার এর সঙ্গে আরও একটি উপসর্গ যোগ হয়েছে।
নিউ ইয়র্কের চিকিৎসকরা কম পরিচিত একটি পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হিসেবে হার্ট অ্যাটাকের মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছেন।

ব্রুকলিনের একটি হাসপাতালে একজন রোগী অনিয়মিত হৃদস্পন্দন এবং রক্তে ট্রোপোনিন নামক প্রোটিনের উচ্চ মাত্রা সমস্যা নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন- এই দুটিই হার্ট অ্যাটাকের স্পষ্ট লক্ষণ। কিন্তু পরীক্ষায় দেখা গেছে, ওই রোগীর কোনোভাবেই হার্ট অ্যাটাক ছিল না, এর পরিবর্তে তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন।

হাসপাতালে ১২ দিনের চিকিৎসার পর তিনি সুস্থ হয়েছিলেন। তবে চিকিত্সকরা সতর্ক করেছেন যে, তার কেসটি ব্যতিক্রম হতে পারে না। নতুন করোনাভাইরাস বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ফুসফুসকে সংক্রামিত করে, কিন্তু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা এখন বিশ্বাস করেন, এটি হার্টকেও প্রভাবিত করতে পারে।

আমেরিকান কলেজ অব কার্ডিওলজির চিফ সায়েন্স ও কোয়ালিটি অফিসার ড. জন রামসফেল্ড নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেন, ‘আমরা এতদিন কেবল ফুসফুস, ফুসফুস এবং ফুসফুস নিয়ে ভাবছিলাম, যা আমাদের জন্য সহায়ক বিষয় ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে আমরা হার্টের ওপর সম্ভ্যাব্য প্রভাব সম্পর্কে শুনতে শুরু করি।’

নিউ ইয়র্কের ঘটনাটি প্রকাশিত হয়েছে ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস এর হেলথ সায়েন্স সেন্টারের গবেষকদের একটি গবেষণার পরপরই। যেখানে বলা হয়েছিল- হার্টের পূর্ব সমস্যা ছাড়াই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।

গবেষণাটির প্রধান গবেষক ড. মোহাম্মদ মাদজিদ বলেন, ‘আগে থেকে হৃদরোগ না থাকলেও সম্ভবত করোনাভাইরাস রোগে হার্টের টিস্যু আক্রান্ত হতে পারে। মোট কথা হৃদরোগী ছাড়াও করোনাভাইরাসে যেকোনো রোগীর হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। আর ইতিমধ্যে যাদের হৃদরোগ রয়েছে তাদের ঝুঁকি বেশি।’

চোখ দেখেও বুঝতে পারবেন আপনি করোনায় আক্রান্ত কিনা!
                                  

নতুনবাজার ডেস্কঃ

মানুষের ভেতরের আয়না চোখ। মুখে না-বলা অনেক কথা চোখ বলে দেয়। চোখ দেখে রোগ ধরা, বহু প্রাচীন রীতি। জন্ডিস, টাইফয়েডের মতো অনেক অসুখ, চোখের রং দেখে বলে দেওয়া যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, WHO করোনা ভাইরাসের লক্ষণের যে গাইডলাইন দিয়েছে, সেখানে অনেক উপসর্গের উল্লেখ থাকলেও, করোনায় চোখে যে পরিবর্তন হয়, তার উল্লেখ নেই।

তবে করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের চিকিৎসায় জড়িত ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী ও গবেষকদের পর্যবেক্ষণ বলছে, শরীরে এই ভাইরাসের সংক্রমণ হলে, ধীরে ধীরে চোখের রং বদলায়। সেই পরিবর্তন দেখেও করোনা আক্রান্তদের চিহ্নিত করা যায়। এমন অনেকের চোখে এই পরিবর্তন দেখে করোনার পরীক্ষা করতে পাঠানো হয়েছিল। প্রতিটি ক্ষেত্রে রিপোর্ট এসেছে পজিটিভ। এর পরেই ডাক্তার-গবেষকরা রক্তচক্ষুর কথা বলছেন।

 

করোনা সংক্রমণে চোখ লালবর্ণ ধারণ করে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, চোখ তো ঠাণ্ডা লাগলেও লাল হয়। কনজাংটিভিটিস সংক্রমণেও হয়। তাহলে, করোনার সংক্রমণকে আলাদা করে চিহ্নিত করা সম্ভব কী করে। জন্ডিস, টাইফয়েড বা অন্যান্য রোগের ক্ষেত্রে চোখের সাদা অংশের রং পরিবর্তন হয়। করোনাভাইরাসের ক্ষেত্রে চোখের বাইরের চারপাশ ক্রমে লাল হয়ে যায়।

ডাক্তার-গবেষকদের ভাষ্য মতে, রোগীর চোখের দিকে তাকালে মনে হবে, আইশ্যাডো লাগানো রয়েছে। আমেরিকায় করোনায় আক্রান্তদের শুশ্রূষা করতে গিয়ে, এক নার্স প্রথম বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেন। চোখের অ্যালার্জি হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন। পরে আরও করোনা আক্রান্তদেরও একই লক্ষণ দেখা যায়। এর পরই কারও মধ্যে এ ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করলে, করোনার পরীক্ষা করানোর আগেই তাদের আইসোলেশনে পাঠানো হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনাভাইরাস বিভিন্নভাবে রোগীকে আক্রমণ করতে পারে। একজনের সঙ্গে অপরজনের সংক্রমণের ধরন মেলে না। কিন্তু, তারা চোখের বাইরের এই রং পরিবর্তনের ক্ষেত্রে মিল খুঁজে পেয়েছেন। সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিজারভেশন (সিডিসি) জানাচ্ছে, করোনাভাইরাসের কমন লক্ষণ হল, কফ, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট। ক্রমে বুকে চাপ অনুভব করা। বুকে ব্যথা। ঠোঁটে নীলচে ভাব। হু আগে কখনও চোখের এই পরিবর্তনের কথা বলেনি। আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব অফথ্যালমোলজির গবেষকরা জানাচ্ছেন, কংজাংটিভিটিস বা অ্যালার্জির মতোও চোখ লাল হতে পারে।

করোনায় আরও একটি পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে, আমেরিকার Academy of Otolaryngology-র ঘাড়-মাথা সার্জারি বিভাগের ওয়েবসাইটে। আক্রান্তদের উপর পরীক্ষা চালিয়ে গবেষকরা জানাচ্ছেন, করোনা সংক্রমণে ঘ্রাণশক্তির লোপ পায় (anosmia)। একই সঙ্গে মুখের স্বাদও চলে যায়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় যাকে বলে, dysgeusia । তারা আরও বলছেন, ষাটোর্ধ যাদের বয়স, ইমিউনিটি দুর্বল, ফুসফুস বা হার্টের অসুখ রয়েছে, যারা অতিরিক্ত মোটা বিএমআই ৪০ এর উপর, অটোইমিউন ডিজঅর্ডার রয়েছে, দেখা যাচ্ছে তাদের মধ্যে এই ভাইরাসে সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি।

আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব অফথ্যালমোলজির গবেষকরা সম্প্রতি আর একটি পরীক্ষা করে জানিয়েছেন, হাঁচি-কাশি ছাড়াও বডি-ফ্লুইড থেকে করোনার সংক্রমণ ছড়ালেও আক্রান্তের চোখের পানি থেকে ভাইরাস ছাড়ানোর আশঙ্কা নেই। ২০ দিন ধরে নানা সময়ে আক্রান্তদের চোখ পানি নিয়ে পরীক্ষা চালিয়ে তাতে ভাইরাস খুঁজে পাননি গবেষকরা। তবে এই মুহূর্তে সবার সাবধান থাকা উচিৎ যে চোখের রঙ পরিবর্তন হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে খেয়াল করা।

গরমে করোনার তীব্রতা কমবে!
                                  

নতুনবাজার ডেস্কঃ

গত বছরের মধ্য ডিসেম্বরে চীনে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাস দ্রুত ছড়ায়। এখন চীন ছাড়িয়ে এ ভাইরাস ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে বিস্তার লাভ করছে। এখন পর্যন্ত যেসব অঞ্চলে করোনা বড় আকারে ছড়িয়েছে, সেসব শীতপ্রধান অঞ্চল এবং ঠান্ডা পরিবেশেই এ ভাইরাস বেশি ছড়িয়েছে। তাই করোনাভাইরাস গরমে থাকবে কি না, এ প্রশ্ন ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।

করোনাভাইরাস যে ভাইরাস গোত্র থেকে এসেছে, তাকে বলা হয় ‘এনভেলাপড ভাইরাস’। এর অর্থ হলো, এ ভাইরাসের গায়ে তৈলাক্ত একধরনের প্রলেপ থাকে। ঠান্ডায় এই তৈলাক্ত প্রলেপ আরও শক্ত হয়ে ওঠে। ঠিক রাবারের মতো। মাংস রান্না করার পর ঠান্ডা হয়ে গেলে চর্বি যেমন হয়, এ ক্ষেত্রেও তেমনটি হয়।

ভাইরাসের গাঠনিক বৈশিষ্ট্যের কারণে ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় করোনা সহজে মরে না। যখন গরমের তীব্রতা বাড়তে থাকে এর আবরণ এক সময়ে গরম সহ্য করতে না পেরে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। অনেকটা আবওহাওয়ার উপর নির্ভরশীল থাকতে হয়।

মানুষের শরীরের বাইরে ভাইরাসের স্থায়িত্বের ক্ষেত্রে জলবায়ু অবশ্যই একটি ভূমিকা রাখে। সার্স কোভিড-২ (করোনাভাইরাস) বিশ্বের যেসব অঞ্চলে এবার দ্রুত ছড়িয়েছে, তার সবই শীতপ্রধান এলাকা।’

যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ডের এক গবেষণায় দেখা গেছে, করোনাভাইরাস এবার সেসব অঞ্চলেই বেশি ছড়িয়েছে, যেসব অঞ্চলে গড় তাপমাত্রা ৫ থেকে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়ার পারদ চড়লে কি নিষ্ক্রিয় হবে করোনা ভাইরাস? অনেক বিশেষজ্ঞ এ সম্পর্কে তাঁদের মতামত জানিয়েছেন। ভারতের মাইক্রো বায়োলজিস্টরা শুনিয়েছেন আশার বাণী। তাপমাত্রা বাড়লে করোনা সংক্রমণ অনেকটাই নাকি কমবে!

সারা বিশ্বের ৫০০টি এলাকার নমুনা নিয়ে একটি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এটি এখনো অপ্রকাশিত বলে বিবিসির একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে করোনাভাইরাসের বিস্তারে তাপমাত্রা, বাতাসের গতি ও তুলনামূলক আর্দ্রতার সম্পর্ক আছে বলে মন্তব্য করা হয়েছে। ‘উইল ওয়ার্ম ওয়েদার রিয়েলি কিল অব কভিড-১৯’ শিরোনামে বিবিসির প্রতিবেদনটিতে আরও একটি অপ্রকাশিত গবেষণার সূত্র উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে গবেষকরা অনুমান করেছেন, বিশ্বের উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের দেশগুলো করোনাভাইরাসের কারণে কম আক্রান্ত হবে।

ভাতের অ্যাসোসিয়েশন অব মাইক্রোবায়োলজিস্ট (এএমআই) প্রধান এবং প্রখ্যাত মাইক্রোবায়োলজিস্ট অধ্যাপক জে.এস. বির্দি জানিয়েছেন, "আশা এপ্রিলের শেষের দিকে, তাপমাত্রার বৃদ্ধিই রোধ করবে করোনা সংক্রমণ।"

বিশ্বজোড়া খ্যাতিসম্পন্ন নামী প্রতিষ্ঠানের গবেষণা থেকে জানা গেছে, করোনা ভাইরাসের প্রকোপ শীতে বেশি ছিল। সাধারণত যেকোনও জীবাণু ডিসেম্বর থেকে এপ্রিলের মধ্যে বেশি সক্রিয় থাকে। তাই বেশ কয়েকটি ভাইরোলজিস্ট জানিয়েছেন, এই বছরের জুনের শেষে কোভিড-১৯ এর প্রভাব অনেকটাই কমে যাবে।

করোনাভাইরাস সাধারণত গরম সহ্য করতে পারে না। অনেক ভাইরোলজিস্টরা এই তথ্যই দিয়েছেন। এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্রামক রোগ গবেষণা কেন্দ্রের দ্বারা পরিচালিত সমীক্ষা বলছে, শীতকালে রোগীদের শ্বাসনালী থেকে প্রাপ্ত তিন ধরণের করোনা ভাইরাস শীতের সময় অতি সক্রিয় হয়ে ওঠে।

সমীক্ষা আরও বলেছে, ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত থাকে ভাইরাসের প্রভাব। তবে মাইক্রোবায়োলজিস্টদের বিশ্বাস, কিছু কোভিড-১৯ আবহাওয়ার সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে। বায়ুতেও সম্ভবত ছড়ায় এই ভাইরাস। লকডাউন অনেকটাই রোধ করতে সক্ষম হবে এই সংক্রমণ।

যেভাবে ছড়ায় করোনাভাইরাস
                                  

নতুনবাজার ডেস্কঃ

মহামারি রূপ নেয়া করোনাভাইরাস এখন রীতিমতো আতঙ্কের নাম। রোজ বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। রোগ নির্ণয়, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা, কিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাঝেও সেই সব ঘটনায় ত্রাস ছড়াচ্ছে আরও। জেনে নেয়া যাক এই ভাইরাস কীভাবে ছাড়ায়

কী ভাবে ছড়াবে?

আক্রান্ত রোগীর কশি-হাঁচির ড্রপলেট থেকে এই রোগ ছড়ায়। এক মিটার দূর পর্যন্ত এই ভাইরাস বাতাসে চলাফেরা করতে পারে।

আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে সুস্থ মানুষের শরীরে এই ভাইরাস সহজেই ঢুকে পড়ে।

তবে এতে খানিক রহস্যও আছে, আর তার হাত ধরেই এই ভয় আতঙ্কে পরিণত হচ্ছে। এই ভাইরাসে কে আক্রান্ত তা বুঝতেই সময় বয়ে যায়। মানবশরীরে প্রবেশ করে প্রায় এক সপ্তাহ পর্যন্ত কোনও ট্যাঁ ফোঁ করে না এই ভাইরাস। রোগলক্ষণ প্রকাশ পায় এক সপ্তাহ পর।

ফলে বোঝাই যায় না কার শরীরে ভাইরাস আছে না নেই। দেখা গেল, আপাত সুস্থ মানুষটির সঙ্গে ওঠাবসা করলেন, পরের সপ্তাহে তাঁরই তেড়ে জ্বর এল বা করোনা টেস্টে পজিটিভ এল। তখন কিন্তু মেলামেশার দায়ে বিপদে পড়বেন আপনিও।

মাত্র ১৫ মিনিটে চিহ্নিত হবে করোনা!
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) ভয়াবহ সংক্রমণে ইতালি ও স্পেন এখন মৃত্যুপুরী। প্রতিদিনই কয়েকশো হারে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। বিশ্বে দ্রুতগতিতে বাড়ছে মহামারী করোনার প্রাদুর্ভাব। এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাসের সঠিক কোনও ট্রিটমেন্ট বা টিকা আবিষ্কার করা যায়নি। কিন্তু সারা বিশ্বের গবেষক ও চিকিৎসকরা করোনার সঠিক চিকিৎসা আবিষ্কারের জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন।তবে এবার সুখবর দিলো নেদারল্যান্ডভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান। তারা দাবি করেছেন, মাত্র ১৫ মিনিটেই জানা যাবে ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কি না! এমন পদ্ধতি বের করার দাবি করেন সেনসিটেস্ট নামের একটি প্রতিষ্ঠান।

ডেইলি মেইল জানায়, সেনসিটেস্ট নামের ওই প্রতিষ্ঠানটি গেল দুই মাস ধরে করোনাভাইরাস নিয়ে কাজ করছে। এর গবেষকরা জানিয়েছেন, কারও রক্ত পরীক্ষা করেই ১৫ মিনিটে তারা জানিয়ে দিতে পারবেন সেই রক্তে কভিড-১৯ পজিটিভ নাকি নেগেটিভ! অনেকটা প্রেগন্যান্সি টেস্টের মতোই খুব সহজ এই রক্ত পরীক্ষা।

এ বিষয়ে ডেইলি মেইলকে সেনসিটেস্টের প্রধান নির্বাহী রবার্ট ডাস বলেন, পরীক্ষাটি খুবই সহজ ও সাধারণ এবং চালাকির বটে। এখানে মূলত দেখা হয়, নমুনা রক্তে আইজিজি ও আইজিএমের মতো অ্যান্টিবডির উপস্থিতি আছে কি না, আর তা কতটা? অ্যান্টিবডি দুটির উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া মানে এই রক্তবাহী কভিড-১৯ এ আক্রান্ত। কারণ এই ভাইরাসটি রক্তে সংক্রমিত হলে আক্রান্তের শরীরে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ভাইরাসপ্রতিরোধী আইজিজি ও আইজিএমের মতো অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। শরীরে যথেষ্ট পরিমাণে অ্যান্টিবডি তৈরি হলে মাত্র ১৫ মিনিটেই টেস্টের ফল পজেটিভ দেখাবে।

তবে এই টেস্টের দুটি সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলেও স্বীকার করেন রবার্ট ডাস।

প্রথমটির বিষয়ে তিনি বলেন, ১৫ মিনিটেই করোনা আক্রান্ত শনাক্ত করে দিতে পারলেও এতে কিছুটা সীমাবদ্ধতাও আছে। কেউ আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই টেস্ট করলে ফলাফল নেগেটিভ দেখাবে। কারণ আক্রান্তের শরীরে তখনো ওসব অ্যান্টিবডি তৈরি হওয়ার সময় পায়নি। এজন্য কিছুদিন পরে টেস্ট করাতে হবে।

দ্বিতীয়ত, আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে উঠে এই টেস্ট করালে তাকে তখনও করোনা রোগী হিসাবেই দেখাবে এই টেস্ট। টেস্টের ফলাফল পজেটিভ দেখাবে। কারণ তখনও তার শরীর আইজিজি ও আইজিএমের প্রাচুর্যটা রয়েছে। অর্থাৎ রোগী সুস্থ হওয়ার পর এই টেস্ট কোনো মানে রাখে না।

সেনসিটেস্টের এ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ডেইলি মেইল জানিয়েছে, চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে শুধু নেদারল্যান্ডসের চিকিৎসকদের কাছেই এই টেস্ট কিট উন্মুক্ত করা হয়েছে। এর গ্রহণযোগ্যতা বাড়লে সারাবিশ্বে এই টেস্ট কিট পৌঁছে দেবে সেনসিটেস্ট।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো বলছে, করোনা শনাক্তের টেস্ট কিটের অভাবে আক্রান্তের সঠিক সংখ্যা নিরূপণ করা যাচ্ছে না। এতে চিকিৎসার অভাবে মারা পড়ছেন অনেকে। এমন পরিস্থিতিতে এই ডাচ কম্পানির উদ্ভাবিত মাত্র ১৫ মিনিটে করোনা রোগী শনাক্তের কিট চালু হলে রোগটির নিরাময়ে নতুন দুয়ার খুলে দেবে।

প্রসঙ্গত, এদিকে কভিড-১৯ রোগে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪ লাখ ৮ হাজারে। মোট মৃত্যু হয়েছে ১৮ হাজার ২৫০ জনের। চিকিৎসা নিয়ে প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার মানুষ সুস্থ হয়েছে।

করোনায় ব্যবহার করা যেতে পারে যেসব ওষুধ
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরির চেষ্টায় নেমেছে ওষুধ প্রস্তুতকারী ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো। এখন পর্যন্ত নিশ্চিত কার্যকরী কোনো প্রতিষেধক স্বীকৃতি পায়নি। তবে অনেক দেশেই চেষ্টা চলছে। জাপান, অস্ট্রেলিয়া, চীন সহ বিভিন্ন দেশ একাধিক কার্যকরী ওষুধ পাওয়ার দাবি করেছে। তবে এখনো বৈশ্বিক পর্যায়ে কার্যকরী কোনো ওষুধের ঘোষণা দেয়নি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এদিকে, সমপ্রতি যুক্তরাষ্ট্রে ভাইরাসটির পরীক্ষামূলক টিকা প্রদান শুরু হয়েছে। তবে সে টিকার ফলাফল পেতে অপেক্ষা করতে হবে কিছুদিন। এমতাবস্থায় এনবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে, করোনার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হতে পারে এমন কিছু ওষুধের নাম তুলে ধরা হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এই ওষুধগুলো নিয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছে।

চীনে আশঙ্কাজনক করোনা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে ভাইরাসটির প্রভাব কমাতে চিকিৎসকরা জ্বালাপোড়া-বিরোধী একটি ওষুধ ব্যবহার করেছেন। ওষুধটি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের সঙ্গে এর পরীক্ষামূলক ব্যবহার নিয়ে কথা বলছে। টসিলিজুমাব নামের এই ওষুধটি বিক্রি হয় এক্টেমরা নামে। এটি প্রস্তুত করে থাকে সুইস ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা রোস। চীনা চিকিৎসকরা করোনা আক্রান্তদের দেহের প্রতিরোধ ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখতে এটি ব্যবহার করেছেন। এই ওষুধ ব্যবহার করা হয়েছে এমন ২০ জন রোগীর মধ্যে ১৯ জনই পরবর্তীতে দুই সপ্তাহের মধ্যে মোটামুটি সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ও একজনের সার্বিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। এমনটা জানিয়েছে চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন। চীনে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় ওষুধটি ব্যবহারের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

 

রোসের একজন মুখপাত্র কারস্টেন ক্লেইন জানিয়েছেন, প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বজুড়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় তাদের ওষুধের পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরুর ব্যাপারে আলোচনায় রয়েছে। এদিকে, নিউ ইয়র্কে করোনা নিরাময়ে পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরু করেছে ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান সানোফি ও রিজেনেরন। সহযোগী প্রতিষ্ঠান দুটি যৌথভাবে কেভজারা নামের একটি ওষুধ ব্যবহার করবে। এ ছাড়া, এইচআইভির চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ কালেত্রা/আলুভিয়া প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আবভিয়ে করোনার চিকিৎসায় তাদের ওষুধের কার্যকারিতা নিশ্চিতের ব্যাপারে বিভিন্ন স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় রয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যম অনুসারে, চীনে ওষুধটি করোনার চিকিৎসায় কার্যকরী প্রমাণিত হয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানটি এনবিসিকে জানিয়েছে, এমন তথ্য নিশ্চিত করতে পারছে না তারা। চীনের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা তাদের সঙ্গে এমন কোনো তথ্য জানায়নি। তবে বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা করোনার বিরুদ্ধে এইচআইভির চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ নিয়ে গবেষণা করছে। এর মধ্যে রয়েছে অস্ট্রেলিয়াও।

করোনার চিকিৎসায় ইবোলার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত ওষুধও প্রয়োগের চিন্তা করা হচ্ছে। বায়োটেকনোলজি কোমপানি গিলিয়াড সায়েন্সেস-এর রেমডেসিভির নামের একটি ওষুধ ইবোলা নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়। ২০১২’র দিকে মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস মারস প্রতিকারে এটি সফল প্রমাণিত হয়েছে। মারস আক্রান্ত বানরের ওপর ওষুধটি প্রয়োগে বানরগুলো ভাইরাসের প্রভাব থেকে সুস্থ হয়ে ওঠেছে। এখন চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস (কভিড-১৯) চিকিৎসায় এটি ব্যবহারের চিন্তা করা হচ্ছে। সূত্র: মানবজমিন।


   Page 1 of 4
     স্বাস্থ্য
এক সপ্তাহ পিছিয়েছে জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন
.............................................................................................
২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন
.............................................................................................
প্রথম করোনা ভ্যাকসিন আসছে ১২ অগস্ট
.............................................................................................
৫০ শতাংশ ক্লিনিকের লাইসেন্স নবায়ন নেই
.............................................................................................
বাতাস থেকেও ছড়ায় করোনাভাইরাস!
.............................................................................................
এ বছরই মিলবে করোনা ভ্যাকসিন!
.............................................................................................
যেসব ভুলে নষ্ট হচ্ছে আপনার চোখ!
.............................................................................................
মাত্র এক কোয়া রসুন!
.............................................................................................
কেন গর্ভাবস্থায় তরমুজ খাবেন?
.............................................................................................
এক নজরে ৬৪ জেলায় করোনাক্রান্ত
.............................................................................................
করোনার আরেকটি উপসর্গ চিহ্নিত
.............................................................................................
চোখ দেখেও বুঝতে পারবেন আপনি করোনায় আক্রান্ত কিনা!
.............................................................................................
গরমে করোনার তীব্রতা কমবে!
.............................................................................................
যেভাবে ছড়ায় করোনাভাইরাস
.............................................................................................
মাত্র ১৫ মিনিটে চিহ্নিত হবে করোনা!
.............................................................................................
করোনায় ব্যবহার করা যেতে পারে যেসব ওষুধ
.............................................................................................
করোনাঃ ঢাকা মেডিকেল কলেজ বন্ধ ঘোষণা
.............................................................................................
ঢাকা মেডিকেলের ৪ ডাক্তার হোম কোয়ারেন্টাইনে
.............................................................................................
করোনা শরীরে প্রবেশের পর যেভাবে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়
.............................................................................................
`এ` গ্রুপের রক্ত বহনকারীদের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা বেশি
.............................................................................................
করোনার প্রথম টিকা গ্রহণকারী জেনিফার হ্যালার
.............................................................................................
করোনাভাইরাস থেকে বাঁচার ১২ উপায়
.............................................................................................
করোনার লক্ষণ দেখা দিলে যা করবেন
.............................................................................................
করোনাভাইরাসের সবচেয়ে বেশী ঝুঁকিতে ধূমপায়ীরা!
.............................................................................................
করোনা: মাস্ক সরবরাহ করবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
.............................................................................................
করোনা প্রতিরোধে জাতীয় কমিটির সভা আজ
.............................................................................................
যৌন ইচ্ছা কমিয়ে দেয় যেসব খাবার
.............................................................................................
না.গঞ্জ হাম রুবেলা ক্যাম্পইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা
.............................................................................................
ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে পারে যেসব খাবার
.............................................................................................
ফুসফুসের ক্যান্সার থেকে বাঁচাবে চার উপাদান
.............................................................................................
করোনায় আক্রান্ত হলে আপনার শরীরে যা ঘটতে পারে
.............................................................................................
বিশ্ব শিশু ক্যানসার দিবস আজ
.............................................................................................
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সর্বোৎকৃষ্ট ফল পেয়ারা
.............................................................................................
গর্ভকালীন কিছু কমন সমস্যা ও করণীয়
.............................................................................................
ব্রেস্ট ক্যান্সার কাদের বেশি হয়?
.............................................................................................
হাড়ের ক্ষয়রোধ করে নাশপাতি
.............................................................................................
শরীরে শক্তি বাড়াতে যা খাবেন
.............................................................................................
সুস্থ থাকতে ৫ তেতো খাবার
.............................................................................................
নিজ আঙ্গিনা পরিস্কার রাখি, সবাই মিলে সুস্থ থাকি’ শ্লোগানে ঝিনাইদহে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‌্যালী ও আলোচনা সভা
.............................................................................................
কোয়েল পাখির ডিম ৭ রোগ প্রতিরোধ করবে
.............................................................................................
নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবার মান বৃদ্ধি করতে স্বাস্থ্য প্রশাসকের উদ্দ্যোগ গ্রহন
.............................................................................................
বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকায় রানা ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরিসহ ০৩টি বেকারী কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে ০৯ জনকে ৬,০০,০০০/- (ছয় লক্ষ) টাকা জরিমানা করেছে র‌্যাব-২ এর ভ্রাম্যমান আদালত।
.............................................................................................
দেশে প্রথমবার জিকা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত
.............................................................................................
যারা দিনে ৮ ঘণ্টার বেশি কাজ করেন তাদের জন্য মৃত্যু সংকেত!
.............................................................................................
জিকা ভাইরাস ছড়াচ্ছে যৌন সম্পর্কের মাধ্যমেও
.............................................................................................
সতর্ক থাকুন জিকা ভাইরাস থেকে
.............................................................................................
সুস্থ যৌন সম্পর্কের জন্য যে ছয়টি খাবার
.............................................................................................
শীতে গোসল না করার অপকারিতা
.............................................................................................
নার্সিংয়ের শীর্ষ পাঁচ পদে বদলি-পদায়নে নিষেধাজ্ঞা
.............................................................................................
কোন গ্রুপের রক্তে, কী রোগের সম্ভাবনা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম.এ মান্নান
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ হাজী মোবারক হোসেন।। সহ-সম্পাদক : কাউসার আহম্মেদ।
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আজমল হোসেন বাবু।

ঠিকানাঃ বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়- নারায়ণগঞ্জ, সম্পাদকীয় কার্যালয়- জাকের ভিলা, হাজী মিয়াজ উদ্দিন স্কয়ার মামুদপুর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। শাখা অফিস : নিজস্ব ভবন, সুলপান্দী, পোঃ বালিয়াপাড়া, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ-১৪৬০, মোবাইল : 01731190131, 01930226862, E-mail : mannannews0@gmail.com, mannan2015news@gmail.com, web: notunbazar71.com, facebook- mannan dhaka club
    2015 @ All Right Reserved By notunbazar71.com

Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop