| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   চিত্র-বিচিত্র -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
কবর থেকে আওয়াজ এলো, `আমি এখনও বেঁচে আছি’

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

আমি এখনও বেঁচে আছি, দয়া করে সাহায্য করুন, সাহায্য করুন আমায়!` কবরস্থানের ভেতর থেকে শোনা যাচ্ছে তীব্র আর্তনাদ। সস্প্রতি পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে। পাঞ্জাবের তান্ডলিয়ানওয়ালার একটি কবরস্থানে ঘটা এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

খবরে বলা হয়, কবরস্থান থেকে যে আর্তনাদ শোনা যাচ্ছিল, তা মানুষেরই কণ্ঠের! কিন্তু কীভাবে কবরের মধ্যে পৌঁছালেন ওই জীবিত ব্যক্তি?

তদন্তে জানা যায়, ওই ব্যক্তি কবরস্থানে গিয়েছিলেন তার কাছের একজনের মৃত্যুতে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে। সেই সময়ই আচমকা ধস নামে। ধসের কবলে কবরে মাটিচাপা পড়েন তিনি। ওই অবস্থাতেই তিনি সাহায্যের জন্য আর্তনাদ করতে থাকেন।

কবর থেকে আওয়াজ এলো, `আমি এখনও বেঁচে আছি’
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

আমি এখনও বেঁচে আছি, দয়া করে সাহায্য করুন, সাহায্য করুন আমায়!` কবরস্থানের ভেতর থেকে শোনা যাচ্ছে তীব্র আর্তনাদ। সস্প্রতি পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে। পাঞ্জাবের তান্ডলিয়ানওয়ালার একটি কবরস্থানে ঘটা এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

খবরে বলা হয়, কবরস্থান থেকে যে আর্তনাদ শোনা যাচ্ছিল, তা মানুষেরই কণ্ঠের! কিন্তু কীভাবে কবরের মধ্যে পৌঁছালেন ওই জীবিত ব্যক্তি?

তদন্তে জানা যায়, ওই ব্যক্তি কবরস্থানে গিয়েছিলেন তার কাছের একজনের মৃত্যুতে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে। সেই সময়ই আচমকা ধস নামে। ধসের কবলে কবরে মাটিচাপা পড়েন তিনি। ওই অবস্থাতেই তিনি সাহায্যের জন্য আর্তনাদ করতে থাকেন।

যেসব দেশে মহিলাদের পাশাপাশি পুরুষরা ‘হিজাব’ পরেন!
                                  

নতুনবাজার ডেস্কঃ

আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে পুরুষরা অনেকটা মেয়েদের মত মাথা ও মুখ ঢাকেন৷ শতাব্দী ধরে চলে আসছে এ প্রথা৷ চলুন তেমন কয়েকটি দেশ সম্পর্কে জেনে আসি যেখানে পুরুষরা হিজাব পরেন।

লিবিয়া
আফ্রিকা মহাদেশের সাহারা মরুভূমি এবং সাহিল জোনে যাযাবর সম্প্রদায়ের তুয়ারেগ গোষ্ঠীর মানুষ এমন পাগড়ি পরে কাপড়ে মুখ ঢাকেন৷ তবে কেবল সূর্যের তাপ বা বালি থেকে বাঁচা এর উদ্দেশ্য নয়, এভাবে মাথা ও মুখ ঢাকা এখানে সম্মানের অংশ৷ তুয়ারেগ পুরুষরাই কেবল পুরো মুখ ঢাকেন৷ তাদের বিশ্বাস, মরুভূমিতে চলাফেরার সময় মৃত আত্মাদের হাত থেকে এটি তাদের রক্ষা করে৷ ঐতিহ্যগত ভাবে তারা সাদা কাপড়ে নীল রঙ করে পাগড়ি পরেন৷ এ কারণে তাদের বলা হয় মরুভূমির ‘নীল মানব’৷

মরক্কো
মরক্কোর বর্বর উপজাতির পুরুষদের মাথার পাগড়ি এবং মুখবন্ধকে প্রথাগতভাবে বলা হয় ‘তাগেলমুস্ট’ বা ‘লিথাম’৷ তবে এরা বেশিরভাগ হলুদ লিথাম পরে৷ অতীতে লড়াইয়ের সময় বর্বররা এভাবে মাথা মুখ ঢেকে রাখলে তাদের সহজে চেনা যেত না৷

মিশর
তুয়ারেগ এবং বর্বরদের মত বেদুঈনও মরুভূমির যাযাবর হিসেবে পরিচিত৷ প্রতিবেশি দেশ ইসরায়েল ও মিশরের মাঝে আরব উপত্যকায় এদের বাস৷ ছবিতে দেখা এই পাগড়ি ও মুখবন্ধকে বলা হয় ‘কুফিয়া’৷ কোথাও কোথাও বলে ঘুত্রা বা হাত্তা৷ তবে এলাকা ভিত্তিতে এটা পরার ভঙ্গি ভিন্ন হয়৷

শাদ
শাদের উত্তরাঞ্চলে টুবু উপজাতির পুরুষরা মাথা মুখ ঢাকেন কাপড় দিয়ে৷ এই পুরুষরা নিজেদের কাপড় নিজেরাই বুনেন৷ এরা সাধারণত মেষপালক৷

নাইজেরিয়া
নাইজেরিয়ার কানো রাজ্যে পুরুষেরা অনেকটা বোরকার মত মাথা ও মুখ ঢাকেন৷ এখানে কানোর আমিরকে দেখা যাচ্ছে, নাইজেরিয়ায় সুলতানের পরেই ক্ষমতাধর মুসলিম নেতা তিনি৷

করোনা আতঙ্ক: গাঁজার জন্য দীর্ঘ লাইন!
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে করোনা ভাইরাস। আর আতঙ্কে রয়েছেন মানুষ। বিভিন্ন দেশে প্রয়োজনীয় দোকানপাট ছাড়া সবই বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। সেক্ষেত্রে অনেকেই আগে-ভাগেই কিনে রাখছেন দরকারি জিনিস। যেমন-খাবার, ওষুধ এসব।

কিন্তু নেদারল্যান্ডসে দেখা গেলো ভিন্ন চিত্র। এখানে লোকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের পাশাপাশি কিনতে শুরু করেছে গাঁজা! কোন দিন দোকান বন্ধ হয়ে যাবে, সেই ভয়ে লোকে লাইন দিচ্ছে গাঁজার দোকানে! এমনই একটি ছবি তুলে টুইটারে পোস্ট করেছেন একজন।

 

ছবিতে দেখা যাচ্ছে, প্রায় ১০০ লোক লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। তারা নাকি সবাই গাঁজা কিনছেন!

এর আগে দেখা যায়, ইতালিতে কোয়ারেন্টাইন অবস্থায় কীভাবে কত মানুষ একসঙ্গে গান গাইতে শুরু করেছেন। স্পেনেও একই দৃশ্য ধরা পড়েছে। আর এভাবেই মানুষ সময় কাটাচ্ছে। আর সেই সময়ে নেশার দ্রব্যটিও গুছিয়ে রাখতে চাইছেন সবাই। তাই দোকান বন্ধ হওয়ার আগে গাঁজা কিনে নেয়ার শেষ কাজটি করে রাখতে চাইছেন অনেকেই।

বাংলাদেশের যে গ্রামে নেই কোনো নারী!
                                  

নতুনবাজার ডেস্কঃ

বাংলাদেশে কোটি মানুষের বসবাস। নারী-পুরুষ উভয়েরই বসবাস রয়েছে এই দেশে। কিন্তু জেনে অবাক হবেন যে, এদেশে এমন এক গ্রাম আছে যেখানে নেই কোনো নারী!

সুন্দরবনের দুবলার চর। যেখানে ২০ হাজার মানুষের বসবাস। কিন্তু সেখানে নেই কোনো নারী সদস্য। চলুন জেনে নেয়া যাক এর রহস্য-

চর হিসেবে পরিচিত হলেও স্থানটি মূলত কুঙ্গা ও মরা পশুর নদের মাঝে অবস্থিত একটি দ্বীপ। দুবলার চর কটকার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং হিরণ পয়েন্টের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত। এই চরকে এক কথায় শুঁটকির রাজ্য বলা যেতে পারে। একজন ট্যুর গাইড শাকিল জানালেন, সুন্দরবনে ঘুরতে এলে এই স্থানটিতে না ঘুরে কেউ ফিরতে চান না।

এমন কি শুধু এই দুবলার চরের উদ্দেশেও দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসে অনেক পর্যটক। সুন্দরবনের নিরাপত্তা কর্মী শাহ্জাহান জানালেন, দুবলার চরে মানুষের আনাগোনা থাকে বছরে মাত্র পাঁচ মাস। যার বেশির ভাগটাই শুঁটকিকে কেন্দ্র করে। সরকার কর্তৃক অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রায় ২০ হাজার জেলে শুষ্ক মৌসুমে এখানে মাছ ধরার জন্য আসে এবং অস্থায়ী বাসস্থান তৈরি করে মাছ ধরা, শুঁটকি করাসহ আনুসঙ্গিক কাজে নিয়োজিত থাকে।

এই সময়টাতে শুঁটকিকে উপলক্ষ করে প্রচুর পর্যটক এখানে ঘুরতে আসে, তাদের কাছে খুচরা শুঁটকি বিক্রির জন্য রয়েছে একটি বাজারও। এখানে আরো একটি কারণে লোকসমাগম হয়ে থাকে, তা হলো হিন্দুদের পুণ্যস্নান এবং রাসমেলা। প্রতিবছর নভেম্বর মাসে এই ধর্মীয় উৎসবটি অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

দুবলার চরের শুটকি গ্রাম। যেখানে ছড়ানো ছিটানো রয়েছে ছোট ছোট অসংখ্য ছনের ঘর। যেগুলোর বড় আঙ্গিনায় শুকাতে দেয়া হয়েছে হরেক রকমের মাছ। আশে-পাশেই অনেক লোককে দেখা যায়। কেউ ঝুড়ি বোঝাই করে শুঁটকি মাথায় নিয়ে যাচ্ছে, কেউ কেউ শুঁটকি বাছাই করছে, কেউ কেউ বসে বসে মাছ ধরার জাল ঠিক করছে।

আরেকজন ট্যুর গাইড সুমন জানান, এ গ্রামে কোনো নারী নেই। কারণ হিসেবে সে জানায়, চরে কেউ নারী নিয়ে আসলেই ডাকাতরা ধরে নিয়ে যায়।

আসলেই তাই। তন্ন তন্ন করে খুঁজেও কোনো নারী পাওয়া যাবে না সে গ্রামে। শুটকি কেনার জন্য বাড়ির ভেতরে গিয়েও দেখা মিলবে না কোনো নারীর। উল্টো রান্না-বান্নার কাজে ব্যস্ত দেখা যাবে পুরুষদেরকেই।

সেখানকার বসবাসরত পুরুষদের এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে সবারই একই উত্তর থাকে ‘এখানে কোনো নারী নেই’। কেউ কেউ বললেন, অস্থায়ী আবাসের কারণেই তারা নারীদের সঙ্গে করে আনেন না।

তবে সেখানে কিছু নারীর দেখা মিলবে, যারা দুবলার চরে ঘুরতে আসেন। অনেক নারী নির্ভয়ে সন্ধ্যা রাতেও দুবলার চরে ঘুরে বেড়ান। তবে ডাকাতদল তাদের কোনো ক্ষতি করেন না বলেই জানান সেখানকার অনেক পুরুষ।

সাগরের ঢেউয়ে ভেসে এলো রহস্যময় প্রাণীর কঙ্কাল
                                  

নতুনবাজার ডেস্কঃ

সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে এবার সামনে এলো একটি অদ্ভুত দর্শন প্রাণীর কঙ্কালের ভিডিও। প্রাণীটি সামুদ্রিক বলেই ধারণা করা হচ্ছে। এক মহিলা সকালে ঘুরতে বেরিয়ে কঙ্কালটি দেখতে পান। মোবাইলের ক্যামেরা অন করে সেটির ছবি রেকর্ড করেন। পরে সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

বছর পঁচিশের এক তরুণী, এরিকা কনস্টানটাইন পাঁচ বছর ধরে আমেরিকায় সাউথ ক্যারোলিনার চার্লস্টন শহরে থাকেন। শহরের সংলগ্ন সানরাইজ পার্ক এলাকার সৈকতে রোজই তিনি হাঁটতে যান। সঙ্গে থাকে তাঁর পোষা কুকুরটি। তিনি জীবনে এমন অদ্ভুত জিনিস দেখেননি বলে জানিয়েছেন।

প্রতিদিনের মতো এদিনও হাঁটতে বেরিয়েছিলেন এরিকা। কিন্তু দিনের শুরুটা তাঁর আর পাঁচটা দিনের মতো হলো না। পোষা কুকুরটি হঠাৎই দৌড়ে গিয়ে কিছু একটার সামনে চিৎকার করতে থাকে। এরিকা জানিয়েছেন, তাঁর পোষ্যটি যখন কোনও মৃত প্রাণী বা অদ্ভুত কিছু দেখে এমন চিৎকার করে। তিনিও দ্রুত কুকুরটির কাছে পৌঁছে যান।

এরিকা গিয়ে দেখেন এক অদ্ভুত দেখতে প্রাণীর কঙ্কাল সমুদ্র তটে পড়ে রয়েছে। যার বড় বড় দাঁত। চোখ কোথায় ছিল ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। এরিকার দাবি, আকারে সেটি একটি কুকুরের সমান হবে। কিন্তু তাঁর দেখা কোনও প্রাণীর সঙ্গেই এই কঙ্কালটির কোনও মিল পাচ্ছিলেন না এরিকা। তিনি ভিডিওটি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দেন।

ন্যাশনাল ওস্যানিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফিয়ারিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, পৃথিবীর সমুদ্রের ৯৫ শতাংশই এখনও অন্বেষণ করা বাকি, আর সমুদ্রতলের ৯৯ শতাংশ অংশে এখনও কোনও ভাবেই পৌঁছতে পারে না মানুষ। তাই সমুদ্রের অতল গভীরে কোন কোন প্রাণী রয়েছে তার অনেক কিছুই দেখা বাকি। তেমনই কোনও একটি প্রাণী হতে পারে এই কঙ্কালটি। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

প্রেমিকের সঙ্গে সেলফি তোলার সময়...
                                  

ডেস্কঃ ভারতের তামিলনাড়ুর পাট্টাবিরামে কান্দিগাই গ্রামে নিজের প্রেমিক ডি আপ্পুর সঙ্গে ঘুরতে গিয়েছিলেন স্টেফি। ওই গ্রামে গিয়ে কুয়ার ধারে দাঁড়িয়ে সেলফি তোলার পরিকল্পনা করেন তারা। ভালো সেলফি তোলার আশায় ওই যুগল কুয়ার সিঁড়িতে উঠে পড়ে। সেখানে বসে সেলফি তুলতে গিয়েই পিছলে কুয়াতে পড়ে যায় স্টেফ। গত সোমবার এই ঘটনা ঘটে। 

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, কুয়ায় পড়ে যাওয়া পর স্টেফিকে বাঁচাতে প্রেমিক আপ্পুও নেমেছিলেন কুয়ায়। সে সময় আপ্পুর চিৎকার শুনে ছুটে আসেন সেখানে থাকা কয়েক জন কৃষক। তারা এসে আপ্পুকে উদ্ধার করতে পারলেও স্টেফিকে খুঁজে পাননি। এরপর উদ্ধারকারী দলকে খবর দেন স্থানীয় লোকজন। তারা এসে স্টেফির মরদেহ উদ্ধার করেন।

স্টেফির দেহ পোস্টমর্টেমের জন্য পাঠানো হয়েছে। আপ্পুরও চিকিৎসা চলছে একটি বেসরকারি হাসপাতালে। ঘটনা নিয়ে স্থানীয় থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। ঘটনারও তদন্ত করা হচ্ছে।

গর্ভ থেকে বের হয়েই হাঁটতে শুরু করলো শিশু
                                  

অন্য সব প্রাণীর সদ্যজাত শাবক জন্মগ্রহণের পরপরই একটু সময় নিয়েই হাটাচলা শুরু করে। মানব শিশুর বেলায় বিষয়টি অকল্পনীয়,অভাবনীয়। তবে সম্প্রতি এমন অকল্পনীয় ঘটনাটি ঘটেছে ব্রাজিলের রিও গ্রান্দে দো সুলের সান্তা ক্রুজ হাসপাতালে। সেখানে মায়ের গর্ভ থেকে বের হওয়ার কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই লেবার রুমে হাঁটতে শুরু করেছে ব্রাজিলের এক নবজাতক!

এই বিস্ময়কর ঘটনাটি নিয়ে একটি ভিডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে৷ তবে জানা গেছে, ঘটনাটি ২ বছর আগের মে মাসের। তবে হঠাৎ করে সম্প্রতি ভিডিওটি আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার হতে দেখা গেছে।

ওই ভিডিও ক্লিপে দেখা গেছে, জন্মানোর পর যখন চিকিৎসকরা নবজাতককে পরিষ্কার করছেন তখনই শিশুটি টলতে টলতে হাঁটতে শুরু করে৷ তবে চিকিৎসক তার বুকের কাছে হাত দিয়ে ধরে রেখেছিল। সেই অবস্থাতেই হাঁটার চেষ্টা করে শিশুটি। তাকে বসিয়ে রাখার চেষ্টা করলেও নিজ পায়ে সে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে।

এমন অদ্ভ‌ুত দৃশ্য দেখে রীতিমত বিস্মিত হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সরা। নবজাতকের এমন হাঁটার দৃশ্যটি ক্যামেরায় ধারণ করে রাখতে ভুল করেননি তারা। পরে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিতেই ভাইরাল হয়। এই অভূতপূর্ব ঘটনার কোনো প্রকার ব্যাখ্যা এখনও দিতে পারেননি চিকিৎসকরা।

প্রচণ্ড উত্তপ্ত এলাকায় নতুন গ্রহ
                                  

নক্ষত্রের খুব কাছে নেপচুনিয়ান ডেজার্ট এলাকায় এক গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন জোতির্বিজ্ঞানীরা, যা এক হাজার ডিগ্রি তাপমাত্রায়ও টিকে থাকতে সক্ষম। অথচ এমন বিপজ্জনক এলাকায় কোনো গ্রহের উপস্থিতি সম্ভব নয় বলেই এতদিন ধারণা করা হতো। এনজিটিএস ফোরবি নামের এ গ্রহটি পৃথিবী থেকে ৯২০ আলোকর্বষ দূরে, আকারে তা পৃথিবীর চেয়ে তিনগুণ বড়।

১৪.৭ কোটি কিলোমিটার দূরের এ গ্রহটি পৃথিবী ও সূর্যের চারিদিকে একবার ঘুরে আসতে সময় লাগে প্রায় ৩৬৫ দিন। এরকম প্রতিকূল পরিবেশে এটি কীভাবে টিকে আছে, তা বিজ্ঞানীদের ধারণার বাইরে।

নক্ষত্রের খুব কাছের এলাকাকে বলা হয় নেপচুনিয়ান ডেজার্ট। উচ্চতাপমাত্রা এবং বিকিরণের কারণে এ এলাকায় কোনো গ্রহ টিকতে পারার কথা নয়। বিজ্ঞানীদের সব ধারণা বদলে দিয়েছে নতুন আবিষ্কার হওয়া এ গ্রহ। নেক্সট জেনারেশন ট্রানজিট সার্ভে টেলিস্কোপের মাধ্যমে খুঁজে পাওয়া এ গ্রহটির নাম তাই দেয়া হয় এনজিটিএস ফোরবি।

চিলির আতাকামা মরুভূমি থেকে এটি দেখতে পান ইউরোপিয়ান সাউদার্ন অবজারভেটরির বিজ্ঞানীরা। গ্যাসীয় বায়ুমণ্ডল যুক্ত এ গ্রহটি কী করে নিজ নক্ষত্রের এত কাছে পৌঁছল, তার কূলকিনারা পাচ্ছেন না বিজ্ঞানীরা। তারা একে অবাস্তব গ্রহ হিসেবেও আখ্যা দিয়েছেন।


অদ্ভুত তিরন্দাজ!
                                  

এই মেয়েই কি সেরা তিরন্দাজ? এ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। ১৯ বছর বয়সি রুশ তরুণীর যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, তা দেখে সবার তো তাক লেগে গেছে। ঘটনাটা কী? হাত দিয়েই তীর ছোড়ার দৃশ্য সবার পরিচিত। এই রুশ কন্যা তো সব অর্থেই ব্যতিক্রমী। তার নাম আনা বেলিশ। বয়স মাত্র উনিশ। হাত দিয়ে সে তীর ছোড়ে না। সে তীর ছোড়ে পা দিয়ে। তীর ছোড়ার সময়ে মাথা থাকে নীচে। আর পা উপরে। এই অভিনব প্রক্রিয়ায় অব্যর্থ লক্ষ্যভেদ করতেও সক্ষম আনা।

আনার বাবা সের্গেই বেলিশ স্থানীয় একটি রেলওয়ে স্টেশনে সামান্য কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। মেয়ে কীভাবে এই পদ্ধতিতে তীর ছুড়তে শিখল, সেটা তিনিও জানেন না। বলছিলেন, ‘‘ছোটবেলা থেকেই আমার মেয়ে অ্যাক্রোবেটিক্সে দারুণ।’’ সেই অ্যাক্রোবেটিক্স এবং তিরন্দাজি মিলে গেলে কী হয়, সেটাই এখন দেখাচ্ছে আনা।

   Page 1 of 1
     চিত্র-বিচিত্র
কবর থেকে আওয়াজ এলো, `আমি এখনও বেঁচে আছি’
.............................................................................................
যেসব দেশে মহিলাদের পাশাপাশি পুরুষরা ‘হিজাব’ পরেন!
.............................................................................................
করোনা আতঙ্ক: গাঁজার জন্য দীর্ঘ লাইন!
.............................................................................................
বাংলাদেশের যে গ্রামে নেই কোনো নারী!
.............................................................................................
সাগরের ঢেউয়ে ভেসে এলো রহস্যময় প্রাণীর কঙ্কাল
.............................................................................................
প্রেমিকের সঙ্গে সেলফি তোলার সময়...
.............................................................................................
গর্ভ থেকে বের হয়েই হাঁটতে শুরু করলো শিশু
.............................................................................................
প্রচণ্ড উত্তপ্ত এলাকায় নতুন গ্রহ
.............................................................................................
অদ্ভুত তিরন্দাজ!
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম.এ মান্নান
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ হাজী মোবারক হোসেন।। সহ-সম্পাদক : কাউসার আহম্মেদ।
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আজমল হোসেন বাবু। র্বাতা সম্পাদক আবু ইউসুফ আলী মন্ডল, ফোন ০১৬১৮৮৬৮৬৮২

ঠিকানাঃ বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়- নারায়ণগঞ্জ, সম্পাদকীয় কার্যালয়- জাকের ভিলা, হাজী মিয়াজ উদ্দিন স্কয়ার মামুদপুর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। শাখা অফিস : নিজস্ব ভবন, সুলপান্দী, পোঃ বালিয়াপাড়া, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ-১৪৬০, মোবাইল : 01731190131, 01930226862, E-mail : mannannews0@gmail.com, mannan2015news@gmail.com, web: notunbazar71.com, facebook- notunbazar / সম্পাদক dhaka club
    2015 @ All Right Reserved By notunbazar71.com

Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop