| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   শিক্ষা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
এইচএসসি পরীক্ষায় যেসব নির্দেশনা মানতে হবে

আগামী ২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) বিভাগ। রোববার (২৮ নভেম্বর) সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্দেশনাগুলো তুলে ধরা হলো-

 পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে ঢুকে আসন গ্রহণ করতে হবে

 

পরীক্ষার্থীদের।

 

 

 

> কোনো কারণে নির্ধারিত সময়ের পর পরীক্ষা কেন্দ্রে আসলে রেজিস্ট্রারে নাম, রোল নম্বর, প্রবেশের সময় ও বিলম্বের কারণ উল্লেখ করতে হবে। বিলম্বে আসা পরীক্ষার্থীদের তালিকা প্রতিদিন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে অবহিত করবেন।

 

 

 

> পরীক্ষা কেন্দ্রে অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা মোবাইল ফোনের সুবিধাসহ ঘড়ি, কলম বা অননুমোদিত ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন না। তবে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছবি তোলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধাবিহীন একটি সাধারণ (ফিচার) ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। অননুমোদিত ফোন/ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

 

 

 

> ট্রেজারি/থানা/নিরাপত্তা হেফাজত থেকে প্রশ্নপত্র গ্রহণ ও পরিবহন কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা, শিক্ষক, কর্মচারীরা ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। প্রশ্নপত্র বহন কাজে কালো কাচযুক্ত মাইক্রোবাস বা এরূপ কোনো যানবাহন ব্যবহার করা যাবে না।

 

 

 

> প্রত্যেক কেন্দ্রের জন্য একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট/কর্মকর্তা (ট্যাগ অফিসার) নিয়োগ দিতে হবে। ট্রেজারি/থানা/নিরাপত্তা হেফাজত থেকে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তার মনোনীত উপযুক্ত প্রতিনিধি ট্যাগ অফিসারসহ প্রশ্নপত্র গ্রহণ করে পুলিশি পাহারায় কেন্দ্রে নিয়ে যাবেন।

 

 

 

> নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট/কর্মকর্তার (ট্যাগ অফিসার) উপস্থিতি ছাড়া প্রশ্ন বের করা যাবে না বা বহন করা যাবে না।

 

 

 

> ট্রেজারি/থানা/নিরাপত্তা হেফাজত থেকে পরীক্ষার কেন্দ্রে বহুমুখী নির্বাচনী প্রশ্নসহ রচনামূলক/সৃজনশীলের সব সেট প্রশ্নই নিতে হবে। প্রশ্নের সেট কোড পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে জানানো হবে। সে অনুযায়ী নির্ধারিত সেট কোডে পরীক্ষা নিতে হবে।

 

 

 

> কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ট্যাগ অফিসার), কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং পুলিশ কর্মকর্তার উপস্থিতি ও স্বাক্ষরে বিধি অনুযায়ী প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খুলতে হবে।

 

 

 

> পরীক্ষা চলাকালীন এবং এর আগে-পরে পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি ছাড়া অন্যদের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে। এ সময় পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশকারী অননুমোদিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

 

 

 

> অনিবার্য কারণে পরীক্ষা বিলম্বে শুরু করতে হলে যত মিনিট পরে পরীক্ষা শুরু হবে পরীক্ষার্থীদের সে সময় দিতে হবে।

 

 

 

> পরীক্ষা কেন্দ্রে ও প্রশ্ন পরিবহনে দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্কতার সাথে দায়িত্ব পালন করবেন।

 

 

 

> প্রশ্নপত্র ফাঁস কিংবা পরীক্ষার্থীদের কাছে উত্তর সরবরাহে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জেলা প্রশাসন কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেবে।

 

 

 

> সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত গুজব কিংবা এ কাজে তৎপর চক্রগুলোর কার্যক্রমের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ নজরদারি জোরদার করবে।

 

 

 

> করোনা মহামারির কারণে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে পরীক্ষা অনুষ্ঠান নিশ্চিত করতে হবে। একজনের বেশি অভিভাবক পরীক্ষার্থীর সঙ্গে আসতে পারবেন না।

 

 

 

> মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ৫ সেপ্টেম্বর জারি করা গাইডলাইনের নির্দেশনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতিপালন করতে হবে।

এইচএসসি পরীক্ষায় যেসব নির্দেশনা মানতে হবে
                                  

আগামী ২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) বিভাগ। রোববার (২৮ নভেম্বর) সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্দেশনাগুলো তুলে ধরা হলো-

 পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে ঢুকে আসন গ্রহণ করতে হবে

 

পরীক্ষার্থীদের।

 

 

 

> কোনো কারণে নির্ধারিত সময়ের পর পরীক্ষা কেন্দ্রে আসলে রেজিস্ট্রারে নাম, রোল নম্বর, প্রবেশের সময় ও বিলম্বের কারণ উল্লেখ করতে হবে। বিলম্বে আসা পরীক্ষার্থীদের তালিকা প্রতিদিন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে অবহিত করবেন।

 

 

 

> পরীক্ষা কেন্দ্রে অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা মোবাইল ফোনের সুবিধাসহ ঘড়ি, কলম বা অননুমোদিত ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন না। তবে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছবি তোলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধাবিহীন একটি সাধারণ (ফিচার) ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। অননুমোদিত ফোন/ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

 

 

 

> ট্রেজারি/থানা/নিরাপত্তা হেফাজত থেকে প্রশ্নপত্র গ্রহণ ও পরিবহন কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা, শিক্ষক, কর্মচারীরা ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। প্রশ্নপত্র বহন কাজে কালো কাচযুক্ত মাইক্রোবাস বা এরূপ কোনো যানবাহন ব্যবহার করা যাবে না।

 

 

 

> প্রত্যেক কেন্দ্রের জন্য একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট/কর্মকর্তা (ট্যাগ অফিসার) নিয়োগ দিতে হবে। ট্রেজারি/থানা/নিরাপত্তা হেফাজত থেকে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তার মনোনীত উপযুক্ত প্রতিনিধি ট্যাগ অফিসারসহ প্রশ্নপত্র গ্রহণ করে পুলিশি পাহারায় কেন্দ্রে নিয়ে যাবেন।

 

 

 

> নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট/কর্মকর্তার (ট্যাগ অফিসার) উপস্থিতি ছাড়া প্রশ্ন বের করা যাবে না বা বহন করা যাবে না।

 

 

 

> ট্রেজারি/থানা/নিরাপত্তা হেফাজত থেকে পরীক্ষার কেন্দ্রে বহুমুখী নির্বাচনী প্রশ্নসহ রচনামূলক/সৃজনশীলের সব সেট প্রশ্নই নিতে হবে। প্রশ্নের সেট কোড পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে জানানো হবে। সে অনুযায়ী নির্ধারিত সেট কোডে পরীক্ষা নিতে হবে।

 

 

 

> কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ট্যাগ অফিসার), কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং পুলিশ কর্মকর্তার উপস্থিতি ও স্বাক্ষরে বিধি অনুযায়ী প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খুলতে হবে।

 

 

 

> পরীক্ষা চলাকালীন এবং এর আগে-পরে পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি ছাড়া অন্যদের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে। এ সময় পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশকারী অননুমোদিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

 

 

 

> অনিবার্য কারণে পরীক্ষা বিলম্বে শুরু করতে হলে যত মিনিট পরে পরীক্ষা শুরু হবে পরীক্ষার্থীদের সে সময় দিতে হবে।

 

 

 

> পরীক্ষা কেন্দ্রে ও প্রশ্ন পরিবহনে দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্কতার সাথে দায়িত্ব পালন করবেন।

 

 

 

> প্রশ্নপত্র ফাঁস কিংবা পরীক্ষার্থীদের কাছে উত্তর সরবরাহে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জেলা প্রশাসন কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেবে।

 

 

 

> সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত গুজব কিংবা এ কাজে তৎপর চক্রগুলোর কার্যক্রমের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ নজরদারি জোরদার করবে।

 

 

 

> করোনা মহামারির কারণে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে পরীক্ষা অনুষ্ঠান নিশ্চিত করতে হবে। একজনের বেশি অভিভাবক পরীক্ষার্থীর সঙ্গে আসতে পারবেন না।

 

 

 

> মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ৫ সেপ্টেম্বর জারি করা গাইডলাইনের নির্দেশনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতিপালন করতে হবে।

হাফ ভাড়া দিতে চাওয়ায় ধর্ষণের হুমকি,
                                  

বাসে হাফ ভাড়া দিতে চাওয়ায় বদরুন্নেসা মহিলা কলেজের এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের হুমকি দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে সকাল থেকে বকশীবাজার কলেজের সামনে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা।

ভুক্তভোগী ছাত্রীদের অভিযোগ, শনির আখড়া থেকে কলেজে প্রতিদিন ১০ টাকা করে ভাড়া দিয়ে আসলেও নতুন ভাড়া নির্ধারণ হওয়ার পর হাফ ভাড়া নেয়া হচ্ছে না। অশোভন আচরণ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

শনিবার ঠিকানা পরিবহনের এক ড্রাইভারের সহকারী এক শিক্ষার্থীকে হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

ধর্ষণের হুমকির বিচার ও হাফ পাস ভাড়ার দাবিতে রোববার সকালে বদরুন্নেসা কলেজ ক্যাম্পাস থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিল বের করতে চাইলে আগে থেকেই কলেজফটকে অবস্থানে থাকা পুলিশ বাধা দেয়।

পরে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সেখানে গেলে ফটক খুলে দেয়া হয়। সকাল ১০টার কিছুক্ষণ পরে কয়েকশ শিক্ষার্থী মিছিল নিয়ে বকশীবাজার মোড়ে গিয়ে রাস্তা আটকে অবস্থান নেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ বলে স্লোগান দেয়। তাদের হাতে ‘হাফ পাস আমাদের অধিকার’, ‘এই হলো দেশের কঠোর বাস্তবতা, নিজের অধিকার চাইতে মেলে ধর্ষণের বার্তা’ প্রভৃতি লেখা প্ল্যাকার্ড ছিল।

গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ পাস ভাড়া নির্ধারণের জন্য তারা সরকারের কাছে দাবি জানান।নতুন ভাড়া কার্যকরের পর থেকেই হাফ ভাড়ার দাবিতে আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা। আগামী ২৪ নভেম্বরের মধ্যে হাফভাড়ার দাবি মেনে না নিলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

এসএসসির প্রথম দিনে রাজশাহী বোর্ডে অনুপস্থিত ৪৬৩ শিক্ষার্থী
                                  

কভিড-১৯ মহামারীর কারণে নির্ধারিত সময় ব্যহত হওয়ার সাড়ে আট মাস পর সারা দেশে একযোগে শুরু হয়েছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এবার সোয়া ২২ লাখ শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। প্রথম দিন পদার্থ বিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) পরীক্ষায় রাজশাহী বোর্ডে অনুপস্থিত ছিল ৪৬৩ জন শিক্ষার্থী।

আজ রোববার শুরু হওয়া পরীক্ষায় রাজশাহীর কেন্দ্রগুলোয় শৃঙ্খলা বর্হিভূত কর্মকাণ্ড বা কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পরীক্ষার্থীরা নভেল করোনাভাইরাস সম্পর্কিত স্বাস্থ্যবিধি মেনেই অংশ নিয়েছে। 

সন্ধ্যায় রাজশাহী বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরিফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ২৬৮টি কেন্দ্রে একযোগে আজ  পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এদিন মোট ৮৯ হাজার ৮৮৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নেয়ার কথা ছিল। কিন্তু, পরীক্ষায় বসেছে ৮৯ হাজার ৪২৩ জন। অনুপস্থিত ছিল ৪৬৩ জন। অনুপস্থিতির হার দশমিক ৫৮ শতাংশ।

প্রথম দিন সব চেয়ে বেশি সংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল বগুড়ার ৪১ কেন্দ্রে। সেখানকার  ৯৬ শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। এছাড়া, নওগার ৩৯ কেন্দ্রে ৮৬, সিরাজগঞ্জের ৪৬ কেন্দ্রে ৭৬, রাজশাহীর ৫২ কেন্দ্রে ৬৪, পাবনার ৩১ কেন্দ্রে ৫৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১৬ কেন্দ্রে ৩০, নাটোরের ২৬ কেন্দ্রে ২৮ এবং জয়পুরহাটের ১৭ কেন্দ্রে ২৭ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, এ বছর রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের আওতায় সবমিলিয়ে পরীক্ষায় বসছে ২ লাখ ৭ হাজার ৫৬৮ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে ১ লাখ ৮ হাজার ৯১৬ জন ছাত্র এবং ৯৮ হাজার ৬৫২ জন ছাত্রী। বিভাগের আট জেলার ২৬৮ কেন্দ্রে একযোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।এবারের পরীক্ষায় নিয়মিত পরীক্ষার্থী রয়েছে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৫৪৫ জন। এছাড়া ১৯ হাজার ৭৬১ জন অনিয়মিত এবং ২৬২ জন মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। তবে পরীক্ষার আগেই ঝরে পড়ল রাজশাহী বিভাগের ১১ দমমিক ৬২ শতাংশ শিক্ষার্থী।

এ বছর বিজ্ঞান বিভাগ থেকে অংশ নিচ্ছে ৮১ হাজার ২২৪  জন। এছাড়া মানবিক বিভাগ থেকে ১ লাখ ১৪ হাজার ৭২৫ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ১১ হাজার ৬১৯ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।

সবগুলো বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে এবার ১ লাখ ৯১ হাজার ৬৬৫  জন। এছাড়া এক বিষয়ে ১৩ হাজার ৮১৭ জন, দুই বিষয়ে ১ হাজার ৭৬৯ জন, তিন বিষয়ে ২৬০ জন এবং চার বিষয়ে ৫৭ জন পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

বড় সিলেবাসে আর পরীক্ষা হবে না : শিক্ষামন্ত্রী
                                  

বড় সিলেবাসে আর পরীক্ষা হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। আজ রোববার রাজধানীর টিকাটুলিতে শেরে বাংলা বালিকা মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষে দেয়ালিকা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে কাজ করছে বর্তমান সরকার। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে, বিজ্ঞানমনস্ক ও মানবিক গুণাবলীসম্পন্ন আগামী প্রজন্ম গড়ে তুলতে এই নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করা হচ্ছে। নতুন পাঠ্যক্রমের আরেকটি উদ্দেশ্য হচ্ছে— শিক্ষা হবে আনন্দময়। সারাক্ষণ পরীক্ষার ভয় আর অনেক অনেক বইয়ের চাপ শুধু যেন না হয়। বিশাল সিলেবাসের পরীক্ষা আর হবে না। সারা বছরে স্কুলে বিভিন্ন কার্যক্রমের ভিত্তিতেই শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে।’

 

প্রসঙ্গত, করোনার কারণে দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের কারণে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ২০২১ সালের এসএসসি ও এইচএসসি সমমানের পরীক্ষা নেওয়ার আয়োজন করা হয়েছে। অন্যদিকে নতুন শিক্ষাক্রমে পরীক্ষা নির্ভর মূল্যায়নের চেয়ে ধারাবাহিক মূল্যায়নের গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বেশি। সেই বিবেচনায় আগে থেকে শিক্ষামন্ত্রী বলে আসছেন, পরীক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হবে। জিপিএ-৫ ও পরীক্ষা ও সনদ নির্ভর শিক্ষা থেকে বেরিয়ে আসার পরিকল্পনার কথাও জানান শিক্ষামন্ত্রী।

শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।

৫৯৩ দিন পর শাবিপ্রবিতে সশরীরে ক্লাস
                                  

শাবিপ্রবি (সিলেট): দীর্ঘ ৫৯৩ দিন পর মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) সশরীরে ক্লাস শুরু হয়েছে। এদিন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে মুখে মাস্ক পরে ক্লাসে অংশ নেন।

 

এর আগে গত ২৫ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের সব আবাসিক হল খুলে দেয় প্রশাসন।

কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিবুল আহসান বলেন, দীর্ঘদিন পর ক্লাসে ফিরতে পেরে অনেক ভালো লাগছে। অনিশ্চিত একটা জীবন থেকে আবারও বন্ধু-বান্ধব, ক্লাস, ক্যাম্পাস, আড্ডা সবকিছু ফিরে পেয়ে অনেক আনন্দ লাগছে।

পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী সিনথিয়া আফরোজা বলেন, আজকের দিনটা আমার কাছে ঈদের মতো লাগছে। সবাইকে ফিরে পেয়ে আরেকটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আবারও গল্প, আড্ডা, ঘোরাঘুরি হবে ভাবতেই অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করে। মনে হচ্ছে আবারও নতুনভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবন শুরু করছি।

সার্বিক বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, গত ২৫ অক্টোবর আমরা আবাসিক হলগুলি খুলে দিয়েছি। শিক্ষার্থীরা আজ (২ নভেম্বর) থেকে সশরীরে ক্লাস শুরু করেছে। তবে ক্যাম্পাসে অবস্থানকালীন সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান থাকবে।

তিনি বলেন, এরই মধ্যে অনলাইনে আমাদের শিক্ষার্থীদের দুই সেমিস্টারের ক্লাস, পরীক্ষা শেষ করতে পেরেছি। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনেক প্রচেষ্টা ছিল, অন্যথায় এগুলো সম্ভব ছিল না। এখন যেহেতু সরাসরি ক্লাস শুরু হয়েছে, চেষ্টা করবো করোনার গ্যাপটা কিছুটা হলেও পূরণ করতে। আশাকরি এখন থেকে সব পরীক্ষা, ক্লাস সঠিক সময়ে অনুষ্ঠিত হবে।

উপাচার্য বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশির শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী টিকার আওতায় এসেছেন। তবুও শতভাগ টিকা নিশ্চিত করতে যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নেই, তাদের জন্য পরিচয়পত্র নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এজন্য তাদেরকে ৪ নভেম্বরের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে বলা হয়েছে।

সিলেটে লক্ষাধিক পরীক্ষার্থী, ছাত্রদের চেয়ে ছাত্রী বেশি
                                  

সিলেট: এবার মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে রীতিমতো দৌঁড়ের ওপর আছেন শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা। পরীক্ষা নেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে খাতা দেখা সম্পন্ন করা, এক মাসের মধ্যে ফলাফল দিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বোর্ডগুলোকে সময় বেঁধে দিয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট বোর্ডের সংশ্লিষ্টরা।

 



এ অবস্থায় সিলেটসহ সারা দেশে ১৪ নভেম্বর শুরু হচ্ছে এসএসসি পরীক্ষা। শিক্ষা জীবনের প্রথম সনদ অর্জনে এ বছর সিলেট বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন এক লাখ ২১ হাজার ১৩১ জন পরীক্ষার্থী। এরমধ্যে ছাত্র ৫৩ হাজার ৯৪০ জন এবং ছাত্রী ৬৭ হাজার ১৯১ জন। অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের মধ্যে মেয়েদের সংখ্যা বেশি ১৩ হাজার ২৫১ জন।
অবশ্য করোনার অতিমারি কাটিয়ে ওঠায় গত বছরের তুলনায় এবার পরিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ৪ হাজার ৭৬১ জন। এর মধ্যে ছাত্র সংখ্যাই বেড়েছে ৩ হাজার ৯৮৭ জন এবং ছাত্রী সংখ্যা ৭৭৪ জন।  

গত বছর (২০২০ সাল) এসএসসিতে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ১৬ হাজার ৩৭০ জন। তন্মধ্যে ছেলে ৪৯ হাজার ৯৫৩ জন এবং মেয়ে ছিল ৬৬ হাজার ৪১৭ জন।  

সিলেট বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর অরুণ চন্দ্র পাল বাংলানিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, বোর্ডের অধীনে এবার ৯১৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক লাখ ২১ হাজার ১৩১ জন পরীক্ষার্থী এবার ১৪৬ কেন্দ্রে বসবেন।

তিনি বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। ছেলেদের চেয়ে মেয়ে পরীক্ষার্থী বেশি হলেও গত বছরে তুলনায় এবার ছেলে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে।  
তিনি আরও জানান, এবার বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ২১ হাজার ৬২৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। গত বছর এই সংখ্যা মাত্র একজন বেশি অর্থাৎ ২১ হাজার ৬৩০ জন ছিল। মানবিক বিভাগ থেকে সর্বাধিক ৮৯ হাজার ৯৪৪ জন ছেলে-মেয়ে পরীক্ষায় অংশ নেবেন। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৮৪ হাজার ৫২৩ জন। মানবিকে এবার পরীক্ষার্থী বেড়েছে ৫ হাজার ৪২১ জন। আর ব্যবসা শিক্ষায় গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থী কমেছে ৬৫৯ জন। ব্যবসা শাখা থেকে এবার ৯ হাজার ৫৫৮ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন। গত বছর অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল ১০ হাজার ২১৭ জন।  

সংশ্লিষ্টরা জানান, বোর্ডের অধীনে সিলেট জেলায় ৩৫৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে  ৪৩ হাজার ৫১৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে ছাত্র ১৯ হাজার ৭২৫ জন ও ছাত্রী ২৩ হাজার ৭৯২ জন। সুনামগঞ্জ জেলায় ২১৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ২৬ হাজার ৪৫৯ জন পরীক্ষায় অংশ নেবেন। এর মধ্যে ছাত্র ১২ হাজার ৩১৫ জন ও ছাত্রী সংখ্যা ১৪ হাজার ১৪৪ জন। হবিগঞ্জ জেলায় ১৬৫ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২৪ হাজার ৪১৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবেন। এর মধ্যে ছাত্র ১০ হাজার ৭৬৫ জন ও ছাত্রী ১৩ হাজার ৬৪৯ জন।
মৌলভীবাজার জেলায় ১৮৫ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২৬ হাজার ৭৪১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবেন। তন্মধ্যে ছাত্র ১১ হাজার ১৩৫ জন ও ছাত্রী সংখ্যা ১৫ হাজার ৬০৬ জন।
 
এর আগে, ২৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপ-সচিব খালেদা আক্তার স্বাক্ষরিত এসএসসি পরীক্ষার এই সময়সূচি প্রকাশ করা হয়।  
এতে বলা হয়েছে, বিশেষ প্রয়োজনে বোর্ড কর্তৃপক্ষ এ সময়সূচি পরিবর্তন করতে পারেন।  


সময়সূচির বিশেষ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার সময় দেড় ঘণ্টা। এক্ষেত্রে এমসিকিউ ও সিকিউ উভয় অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনও বিরতি থাকবে না। সময়সূচি অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে দুই শিফটে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সকালের পরীক্ষা ১০টায় এবং বিকেলের পরীক্ষা শুরু হবে ২টায়।

রুটিন অনুযায়ী, রোববার (১৪ নভেম্বর) প্রথমদিন শুধু সকালে পদার্থ বিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ১৫ নভেম্বর সকালে বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা এবং বিকেলে হিসাব বিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ১৬ নভেম্বর সকালে রসায়ন (তত্ত্বীয়) বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ১৮ নভেম্বর সকালে শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে। ২১ নভেম্বর সকাল ও বিকেলে যথাক্রমে ভুগোল ও পরিবেশ এবং ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ২২ নভেম্বর সকালে উচ্চতর গণিত এবং জীববিজ্ঞান (ঐচ্ছিক) বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ২৩ নভেম্বর শেষদিনে সকালে পৌরনীতি ও নাগরিকতা এবং অর্থনীতি বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিকেলে ব্যবসায় উদ্যোগ বিষয়ে পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের এসএসসি পরীক্ষা। 

বীরগঞ্জে বিনামূল্যে ১৫৮৪ জন শিশুদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ
                                  

মোঃ আফজাল হোসেন দিনাজপুর প্রতিনিধি
দিনাজপুরের গুডনেইবারস্ বাংলাদেশ বীরগঞ্জ সিডিপির আয়োজনে গিফট এ্যান্ড কাইন্ড কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার বিকেলে বীরগঞ্জ সিডিপির সভাকক্ষে সিডিপির ম্যানেজার প্রাঞ্জলী মৃ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে আইডিভুক্ত ১৫শত ৩২ জন এবং ৫২ জন লোকাল আইডিভুক্ত শিশুদের মাঝে উপকরণ বিতরণ ও বক্তব্য রাখেন সাবেক সংসদ সদস্য ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিডিসি সভাপতি মি. প্রফুল্ল কর্মকার। এসময় সিডিপির অন্যান্য কর্মীবৃন্দ সহ শিশুদের মায়েরা উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষা উপকরণ হিসেবে স্কুল ব্যাগ, রং পেনসিল, রং পেনসিল বক্স, রাবার, পেন্সিল কাটার, স্ক্যাল, পানির বোতল, স্ক্যাচ খাতা, টুথ ব্রাশ, টুথ পেস্ট ও ডিটারজেন্ট পাউডার বিতরণ করা হয়।

 

প্রাথমিকে শূন্য পদে নিয়োগ শিগগিরই
                                  

নিজস্ব প্রতিনিধি

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন শূন্য পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শিগগিরই সম্পন্ন করা হবে। গতকাল রোববার জাতীয় সংসদের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১৪তম বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়। কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সদস্য মেহের আফরোজ, আলী আজম এবং মো. মোশারফ হোসেন বৈঠকে অংশ নেন। এদিন এর আগে অনুষ্ঠিত সব বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্ত/সুপারিশ বাস্তবায়ন অগ্রগতির প্রতিবেদন উপস্থাপন ও পর্যালোচনা করা হয়। মন্ত্রণালয় হতে জানানো হয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন শূন্য পদের বিপরীতে এবং ছাত্র সংখ্যার অনুপাতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষকসহ অন্যান্য সহায়ক জনবলের বিপরীতে পদ সৃজন ও নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। শিগগিরই নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হবে। ঢাকা মহানগরী ও পূর্বাচলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ দৃষ্টিনন্দনকরণ প্রকল্পের আওতায় ২০২০-২১ অর্থ বছরে যেসব বিদ্যালয়ে অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে কোনো আইনি জটিলতা নেই, সেসব বিদ্যালয় নির্বাচিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টেন্ডার প্রক্রিয়া দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য কমিটি পুনরায় সুপারিশ করে। বৈঠকে জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষক এখনও বেতন পাননি দ্রুত তাদের বেতন প্রাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়। এছাড়াও এডিপিও পদে কর্মরতদের ডিপিও পদে পদোন্নতির বিষয়ে যৌক্তিকতা নিরুপণপূর্বক যোগ্য এডিপিও পদে কর্মরতদের দ্রুত পদোন্নতি দেওয়ার জন্য কমিটি সুপারিশ করে। কমিটির ইতোপূর্বে সুপারিশকৃত স্কুল ফিডিং প্রকল্পে পুনর্গঠিত ডিপিপিতে শিক্ষার্থীদের মাদেরকে সম্পৃক্ত করে এবং মানসম্মত খাবার নিশ্চিতকল্পে উপবৃত্তির অর্থের সঙ্গে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ অতিরিক্ত বরাদ্দের বিষয়ে কমিটির পরবর্তী বৈঠকে অবহিত করার জন্য বলা হয়। বৈঠকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষক জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি প্রাপ্ত সেসব শিক্ষকের মেধা দেশের অন্য কোনো উন্নয়নমূলক কাজে লাগানো যায় কিনা তা বিবেচনা করার জন্য মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ দিয়েছে কমিটি। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

এসএসসি পরীক্ষা হতে পারে ৫-১০ নভেম্বর, এইচএসসি ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে
                                  

স্টাফ রিপোর্টার

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা আগামী ৫ থেকে ১০ নভেম্বর এবং এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নেওয়ার সম্ভাব্য সূচি তৈরি করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটি। পরীক্ষার শুরুর দুই সপ্তাহ আগে চূড়ান্ত সূচি নির্ধারণ করে তা প্রকাশ করা হবে। গতকাল রোববার সোশ্যাল মিডিয়ায় এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ হয়েছে বলে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়। এ ছাড়া অন্যান্য পরীক্ষা (জেএসসি-জেডিসি) নিয়েও বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছিলো। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ বলেন, আমরা এসএসসি পরীক্ষা শুরু করতে চাই ৫ থেকে ১০ নভেম্বরের মধ্যে। আর এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে। বোর্ড থেকে এখনও চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। সোশ্যাল মিডিয়ায় পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ হয়েছে বলে প্রচার হচ্ছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে অধ্যাপক নেহাল আহমেদবলেন, এখনও চূড়ান্ত কোনও তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। পরীক্ষার তারিখ এত অগ্রিম দেওয়া হবে না। চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ হবে পরীক্ষা শুরুর দুই সপ্তাহ আগে। তাছাড়া আমরা যদি চূড়ান্ত করেও থাকি তারপরও পরীক্ষার দু’একদিন আগেও তারিখ পরিবর্তন হতে পারে। তাই যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা প্রকাশ না করবো ততক্ষণ পর্যন্ত আগেই বলার কিছু নেই। এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছিলেন, নভেম্বরের মাঝামাঝি এসএসসি ও ডিসেম্বরের শুরুতে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষার দুই সপ্তাহ আগে পরীক্ষার তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, প্রতিবছর ফেব্রুয়ারির শুরুতে এসএসসি এবং এপ্রিলের শুরুতে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু করোনার কারণে দেড় বছর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। কয়েক দফা ছুটি শেষে গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকপর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হয়।

স্কুলে যেতে সাঁকো তৈরি, শিশুদের মুখে হাসি
                                  

সারা দেশের মতো গাজীপুরেও স্কুল ও কলেজ খুলেছে। শিশুদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণ।

বন্যার পানির কারণে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ১৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলেনি। তবে উপজেলার ভাউমান টালাবহ মডেল হাইস্কুলের অভিভাবক ও শিক্ষকেরা মিলে তৈরি করেছেন বাঁশের সাঁকো। সেই সাঁকো দিয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে ক্লাস করেছে শিক্ষার্থীরা।

টালাবহ গ্রামের শিক্ষার্থী মিম আক্তার বলে, ‘স্কুলের মাঠে পানি জমে থাকলেও স্যার ও অভিভাবকেরা স্কুলে যাওয়ার জন্য বাঁশের সাঁকো তৈরি করে দিয়েছেন। কষ্ট হলেও দীর্ঘদিন পর স্কুল খুলেছে। তাই চলে এসেছি।’

ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান বলে, ‘বহুদিন পর স্কুলে এসে খুবই ভালো লাগছে। বন্ধু ও স্যারদের সঙ্গে দেখা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমরা ক্লাস করেছি।’

সারা দেশের মতো গাজীপুরেও স্কুল ও কলেজ খুলেছে। গতকাল রোববার সকালেই পরিপাটি স্কুল পোশাক পরা শিশুদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণ। স্কুলের ফটকে শিক্ষকেরা অভ্যর্থনা জানান শিক্ষার্থীদের। স্কুলটি সাজানো হয় বাহারি সাজে।

শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে শিশুদের তাপমাত্রা পরীক্ষা করেন। জীবাণুনাশক দিয়ে হাত পরিষ্কার করা হয়। মাস্কের ব্যবহার নিশ্চিত করে স্কুলের আঙিনায় ঢুকতে দেওয়া হয় শিক্ষার্থীদের।

ভাউমান গ্রামের বাসিন্দা ও শিশুর অভিভাবক আজহারুল ইসলাম বলেন, স্কুল বন্ধ রাখতে বলা হয়েছিল। কিন্তু ছেলেমেয়েরা স্কুলে যেতে চায়। তাই শিক্ষকদের সহযোগিতা নিয়ে গত শনিবার এক দিনের মধ্যেই স্কুলের সামনে বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়।

টালাবহ গ্রামের বাসিন্দা আবদুল বাছেদ মিয়া বলেন, ‘আমাগো পোলাপাইন স্কুলে যাওয়ার জন্য পাগল হয়ে আছে। এত দিন পর স্কুল খুলছে, অথচ বন্যার পানির কারণে স্কুলে যেতে পারবে না, এইটা কি হইতে পারে। তাই সবার উদ্যোগে সাঁকো বানানো হয়।’

 

খুলছে স্কুল-কলেজ, আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে যেসব
                                  

অবশেষে শ্রেণিকক্ষে ফিরছে শিক্ষার্থীরা। আগামী ৭ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় দ্রুত খোলার সিদ্ধান্ত নিতে চলতি সপ্তাহে উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি।

রোববার (০৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।


যদিও এর আগে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর জানিয়েছিল, বিদ্যালয় খুলে দেওয়া হলেও প্রথমেই প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আনা হবে না।

বৈঠক শেষে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, ২০২১ ও ২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা প্রত্যেক দিন বিদ্যালয়ে যাবে। এছাড়া অন্যান্য ক্লাস সপ্তাহে একদিন চলবে। মাধ্যমিকের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে একদিন ক্লাস হবে। তবে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা প্রতিদিনই বিদ্যালয়ে যাবে। প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে একদিন বিদ্যালয়ে যাবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শুরুর দিন (১২ সেপ্টেম্বর) থেকে চার-পাঁচ ঘণ্টা ক্লাস হবে। পর্যায়ক্রমে ক্লাসের সংখ্যা বাড়বে। স্কুলে প্রবেশের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সারিবদ্ধভাবে প্রবেশ করাতে হবে। ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি বা খেলাধুলা চলবে, তবে স্কুলে আপাতত কোনও অ্যাসেম্বলি হবে না।

দীপু মনি বলেন, মাস্ক ছাড়া কেউ শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করতে পারবে না। শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িতদের মাস্ক পরতে হবে। একেবারে কম বয়সী যারা, তাদের কোনও সংকট হচ্ছে কিনা, সেটা শিক্ষকদের খেয়াল রাখতে হবে।

মাস্ক ছাড়া বিদ্যালয়ে নয়

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, ‘আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে স্কুল-কলেজ খোলার পর মাস্ক ছাড়া কেউ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করতে পারবে না। আর সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে স্কুল-কলেজে প্রাত্যহিক সমাবেশ বা অ্যাসেম্বলি আপাতত করা হবে না।’ তিনি বলেন, সকাল বেলা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যে সমাবেশ হয়, সেই সমাবেশটি আপাতত হবে না, যতক্ষণ না স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যেতে না পারি। কিন্তু শরীরচর্চা বা খেলাধুলা স্বল্প পরিসরে কম সংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়ে শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে চালু রাখা হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যখন শিক্ষার্থীরা আসবে, যত ধরনের গাইডলাইন, স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর যা যা আমরা হালনাগাদ করেছি, সেগুলোর ভিত্তিতে শিক্ষক, ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যারা জড়িত, তারা সবাই তা নিশ্চিত করবেন। প্রতিদিন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর তাপমাত্রা মাপা এবং তাদের অন্যান্য উপসর্গ আছে কিনা সেটি চেক করাতে হবে।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্লাসরুমের মধ্যে যে বিষয়গুলো মানা দরকার— সকলের মাস্ক আছে কিনা? মাস্ক পরিধান করা ছাড়া কেউ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঢুকবে না। অভিভাবকদের একটা বড় ভূমিকা রয়েছে, তারা তাদের সন্তানদের মাস্কটি দিয়ে দেবেন। যেন শিক্ষার্থীরা মাস্কটি বাসা থেকেই পরে স্কুলে আসে। শিক্ষার্থীরা বাসায় ফিরে যাওয়া পর্যন্ত যেন মাস্ক পরে থাকে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অবশ্যই সকলের মাস্ক পরতে হবে। এর কোনও বিকল্প নেই। খুব ছোট বা কম বয়সী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে শিক্ষকরা খেয়াল রাখবেন, যাতে কারও অসুবিধা হয় কিনা। কোনও শিক্ষার্থীর মাস্কের কারণে অসুবিধা হয় কিনা, সেই বিষয়গুলো শিক্ষকরা অবশ্যই দেখবেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ভেতরে আসা-যাওয়ার জন্য সবাই যেন সারিবদ্ধভাবে ঢুকে তা নিশ্চিত করা হবে। হাত ধোয়া বা স্যানিটাইজ করার জন্য সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্যবস্থা করা আছে। শিক্ষক-অভিভাবকদের নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হবে। কারও উপসর্গ থাকলে না আসাও নিশ্চিত করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে বৈঠক

অক্টোবরের আগে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলতি সপ্তাহে ভিসিদের সঙ্গে ফের বৈঠকে বসবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ভিসিদের সঙ্গে কথা হয়েছিল যে, অন্তত পক্ষে সকল শিক্ষার্থী এক ডোজ টিকা নেওয়ার পরে দুই সপ্তাহ সময় দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা। সেটির আলোকে মধ্য অক্টোবর ঠিক করা হয়েছিল। এখন যে পরিস্থিতি তাতে আমি আবারও এই সপ্তাহে উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করবো— সেখানে অবস্থা আবারও পর্যবেক্ষণ করে যদি তারা সিদ্ধান্ত নেন যে, অক্টোবরের আগেই বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সিদ্ধান্ত তাদের সিন্ডিকেট এবং অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তে হয়ে থাকে, তাই এই সিদ্ধান্ত তারাই নেবেন। কিন্তু আমরা তাদের সঙ্গে আবারও একটি বৈঠক করবো।’

শিক্ষার্থীদের টিকা

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের সঙ্গে আমরা একটি সভা করেছিলাম গত মাসের শেষে। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছিল; বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ আবাসিক শিক্ষার্থীকে টিকা দিয়ে দিতে পেরেছি। যারা অনাবাসিক তাদেরও টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। যাদের এনআইডি আছে তাদের সমস্যা নেই। যাদের এনআইডি নেই তাদেরকেও টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও সাত কলেজের অধিকাংশ শিক্ষার্থী টিকা না পাওয়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ১৮ বছরের বেশি বয়সীদের টিকা দেওয়া যখন শুরু হয়েছে, তার মধ্যে যাদের এনআইডি আছে, তাদের রেজিস্ট্রেশন করতে বলা হয়েছে। তারা পাবলিক, প্রাইভেট, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নাকি সাত কলেজের সেটি দেখা হয়নি। কাজেই যে কোনও শিক্ষার্থীর বয়স যদি ১৮ বছরের ওপরে হয়, তার এনআইডি থাকলে এখনই তিনি রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন। এখনই তারা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা নিতে পারবেন। যার এনআইডি নেই তার জন্যও বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে হবে

শিক্ষার্থীদেরকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে উদ্বুদ্ধ করা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচ্ছন্ন করারসহ মোট ১৯ দফা নির্দেশনা অনুসরণ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রস্তুত করতে বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।  অপরদিকে আগামী ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এসব নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে সব স্কুল-কলেজকে নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দফায় দফায় বাড়িয়ে সম্প্রতি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়,  ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
এসএসসি-এইচএসসি নিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে যা লেখা আছে
                                  

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারণে আটকে যাওয়া চলতি বছরের এসএসসি-এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার সম্ভাব্য একটি সময়সূচি ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। আগামী নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এসএসসি ও ডিসেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার চিন্তা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনের পর এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ঢাকার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

এতে বলা হয়, বর্তমান অতিমারি পরিস্থিতি বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের গ্রুপভিত্তিক ৩টি নৈর্বাচনিক বিষয়ের ওপর অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে শিখন ফল অর্জনের বিষয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আবশ্যিক ও চতুর্থ বিষয়ের কোনো অ্যাসাইনমেন্ট প্রদান করা হবে না।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আবশ্যিক বিষয়সমূহের নম্বর জেএসসি বা জেডিসি বা এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে এসএসসি বা এইচএসসি বা সমমান পর্যায়ে নম্বর প্রদান করা হবে। এ ছাড়া উচ্চতর শিক্ষার ক্ষেত্রে গ্রুপভিত্তিক বিষয়সমূহের মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সে কারণে গ্রুপভিত্তিক বিষয়সমূহের মূল্যায়ন জরুরি।
এতে আরও জানানো হয়েছে, এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার্থীদের আগামী রোববার (১৮ জুলাই) থেকে অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া শুরু হবে। ১২ সপ্তাহে মোট ২৪টি অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে। ৩টি নৈর্বাচনিক বিষয়ের ওপর প্রতি সপ্তাহে ২টি করে মোট ২৪টি অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে। এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার্থীদের আগামী ২৬ জুলাই থেকে অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া শুরু হবে। ১৫ সপ্তাহে মোট ৩০টি অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে। ৩টি নৈর্বাচনিক বিষয়ে (৬টি পত্রে) প্রতিটি পত্রে ৫টি করে মোট ৩০টি অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কোভিড-১৯ পরিস্থিতির সার্বিক বিবেচনায় পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব না হলে সেক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীর পূর্ববর্তী জেএসসি বা জেডিসি বা এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে সাবজেক্ট ম্যাপিং করে এবং অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে অথবা শুধু সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে এসএসসি বা এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।
 
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, আসন্ন ঈদুল আজহার পর এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার ফরম পূরণ অনলাইনে শুরু হবে।
এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ৬০ দিন ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ৮৪ দিন ক্লাস করিয়ে পরীক্ষা নেওয়ার সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ করে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। তবে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় পরীক্ষা আয়োজন করা নিয়ে সংশয় দেখা দেয়। এ অবস্থায় এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিকল্প মূল্যায়নের কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন নিতে লাগ
                                  

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকে করোনা ভ্যাকসিনের আওতায় আনার লক্ষ্যে ইউনিক পরিচিতি নম্বর তৈরির নির্দেশনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। শিগগিরই এ বিষয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নির্দেশনা প্রদান করা হবে।

সম্প্রতি ইউজিসির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ চন্দের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

সভায় জাতীয় পরিচয়পত্র নেই—এমন শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন কার্যক্রমের আওতায় আনার জন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে অনতিবিলম্বে ইউনিক পরিচিতি নম্বর তৈরিতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে নির্দেশনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত এসেছে।
উল্লেখ্য, জাতীয় পরিচয়পত্র আছে এমন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ডাটাবেজ সংগ্রহ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ছাত্র ভর্তিসহ সব কার্যক্রম এখন থেকে উল্লিখিত ইউনিক পরিচিতি নম্বরের ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে বলেও সভায় সিদ্ধান্ত হয়।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহকে কমিশন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইউনিক পরিচিতি নম্বর তৈরি করে শিক্ষার্থীদের ডাটাবেজ কমিশনে প্রেরণ করতে হবে। কমিশন শিক্ষার্থীদের ইউনিক পরিচিতি নম্বরের ডাটাবেজ পাওয়ার পর ভ্যাকসিন প্রদানের জন্য পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।  
 
এ বিষয়ে ইউজিসি সদস্য ড. বিশ্বজিৎ চন্দ বলেন, দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ গুণগত উচ্চশিক্ষা প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিনের আওতায় আনার জন্য একটি ডাটাবেজ তৈরি করা প্রয়োজন। এসব শিক্ষার্থীকে জরুরিভিত্তিতে কোভিড -১৯ ভ্যাকসিন প্রদান করা না হলে দ্রুততম সময়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।
বিশ্বজিৎ চন্দ আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের ইউনিক পরিচিত নম্বর শুধু কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কার্যক্রমের জন্য নয়, বরং এটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখবে। এই ইউনিক পরিচিতি নম্বর বর্তমান ও ভবিষ্যতের সকল শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন নম্বর হিসেবেও কাজ করবে। 
এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা: কেমন হবে প্রশ্ন, নম্বর ও সময়
                                  

কোভিড পরিস্থিতিতে আটকে যাওয়া চলতি বছরের এসএসসি-এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার সম্ভাব্য একটি সময়সূচি ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। আগামী নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এসএসসি ও ডিসেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার চিন্তা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কথা জানান তিনি। এ সময় এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সিদ্ধান্তের বিষয়ে বিস্তারিত জানান ডা. দীপু মনি।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সীমিত আকারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গ্রুপভিত্তিক তিনটি বিষয়ের ওপর শুধু নৈর্বাচনিক পরীক্ষার মাধ্যমে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে। পূর্ববর্তী ক্লাসে আবশ্যিক যে বিষয়গুলোর পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর পরীক্ষা না নিয়ে আগের পরীক্ষার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে।
তবে পরীক্ষার প্রশ্ন, নম্বর ও সময় কেমন হবে? এ প্রশ্নেরও উত্তর দেন শিক্ষামন্ত্রী। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তিন ঘণ্টার পরীক্ষা হবে দেড় ঘণ্টায়। আর প্রশ্নপত্র এখন যেভাবে বহুনির্বাচনী ও রচনামূলক হয়, সেভাবেই হবে। তবে এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন বাছাই করার ক্ষেত্রে বেশি সুযোগ পাবে। যেমন আগে যেখানে ১০টি প্রশ্নের মধ্যে থেকে ৮টির উত্তর দিতে হত, সেখানে এখন হয়তো সেই ১০টি প্রশ্নই থাকবে। তবে তার মধ্যে তিনটি বা চারটির উত্তর দিতে বলা হতে পারে। অর্থাৎ শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন বেছে নেওয়ার সুযোগ বেড়ে যাবে।
ডা. দীপু মনি জানান, প্রতি বিষয়ে মোট নম্বর ১০০–এর বদলে ৫০ নম্বর করা হবে। পরে এই ৫০ নম্বরকে ১০০–তে রূপান্তর করে পরীক্ষার ফল দেওয়া হবে।
এ সময় তিনি আরও জানান, এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার্থীদের আগামী রোববার (১৮ জুলাই) থেকে অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া শুরু হবে। ১২ সপ্তাহে মোট ২৪টি অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে। ৩টি নৈর্বাচনিক বিষয়ের ওপর প্রতি সপ্তাহে ২টি করে মোট ২৪টি অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে। এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার্থীদের আগামী ২৬ জুলাই থেকে অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া শুরু হবে। ১৫ সপ্তাহে মোট ৩০টি অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে। ৩টি নৈর্বাচনিক বিষয়ে (৬টি পত্রে) প্রতিটি পত্রে ৫টি করে মোট ৩০টি অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে।
 
ডা. দীপু মনি আরও বলেন, কোভিড-১৯ পরিস্থিতির সার্বিক বিবেচনায় পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব না হলে সেক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীর পূর্ববর্তী জেএসসি বা জেডিসি বা এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে সাবজেক্ট ম্যাপিং করে এবং অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে অথবা শুধু সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে এসএসসি বা এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।
এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ৬০ দিন ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ৮৪ দিন ক্লাস করিয়ে পরীক্ষা নেওয়ার সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ করে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। তবে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় পরীক্ষা আয়োজন করা নিয়ে সংশয় দেখা দেয়। এ অবস্থায় এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিকল্প মূল্যায়নের কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
৫৪ হাজার বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ
                                  

৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। দেশের বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ পাবেন এসব শিক্ষক।

বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) রাতে এনটিআরসিএ’র ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য (শিক্ষাতত্ত্ব ও শিক্ষামান) এ বি এম শওকত ইকবাল শাহীন (যুগ্মসচিব) স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তিতে এখব জানানো হয়েছে।

দীর্ঘদিনের মামলার জটিলতার পর এটিআরসিএ তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির ফল প্রকাশ করল।
এনটিআরসিএ সচিব ড. এ টি এম মাহবুব উল করিম গণমাধ্যমকে বলেন, ৫৪ হাজার শিক্ষক নিবন্ধনের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাদের এসএমএসও দেওয়া হবে।
ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশের আগে একই দিন বিকেলে শিক্ষামন্ত্রীর হাতে ফলের অনুলিপি তুলে দেওয়া হয়। এরপর পাস করা প্রার্থীরা এসএমএস এর মাধ্যমে ফল জানানো হবে। এছাড়া নিয়োগ প্রার্থীরা http://ngi.teletalk.com.bd/ntrca/app/  ঠিকানায় গিয়ে ফল জানতে পারবেন।
উল্লেখ্য, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীরা পরীক্ষার ফলের জন্য দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছিলেন। করোনা সংকটের এমন দুঃসময়ে ওই বিজ্ঞপ্তির ফল প্রকাশে প্রায় অর্ধলাখ বেকারের মুখে হাসি ফুটল। 
 
এতে শিক্ষামন্ত্রী ও সংশ্লিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি ফোরামের সভাপতি শান্ত আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল্লাহ রাজু।  
জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১৪ ডিসেম্বর হাইকোর্ট একটি রায় দিয়েছিলেন। ওই রায়ে কয়েক দফা নির্দেশনা ছিল। তার মধ্যে একটি ছিল সম্মিলিত মেধা তালিকা অনুযায়ী রিট আবেদনকারী এবং অন্যান্য আবেদনকারীদের নামে সনদ জারি করা। 
কিন্তু দুই বছরেও রায় বাস্তবায়ন না করায় রিট আবেদনকারীরা আদালত অবমাননার আবেদন করেন। সে আবেদনের শুনানি করে ২০১৯ সালে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।
এ রুল বিবেচনাধীন থাকা অবস্থায় ৫৪ হাজার পদের জন্য গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে এনটিআরসিএ। এরপর নিয়োগ বিরত রাখতে একটি আবেদন করেন রিটকারীরা।
এসএসসি-এইচএসসি-জেএসসি পরীক্ষা কীভাবে হবে বলেন শিক্ষামন্ত্রী
                                  

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি আগামী বছরের এসএসসি, এইচএসসি ও জেএসসি পরীক্ষা কিভাবে হবে সে বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন। মন্ত্রী জানিয়েছেন, এ বছর সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে ৬০ দিন ক্লাস করিয়ে এসএসসি এবং ৮৪ দিন ক্লাস করিয়ে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আগামী বছরের (২০২২) এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষাও হবে সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে।এ জন্য এসএসসি পরীক্ষার জন্য ১৫০ দিন এবং এইচএসসি পরীক্ষার জন্য ১৮০ দিন ক্লাস করানোর জন্য সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচি করা হয়েছে। এ ছাড়া এসব শিক্ষার্থীর জন্য আগামী জুন থেকে সপ্তাহে দুটি করে অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে। এছাড়া চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ক্লাস শুরুর পরে জানিয়ে দেয়া হবে।জেএসসি পরীক্ষার বিষয়ে কোনো পরিকল্পনা হয়নি জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জেএসসির ব্যাপারে আমরা ভাবছি অ্যাসাইনমেন্টের ভিত্তিতে যদি এটা করা সম্ভব হয়, সেটি আমরা দেখব। পরীক্ষা নেবার মতো পরিস্থিতি থাকলে সেদিকে আমরা যাব। তা না হলে অ্যাসাইনমেন্টের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করব।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীদের টিকাদান নিশ্চিত করার পরিকল্পনা থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খোলার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আবাসিক হলগুলোতে অনেক ভিড় আছে, আমরা সেটি দেখছি। টিকা দেয়ার ব্যাপারে আমরা তথ্যগুলো চেয়েছি ইউজিসির মাধ্যমে, কতজন টিকা পেয়েছেন। আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশই ৪০ বছরের নিচে। তাই আমরা ধরেই নিয়েছি তাদের অধিকাংশেরই টিকা দিতে হবে এবং কাজটি আমরা দ্রুত শুরু করতে পারব। প্রথম ডোজ দিলেই তো হবে না, দ্বিতীয় ডোজও দিতে হবে। তাই বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আমাদের আরেকটু চিন্তা করতে হচ্ছে।করোনাভাইরাসের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি এবং খোলার বিষয় নিয়ে আজ বুধবার (২৬ মে) আয়োজিত অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এসব কথা জানান। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, এবার পরীক্ষা ছাড়াই এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় পাস দেওয়ার সুযোগ কম। দেওয়া ঠিকও হবে না।

সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী ২৯ মে পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। এখন তা বাড়িয়ে ১৩ জুন করা হয়েছে। করোনার কারণে গত ১৪ মাস ধরে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। এ কারণে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থী মারাত্মক সমস্যায় পড়েছে।


   Page 1 of 7
     শিক্ষা
এইচএসসি পরীক্ষায় যেসব নির্দেশনা মানতে হবে
.............................................................................................
হাফ ভাড়া দিতে চাওয়ায় ধর্ষণের হুমকি,
.............................................................................................
এসএসসির প্রথম দিনে রাজশাহী বোর্ডে অনুপস্থিত ৪৬৩ শিক্ষার্থী
.............................................................................................
বড় সিলেবাসে আর পরীক্ষা হবে না : শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
৫৯৩ দিন পর শাবিপ্রবিতে সশরীরে ক্লাস
.............................................................................................
সিলেটে লক্ষাধিক পরীক্ষার্থী, ছাত্রদের চেয়ে ছাত্রী বেশি
.............................................................................................
বীরগঞ্জে বিনামূল্যে ১৫৮৪ জন শিশুদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ
.............................................................................................
প্রাথমিকে শূন্য পদে নিয়োগ শিগগিরই
.............................................................................................
এসএসসি পরীক্ষা হতে পারে ৫-১০ নভেম্বর, এইচএসসি ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে
.............................................................................................
স্কুলে যেতে সাঁকো তৈরি, শিশুদের মুখে হাসি
.............................................................................................
খুলছে স্কুল-কলেজ, আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে যেসব
.............................................................................................
এসএসসি-এইচএসসি নিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে যা লেখা আছে
.............................................................................................
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন নিতে লাগ
.............................................................................................
এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা: কেমন হবে প্রশ্ন, নম্বর ও সময়
.............................................................................................
৫৪ হাজার বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ
.............................................................................................
এসএসসি-এইচএসসি-জেএসসি পরীক্ষা কীভাবে হবে বলেন শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলাছে তারিখ
.............................................................................................
আবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ানো হয়েছে
.............................................................................................
হাইস্কুলে বিনামূল্যে দেয়া হবে কনডম
.............................................................................................
বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিন, নয়তো বিষ দিন’
.............................................................................................
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার নতুন সিদ্ধান্ত শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
পরীক্ষার দাবিতে শাহবাগে বিক্ষোভের চেষ্টাকালে আটক ১০
.............................................................................................
এডিপির অর্থায়নে নবাবগঞ্জে শিক্ষা প্রতিষ্টানে বেঞ্চ বিতরণ করলেন এমপি শিবলী সাদিক
.............................................................................................
ঝুঁকি কমে আসলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে: শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য সুখবর
.............................................................................................
ভালুকায় বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রীর পাশে দাঁড়ালেন ইউএনও সালমা খাতুন
.............................................................................................
টাকা ফেরত পাবেন এইচএসসি পাস করা শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
এইচএসসির ফল প্রকাশ পাস শতভাগ
.............................................................................................
ঢাবির সেই ছাত্রীর আরেক মামলা
.............................................................................................
প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার পূর্বপ্রস্তুতিতে ৯ নির্দেশনা
.............................................................................................
ভিপি নুরের বিরুদ্ধে ঢাবি ছাত্রির ধর্ষণ মামলা
.............................................................................................
প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য আসছে সুখবর
.............................................................................................
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত ২৭ আগস্ট
.............................................................................................
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ফল প্রকাশ
.............................................................................................
হচ্ছে না প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা
.............................................................................................
মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যা নিকেতনে জাতীয় শোক দিবস পালিত
.............................................................................................
বাতিল হচ্ছে পিইসি-জেএসসি পরীক্ষা
.............................................................................................
কাল থেকে শুরু একাদশে ভর্তি
.............................................................................................
উন্নয়নের ধারাবাহিতায় ইবির চার বছর
.............................................................................................
স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুলছে মাদ্রাসার হিফজ বিভাগ
.............................................................................................
এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ
.............................................................................................
২০ মে এসএসসি`র ফল প্রকাশ
.............................................................................................
টিভিতে প্রাথমিকের ক্লাস শুরু ৫ এপ্রিল
.............................................................................................
শাবিতে অনলাইনে ক্লাস নেবেন শিক্ষকরা
.............................................................................................
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়লে বিকল্প ব্যবস্থা
.............................................................................................
৯ এপ্রিল পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ
.............................................................................................
করোনা: এইচএসসি`র প্রবেশপত্র বিতরণ স্থগিত
.............................................................................................
প্রাথমিকসহ সকল শিক্ষকদের রোজার ছুটি কমছে!
.............................................................................................
প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে মুজিববর্ষের সব অনুষ্ঠান স্থগিত
.............................................................................................
এইচএসসি পরীক্ষা বন্ধে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম.এ মান্নান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আজমল হোসেন বাবু, সহ সম্পাদক কাওসার আহমেদ র্বাতা সম্পাদক আবু ইউসুফ আলী মন্ডল, সহকারী বার্তা সম্পাদক শারমিন আক্তার । বার্তা বিভাগ ফোন০১৬১৮৮৬৮৬৮২

ঠিকানাঃ বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়- নারায়ণগঞ্জ, সম্পাদকীয় কার্যালয়- জাকের ভিলা, হাজী মিয়াজ উদ্দিন স্কয়ার মামুদপুর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। শাখা অফিস : নিজস্ব ভবন, সুলপান্দী, পোঃ বালিয়াপাড়া, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ-১৪৬০, রেজিস্ট্রেশন নং 134 / নিবন্ধন নং 69 মোবাইল : 01731190131, 01930226862, E-mail : mannannews0@gmail.com, web: notunbazar71.com, facebook- notunbazar / সম্পাদক dhaka club
    2015 @ All Right Reserved By notunbazar71.com

Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop