| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   উপসম্পাদকীয় -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
পালিয়ে যাওয়া মেয়ের প্রতি বাবার চিঠি

এম এ মান্নান 
 
মা`রে,
শুরুটা কিভাবে করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। যেদিন তুই তোর মায়ের অস্তিত্ব ছেড়ে ভূমিষ্ঠ হয়েছিলি সেদিন থেকে তোকে মা বলে ডাকতে শুরু করলাম। তোকে মা ডাকতে গিয়ে নিজের মা হারানোর ব্যথা ভুলেই গিয়েছিলাম। তোর মাকেও কোনদিন মা ছাড়া অন্য নামে ডাকেতে শুনিনি। বিদ্যালয়ে প্রথম দিন শিক্ষক তোর নাম জিজ্ঞেস করেছিলেন। তোকে মা বলে ডাকতে ডাকতে তোর ডাক নামটাও ভুলে গিয়েছিলাম। আমি তোর নাম বলতে না পারায় সবাই আমাকে নিয়ে হাসতে ছিলো। তাই চিঠির উপরে তোর নামের জায়গায় মা লিখেছি। হঠাৎ করে তুই এভাবে চলে যাবি আমি তা বুঝতেই পারিনি। ছেলেটা যেদিন বাইরে ব্যাগ হাতে তোর জন্য অপেক্ষা করছিল কখন তুই দরজা খুলে বাইরে বের হয়ে আসবি? আমি তখন ভেতরে বসে স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করছিলাম আর কতটা ভালবাসতে পারলে তুই আমাকে ছেড়ে চলে যাবি না। তুই ঘরে বসে ভাবছিলি আজ যেতে না পারলে ছেলেটার কাছে ছোট হয়ে যাবি। আর আমি ভাবছিলাম তুই চলে গেলে সমস্ত পিতৃজাতির কাছে কি করে মুখ দেখাবো? জানিস মা, তুই তোর তিন বছরের ভালবাসা খুঁজে পেয়েছিস। কিন্তু আমার জীবন থেকে বিশ বছরের ভালবাসা হারিয়ে গেছে। মা`রে প্রত্যেকটা বাবা জানে রক্ত পানি করে গড়ে তোলা মেয়েটা একদিন অন্যের ঘরে চলে যাবে। তারপরও একটুও কৃপণতা থাকেনা বাবাদের ভেতরে। বাবাদের ভালবাসা শামুকের খোলসের মতো মা,বাহিরটা শক্ত হলেও ভেতরটা খুব নরম হয়ে থাকে। বাবারা সন্তানদের কতোটা ভালবাসে তা বোঝাতে পারেনা, তবে অনেকটা ভালবাসতে পারে। জানি মা, আমার লেখাগুলো পড়ে তোর খারাপ লাগতে পারে। কি করবো বল? তোরা তো যৌবনে পা রাখার পর চোখ, নাক, কান সবকিছুর প্রতি বিবেচনা করে প্রেম করিস। কিন্তু যেদিন জানতে পারলাম তুই তোর মায়ের গর্ভে অবস্থান করছিস সেদিন বুঝতে পারিনি তুই কালো না ফর্সা হবি, ল্যাংড়া না বোবা হবি,কোন কিছুর অপেক্ষা না করেই তোর প্রেমে পরেছিলাম তাই এতকিছু লিখলাম। আমি জানি মা তোদের সব সন্তানদের একটা প্রশ্ন বাবারা কেন তাদের ভালো লাগা টাকে সহজে মানতে চায় না? উত্তরটা তোর ঘাড়ে তোলা থাকলো,তুই যেদিন মা হবি সেদিন নিজে নিজে উত্তরটা পেয়ে যাবি। তোরা যখন একটা ছেলের হাত ধরে পালিয়ে যাস তখন ওই ছেলে ছাড়া জীবনে কারও প্রয়োজন বোধ করিস না।কিন্তু একটা বাবা বোঝে তার জীবনে নিজের মেয়েটার কতটা প্রয়োজন। যেদিন তোর নানুর কাছ থেকে তোর মাকে গ্রহন করেছিলাম সেদিন প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যে,যদি মেয়ে হয় তাহলে নিজের মেয়েটাকে তার স্বামীর হাতে তুলে দিয়ে কণ্যা দানের দায়িত্ব থেকে নিজেকে হালকা করবো। তাই তোর প্রতি এত অভিমান। মারে বাবার উপর রাগ করিসনা। তোরা যদি অল্প দিনের ভালবাসার জন্য ঘর ছেড়ে পালাতে পারিস, তবে আমরা বিশ বছরের ভালবাসার জন্য বেপরোয়া হবো না কেন? বাবারা মেয়ে সন্তানের জন্মের পর চিন্তা করতে থাকে নিজের মেয়েটাকে সুপাত্রের হাতে তুলে দিতে পারবে তো?আর যৌবনে পা রাখার পর চিন্তা করে কোনো প্রতারনার ফাঁদে পরে পালিয়ে যাবে না তো? তাই মেয়েদের প্রতি প্রত্যেকটা বাবার এতটা নজরদারি। যদি মন কাঁদে চলে আসিস বুক পেতে দেবো। হয়তো তোর মায়ের মতো তোকে পেটে ধরিনি, তবে পিঠে ধরার যন্ত্রণাটা সহ্য করতে পারছিনা।
ইতি
তোর জন্মদাতা "পিতা"
(এই চিঠিটা পড়ে অন্তত একটি মেয়ে/ছেলেও যদি তাদের সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে আসে মন্দ কি.........?
পালিয়ে যাওয়া মেয়ের প্রতি বাবার চিঠি
                                  
এম এ মান্নান 
 
মা`রে,
শুরুটা কিভাবে করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। যেদিন তুই তোর মায়ের অস্তিত্ব ছেড়ে ভূমিষ্ঠ হয়েছিলি সেদিন থেকে তোকে মা বলে ডাকতে শুরু করলাম। তোকে মা ডাকতে গিয়ে নিজের মা হারানোর ব্যথা ভুলেই গিয়েছিলাম। তোর মাকেও কোনদিন মা ছাড়া অন্য নামে ডাকেতে শুনিনি। বিদ্যালয়ে প্রথম দিন শিক্ষক তোর নাম জিজ্ঞেস করেছিলেন। তোকে মা বলে ডাকতে ডাকতে তোর ডাক নামটাও ভুলে গিয়েছিলাম। আমি তোর নাম বলতে না পারায় সবাই আমাকে নিয়ে হাসতে ছিলো। তাই চিঠির উপরে তোর নামের জায়গায় মা লিখেছি। হঠাৎ করে তুই এভাবে চলে যাবি আমি তা বুঝতেই পারিনি। ছেলেটা যেদিন বাইরে ব্যাগ হাতে তোর জন্য অপেক্ষা করছিল কখন তুই দরজা খুলে বাইরে বের হয়ে আসবি? আমি তখন ভেতরে বসে স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করছিলাম আর কতটা ভালবাসতে পারলে তুই আমাকে ছেড়ে চলে যাবি না। তুই ঘরে বসে ভাবছিলি আজ যেতে না পারলে ছেলেটার কাছে ছোট হয়ে যাবি। আর আমি ভাবছিলাম তুই চলে গেলে সমস্ত পিতৃজাতির কাছে কি করে মুখ দেখাবো? জানিস মা, তুই তোর তিন বছরের ভালবাসা খুঁজে পেয়েছিস। কিন্তু আমার জীবন থেকে বিশ বছরের ভালবাসা হারিয়ে গেছে। মা`রে প্রত্যেকটা বাবা জানে রক্ত পানি করে গড়ে তোলা মেয়েটা একদিন অন্যের ঘরে চলে যাবে। তারপরও একটুও কৃপণতা থাকেনা বাবাদের ভেতরে। বাবাদের ভালবাসা শামুকের খোলসের মতো মা,বাহিরটা শক্ত হলেও ভেতরটা খুব নরম হয়ে থাকে। বাবারা সন্তানদের কতোটা ভালবাসে তা বোঝাতে পারেনা, তবে অনেকটা ভালবাসতে পারে। জানি মা, আমার লেখাগুলো পড়ে তোর খারাপ লাগতে পারে। কি করবো বল? তোরা তো যৌবনে পা রাখার পর চোখ, নাক, কান সবকিছুর প্রতি বিবেচনা করে প্রেম করিস। কিন্তু যেদিন জানতে পারলাম তুই তোর মায়ের গর্ভে অবস্থান করছিস সেদিন বুঝতে পারিনি তুই কালো না ফর্সা হবি, ল্যাংড়া না বোবা হবি,কোন কিছুর অপেক্ষা না করেই তোর প্রেমে পরেছিলাম তাই এতকিছু লিখলাম। আমি জানি মা তোদের সব সন্তানদের একটা প্রশ্ন বাবারা কেন তাদের ভালো লাগা টাকে সহজে মানতে চায় না? উত্তরটা তোর ঘাড়ে তোলা থাকলো,তুই যেদিন মা হবি সেদিন নিজে নিজে উত্তরটা পেয়ে যাবি। তোরা যখন একটা ছেলের হাত ধরে পালিয়ে যাস তখন ওই ছেলে ছাড়া জীবনে কারও প্রয়োজন বোধ করিস না।কিন্তু একটা বাবা বোঝে তার জীবনে নিজের মেয়েটার কতটা প্রয়োজন। যেদিন তোর নানুর কাছ থেকে তোর মাকে গ্রহন করেছিলাম সেদিন প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যে,যদি মেয়ে হয় তাহলে নিজের মেয়েটাকে তার স্বামীর হাতে তুলে দিয়ে কণ্যা দানের দায়িত্ব থেকে নিজেকে হালকা করবো। তাই তোর প্রতি এত অভিমান। মারে বাবার উপর রাগ করিসনা। তোরা যদি অল্প দিনের ভালবাসার জন্য ঘর ছেড়ে পালাতে পারিস, তবে আমরা বিশ বছরের ভালবাসার জন্য বেপরোয়া হবো না কেন? বাবারা মেয়ে সন্তানের জন্মের পর চিন্তা করতে থাকে নিজের মেয়েটাকে সুপাত্রের হাতে তুলে দিতে পারবে তো?আর যৌবনে পা রাখার পর চিন্তা করে কোনো প্রতারনার ফাঁদে পরে পালিয়ে যাবে না তো? তাই মেয়েদের প্রতি প্রত্যেকটা বাবার এতটা নজরদারি। যদি মন কাঁদে চলে আসিস বুক পেতে দেবো। হয়তো তোর মায়ের মতো তোকে পেটে ধরিনি, তবে পিঠে ধরার যন্ত্রণাটা সহ্য করতে পারছিনা।
ইতি
তোর জন্মদাতা "পিতা"
(এই চিঠিটা পড়ে অন্তত একটি মেয়ে/ছেলেও যদি তাদের সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে আসে মন্দ কি.........?
ওসি, আনিচুর রহমান মোল্লার সাখে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এম এ মান্নান
                                  

নিজস্ব প্রতিনিধি

৪ মার্চ  ঢাকা প্রেস ক্লাব এর পক্ষ থেকে আরাইহাজার থানার ওসি, আনিচুর রহমান মোল্লা,

সাহেবর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকা প্রেস ক্লাব এর সাদারণ সম্পাদক ও দৈনিক নতুন বাজার ৭১ ডট কম প্রত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এম এ মান্নান এসময় এলাকার বিভিন্ন দরনের সমস্যা নিয়ে ওসি, আনিচুর রহমান মোল্লা,

 সাথে কথা বলেন এবং ঢাকা প্রেস ক্লাব এর একটি ক্যালেন্ডার উপহার দের

দৈনিক নতুন বাজারের বিশেষ বিঙ্গপ্তি
                                  

বাংলাদেশ সরকারের অনুমদিত রেজিঃ নং ১৩৪/নিবন্ধন নং ৬৯ দৈনিক নতুন বাজারের সব সাংবাদিক/কর্মকর্তা /কর্মচারী এবং জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি কে জানানো যাচ্ছে যে মেয়াদোত্তীর্ন এবং সম্পাদকের সাক্ষরবিহীন আইডি কার্ড ব্যবহার নিষিদ্ধ ও আইনত দন্ডনীয় অপরাধ।ওই কার্ডগুলো অফিসে জমা দিয়ে নতুন  আইডি কার্ড গ্রহণের জন্য সবাইকে অনুরোধ করা হলো অন্যথায় আইনি ঝামেলা হলে নতুন বাজার কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না। আদেশ ক্রমে সম্পাদক দৈনিক নতুন বাজার ৭১ ডট কম 

কবরীর মৃত্যুতে নতুন বাজার পরিবারের গভীর শোক
                                  

বাংলা চলচ্চিত্রের বিখ্যাত অভিনেত্রী, নির্মাতা ও সাবেক সাংসদ সারাহ বেগম কবরীর (৭০) মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে 

নতুনবাজার৭১.কম সম্পাদক ও প্রকাশক এম এ মান্নান ও নতুনবাজার৭১.কম পরিবারের সকল সদস্যরা 

 

। শোকবার্তায় দুঃখ প্রকাশ করেন এম এ মান্নান।কবরীর মৃত্যুতে নতুনবাজার৭১.কম সম্পাদক প্রকাশক এম এ মান্নান ও বার্তা  সম্পাদক সাংবাদিক আবু ইউসুফ আলী মন্ডল ,  শোক প্রকাশ করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

 

শোকবার্তায় তাঁরা প্রয়াত কবরীর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

 

করোনায় আক্রান্ত কিংবদন্তি অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ২০মিনিটে রাজধানীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

 

সারাহ বেগম কবরী বিংশ শতাব্দীর ষাট ও সত্তরের দশকের বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় চলচ্চিত্রের নায়িকা ছিলেন। ১৯৬৪ সালে সুভাষ দত্তের পরিচালনায় ‘সুতরাং’ সিনেমার মাধ্যমে নায়িকা হিসেবে তাঁর ক্যারিয়ার শুরু। রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে কবরী ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

 

সবর্শেষ কবরী 

রকারি অনুদানের ‘এই তুমি সেই তুমি’ সিনেমা পরিচালনা করেছেন।

দৈনিক নতুন বাজার ৭১ এর প্রকাশক ও সম্পাদক এমএ মান্নান অসুস্থ
                                  

আব্দুস সালাম মিন্টু!

দৈনিক নতুন বাজার ৭১ এর প্রকাশক ও সম্পাদক এমএ মান্নান দীর্ঘদিন যাবত অসুস্থতায় আছেন, দোয়া চেয়ে সকলের প্রতি রোগ মুক্তির কামনা করে এম এ মান্নান বলেন, আমি আপনাদের মাঝে ছিলাম আছি এবং আল্লাহ রাখলে আগামীতেও থাকবো,আমার চলার পথে সকল বন্ধুদের প্রতি আন্তরিকতা জানিয়ে প্রকাশ করিতেছি যে চলার পথে কাজের মাধ্যমে যদি কারো মনে প্রানে কোন আঘাত ,প্রগাত বা  অজান্তে  যদি কারো মনে কষ্ট দিয়ে থাকি তাহলে আমাকে নিজ গুনে আপনারা ক্ষমা করে দিবেন, আমিও আপনাদের সকলকে ক্ষমা করে দিলাম আমার মনে প্রানে কোন কষ্ট নেই কোনো আঘাত নেই কোন অহংকার নেই,

হয়তোবা সবাই জানেন মানুষ মরণশীল তাই একদিন এই দুনিয়ার মায়া ছেড়ে আমাদের সকলের এই পরপারে পাড়ি দিতে হবে, তারপরও সকলেই বেঁচে থাকতে চায় আমিও আমার মৃত্যুর পরেও আপনাদের মাঝে বেঁচে থাকতে চাই,

উক্ত পত্রিকার সাথে সম্পর্কিত সকল উপদেষ্টামন্ডলী,সকল সম্পাদকমন্ডলী, সকল সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা, এবং সকল পাঠকেরা যারা আছেন সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যেন আমাকে দ্রুত সুস্থতা দান করেন, আমি সুস্থ হয়ে যেন আপনাদের মাঝে ফিরে আসতে পারি এই দোয়া করিবেন!

এম  মান্নানের সাথে মোবাইল ফোনে আলাপ করলে তার অসুস্থতার ব্যবহারে তিনি জানান,, বেশ কিছুদিন যাবৎ বার্ধক্যজনিত কারণে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থতায়  আছেন, আমরা সকলে এমএ মান্নানের প্রতি দোয়া কামনা করি তিনি দ্রুত সুস্থতা লাভ করে আমাদের মাঝে ফিরে আসুক আমিন?

‘বিশ্বে বঙ্গবন্ধুর অবদান অসামান্য’
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জনগণের অধিকার ও মুক্তি প্রশ্নে বিশ্বে বঙ্গবন্ধুর অবদান অসামান্য বলে জানিয়েছেন ইউনেস্কো মহাপরিচালক মিজ অদ্রি আজুলে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে এক বাণীতে একথা বলেন তিনি। এসময় বঙ্গবন্ধুসহ ১৫ আগস্টে নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান তিনি।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুুকে হত্যার সাড়ে চার দশক পর আজও বিশ্ব তার সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ স্মরণ করে। আমাদের সংস্থা অন্তর্ভূক্তিমূলক, ন্যায়সঙ্গত ও গণতান্ত্রিক সমাজের আকাঙ্খার কথা বলে- যে আকাঙ্খা বঙ্গবন্ধু ব্যক্ত করেছিলেন ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চে তার ঐতিহাসিক ভাষণে। যা এখন ইউনেস্কো মেমোরি অব ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে অন্তর্ভূক্ত।

আজুলে বলেন, এ বছর ইউনেস্কো সারা বিশ্বের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করছে।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কল্যাণকর ভবিষ্যতের জন্য রাষ্ট্রসমূহের ঐক্যবদ্ধ শক্তিতে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন। তার এই বিশ্বাস তিনি ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘে পুনর্ব্যক্ত করে বলেছিলেন, “জনগণের শক্তিতে অদম্য আত্মবিশ্বাস নিয়ে যেকোন অসাধ্য সাধন ও দুরূহ বাঁধা অতিক্রম করা সম্ভব।”

আজুলে বলেন, বিদ্যমান সঙ্কট ও চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বঙ্গবন্ধুর বিশ্বাসে অংশীদার হয়ে আমাদের কাজ করে যাওয়া প্রয়োজন।

তিনি জানান, এটা নিশ্চিত বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আগামী প্রজন্মের জন্য বিপুল উৎসাহ যোগাবে এবং বিশ্বকে নতুনভাবে সাজাতে সহায়তা করবে।


কমিশন নিয়ে ওষুধ লেখার কারণে ডাক্তারি পেশা নষ্ট হচ্ছে
                                  

ডেস্কঃ কমিশন নিয়ে প্রেসক্রিপশনে বিভিন্ন কোম্পানির ওষুধ লেখার কারণে ডাক্তারি পেশা নষ্ট হচ্ছে বলে জানিয়েছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার সকালে বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের বেঞ্চ এ কথা জানান।

এসময়, ভেজাল ওষুধ বিক্রির শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন হওয়া দরকার বলেও মন্তব্য করেন আদালত। অল্প সাজা দেয়ায় মোবাইল কোর্টের সুফল পাওয়া যাচ্ছে না ফলে ভেজাল ওষুধ বিক্রিও বন্ধ হচ্ছে না বলে জানায় হাইকোর্ট।

আদালত অভিযোগ করেন, মোবাইল কোর্ট অল্প শাস্তির মাধ্য দিয়ে ব্যবসায়ীদের রক্ষা করছে। মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ নিয়ে রিটের পরবর্তী শুনানি ১২ ডিসেম্বর ওই দিন ওষুধ শিল্প মালিক সমিতিকে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলেছেন হাইকোর্ট।

   Page 1 of 1
     উপসম্পাদকীয়
পালিয়ে যাওয়া মেয়ের প্রতি বাবার চিঠি
.............................................................................................
ওসি, আনিচুর রহমান মোল্লার সাখে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এম এ মান্নান
.............................................................................................
দৈনিক নতুন বাজারের বিশেষ বিঙ্গপ্তি
.............................................................................................
কবরীর মৃত্যুতে নতুন বাজার পরিবারের গভীর শোক
.............................................................................................
দৈনিক নতুন বাজার ৭১ এর প্রকাশক ও সম্পাদক এমএ মান্নান অসুস্থ
.............................................................................................
‘বিশ্বে বঙ্গবন্ধুর অবদান অসামান্য’
.............................................................................................
কমিশন নিয়ে ওষুধ লেখার কারণে ডাক্তারি পেশা নষ্ট হচ্ছে
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম.এ মান্নান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আজমল হোসেন বাবু, সহ সম্পাদক: কাওসার আহমেদ, রাসেল মোল্লা। র্বাতা সম্পাদক: আবু ইউসুফ আলী মন্ডল, মাসুম হাসান৷ সহকারী-বার্তা সম্পাদক লাকী আক্তার । বার্তা বিভাগ ফোন০১৬১৮৮৬৮৬৮২

ঠিকানাঃ বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়- নারায়ণগঞ্জ, সম্পাদকীয় কার্যালয়- জাকের ভিলা, হাজী মিয়াজ উদ্দিন স্কয়ার মামুদপুর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। শাখা অফিস : নিজস্ব ভবন, সুলপান্দী, পোঃ বালিয়াপাড়া, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ-১৪৬০, রেজিস্ট্রেশন নং 134 / নিবন্ধন নং 69 মোবাইল : 01731190131,E-mail- notunbazar2015@gmail.com, E-mail : mannannews0@gmail.com, web: notunbazar71.com, facebook- notunbazar / সম্পাদক dhaka club
    2015 @ All Right Reserved By notunbazar71.com

Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD