| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   জাতীয় -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
মুজিববর্ষে ইউএন সদর দপ্তরে গাছের চারা রোপন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী এই গাছের চারাটি রোপন করেন।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে এসময় তিনি বাগানে একটি বেঞ্চও উৎসর্গ করেন। এ সময় তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।এর আগে একই দিন জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের ‘রুদ্ধদ্বার বৈঠকে’ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জলবায়ু পরিবর্তন, ‍পৃথিবীর জরুরি অবস্থা মোকাবিলায় বিশ্ব নেতাদের দ্রুত সাহসী ও অধিক শক্তিশালী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। সংকট উত্তরণে বিশ্ব নেতাদের সামনে ৬টি প্রস্তাবও পেশ করেছেন তিনি।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তেনিও গুতেরেস এ বৈঠক আহ্বান করেন।

৬টি প্রস্তাব পেশ করে প্র্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ব নেতাদের বলেন, পৃথিবীর জরুরি অবস্থা মোকাবিলায় আমাদের জরুরিভাবে সাহসী এবং অধিকতর শক্তিশালী ব্যবস্থা নিতে হবে।

প্রথম প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখতে প্যারিস চুক্তি কঠোর বাস্তবায়নের করার কথা বলেন।

দ্বিতীয় প্রস্তাবে উন্নত দেশগুলো থেকে বার্ষিক ১০০ বিলিয়ন ডলার তববিল আদায় করার কথা বলেন শেখ হাসিনা। এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, এ টাকার ৫০ শতাংশ অভিযোজন এবং স্থিতিস্থাপকতার জন্য খরচ করা উচিত, বিশেষ করে জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য।

তৃতীয় প্রস্তাবে উন্নয়নশীল দেশগুলোর কাছে নতুন আর্থিক মেকানিজম এবং পরিবেশবান্ধব সবুজ প্রযুক্তি হস্তান্তর করার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

চতুর্থ প্রস্তাবে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি ও ধ্বংস এবং এর কারণে বড় পরিসরে জনগণের বাস্তুচ্যুত হওয়ার সংকট মোকাবিলা করতে বলেন শেখ হাসিনা।

পঞ্চম প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহামারি এবং দুর্যোগের দুই বিপদ মোকাবিলায়, বিশেষ করে ক্রমবর্ধমান জলবায়ু পরিবর্তন দুর্যোগ বৃদ্ধির সঙ্গে ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) দেশগুলোর সক্ষমতা তৈরিতে সহায়তা প্রয়োজন।

সবশেষ প্রস্তাবে আগামী প্রজন্মের জন্য টেকসই ভবিষ্যত রেখে যেতে সবাইকে বৈশ্বিক মনোভাব নিয়ে কাজ করার কথা বলেন শেখ হাসিনা।

বৈশ্বিক গ্রিন হাউজ গ্যাস নিঃসরণের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর কথা তুলে ধরে বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, বৈশ্বিক গ্রিন হাউজ গ্যাস নিঃসরণে সবচেয়ে কম ভূমিকা রাখছে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো। যদিও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের কারণে তারাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত।

সাম্প্রতিক আইপিসিসি রিপোর্টে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর ভবিষ্যত নিয়ে ভয়ানক চিত্র তুলে ধরার কথা উল্লেখ শেখ হাসিনা বলেন, বৈশ্বিক তাপমাত্রা যদি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি বৃদ্ধি পায় ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো স্থায়ী ক্ষতির মুখে পড়েব।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্বের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অভিযোজন এবং ক্ষতি প্রশমনে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে সহায়তা করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে।
মুজিববর্ষে ইউএন সদর দপ্তরে গাছের চারা রোপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
                                  

সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী এই গাছের চারাটি রোপন করেন।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে এসময় তিনি বাগানে একটি বেঞ্চও উৎসর্গ করেন। এ সময় তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।এর আগে একই দিন জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের ‘রুদ্ধদ্বার বৈঠকে’ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জলবায়ু পরিবর্তন, ‍পৃথিবীর জরুরি অবস্থা মোকাবিলায় বিশ্ব নেতাদের দ্রুত সাহসী ও অধিক শক্তিশালী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। সংকট উত্তরণে বিশ্ব নেতাদের সামনে ৬টি প্রস্তাবও পেশ করেছেন তিনি।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তেনিও গুতেরেস এ বৈঠক আহ্বান করেন।

৬টি প্রস্তাব পেশ করে প্র্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ব নেতাদের বলেন, পৃথিবীর জরুরি অবস্থা মোকাবিলায় আমাদের জরুরিভাবে সাহসী এবং অধিকতর শক্তিশালী ব্যবস্থা নিতে হবে।

প্রথম প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখতে প্যারিস চুক্তি কঠোর বাস্তবায়নের করার কথা বলেন।

দ্বিতীয় প্রস্তাবে উন্নত দেশগুলো থেকে বার্ষিক ১০০ বিলিয়ন ডলার তববিল আদায় করার কথা বলেন শেখ হাসিনা। এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, এ টাকার ৫০ শতাংশ অভিযোজন এবং স্থিতিস্থাপকতার জন্য খরচ করা উচিত, বিশেষ করে জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য।

তৃতীয় প্রস্তাবে উন্নয়নশীল দেশগুলোর কাছে নতুন আর্থিক মেকানিজম এবং পরিবেশবান্ধব সবুজ প্রযুক্তি হস্তান্তর করার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

চতুর্থ প্রস্তাবে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি ও ধ্বংস এবং এর কারণে বড় পরিসরে জনগণের বাস্তুচ্যুত হওয়ার সংকট মোকাবিলা করতে বলেন শেখ হাসিনা।

পঞ্চম প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহামারি এবং দুর্যোগের দুই বিপদ মোকাবিলায়, বিশেষ করে ক্রমবর্ধমান জলবায়ু পরিবর্তন দুর্যোগ বৃদ্ধির সঙ্গে ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) দেশগুলোর সক্ষমতা তৈরিতে সহায়তা প্রয়োজন।

সবশেষ প্রস্তাবে আগামী প্রজন্মের জন্য টেকসই ভবিষ্যত রেখে যেতে সবাইকে বৈশ্বিক মনোভাব নিয়ে কাজ করার কথা বলেন শেখ হাসিনা।

বৈশ্বিক গ্রিন হাউজ গ্যাস নিঃসরণের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর কথা তুলে ধরে বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, বৈশ্বিক গ্রিন হাউজ গ্যাস নিঃসরণে সবচেয়ে কম ভূমিকা রাখছে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো। যদিও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের কারণে তারাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত।

সাম্প্রতিক আইপিসিসি রিপোর্টে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর ভবিষ্যত নিয়ে ভয়ানক চিত্র তুলে ধরার কথা উল্লেখ শেখ হাসিনা বলেন, বৈশ্বিক তাপমাত্রা যদি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি বৃদ্ধি পায় ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো স্থায়ী ক্ষতির মুখে পড়েব।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্বের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অভিযোজন এবং ক্ষতি প্রশমনে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে সহায়তা করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে।
খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ আরও বাড়ল
                                  

স্টাফ রিপোর্টার

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ চতুর্থবারের মতো আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতের ভিত্তিতে আগের শর্ত বহাল রেখেই খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ চতুর্থবারের মতো ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে।

 
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তির আবেদনের অগ্রগতি জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, খালেদা জিয়ার ছোট ভাই আমাদের কছে একটি আবেদন নিয়ে এসেছিলেন। আমরা যথাযথ প্রক্রিয়া করার জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিলাম। আপনারা জানেন, আমি বিদেশে ছিলাম। আমি এখনই ফিরেছি। আইন মন্ত্রণালয় যে অভিমত দিয়েছে, সে অনুযায়ী প্রক্রিয়া চলছে।

এরপর আজ রোববার তার জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর কথা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এর আগে, খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ছে বলে জানিয়েছিলেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
তিনি জানান, পূর্বের শর্ত বহাল রেখেই এ মতামত দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বিদেশে চিকিৎসা নিতে হলে খালেদা জিয়াকে পুনরায় কারাগারে গিয়ে আবেদন করতে হবে। বিএনপি নেত্রীর আইনজীবীরা সরকারের এ সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করেন।
 
 
বিদেশে চিকিৎসার আবেদন করতে হলে বিএনপি চেয়ারপারসনকে আবার জেলে ফিরতে হবে। গত মাসের শেষের দিকে আইনমন্ত্রীর এ বক্তব্যেই আভাস ছিল কী সিদ্ধান্ত আসতে যাচ্ছে তার স্থায়ী মুক্তি চেয়ে পরিবারের আবেদনে।
 
গত ১২ সেপ্টেম্বর এক অনুষ্ঠান শেষে আইনমন্ত্রী জানান, দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ানোর পক্ষে তারা মত দিয়েছেন। বহাল থাকবে বিদেশে না যাওয়ার আগের শর্তই।
 
আইনমন্ত্রী বলেন, যে আবেদনপত্রের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেই আবেদনপত্রটি কিন্তু নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এ অবস্থায় এটা পরিবর্তন করার আইন নেই। যদি এটা করতে হয় আমি আগেও বলেছি এখনো বলছি, তাকে আবার জেলখানায় ফিরে গিয়ে এটা বাতিল করতে হবে। বাতিল করে নতুন করে আবেদন করতে হবে। ছয় মাসের জন্য বৃদ্ধি করা হয়েছিল আমার মন্ত্রণালয় থেকে এ মতামত দেওয়া হয়েছে যে, এটা আরও ছয় মাসের জন্য বৃদ্ধি করা হোক।
 
এ সিদ্ধান্তে হতাশ বিএনপি। তার আইনজীবী বলছেন, আরেকটু মানবিক হতে পারত সরকার।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন জানান, একজন প্রধানমন্ত্রীর হাতে সব ক্ষমতা, সে কারণেই এখন এ প্রধানমন্ত্রী দেশের রাজনীতির কথা চিন্তা করে, দেশের গণতন্ত্রের কথা চিন্তা করে, সুশাসনের কথা চিন্তা করে তিনি তাকে মুক্তি দিতে পারতেন।
 
জিয়া অরফানেজ ও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী গত বছরের ২৫ মার্চ সাময়িক মুক্তি পান। এ নিয়ে তার মুক্তির মেয়াদ চার দফা বাড়ানো হয়।

যশোরে কিশোরীকে গণধর্ষণের ঘটনায় মামলা, আটক ১
                                  

স্টাফ রিপোর্টার

যশোরে এক কিশোরীকে গণধর্ষণ ও ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে অনিক নামে এক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ।রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাকে আটক করা হয়। আটক অনিক সদর উপজেলার দৌলতদিহি গ্রামের তরিকুল ইসলামের ছেলে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক শেখ শাজাহান আহম্মেদ জানিয়েছেন, গত ১০ মার্চ দৌলতদিহি গ্রামের ১৫ বছর বয়সের এক কিশোরীকে তার বাড়িতে একা পেয়ে ধর্ষণ করে তিন কিশোর। এরপর ওই কিশোরীকে বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য হুমকি দেয়া হয়। এরপর ভয়ে বিষয়টি কাউকে বলেনি কিশোরী।

সম্প্রতি ওই কিশোরীর শারীরিক গঠন এবং অসুস্থতা দেখে তার মা বিষয়টি জানতে চায়। ঘটনা স্বীকার না করায় তাকে পরিবারের পক্ষ থেকে হাসপাতালে নিয়ে পরীক্ষা করানো হয়। পরীক্ষায় ওই কিশোরী ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা যায়। এরপর মেয়েটি বিষয়টি তার মায়ের কাছে স্বীকার করে।স্থানীয়ভাবে মিমাংসার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে ওই কিশোরীর মা কোতোয়ালি মডেল থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। এরপর রোববার পুলিশ অনিককে আটক করে। এই ঘটনার সাথে জড়িত অন্য দুইজনকে আটকের চেষ্টা চলছে।

এদিকে, এই ঘটনায় রোববার আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে ভুক্তভোগী কিশোরী বলে জানিয়েছেন পুলিশ পরিদর্শক শেখ শাজাহান আহম্মেদ।

শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা: আসামি আব্দুস সাত্তারের সাজা বহাল
                                  

স্টাফ রিপোর্টার

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ৫০ জন আসামির মধ্যে অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তারের আপিল আবেদন নামঞ্জুর করে নিম্ন আদালতের সাজা বহাল রেখেছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) সাতক্ষীরার জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ শেখ মো. মফিজুর রহমান আপিল আবেদন নামঞ্জুর করেন।


মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাতক্ষীরায় মুক্তিযোদ্ধার এক ধর্ষিতা স্ত্রীকে হাসপাতালে দেখে মাগুরা ফিরে যাবার পথে কলারোয়ায় সন্ত্রাসীদের হামলা শিকার হন। এতে শেখ হাসিনা অক্ষত থাকলেও তার সফর সঙ্গীরা আহত হন। এ সময় বেশ কয়েকজন সাংবাদিকও হামলার শিকার হন।

এ ঘটনায় কলারোয়া মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোসলেম উদ্দিন বাদী হয়ে ২৭ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। এ মামলা থানায় রেকর্ড না হওয়ায় তিনি নালিশী আদালত সাতক্ষীরায় মামলাটি করেন। পরবর্তীতে এ মামলা খারিজ হয়ে গেলে ২০১৪ সালের ১৫ অক্টোবর ফের মামলাটি পুনরুজ্জীবিত হয়। এসময় তদন্তকারী কর্মকর্তা সাবেক সাংসদ হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

গত ২৭ জানুয়ারি এ মামলার যুক্তি তর্ক অনুষ্ঠিত হয়। ২০ জন সাক্ষী, চারজন সাফাই সাক্ষী ও মামলার নথি পর্যালোচনা শেষে চলতি বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক সাংসদ হাবিবুল ইসলামসহ ৫০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। এর মধ্যে বর্তমানে ৩৭ জন কারাগারে ১২ জন পলাতক রয়েছেন। কারাগারে থাকা আসামিরা মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে মোট ১৭টি আপিল মামলা করেন।
এরমধ্যে চার বছর করে সাজাপ্রাপ্ত আসামি অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তারের পক্ষে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ২৭/২১ আপিল মামলা দায়ের করা হয়। জেলা ও দায়রা জজ আদালত থেকে আপিলে জামিন না পাওয়ায় ওই আসামি হাইকোর্টে গেলে জামিনাদেশ পান। ওই আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ লিভ টু আপিল করলে হাইকোর্টের জামিন আদেশ বাতিল করে আগামি ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ওই চারটি আপিল মামলা নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা ও দায়রা জজকে নির্দেশ দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায়  রবিবার অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তারের আপিল নামঞ্জুর করে আদালত। একইভাবে গত ৮ সেপ্টেম্বর ছয় আসামির পক্ষে তিনটি আপিল মামলা নামঞ্জুর করে আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবি জজ কোর্টের পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল লতিফ বলেন, এ ধরনের অন্যায় করে পার পাওয়া যাবে না।

আপিলকারীদের পক্ষে আইনজীবী  অ্যাড. আব্দুল মজিদ (২) বলেন, এ রায় এ তারা খুশি হতে পারেননি। এ আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাওয়া হবে।
আজ ১৬০ ইউপিতে ভোট
                                  

স্টাফ রিপোর্টার  আজ সকাল ৮ টাই  শুরু হবে প্রথম ধাপের ১৬০টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। এছাড়াও দেশের ৯টি পৌরসভা এবং স্থানীয় সরকার পরিষদের কয়েকটি উপ-নির্বাচনও এদিন অনুষ্ঠিত হবে। তবে এরই মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের ৪৪ প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা চলবে ভোটগ্রহণ। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট ভোট কেন্দ্রে কেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠানো হয়েছে। তবে নির্বাচনী এলাকায় কোনো সাধারণ ছুটি থাকছে না।

এদিকে ১৬১ ইউপিতে ভোট হওয়ার কথা থাকলেও উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় একটিতে ভোট স্থগিত করা হয়েছে।

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সব ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনী এলাকায় পর্যাপ্ত সংখ্যক আইন শৃঙ্খলা বাহিনী টহলে রয়েছে। তবে রাজনীতির মাঠে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি এ নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়ায় নির্বাচন খানিকটা নিরুৎপাত হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে কোন কোন ইউপিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও মেম্বার প্রার্থীদেও মধ্যে জোর লড়াই হতেও পারে।

ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানিয়েছেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি। ইতোমধ্যে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এলাকায় টহলে রয়েছে, মাঠে কাজ করছে নির্বাহী ম্যাজিট্রেট। সোমবার অনুষ্ঠিতব্য ১৬১টি ইউপির মধ্যে ১২টি ইউপি, ৯টি পৌরসভাসহ স্থানীয় সরকারের অন্যান্য যেসব নির্বাচন হচ্ছে সেগুলোতে ইভিএমে ভোট গ্রহণ করা হবে।

এদিকে স্থানীয় সরকারের এসব ইউপি ও পৌরসভা নির্বাচনের প্রচারণা শেষ হলেও এলাকায় ছয়লাব ব্যানার ফেস্টুন। চায়ের দোকান থেকে শপিংমল সর্বত্র ভোটের উত্তাপ। ভোট নিয়ে এলাকায় ব্যাপক উৎসাহের সঙ্গে সঙ্গে চাপা উত্তেজনাও কাজ করছে। বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান-মেম্বার প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্খা করছেন সাধারণ ভোটাররা। উত্তেজনা প্রবণ এলাকায় টহল দিচ্ছে র‌্যাব, বিজিবি, আর্মড ফোর্স, কোস্টগার্ডসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।এদিকে ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত ৪৩ জন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। মাঠের রাজনীতির প্রধান বিরোধী দল বিএনপি ইউপি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেওয়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় বিজয়ীর প্রধান কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়া এলাকাগুলোর মধ্যে বাগেরহাট, চট্টগ্রাম ও খুলনায় ৪৩টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী রয়েছেন। এর মধ্যে বাগেরহাটের ৬৬টি ইউপির মধ্যে ৩৮টিতে আওয়ামী লীগের কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন না। অন্যগুলোতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা ভোটে লড়ছেন।

বাগেরহাটের বাইরে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে ৪টি এবং খুলনার ১টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। গত ৩ মার্চ প্রথম ধাপে ৩৭১টি ইউপির ভোটের তফসিল ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে করোনা পরিস্থিতির কারণে ভোট স্থগিত করা হয়। সোমবার দেশের ৬টি জেলার ২৩টি উপজেলার ১৬১টি ইউনিয়নে ভোট নেয়া হবে। ১৬৭টি ইউপির ভোট স্থগিত হলেও চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীদের মৃত্যুজনিত কারণে পাঁচটি এবং বৈরী আবহাওয়ার কারণে কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভোট এ মুহূর্তে অনুষ্ঠিত হবে না বলে ইসি সূত্রে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, প্রথমধাপে দেশের ১৯টি জেলার ৬৪টি উপজেলার ৩৭১টি ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য তফসিল ঘোষণা করেছিল। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১১ এপ্রিল এসব নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। তবে করোনা সংক্রমণের কারণে ওই নির্বাচন স্থগিত করা হয়। পরে গত ২১ জুন স্থগিত ইউপির মধ্যে ২০৪টির ভোটগ্রহণ করা হয়। সোমবার ২০ সেপ্টেম্বর হবে ১৬১টি ইউপির। দেশে ৪ হাজার ৫৭১ টি ইউনিয়ন পরিষদেও মধ্যে ইতোমধ্যে মেয়াদউত্তীর্ণ হওয়া হাজার খানের ইউপিতে ডিসেম্বরের মধ্যে এবং বাকিগুলো কয়েক ধাপে ভোট নেয়া হবে বলে নির্বাচন কমিশন আগেই ঘোষণা করেছে।

দুর্নীতিবাজরা যেন শাস্তি পায়, দুদককে রাষ্ট্রপতি
                                  

স্টাফ রিপোর্টার

দুর্নীতিবাজরা যাতে শাস্তি পায় সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ এবং কমিশনার মো. জহুরুল হক রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জযনাল আবেদীন জানান, বৈঠকে দুদক চেয়ারম্যান কমিশনের সার্বিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

 
বাংলাদেশ উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, উন্নয়নের এ ধারাকে টেকসই করতে দুর্নীতি প্রতিরোধ খুবই প্রয়োজন।
 
তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্ম যাতে দুর্নীতি বিরোধী মনোভাব নিয়ে বেড়ে উঠতে পারে সে লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সমাজ ও পরিবার থেকে উদ্যোগ নিতে হবে।
রাষ্ট্রপতি আশা করেন, দুর্নীতি দমন কমিশন প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি প্রতিরোধের পাশাপাশি অপ্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি প্রতিরোধেও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম এবং সচিব সংযুক্ত মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি আশা করেন, দুর্নীতি দমন কমিশন প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি প্রতিরোধের পাশাপাশি অপ্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি প্রতিরোধেও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
 
পুলিশের ২০ কর্মকর্তার পদায়ন
                                  

বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ২০ জন কর্মকর্তার পদায়ন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ পদায়ন করা হয়।

 
শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে এ তথ্য জানায়।
 
প্রজ্ঞাপন থেকে জানা যায়, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ১৩ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সাতজন সহকারী পুলিশ সুপারকে বাংলাদেশ পুলিশের অন্যান্য ইউনিটে পদায়ন করা হয়
ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি উদ্ধারের পথ খুঁজুন: কমনওয়েলথকে অর্থমন্ত্রী
                                  

আন্তঃকমনওয়েলথ বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ বাড়িয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের উপায় এবং পথ খুঁজে বের করতে কমনওয়েলথ নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।পুরো বিশ্ব ক্রান্তিকাল পার করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অপ্রত্যাশিত অভিঘাত কোভিড-১৯ এর প্রভাবে সারা বিশ্বের অর্থনীতি আজ হুমকির সম্মুখীন, কমনওয়েলথভুক্ত দেশসমূহও এর ব্যতিক্রম নয়। কমনওয়েলথ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২১-এ অংশগ্রহণ করে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

এমন একটি মুহূর্তে এই বিষয়টির ওপর গুরুত্ব দিয়ে কমনওয়েলথভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনোয়োগ বৃদ্ধি করে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের উপায় এবং পথ খুঁজে বের করতে কমনওয়েলথভুক্ত বিভিন্ন দেশ থেকে বিশিষ্ট বক্তিবর্গ ‘কমনওয়েলথ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২১’ এর ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে জড়ো হয়েছে।

কমনওয়েলথভুক্ত মানব সম্প্রদায়ের কাছে আশার আলো ছড়িয়ে দিতে এবারের সামিটের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘কমনওয়েলথ বাণিজ্য: ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধির চাবিকাঠি’।

অর্থমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ মহামারিজনিত কারণে গত বছর বৈশ্বিক অর্থনীতি ৩ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে, যেখানে কমনওয়েলথভুক্ত অর্থনীতি সংকুচিত হয়েছে প্রায় ১০ শতাংশ, যা বৈশ্বিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ হ্রাসের অন্যতম প্রধান নিয়ামক। ইউএনসিটিএডি-এর একটি প্রতিবেদনে ইঙ্গিত করা হয়েছে যে, ২০২০ সালে গ্লোবাল ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট হ্রাস পেয়েছে ৪২ শতাংশ। আর এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কমনওয়েলথ অর্থনীতি ৫০ শতাংশ এরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পটভূমিতে, কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ উভয় ক্ষেত্রেই একটি শক্তিশালী পুনরুদ্ধারের পথ খুঁজে বের করাই আমাদের আজকের এই সভার মহৎ উদ্দেশ্য।

জাতির পিতার দিকনির্দেশনা ও প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় নেতৃত্বের উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালে আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কমনওয়েলথের ২০তম শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিয়ে সম্পদের ব্যাপক ব্যবহার এবং উন্নয়নশীল অর্থনীতির জনশক্তির জন্য একটি নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা তৈরির আহ্বান জানিয়েছিলেন। জাতির পিতার সেই অর্থনৈতিক দর্শন অনুসরণ করেই বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ গত এক দশকে অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। প্রধানমন্ত্রী তার দূরদর্শী নেতৃত্বে, প্রাথমিক পর্যায়ে এই মহামারীর ক্ষতিকর প্রভাবের তীব্রতা অনুধাবন করে মহামারি থেকে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করতে জিডিপির ৬ দশমিক ২৩ শতাংশের সমান ২২ দশমিক  শূন্য ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের ২৮টি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেন, ইতোমধ্যে বাংলাদেশ যার সুফল ভোগ করে চলেছে। ২০২০ সালের আইএমএফ’র অক্টোবরের রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্ব অর্থনীতিতে গড় ৪ দশমিক ৪ শতাংশের নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা যায়, সেসময়ে অতি অল্প কয়েকটি ইতিবাচক অর্থনীতির মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের জরিপ অনুযায়ী, মহামারি প্রতিকূলতার মধ্যেও বাংলাদেশ শীর্ষ পাঁচটি সহনশীল অর্থনীতির মধ্যে রয়েছে।

সকল প্রতিনিধিদের উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ হওয়া সত্ত্বেও বিশ্ব অর্থনীতিতে কমনওয়েলথ দেশগুলির ভূমিকা মাত্র ১৩ শতাংশ, বৈশ্বিক এফডিআইয়ের মাত্র ২০ শতাংশ এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের ১৪ শতাংশ। আন্তঃকমনওয়েলথ বাণিজ্যে ৫৪টি দেশের মোট বাণিজ্যে মাত্র ১৮ শতাংশ। তদুপরি, যুক্তরাজ্যের মোট বাণিজ্যের মাত্র ৯ দশমিক ১ শতাংশ রয়েছে সমস্ত কমনওয়েলথ দেশগুলোর। এই পরিসংখ্যানগুলি ইঙ্গিত দেয় যে বাণিজ্য সম্পর্কিত কমনওয়েলথের বিদ্যমান নীতি এবং কৌশলগুলি কমনওয়েলথ দেশগুলির জন্য সন্তোষজনক নয়। 

তিনি বলেন, কমনওয়েলথের একটি গৌরবময় অতীত আছে, ১৭৬৯ সালে যুক্তরাজ্য থেকে বাষ্প ইঞ্জিন আবিষ্কারের মাধ্যমে প্রথম শিল্প বিপ্লবের যাত্রা, যা সত্যিই বিশ্ব অর্থনৈতিক উন্নয়নের শিখা জ্বালিয়েছিল। ১৭৭১ সালে সত্যিকারের কারখানা বলতে যা বোঝায় সেটি প্রথম যুক্তরাজ্যের ডার্বিশায়ারের ক্রমফোর্ড গ্রামে নির্মিত হয়েছিল। সর্বজনবিদিত একটি সত্য হচ্ছে, সপ্তদশ শতাব্দীতে ভারত উপমহাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ ছিল। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আন্ত-কমনওয়েলথ বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ বাড়িয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের উপায় এবং পথ খুঁজে বের করার পাশাপাশি আমরা কমনওয়েলথের গৌরবময় অতীত ফিরে পেতে পারি।

সভায় কমনওয়েলথ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কাউন্সিলের চেয়ারম্যান লর্ড মারল্যান্ড এবং যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিষয়ক মন্ত্রী এবং বাণিজ্য বোর্ডের সভাপতি এলিজাবেথ ট্রাস এমপিসহ আরও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য দেন।

সকলেই কমনওয়েলথভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনোয়োগ বৃদ্ধি করে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের উপায় এবং পথ খুঁজে বের করতে একসঙ্গে কাজ করার আশা প্রকাশ করেন।

 
গভীর রাতে বাবা-মায়ের কবরের পাশে কাঁদলেন শামীম ওসমান
                                  

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টা। নগরীর কেন্দ্রীয় কবরস্থানের সামনে একটি কালো গাড়ির সামনে কয়েকজন কৌতূহলী মানুষের ভিড়। কয়েকজন দূর থেকে কবরস্থানের ভিতরে কোনো একজন মোনাজাতরত মানুষের ছবি তুলতে ব্যস্ত।

গভীর রাতে সেই ছবি চলে যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আর শুক্রবার দিনভর সেই ছবি রীতিমতো ভাইরাল হয়ে উঠে। ছবিটি একজন এতিম সন্তানের, যিনি তার বাবা মায়ের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে কাঁদছিলেন।

 

তিনি আর কেউ নন, বহুল আলোচিত আওয়ামী লীগ নেতা ও এমপি একেএম শামীম ওসমান। যিনি প্রায়শই গভীর রাতে ছুটে আসেন বাবা মায়ের কবরের পাশে। যেখানে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন তার পরিবারের আরও সদস্যরা।

শুক্রবার প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানালেন, বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ১১টা কিংবা সাড়ে ১১টার দিকে কবরস্থানের বাইরে একটি গাড়ি এসে থামল। অনেকেই রাতে আসেন তাদের মৃত স্বজনদের জন্য দোয়া করেন। স্বাভাবিক ব্যাপার ভেবেই আমরা খুব একটা খেয়াল করিনি। কিন্তু গাড়ি থেকে নেমে কবরস্থানের ছোট দরজা দিয়ে যিনি প্রবেশ করলেন তার উচ্চতা দেখে আমরা বুঝে ফেলি তিনি শামীম ওসমানই হবেন। অনেকক্ষণ ছিলেন সেখানে তিনি। বাচ্চাদের মতো হাউমাউ করে কেঁদেছেন। হয়তো দিনের বেলায় তিনি এলে পেছনে অনেক লোকজন হয়ে যায়, তাই একাকীত্বে দোয়া করতেই রাতে আসেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানালেন, বের হয়ে আসার পর ছবি তুলতে গিয়েছিলাম। তিনি খুব শান্ত গলায় বললেন- জিয়ারত করতে এসেছি। দোয়া করতে এসেছি। আপনারাও দোয়া কইরেন। এটাই আমাদের শেষ ঠিকানা। সবাইকে একদিন এই ঠিকানায় যেতে হবে।

 
হাতুড়ি-শাবল দিয়ে আশ্রয়ণের ঘর ভেঙেছে কিছু লোক : প্রধানমন্ত্রী
                                  

মুজিববর্ষে উপহার হিসেবে দেওয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর কারা হাতুড়ি-শাবল দিয়ে ভেঙে মিডিয়ায় প্রচার করেছে, সেই তালিকা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় সূচনা বক্তব্যে তিনি বলেন, সব থেকে দুর্ভাগ্য হলো আমি যখন সিদ্ধান্ত নিলাম, প্রত্যেকটা মানুষকে আমরা ঘর করে দেব, আমাদের দেশের কিছু মানুষ এত জঘন্য চরিত্রের, আমি কয়েকটা জায়গায় হঠাৎ দেখলাম যে কিছু ঘর ভেঙে পড়ছে, কোনো জায়গায় ভাঙা ছবি। এগুলো দেখার পর পুরো সার্ভে করালাম কোথায় কী হচ্ছে। আমরা প্রায় দেড় লাখের মতো ঘর তৈরি করে দিয়েছি। ৩শটা ঘর বিভিন্ন এলাকায় কিছু মানুষ হাতুড়ি, শাবল দিয়ে ভেঙে তারপর মিডিয়ায় সেগুলোর ছবি তুলে দিয়েছে। কারা এর সঙ্গে জড়িত তার পুরো রিপোর্ট আমার কাছে আছে।

তিনি বলেন, গরিবের জন্য ঘর করে দিচ্ছি, সেই ঘর এভাবে যে ভাঙতে পারে; ছবিগুলো দেখলে দেখা যায়। আর যেসব মিডিয়া এগুলো ধারণ করে আবার প্রচার করে সেটা কীভাবে হলো, সেটা কিন্তু তারা করছে না।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক জায়গায় যেমন ৬শ ঘর করা হয়েছে সেখানে প্রবল বৃষ্টিপাতে মাটি ধসে কয়েকটা ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর ৯টা জায়গায় আমরা পেয়েছিলাম যেখানে কিছুটা দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেটা মাত্র ৯টা জায়গায় কিন্তু অন্যত্র আমি দেখেছি যে, প্রত্যেকেই আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন।

তিনি বলেন, তার সরকারের ইউএনও এবং ডিসিসহ সরকারি কর্মচারীদের ওপর এগুলোর তদারকির দায়িত্ব ছিল। যাদের অনেকেই এগিয়ে এসেছেন এই ঘর তৈরিতে সহযোগিতা করার জন্য। অনেক অল্প পয়সায় ইট সরবরাহ করেছেন। এভাবে সবার সহযোগিতা এবং আন্তরিকতাই বেশি।

শেখ হাসিনা বলেন, যখন এটা গরিবের ঘর তখন এখানে হাত দেয় কীভাবে! যা হোক আমরা সেগুলো মোকাবিলা করেছি। তবে আমাদের নেতাকর্মীদের এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।

সভায় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন সামনে রেখে দলকে তৃণমূল পর্যায় থেকে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন আসছে, কাজেই দলকে আরও শক্তিশালী করে তোলার বিষয়ে আমাদের মনযোগী হতে হবে।’

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় দলের নেতাকর্মীদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারিতে আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সেভাবে আর কোনো রাজনৈতিক দলকে মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেখিনি। এ নিয়ে অন্য দলগুলোর কোনো আগ্রহ ছিল না। তাদের কাজই ছিল প্রতিদিন টেলিভিশনে বক্তৃতা বা বিবৃতি দেওয়া এবং আওয়ামী লীগের সমালোচনা করা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই মহামারিতে সরকারের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই খুব আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছে। তবে সরকারের একার পক্ষে এ ধরনের পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব ছিল না। আমাদের পক্ষে সম্ভব হয়েছে এই কারণে যে, আমাদের একটা শক্তিশালী সংগঠন তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত আছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জানি এ কথা কেউ হয়তো বলবেও না, লিখবেও না, কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে এককভাবে শুধু সরকারি লোক দিয়ে সবকিছু করা সম্ভব হয় না। তারাও করেছে খুব আন্তরিকতার সঙ্গে। আমাদের প্রশাসনে যে যেখানে ছিল বা পুলিশ বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, বিডিআর, আনসার প্রত্যেকে এবং বিশেষ করে স্বাস্থ্যকর্মীরা।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রথমদিকে একটু ভীতি ছিল। কিন্তু সরকারের প্রণোদনা এবং উৎসাহে তারা কাজ করতে পেরেছেন।

সরকারপ্রধান বলেন, হাজার হাজার ডাক্তার এবং নার্স আমরা নিয়োগ দিয়ে চেষ্টা করেছি করোনা মোকাবিলা করার জন্য। আবার ভ্যাকসিন কেনার ব্যাপারে আমরা সবার আগে উদ্যোগ নিয়েছি।

তিনি বলেন, আমাদের বিপদ হয়ে গিয়েছিল যে, ভারতে এত ব্যাপক হারে করোনা দেখা দিল যে, চুক্তি থাকা সত্ত্বেও তারা ভ্যাকসিন সাপ্লাই দিতে পারছিল না। তারপরও আমরা পৃথিবীর যেখান থেকে পেরেছি ভ্যাকসিন সংগ্রহ করেছি এবং এখন আর সমস্যা হবে না। কিন্তু সবচেয়ে বড় কথা মানুষের কোনো কাজের সুযোগ ছিল না, ঘরে বন্দি, খাবারের অভাব। সেই সময় আমাদের নেতাকর্মীরা প্রত্যেকে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছে।

মহামারিকালে দলের বহু নেতাকর্মীর মৃত্যুতে দুঃখ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, কত মানুষকে যে আমরা হারালাম। এমন কোনোদিন নেই যে, মৃত্যু সংবাদ না আসত।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারে আছে বলেই দেশের উন্নতি হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকারে আছে বলেই করোনা মোকাবিলা সম্ভব হয়েছে। আওয়ামী লীগ আছে বলেই মানুষ অন্ত্যত সেবা পাচ্ছে। যারা আমাদের সমালোচনা করেন তাদের শুধু বলব যে, ’অতীতে আমাদের দেশে কী অবস্থা ছিল? ’৭৫-এর পর থেকে ’৯৬ পর্যন্ত কী অবস্থাটা ছিল, সেটা যেন তারা একটু উপলব্ধি করেন। তবে কিছু ভাড়াটে লোক রয়েছে সারাক্ষণ তারা মাইক লাগিয়ে বলতেই থাকবে। তবে যে যাই বলুক আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে এবং আমরা সেই আত্মবিশ্বাস নিয়েই চলি। ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে আমরা ঘোষণা দিয়েছিলাম ২০২১ সালে বাংলাদেশকে আমরা এই পর্যায়ে নিয়ে আসব। সেটা আমরা করতে পেরেছি বলেই আজকে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ।

তিনি বলেন, জাতিসংঘের যে কর্মসূচি সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল (এসডিজি), সেটাও যেমন আমরা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি, সেই সঙ্গে আমাদের নিজেদের কর্মসূচি বাংলাদেশকে ঘিরে অর্থাৎ ২০৪১ সাল নাগাদ কেমন বাংলাদেশ আমরা দেখতে চাই সেই পরিকল্পনাও আমরা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি। সেই সঙ্গে ডেল্টা প্ল্যান করেছি। অর্থাৎ দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং আশু করণীয় নির্ধারণ করে সেভাবে আমরা কাজ করেছি। যার সুফল এখন দেশের মানুষ পাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গণভবনে দলের এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বংশানুক্রমে চাকরিতে রাখার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
                                  

নিজস্ব প্রতিনিধি

পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আবারও বংশানুক্রমে চাকরি দিতে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই সঙ্গে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কাছ থেকে তাদের জন্য নির্মিতব্য ফ্ল্যাটের ভাড়া না নিয়ে শুধুমাত্র রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় নিতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

আজ মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।

গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হন একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানান।

সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বৈঠকে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণ প্রকল্পটি নিয়ে আলোচনার সময় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন যে, পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা যেন বংশানুক্রমে কাজ (চাকরি) পায়। এ সময় বৈঠকে উপস্থিত স্থানীয় সরকার মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনায় সম্মতি জানান।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রায় ৭ হাজার ৫৮৯ কোটি ৭২ লাখ টাকা ব্যয় সংবলিত ৮টি প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৫ হাজার ৯ কোটি ৭২ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ ২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা।

৮টি বিভাগের ৫৯টি জেলার ৬৬টি উপজেলার ৬৬টি পৌরসভায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। ১৫ দশমিক ৬১ একর ভূমিতে ৩ হাজার ৪০টি আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। ফ্ল্যাটে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কাছ থেকে ভাড়া না নেওয়ার জন্য বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রকল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ পৌরসভায় কর্মরত পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আবাসন সমস্যা সমাধান। জানুয়ারি ২০২১ থেকে ডিসেম্বর ২০২৪ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পের আওতায় ৬৬টি সুয়ারেজ পরিশোধন ও গ্রাউন্ড রিচার্জসহ রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং, ১টি ডাবল কেবিন পিকআপ ও ৪০টি মোটরসাইকেল ক্রয় এবং পরামর্শ সেবা ক্রয় ইত্যাদি করা হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের গুরুত্বপূর্ণ পৌরসভায় কর্মরত পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আবাসন সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে সমাজের অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন করা সম্ভব হবে। ঢাকার চারপাশ সাজানো প্রকল্পের ব্যয় বাড়িয়ে ১ হাজার ১৮১ কোটি টাকা করা হচ্ছে। প্রকল্পের মূল ব্যয় ছিল ৮৪৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রকল্প ব্যয় বাড়ছে ৩৩২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।

বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও বালু নদীর তীরভূমির অবৈধ দখল রোধ এবং দখলমুক্ত অংশের সৌন্দর্য বর্ধন; নদীর উভয় তীরের পরিবেশগত উন্নয়ন; নদীর দখলমুক্ত তীরভূমিতে অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।

প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৮০ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ে হিলি-বুড়িমারী-বাংলাবান্ধা এলসি স্টেশনের ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। এটি বাস্তবায়ন হলে আমদানি-রপ্তানি শুল্ক আদায় বৃদ্ধি করে অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ জোরদার হবে।

রংপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার স্থাপন, অ্যাকসিলাটেরিং অ্যান্ড স্ট্রেনদেনিং স্কিলস ফর ইকোনোমিক ট্রান্সফরমেশন প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

আঞ্চলিক ডাল গবেষণা কেন্দ্র, মাদারীপুরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বৃহত্তর বরিশাল, ফরিদপুর অঞ্চলে ডাল ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি, ‘সিরাজগঞ্জ জেলায় যমুনা নদী হতে পুনরুদ্ধারকৃত ভূমির উন্নয়ন এবং প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল রক্ষা (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্প, এবং ‘সাতক্ষীরা জেলার পোল্ডার নম্বর ১৫ পুনর্বাসন’ প্রকল্প একনেক সভায় অনুমোদন পেয়েছে।

কবে খুলবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়?
                                  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবে খোলা হবে তা জানা যাবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের পর। মূলত শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিনেশনের হার ও করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেই বিশ্ববিদ্যালয় খোলার তারিখ ঘোষণা করা হবে।

শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

 
 
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খোলার কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। আমরা কোনো নির্দিষ্ট তারিখ বলিনি তবে পরিকল্পনা অনুযায়ী আগাচ্ছি। ১৫ সেপ্টেম্বর আমরা সার্বিক বিষয় পর্যবেক্ষণ করবো। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় খোলার তারিখ নির্ধারণ করতে পারব।
 
 
 
এদিকে গত ২৪ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস খোলার বিষয়ে একটি রোডম্যাপ বিবেচনায় নেওয়া হয়।
 
 
ওই রোডম্যাপের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিকা কার্যক্রমের আওতায় আনার অগ্রগতি এবং দেশের সার্বিক করোনা পরিস্থিতির আশাব্যঞ্জক উন্নয়ন হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য আগামী অক্টোবর ২০২১ বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলসমূহ সীমিত পরিসরে খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। তাই যে সকল শিক্ষার্থী এখনও টিকা কার্যক্রমের আওতায় আসেনি, তাদের আগামী ১৫  সেপ্টেম্বরের মধ্যে টিকা কার্যক্রমের আওতায় এসে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
 
এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ডোপ টেস্ট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ জন্য চিকিৎসা অনুষদের ডিনকে আহ্বায়ক করে কমিটি গঠন করা হয়েছে।
 
 
গত ৩১ আগস্ট নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সভাপতিত্ব করেন।
 
 
সিন্ডিকেট সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ডোপ টেস্ট করার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।
 
 
তিনি আরও বলেন,  আমরা এটা এখন থেকে শুরু করবো। তবে শুরু করার আগে আমাদের প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে। সেই প্রস্তুতির জন্য আমাদের মেডিকেলের ডিনকে আহ্বায়ক করে একটা কমিটি করা হয়েছে। ওই কমিটি কবে থেকে শুরু করবে, কীভাবে শুরু করা হবে, তার একটি নীতিমালা প্রণয়ন করবেন।
 

 

 
প্রধানমন্ত্রীর এপিএস হলেন ইসমাত মাহমুদা
                                  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহকারী একান্ত সচিব-১  (এপিএস) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ইসমাত মাহমুদা। বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় অনুযায়ী গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিট (জিআইইউ), প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের পরিচালক (উপসচিব) ইসমাত মাহমুদাকে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-১ হিসেবে নিয়োগ করা হলো। তিনি যতদিন প্রধানমন্ত্রীর পদ অলংকৃত করবেন অথবা ইসমাত মাহমুদাকে তার সহকারী একান্ত সচিব-১ পদে বহাল রাখার অভিপ্রায় পোষণ করবেন ততদিন এ নিয়োগ কার্যকর থাকবে।

ইসমাত মাহমুদা বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ২১তম ব্যাচের কর্মকর্তা।

স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে হকার নীতিমালা জরুরি
                                  

নগরের জনবহুল পরিসরে হকারদের ভ্রাম্যমান খাবার বিক্রয় অত্যন্ত পরিচিত দৃশ্য। নগরবাসী বিশেষ করে নিম্নমধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর খাদ্য চাহিদা পূরণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখলেও এসব হকারের নেই কোন লাইসেন্স। নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য নিশ্চিতে এসব হকারকে তদারকি করা অসম্ভব হয়ে পড়ছে। তাই স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যপণ্য নিশ্চিত করতে হকার নীতিমালা প্রণয়নের উপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

কনজ্যুমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) তথ্য অনুযায়ী প্রায় ২ লাখ ভ্রাম্যমান খাদ্য বিক্রেতা শাক-সবজি-ফলসহ বিভিন্ন ধরনের তৈরি খাবার বিক্রি করে। কিন্তু এ সকল হকারদের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা মেনে চলার জোরালো প্রবনতা নেই। 
এছাড়া, এ বিষয়ে তাদের নেই কোন প্রশিক্ষণ এবং তদারকির ক্ষেত্রেও দুর্বলতা রয়েছে। বেশিরভাগ হকারদের কোন লাইসেন্স না থাকায় তাদের কোন পরিসংখ্যান নেই, ফলে তাদের প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে আসা ও তদারকি করা অত্যন্ত কঠিন।

এ কারণে প্রয়োজন একটি হকার ব্যবস্থাপনা নীতিমালা। যার মাধ্যমে হকারদের ব্যবস্থাপনায় আনার পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশনেরও একটি আয়ের উৎস তৈরি করা সম্ভব বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
এ বিষয়গুলোকে বিবেচনায় নিয়ে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা ‘ঢাকা ফুড সিস্টেম’ প্রকল্পের আওতায় তিনমাস মেয়াদী একটি পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এর আওতায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ১০০ জন ফুড ভেন্ডরের একটি ডাটাবেস তৈরি করা হবে এবং তাদের স্বাস্থ্যবিধি, খাদ্যের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার যৌথভাবে উদ্যোগে পরিচালিত কার্যক্রমটি বাস্তবায়নে সহযোগী সংস্থা হিসেব কাজ করছে ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডব্লিউবিবি) ট্রাস্ট। এ পাইলট প্রকল্পটি সুষ্ঠু ও সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য সোমবার (২৩ আগস্ট) ১১ টায় স্ট্রীট ফুড ভেন্ডিং বিষয়ে একটি ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমান।
সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের প্রকল্প কর্মকর্তা নাঈমা আকতার।
তিনি বলেন, আমাদের একটি হকার ব্যবস্থাপনা নীতিমালা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে ভ্রাম্যমান খাবার বিক্রেতাদের লাইসেন্সিং, ডাটাবেস তৈরি, তদারকি, হকারদের দায়িত্ব ও কর্তব্য নিরূপণ ইত্যাদি সম্ভব হবে। ভ্রামমান খাবার বিক্রেতাদের লাইসেন্স দেয়া, নবায়ন ইত্যাদির মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশনের একটি আয়ের বড় উৎস তৈরি করা সম্ভব। পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশন ছাড়া যে সকল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ রয়েছে যেমন পুলিশ, শ্রম মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তাদের মধ্যেও সমন্বয় নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার ঢাকা ফুড সিস্টেম চীফ টেকনিক্যাল অফিসার জন টেইলর। ঢাকা শহরে ভ্রাম্যমান খাদ্য বিক্রেতাদের প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, নগরবাসী বিশেষত যারা দরিদ্র তারা অনেকেই ভ্রাম্যমান খাদ্য বিক্রেতাদের উপর তাদের খাদ্য চাহিদা পূরণের জন্য নির্ভরশীল। ভ্রাম্যমান খাদ্য বিক্রেতাদের স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে নগরবাসীর জন্য নিরাপদ খাদ্য যোগান নিশ্চিত করা সম্ভব।
সভার প্রধান অতিথি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমান বলেন, আমাদের শুধুমাত্র আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না বরং ভ্রাম্যমাণ খাদ্য বিক্রেতাদের একটি ব্যবস্থাপনার আওতায় নিয়ে আসার জন্য মাঠ-পর্যায়ে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। সিটি কর্পোরেশন যেহেতু এক্ষেত্রে একটি মুখ্য অংশীদার কাজেই আমাদের ভূমিকা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমরা ইতোমধ্যে তাদের কিভাবে লাইসেন্সিংয়ের আওতায় আনা যায় সে বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছি।
তিনি বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতনতার কোন বিকল্প নেই। এজন্য সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মাকসুদ হাশেম বলেন, ভ্রাম্যমান খাদ্য বিক্রয় খাদ্য চাহিদাপূরণের, কর্মসংস্থানের পাশাপাশি সামাজিকীকরণের ক্ষেত্রেও একটি ভূমিকা আছে। তারা শহরের গণপরিসরগুলো ব্যবহার করছেন। নগরব্যাপী একটি গণপরিসর ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলে হকারদের ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা সহজ হবে।
বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সদস্য প্রফেসর ড. আবদুল আলীম বলেন, এই পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে একটি ডাটাবেস পাওয়া যাবে। তাদের একটি নির্দিষ্ট জায়গায় বসার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। সিটি কর্পোরেশন থেকে যদি ভ্রাম্যমাণ খাদ্য বিক্রেতাদের রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে একটি কার্ডের ব্যবস্থা করে দেয়া হয় তাহলে সংস্থাটির আয়ের উৎস তৈরি হবে। পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ খাদ্য বিক্রেতারাও চাঁদাবাজির শিকার হবে না।
আলোচনা সভার সভাপতি ওয়ার্ক ফর এ বেটার 
বাংলাদেশ ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী বলেন, প্রতি বছর আমাদের শহরে ভ্রাম্যমাণ খাদ্য বিক্রেতার সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমাদের শহরে কত সংখ্যক ভেন্ডরের স্থান সংকুলান সম্ভব তার একটি পরিকল্পনা প্রয়োজন। পাশাপাশি তাদের একটি ডাটাবেস তৈরি আবশ্যক যাতে তাদের সহজেই প্রশিক্ষণ ও তদারকির আওতায় আনা সম্ভব হয়। ভ্রাম্যমাণ খাদ্য বিক্রেতারা আমাদের নগরবাসীর খাদ্য চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখছেন। পাশাপাশি এটি একটি বিশাল জনসংখ্যার আয়ের উৎস। ফলে উচ্ছেদ নয় তাদের ব্যবস্থাপনার আওতায় নিয়ে আসা প্রয়োজন।
ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর সিনিয়র প্রকল্প কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন ইউএনডিপি’র লাইভলিহুডস ইম্প্রুভমেন্ট অফ আরবান পুওর কমিউনিটিস (ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন) এর সোসিয়ো-ইকোনমিক অ্যান্ড নিউট্রিশন এক্সপার্ট জোহরা খানম, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সাধারণ সম্পাদক আদিল মোহাম্মদ খান, এলাইভ অ্যান্ড থ্রাইভ এর সিনিয়র এডভাইজর ড. জেবা মাহমুদ, মমতা পল্লী উন্নয়ন সংস্থার (এমপিইউএস) নির্বাহী পরিচালক মো. ইয়াকুব আলী, সিয়াম-র নির্বাহী পরিচালক মো. মাসুম বিল্লাহসহ আরো অনেকে।
শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলাকারী গ্রেপ্তার
                                  

২০০২ সালে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।শুক্রবার (২০ আগস্ট) রাতে ডিএমপির গণমাধ্যম ও গণসংযোগ শাখা থেকে এক ক্ষুদে বার্তায় বিষয়টি জানানো হয়েছে। 

এ বিষয়ে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের সহকারী কমিশনার (এসি) আবু তালেব জানান, শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

প্রসঙ্গত, ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে তৎকালিন বিরোধী দলীয় নেতা শেখ হাসিনা সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের হিজলদি গ্রামে ধর্ষণের শিকার মুক্তিযোদ্ধার এক স্ত্রীকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে দেখতে যান। সেখান থেকে যশোরে ফেরার পথে কলারোয়া উপজেলা বিএনপি অফিসের সামনে রাস্তার ওপর একটি যাত্রীবাহী বাস আড় করে দিয়ে তার গাড়ি বহরে হামলা চালানো হয়। হামলায় তৎকালীন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রকৌশলী শেখ মুজিবুর রহমান ও সাংবাদিকসহ কমপক্ষে একডজন দলীয় নেতাকর্মী আহত হন।

এ ঘটনায় থানা মামলা না নেওয়ায় ওই বছরের ২ সেপ্টেম্বর কলারোয়া মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোসলেম উদ্দিন বাদী হয়ে যুবদল নেতা আশরাফ হোসেন, আব্দুল কাদের বাচ্চুসহ ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৭০/৭৫ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বিভিন্ন আদালত ঘুরে হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১৪ সালের ১৫ অক্টোবর মামলাটি এজাহার হিসেবে গণ্য করা হয়। পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক শফিকুর রহমান ৫০ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

হত্যার পর স্ত্রীর লাশ পোড়ালেন স্বামী, অতঃপর..
                                  

চট্টগ্রামে হিন্দু পরিচয় গোপন করে মুসলিম মেয়ে ইয়াছমিন আক্তার এনিকে (২৪) বিয়ে করেছে বাবলু দে প্রকাশ তনু (৩০)। তাদের বিয়ে হয় প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে। এক পর্যায়ে বিয়ে করে সংসারও পাতেন তারা। সেই সংসারে আলো ছড়ায় দেড় বছরের একটি কন্যা সন্তানও। তবে সবকিছু লণ্ডভণ্ড হয়ে গেল এক নিমিষেই।

গত ৩ আগস্ট ওই তরুণীকে নির্যাতন করে হত্যার পর হিন্দু রীতিতে পুড়িয়ে ফেলে বাবুল। মুসলিম মেয়েকে জামাই কেন হিন্দু রীতিতে পোড়াল, এই নিয়ে শুরু হয়েছে তোলপাড়। এনিয়ে মেয়েটির পরিবার স্বামীকে প্রধান আসামি করে ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেছে।

 

মামলার পর বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) রাত ১টার দিকে পুলিশ অভিযুক্ত ওই তরুণীর স্বামী বাবলু দে তনুকে (৩০) উপজেলার জ্যৈষ্ঠপুরা বীণাপানি সংঘ পূজামণ্ডপ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।

 
এর আগে গত ১৬ আগস্ট নিহত তরুণীর মা রোকসানা বেগম বাদী হয়ে চট্টগ্রামের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এনির স্বামীসহ ১৮ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। এতে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোকারম ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রতন চৌধুরীকেও আসামি করা হয়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- মোহাম্মদ মোকারম (৫৬), পবন দাশ (৫৫), রতন চৌধুরী, সাধন মহাজন (৬০), নিমাই দে (৪৫), শংকর দত্ত (৩৩), অরবিন্দ মহাজন (৫০), অরুন দাশ (৫০), দিলীপ দেব (৪৫), প্রদীপ সুত্রধর (৪০), রাম প্রসাদ (৩৮), রনি দে (৩০), অরুপ মহাজন (৪২), সমর দাশ (৫৫), রবীন্দ্র ধর (৬০), নিপুন সেন (৬০) ও ইউসুফ প্রকাশ ড্রেজার ইউসুফ (৩৫)।

মামলার বিবরণীতে জানা যায়, গত ৩ আগস্ট বিকেল ৩টার দিকে নিহত এনির খালাতো বোন হাসিনাকে স্বামী বাবুল মুঠোফোনে জানান, এনি মারা গেছেন। হাসিনা এনির পরিবারকে খবরটি দেন। এনি স্ট্রোক করে মারা গেছেন বলে স্বামী জানান। এনির মা লাশ নিতে গ্রামের বাড়ি থেকে রওনা দেবেন বলে জানান। কিন্তু ওই রাতেই বাবুলের ভাই পরিচয়ে একজন ফোন দিয়ে এনির মাকে যেতে বারণ করেন।

 
তাকে জানানো হয়, স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ স্থানীয় লোজনের পরামর্শে লাশ সৎকার করা হয়েছে। একজন মুসলিম মেয়েকে কীভাবে সৎকার করেছেন জানতে চাইলে তাকে জানানো হয়, এলাকার চেয়ারম্যান, মেম্বার, চৌকিদার এবং প্রতিনিধিদের পরামর্শে লাশ আগুনে পুড়িয়ে সৎকার করা হয়েছে।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (এসআই) সুমন দে বলেন, ওই গৃহবধূ মুসলিম পরিবারের মেয়ে। মারা যাওয়ার পর তার লাশ আগুনে পুড়ে ফেলায় নিহতের মা এ ঘটনায় আদালতে স্বামীসহ ১৮ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে মামলা দায়ের করে তিনদিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বোয়ালখালী থানা পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন।

   Page 1 of 88
     জাতীয়
মুজিববর্ষে ইউএন সদর দপ্তরে গাছের চারা রোপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ আরও বাড়ল
.............................................................................................
যশোরে কিশোরীকে গণধর্ষণের ঘটনায় মামলা, আটক ১
.............................................................................................
শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা: আসামি আব্দুস সাত্তারের সাজা বহাল
.............................................................................................
আজ ১৬০ ইউপিতে ভোট
.............................................................................................
দুর্নীতিবাজরা যেন শাস্তি পায়, দুদককে রাষ্ট্রপতি
.............................................................................................
পুলিশের ২০ কর্মকর্তার পদায়ন
.............................................................................................
ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি উদ্ধারের পথ খুঁজুন: কমনওয়েলথকে অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
গভীর রাতে বাবা-মায়ের কবরের পাশে কাঁদলেন শামীম ওসমান
.............................................................................................
হাতুড়ি-শাবল দিয়ে আশ্রয়ণের ঘর ভেঙেছে কিছু লোক : প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বংশানুক্রমে চাকরিতে রাখার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
.............................................................................................
কবে খুলবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়?
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রীর এপিএস হলেন ইসমাত মাহমুদা
.............................................................................................
স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে হকার নীতিমালা জরুরি
.............................................................................................
শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলাকারী গ্রেপ্তার
.............................................................................................
হত্যার পর স্ত্রীর লাশ পোড়ালেন স্বামী, অতঃপর..
.............................................................................................
ঘাতকচক্রের লক্ষ্য ছিল স্বৈরশাসন ও জঙ্গিবাদ প্রতিষ্ঠা করা: রাষ্ট্রপতি
.............................................................................................
গ্রেনেড মামলার রায়ে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের চির অবসান হবে:
.............................................................................................
২১ আগস্ট: নৃশংস হত্যাযজ্ঞের ভয়াল দিন
.............................................................................................
পাবজি-ফ্রি ফায়ার বন্ধে হাইকোর্টের আদেশে যা রয়েছে
.............................................................................................
১৫ ই আগস্ট: কাল থেকে কালান্তরে জ্বলবে এ শোকের আগুন
.............................................................................................
আজ জাতীয় শোক দিবস
.............................................................................................
বাসায় টিকা দেওয়ার ছবি পোস্ট করে ধরা যুবক
.............................................................................................
শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
.............................................................................................
যে কারণে সাকিবের ১ ওভারে ৫ ছক্কা
.............................................................................................
বঙ্গমাতার জীবন ও কর্ম থেকে নারীদের শিক্ষা নেওয়া দরকার
.............................................................................................
বিশ শতকের সেরা বাঙালি নারী বঙ্গমাতা: ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
বিএনপি নেতারা চুপিচুপি টিকা নিচ্ছেন: তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
নারায়ণগঞ্জ অগ্নিকাণ্ড: ডিএনএ পরীক্ষায় ৪৫ জনের পরিচয় শনাক্ত
.............................................................................................
দশ বছরের ভাইটাকেও সবশেষে হত্যা করে ঘাতকরা: শেখ হাসিনা
.............................................................................................
ডেঙ্গু: মন্ত্রী দিলেন ভয়, মেয়রের অভয়
.............................................................................................
শামসুল আলম আনুর মৃত্যুতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর শোক
.............................................................................................
শিল্প-কারখানা শ্রমিকদের সুবিধার্থে লঞ্চ চালু
.............................................................................................
বয়স ২৫ হলেই নেওয়া যাবে করোনার টিকা
.............................................................................................
কোরবানির গরু উপহার দিলেন আইনমন্ত্রী
.............................................................................................
দেশব্যাপী এক কোটি মাস্ক দেবে এফবিসিসিআই
.............................................................................................
২৩ জুলাই থেকে আবারো কঠোর বিধিনিষেধ
.............................................................................................
সাবেক এমপি তুহিন এর সৌজন্যে ‘করোনা প্রতিরোধক বুথ’
.............................................................................................
নেপালের প্রধানমন্ত্রীকে ১ টন আম উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
জলাবদ্ধতা নিরসনে সব দপ্তরের সমন্বয় প্রয়োজন’
.............................................................................................
যে কোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় তৎপর পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়
.............................................................................................
ভাসানী থেকে হাসিনা যুগ
.............................................................................................
নাসির দোষী সাব্যস্ত হলে ব্যবস্থা: জিএম কাদের
.............................................................................................
৬ দিন বিরতির পর সংসদ অধিবেশন শুরু
.............................................................................................
কারা অর্থ পাচার করে, জানেন না অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়বে
.............................................................................................
বাজেটে যেসব পণ্যের দাম কমবে
.............................................................................................
প্রস্তাবিত বাজেট মন্ত্রিসভায় অনুমোদন
.............................................................................................
সংসদে বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
ধূমপায়ীদের জন্য দুঃসংবাদ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম.এ মান্নান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আজমল হোসেন বাবু। র্বাতা সম্পাদক আবু ইউসুফ আলী মন্ডল, ফোন ০১৬১৮৮৬৮৬৮২

ঠিকানাঃ বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়- নারায়ণগঞ্জ, সম্পাদকীয় কার্যালয়- জাকের ভিলা, হাজী মিয়াজ উদ্দিন স্কয়ার মামুদপুর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। শাখা অফিস : নিজস্ব ভবন, সুলপান্দী, পোঃ বালিয়াপাড়া, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ-১৪৬০, রেজিস্ট্রেশন নং 134 / নিবন্ধন নং 69 মোবাইল : 01731190131, 01930226862, E-mail : mannannews0@gmail.com, web: notunbazar71.com, facebook- notunbazar / সম্পাদক dhaka club
    2015 @ All Right Reserved By notunbazar71.com

Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop