| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   ফিচার -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি’ বলায় ক্ষেপে গেলেন ইয়ামি

অতীত কটাক্ষের সম্মুখীন হতে হলো বলিউড অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতমকে! চটে গেলেন অভিনেত্রী।

সাইফ আলি খান, অর্জুন কাপুর, ইয়ামি গৌতম এবং জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ অভিনীত ‘ভূত পুলিশ’ প্রেক্ষাগৃহে আসছে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর। সেই ছবির প্রচারমূলক অনুষ্ঠানে গিয়েই ঘটল বিপত্তি! ঠিক কী হয়েছে?
 

 
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে জানা গেছে, সম্প্রতি ‘ভূত পুলিশ’ সিনেমার প্রচারমূলক অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন ইয়ামি। সাদা পোশাকে সেজে এসেছিলেন অভিনেত্রী। তার স্টাইল স্টেটমেন্টে বজায় ছিল মিশরীয় লুক। তবে কানে পরেছিলেন কাশ্মিরী ঘরানার গয়না।
 
 
ওই অনুষ্ঠানে ইয়ামিকে উদ্দেশ করে ‘ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি’ বলে ডেকেছিলেন এক ফটোগ্রাফার। আর তাতেই ক্ষেপে যান অভিনেত্রী। প্রমোশনাল ইভেন্টে ইয়ামি যখন ক্যামেরার সামনে পোজ দিচ্ছিলেন, তখনই ওই চিত্রগ্রাহক বলে ওঠেন, ‘ও ‘ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি’ একটু এদিকেও তাকান।’ তৎক্ষণাৎ অভিনেত্রী রেগে যান। পাশাপাশি ওই ফটোগ্রাফারকে একহাত নিতেও ছাড়েননি তিনি।
 
 
 
ইয়ামি বলেন, ‘আর একবার বলে দেখো…! সম্মান দিয়ে বলো। এসব নামে ডাকবে না আমাকে…।’ তবে অভব্য আচরণ না করে হাসিমুখেই উত্তর দেন ইয়ামি। উপস্থিত পাপারাজ্জিরাও ততক্ষণে অভিনেত্রীর কাছে ক্ষমা চান।
ছোট পর্দার মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন ইয়ামি। তবে পরবর্তীকালে বেশ সুনাম কুড়িয়েছেন সিনেমাজগতে। বলিউডের একগুচ্ছ হিট ছবিতে কাজ করেছেন তিনি।
 
 
তবে ‘ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি’ ক্রিমের বিজ্ঞাপন করে ‘রোষানলে’ পড়েছিলেন ইয়ামি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিনেত্রীকে নিয়ে সেই সময় ট্রোল-মিমের অন্তও ছিল না। কঠোর সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল ফর্সা হওয়ার প্রসাধনী দ্রব্যের বিজ্ঞাপনী দূত হিসেবে।
 
 
প্রসঙ্গত, বলিউডের পাশাপাশি পাঞ্জাবি, তামিল, তেলুগু, মালায়ালামসহ কন্নড় ছবিতেও অভিনয় করেছেন ইয়ামি। বর্তমানে নিজের ব্যক্তিগত এবং কর্মক্ষেত্র দুই জীবনে দারুণ সফল এই অভিনেত্রী। কিছুদিন আগেই ‘উরি’ পরিচালক আদিত্য ধরের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ইয়ামি। পরিবার এবং ঘনিষ্ঠদের উপস্থিতিতে তারা বিয়ে সারেন।
 
ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি’ বলায় ক্ষেপে গেলেন ইয়ামি
                                  

অতীত কটাক্ষের সম্মুখীন হতে হলো বলিউড অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতমকে! চটে গেলেন অভিনেত্রী।

সাইফ আলি খান, অর্জুন কাপুর, ইয়ামি গৌতম এবং জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ অভিনীত ‘ভূত পুলিশ’ প্রেক্ষাগৃহে আসছে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর। সেই ছবির প্রচারমূলক অনুষ্ঠানে গিয়েই ঘটল বিপত্তি! ঠিক কী হয়েছে?
 

 
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে জানা গেছে, সম্প্রতি ‘ভূত পুলিশ’ সিনেমার প্রচারমূলক অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন ইয়ামি। সাদা পোশাকে সেজে এসেছিলেন অভিনেত্রী। তার স্টাইল স্টেটমেন্টে বজায় ছিল মিশরীয় লুক। তবে কানে পরেছিলেন কাশ্মিরী ঘরানার গয়না।
 
 
ওই অনুষ্ঠানে ইয়ামিকে উদ্দেশ করে ‘ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি’ বলে ডেকেছিলেন এক ফটোগ্রাফার। আর তাতেই ক্ষেপে যান অভিনেত্রী। প্রমোশনাল ইভেন্টে ইয়ামি যখন ক্যামেরার সামনে পোজ দিচ্ছিলেন, তখনই ওই চিত্রগ্রাহক বলে ওঠেন, ‘ও ‘ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি’ একটু এদিকেও তাকান।’ তৎক্ষণাৎ অভিনেত্রী রেগে যান। পাশাপাশি ওই ফটোগ্রাফারকে একহাত নিতেও ছাড়েননি তিনি।
 
 
 
ইয়ামি বলেন, ‘আর একবার বলে দেখো…! সম্মান দিয়ে বলো। এসব নামে ডাকবে না আমাকে…।’ তবে অভব্য আচরণ না করে হাসিমুখেই উত্তর দেন ইয়ামি। উপস্থিত পাপারাজ্জিরাও ততক্ষণে অভিনেত্রীর কাছে ক্ষমা চান।
ছোট পর্দার মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন ইয়ামি। তবে পরবর্তীকালে বেশ সুনাম কুড়িয়েছেন সিনেমাজগতে। বলিউডের একগুচ্ছ হিট ছবিতে কাজ করেছেন তিনি।
 
 
তবে ‘ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি’ ক্রিমের বিজ্ঞাপন করে ‘রোষানলে’ পড়েছিলেন ইয়ামি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিনেত্রীকে নিয়ে সেই সময় ট্রোল-মিমের অন্তও ছিল না। কঠোর সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল ফর্সা হওয়ার প্রসাধনী দ্রব্যের বিজ্ঞাপনী দূত হিসেবে।
 
 
প্রসঙ্গত, বলিউডের পাশাপাশি পাঞ্জাবি, তামিল, তেলুগু, মালায়ালামসহ কন্নড় ছবিতেও অভিনয় করেছেন ইয়ামি। বর্তমানে নিজের ব্যক্তিগত এবং কর্মক্ষেত্র দুই জীবনে দারুণ সফল এই অভিনেত্রী। কিছুদিন আগেই ‘উরি’ পরিচালক আদিত্য ধরের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ইয়ামি। পরিবার এবং ঘনিষ্ঠদের উপস্থিতিতে তারা বিয়ে সারেন।
 
অতীতের ভুল থেকে বিএনপিকে শিক্ষা নিতে হবে
                                  

অতীতের ভুল থেকে বিএনপিকে শিক্ষা নিতে হবে মন্তব্য করেছেন দলের সিনিয়র নেতারা। `ইতিহাস কথা কয়`- শিরোনামে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় বিএনপি নেতারা এমন মন্তব্য করেন।

বুধবার (১৮ আগস্ট) এই ভার্চুয়াল আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় অনেক ভুল করেছে। তার আত্মসমালোচনা করতে হবে। জিয়ার আদর্শচ্যুত হওয়ায় বিএনপি ক্ষমতা হারিয়েছে। বিএনপি যাতে বন্ধুহীন না হয়ে পড়ে সে বিষয়ে বিএনপিকে সতর্ক থাকতে হবে।

এসময় হাফিজ বলেন, ক্ষমতায় যেতে বিএনপি যেন কারো দয়া ভিক্ষা নিতে না যায়, জনগণের সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় আসতে যতদিন সময় লাগবে ততদিনই অপেক্ষা করতে হবে।
‘শত চেষ্টা করেও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতি প্রমাণ করতে না পেরে মুজিব হত্যার সাথে জিয়াকে জড়ানোর চেষ্টা করছে। হিংসা থেকেই আওয়ামী লীগ জিয়ার মর্যাদা ক্ষুণ্ন করছে,’ বলেন মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
হাফিজ উদ্দিন আহমেদ সরকারকে উদ্দেশ করে বলেন, আফগানিস্তান থেকে শিক্ষা নেন। আমরা আশান্বিত হয়েছি। যত বড় পরাশক্তির সমর্থনই নেন, জনসমর্থন ছাড়া ক্ষমতায় থাকা সম্ভব নয়। ষড়যন্ত্রের দিন শেষ, বিনাভোটে যারা ক্ষমতায় আছে তাদের দিন ঘনীয়ে আসছে।
ভার্চুয়াল আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সভার শুরুতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের তাবেদার রাজনীতিক দল ও জনবিচ্ছিন্ন সরকার। ১৫ আগস্টের ভ্রান্ত ইতিহাস তুলে ধরতে চায় সরকার, জিয়া সম্পর্কে মিথ্যা কথা কেউ বিশ্বাস করবে না বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।
ইতিহাসের সত্যতা হলো, বাকশাল প্রতিষ্ঠা, ৭৪ এর দুর্ভিক্ষ, বিরোধী রাজনীতিকদের হত্যার ইতিহাসও তুলে ধরতে হবে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে বিতর্কিত করে কোনো লাভ হবে না,’ বলেন মির্জা ফখরুল। এ সরকারকে বিতাড়িত করতে তরুণ যুবকদেরকে সামনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান দলের মহাসচিব।
১৭ আগস্টের চন্দ্রিমা উদ্যানে পুলিশের সাথে বিএনপির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, বিনা উসকানিতে জিয়ার মাজারে বিএনপি নেতাকর্মীদের পুলিশ ১৮৭ রাউন্ড গুলি করেছে। মামলা দিয়ে বিএনপিকে দমন করাই সরকারের  উদ্দেশ্য বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল। এসময় বিএনপির মহাসচিব এসব মামলা প্রত্যাহারের দাবিও জানান।
ফখরুল বলেন, যখনই জিয়াকে নিয়ে ইতিহাস বিকৃতি চলবে তখনই প্রকৃত ইতিহাস সামনে এনে তার বিরুদ্ধে লড়াই চলবে। সরকারের মন্ত্রীরা জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করছে, ক্ষমতায় টিকে থাকতে জিয়া পরিবারের ভাবমূর্তিকে টার্গেটে পরিণত করেছে।
লিখিত বক্তব্যে ফখরুল বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার সাথে জিয়ার নাম সম্পৃক্ত করা আওয়ামী লীগের দেওলিয়াপনা ও ১৫ আগস্টের রায়কে প্রশ্নবিদ্ধ করার শামিল।
দীর্ঘ সাড়ে তিন ঘণ্টার আলোচনায় বিএনপির সিনিয়র নেতারা ছাড়াও কল্যাণ পার্টি চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের সাথে যুদ্ধের বিভিন্ন স্মৃতি তুলে ধরেন।
যে রহস্যময় বই আজও কেউ পড়তে পারেনি
                                  

এই জগত রহস্য ভরে রয়েছে। কিছু রহস্য ভেদ করতে সফল হয়েছে মানুষ। তবে কিছু রহস্য এখনও পর্যন্ত অজানা রয়ে গিয়েছে মানবজাতির কাছেও। ঠিক এমনই একটি রহস্য হলো ২৪০ পাতার একটি বই। কথিত আছে, আজ পর্যন্ত কেউ এই বইটি পড়তে পারেনি।

ইতিহাসবিদদের মতে, এই রহস্যময় বইটি ৬০০ বছরেরও বেশি পুরনো। কার্বন ডেটিংয়ের মাধ্যমে জানা গিয়েছে, বইটি ১৫ শতাব্দীতে লেখা হয়েছিল। বইটি হাতে লেখা হয়েছিল। কিন্তু কী লেখা হয়েছিল এবং কোন ভাষায় লেখা হয়েছিল, তা আজ পর্যন্ত কেউ বুঝতে পারেনি৷ বইটি আজ পর্যন্ত রহস্যময় হয়ে রয়ে গিয়েছে। বইটি ‘ভয়নিক ম্যানুস্ক্রিপ্ট’ নামে নামকরন করা হয়েছে। বইটিতে মানুষ থেকে নিয়ে গাছপালার একাধিক ছবি বানানো হয়েছে।

‘ভয়নিক ম্যানুস্ক্রিপ্ট’ নামের এই বইটির সবথেকে অদ্ভুত বিষয় হলো, বইটিতে এমন কিছু গাছপালার ছবি রয়েছে, যেগুলোর পৃথিবীর গাছপালার সঙ্গে কোনো মিল নেই। ইতালির একটি বইয়ের ডিলার বিলফ্রিড বায়োনিকয়ের নামে নামকরণ হয়েছে। বলা হয় তিনি এই বইটি ১৯১২ সালে কিনে এনেছিলেন। কিন্তু তিনি কোন জায়গা থেকে বইটা কিনেছিলেন আজ পর্যন্ত বড় রহস্য। এই রহস্যময় বইটিতে অনেক পাতা ছিল, কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই পাতাগুলো নষ্ট হচ্ছে। এই মুহূর্তে বইটিতে মাত্র ২৪৬ টি পাতা রয়েছে৷ এই বিষয়ে বেশি কিছু তথ্য খুঁজে পাওায়া যায়নি৷ কিন্তু এটা স্পষ্ট বোঝা যায় যে, বইটির কিছু শব্দ ল্যাটিন এবং জার্মান ভাষায় রয়েছে।
অনেকে বলে থাকেন, এই বইটি ইচ্ছাকৃতভাবে এইভাবে লেখা হয়েছে যাতে কেউ পড়তে না পারে এবং এর রহস্যভেদ না হয়। তবে সেই রহস্যটা কী, সেটা শুধুমাত্র এই বইটির লেখকই হয়তো জানতেন। কিংবা আগামিদিনে হয়তো কেউ এই বইটিতে কী লেখা রয়েছে, সেই রহস্যভেদ করতে সফল হবে। এখন শুধুই সময়ের অপেক্ষা।

 

 
চিকিৎসকের অবহেলায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের মৃত্যু
                                  
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ
 
ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল চিকিংসা আর চিকিৎসকের অবহেলায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। 
নিহত মেহবাহুল হক লালন (১৯) সদর উপজেলার রায়পুর গ্রামের জলাই মন্ডলের ছেলে। তিনি রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
 
নিহত লালনের বড় ভাই বিপ্লব বলেন, দেড় মাস আগে ফুটবল খেলার সময় ডান হাতের হাড় ভেঙে যায় লালনের। স্থানীয় কবিরাজের কাছে চিকিৎসা করে সুস্থ হলেও মাঝে মাঝে হালকা ব্যাথা অনুভব করতো লালনের হাতে ।
 
 বুধবার (৩ মার্চ) সকালে ডা. জিল্লুর রহমান সিদ্দীর কে দেখালে তিনি বলেন, জরুরি ভাবে হাতে অপারেশন করতে হবে। তিনি ভর্তি হতে বলেন শহরের ডেল্টা হাসপাতাল ক্লিনিকে। ডাক্তারের কথা মতে বিকেলেই লালন  ভর্তি হয় সেখানে। ভূল চিকিৎসায় রাতে মারা যান লালন।
 
লালনের দুলাভাই মজিবর রহমান বলেন,
বুধবার রাত ১০টার পরে লালনকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়ার আগে অনেক কথা হয়েছে। 
লালন বলেছিল, তার অন্য কোনো সমস্যা নেই। হাতের অপারেশন ভয়ের কিছু নেই। অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার পরে সে সবার সাথে কথা বলছিল। লালনকে অপারেশন থিয়েটারের বাহির থেকেই দেখা যাচ্ছিল।
 
তাকে কয়েকটা ইঞ্জেকশন পুশ দেওয়া হলে সে ধীরেধীরে  জ্ঞান হারায় । পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলে লালনের হালকা সমস্যা দিনাজপুর মেডিকেলে  নিতে হবে। অ্যাম্বুলেন্সে দ্রুত তুলে নিয়ে সরে যায় তারা। হালকা শ্বাসপ্রশ্বাস চললেও পথে তার মৃত্যু হয় লালনের। 
 
লালনের বাবা জলই মন্ডল বলেন, 
ডাক্তার বলেছিল হালকা অপারেশন সে জন্য ছেলেকে নিয়ে গেছিলাম। আগে জানলে কসাই খানায় নিয়ে যেতাম না ছেলেকে নিয়ে । সুস্থ ছেলেকে হাতের ছোট একটা অপারেশনে হারাতে হবে ভাবতে পারিনি। ইচ্ছে করছে মামলা করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে উচিত শিক্ষা দেই।  আমার মত আর যেন কোন বাবার কোল খালি না করে তারা। কিন্তু মামলা করলে সোনার ছেলেকে কাটা ছেড়া করবে সে কারণে মামলা করছি না। অনেক স্বপ্ন নিয়ে ছেলেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করেছিলাম স্বপ্ন আমার শেষ হয়ে গেল।
 
তবে এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও ডা. জিল্লুর রহমান সিদ্দীর কোন কথা বলতে রাজি হননি।
 
ঠাকুরগাঁও সদর থানা পরিদর্শক (ওসি) তানভিরুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে শুনেছি। কেউ এখনো কোন অাভিযোগ করপনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
 
 
 
 
 
 
 
সিলেটের ওসমানীনগরে ভারতীয় নাসির বিড়িসহ আটক ২
                                  

আপডেট:মার্চ ০৪,২০২১

সিলেট প্রতিনিধি:মো.আমিন আহমেদ- ওসমানীনগরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অবৈধ ভারতীয় নাসির বিড়িসহ ২ জনকে আটক করেছে ওসমানীনগর থানা পুলিশ। বুধবার (৩ মার্চ) গোয়ালাবাজার থেকে এদেরকে আটক করা হয়।
আটকৃতরা হচ্ছেন, ওসমানীনগর থানার নগরীকাপন গ্রামের মৃত সিদ্দেক আলীর পুত্র আয়াছ মিয়া (৪০) ও নবীগঞ্জ থানার ঢালারপার গ্রামের মৃত কালাম উদ্দিনের পুত্র মজনু মিয়া (২৭)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওসমানীনগর থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, শেরপুর থেকে সিলেটগামী বিরতিহীন যাত্রীবাহী বাস গাড়িতে ভারতীয় নাসির বিড়ি নিয়ে উঠেছে ৪জন লোক। গোয়ালাবাজারে গাড়ি থামলে পুলিশ তাদের আটকের চেষ্টা করে।
এ সময় পুলিশের উপস্থিতির টের পেয়ে ৪জন লোক দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশ জড়িতদের মধ্যে ২ জনকে আটক করতে সক্ষম হয়। অন্য ২ জন পালিয়ে যায়।
এব্যাপারে এসআই মো. নাজমুল হুদা বাদি হয়ে ওসমানীনগর থানায় মামলা দায়ের করেন। আটক করা ৭৭ হাজার শলাকা নাসির বিড়ি যার বাজার মূল্য ৬৫ হাজার টাকা।
আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে ওসমানীনগর থানার ওসি শ্যামল বনিক বলেন, পলাতকদের আটকের চেষ্টা করা হচ্ছে।

 
মানবতার কল্যাণে বিজয়ের ইতিহাস স্মরণীয় হোক
                                  
নজরুল ইসলাম তোফা:: আজকের এ বাংলাদেশটিকে স্বাধীনের পিছনে প্রতীকিভাবেই চলে আসে মুক্তিযোদ্ধা, শহীদের রক্তে রাঙানো শহীদ মিনার, অসাম্প্রদায়িকতা,  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইত্যাদি। এমন বিষয়গুলো আজকে প্রতীকিভাবেই প্রকাশ করানোর মাঝে বেঁধেছে সংঘাত। এই দেশের স্বাধীনতার পিছনে এমন কিছু বৃহৎ শক্তিগুলোর অবদানকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। আজ এইদেশের মানুষ স্বাধীনতা অর্জন বা বর্জনের দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বলেই যেন তারা সিদ্ধান্তের নিরিখে দোলাচল। সেখানে তাদের প্রতিবাদটাও `ভঙ্গুর`। আর যথার্থ প্রতিবাদের ভাষায় উঠে আসে নিম্ন চেতনার কিছু `পোড়া টায়ারের গন্ধ`। তাদের আঘাত প্রত্যাঘাতের মাঝে জন্মদাগও মুছে যায়। অবাক হতে হয়, স্বাধীনতার ডাক দিয়ে যে পুরুষ বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিল, তাকে নিয়ে নেতিবাচক দৃষ্টিতে কথা বলায় বুক কাঁপেনা। তারা সংশোধনাগার থেকে আজও সঠিক ঠিকানায় পৌঁছাতে পারলোনা। এই দেশে কিছু কুচক্রী মহলের নিকট থেকে নিরুপায় হয়ে অনেক দূরত্বে যেন `সুশীল সমাজ`। কঠিন থেকে কঠিনতর এক বাস্তবতাকে পর্যায় ক্রমিক প্রহসনে রূপান্তরিত অসাধু মানুষ। যেকোনো ধর্মের দোহাই দিয়ে শুধুমাত্র চায়- ``ক্ষমতা``। এ লোভ যেন ইতিহাস বিকৃতির এক ভয়ানক লোভ। "কলমে বঙ্গবন্ধু, ভাস্কর্যে বঙ্গবন্ধু বা চেতনার বঙ্গবন্ধু`কে তারা নিশ্চিহ্ন করতে চায়। ভাববার সময় এসেছে। নতুন প্রজন্মের কাছে এদেশের বিজয়ের ইতিহাস এবং ঐতিহ্য কতোটুকু সত্য থাকবে সন্দেহ হয়। সাম্প্রদায়িকতার প্রতিবাদটা দেশে কোথা থেকেই আসে  মস্তিষ্কে তাদের।
 
অসাম্প্রদায়িকতার বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িকতার এক তান্ডব যেন অনেকাংশেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিছুসংখ্যক ভিন্ন মনোভাব পোষণকারী এবং মতাবলম্বী মানুষদের গুরুত্ব দিয়েই যেন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহ্য বা সংস্কৃতির আজ বিলুপ্তির পথে। মুক্তিযুদ্ধ বা মুক্তিযোদ্ধা ও জাতির পিতা "বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের গর্ব এবং অহংকার``। মুুুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়েই তো আমরা আজকে পেয়েছি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। বলতেও পারি যে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ, আর তা দিনে দিনেই এসে দাঁড়িয়েছে প্রযুক্তি নির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশ। তরুণরা  এদেশের খুব সত্য ইতিহাস খোঁজে পায়না বললেই চলে, তা জানতে তার মধ্যেও দ্বিধা দ্বন্দ্ব বিরাজ করছে। একটু বলতেই চাই যে, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার যুদ্ধে পরাজিত গোষ্ঠী জামায়াত, আলবদর, রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধীরা পরাজিত হয়ে, ১৯৭৫ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর খুনি নেতৃত্বদানকারী আরো চিহ্নিত কিছু দল ঐক্যবদ্ধ হয়েই বাংলাদেশের স্বাধীনতা বা বিজয়কে নস্যাৎ করার জন্য চেষ্টা চালায়। বিভিন্ন তথ্য মতে ইসলামিক সংগঠনগুলো জামায়াত-শিবিরসহ উগ্রপন্থী ইসলামিক দলগুলিই যেন স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার জন্যে নানাধরণের অপকর্ম, বিশৃঙ্খলতা বা স্বাধীনতার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি কিংবা জাতির পিতার স্মৃতি মুছে ফেলার জন্যে অপপ্রচার চালিয়ে এইদেশের জনগণের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আসছে। যা দেশের জনগণের ভিতরে একটি স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়েই ভুল বোঝা বুঝির সৃষ্টি হচ্ছে। এই দেশে স্বাধীনতাবিরোধী পাকিস্তানি দালালরা একের পর এক কৌশলে দেশ বিরোধী অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে তিলকে তাল বানিয়ে যেন অন্যান্য ধর্মীয় মানুষকে কোনঠাসা করছে। জনসাধারণ আজ ধর্মীয় জাঁতাকলেই নিরুপায়। তবুও আজ দেশের সঠিক ইতিহাসকে তরুণ প্রজন্মের কাছে চিন্তা- ভাবনার জায়গা সৃষ্টি করে দিতে হবে। স্বাধীনতার বিজয়ের কিছু ইতিহাস ধারাবাহিক ভাবে আলোচনা না করলেও একটু সংক্ষিপ্ত ভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করছি।
 
১৯৪৭ সালে ব্রিটিশের নিকট থেকে এই দেশের জনগণ স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই পাকিস্তানের দুই প্রদেশের মধ্যে বিভিন্ন প্রকার ইস্যু নিয়েই সম্পর্কের অবনতি ঘটে, সেগুলোর মধ্যে কিছু তুলে ধরা যেতে পারে যেমন ধরুন ভূূমি সংস্কার, রাষ্ট্র ভাষা, অর্থনীতি এবং প্রশাসনের কার্য ক্রমের মধ্যে যেন দু`প্রদেশের অনেক বৈষম্য, প্রাদেশিক স্বায়ত্ত শাসন, পূর্বপাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ও নানাধরনের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সংঘাত সৃষ্টি হয়। মূলত `ভাষা আন্দোলন` থেকে বাংলাদেশের মুুুক্তিযুদ্ধের নানা পটভূমি তৈরি হতে থাকে। একটু জানার চেষ্টা করি যে, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকেই `স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা` বলা যায়। এ বাঙালিরা ১৯৫৪ সালের ``নির্বাচনে জয়ী`` হওয়ার পরেও তারা ক্ষমতা পেয়ে পূর্বপাকিস্তান বা পূর্ববাংলাকে শাসন করার অধিকার পায়নি। ঠিক তখন পূূর্ববাংলার জনগণ মূলত “২১-দফা” প্রণয়ন করে জনগণকে সংঘ বদ্ধ করে রাজনৈতিক আন্দোলনের চিন্তা ভাবনা শুরু করে। আর ১৯৭০ সালে সাধারণ নির্বাচনে জাতীয় পরিষদে গিয়েও আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা অর্জন করেছে, সেখানেই `বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে` পাকিস্তানের সেই সামরিক এবং বেসামরিক নেতৃত্ব আওয়ামী লীগের জননেতা- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রাপ্য রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসতে দেওয়া হয়নি কিংবা অস্বীকার করেছে। তাইতো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু তার প্রতিবাদে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক  দিয়েছিল। তিনি ১৯৭১ সালে ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বা বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিশাল জন-সমুদ্রে ঘোষণা করেছিল, ``এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,.. এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। তারই ঘোষণায় সাধারণ মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত হয়েছিল। এরপরে ১৯৭১ এ ২৬ মার্চে আবার বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ডাক দিলে বাংলার মুক্তিকামী মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে মুুুক্তি যুদ্ধে অংশ নেয়। দীর্ঘ ৯ মাস রক্ত ক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৬ ডিসেম্বর চুড়ান্ত বিজয় সূচিত হয়। অর্জিত বাংলার স্বাধীনতা। ২৬ মার্চ আর ১৬ ডিসেম্বর দুটি দিবস কিংবা দিনকে বুঝতে বা বুুঝাতে হয়তো বা অনেকেরই সমস্যা হয়। `‘স্বাধীনতা দিবস`’ ২৬ মার্চ আর ‘`বিজয় দিবস`’ ১৬ ডিসেম্বর এ দুটি দিবসকে গুলিয়ে ফেলি। স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসটাকে নিয়ে বহুজনেরই উলটাপালটা হয়। পেপার পত্রিকাতেও    এ ভুল অনেকের চোখে পড়ে। দু`জায়গার কথাগুলোকে গুলিয়ে ফেলেই একাকার করে দেয়। পরিস্কার ধারণার আলোকেই বলতে হয়,- বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসটা হচ্ছে ২৬ মার্চ তারিখে পালিত হওয়া এক জাতীয় দিবস, এইটিকেই ১৯৭১ সালের `২৫ মার্চ` রাতে তৎকালীন- পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ আনুষ্ঠানিকভাবেই যেন স্বাধীনতার সংগ্রাম শুরু করে। আর সেই মুহূর্তের রাতের পর দিনটি আসে ২৬ মার্চ, আর সে দিনটাকে বাংলাদেশের জনগণ স্বাধীনতা দিবস বলছেন। আরো পরিষ্কার ভাবেই বলতে চাই,- ২৬ মার্চের রাত বারোটা থেকেই এ দেশের জনগণ স্বাধীনতা দিবস পালন করে আসছে। কারণটা হলো যে, ১২টার পর মুহূর্তে পূর্ব পাকিস্তান কিংবা এ বাংলাদেশের জমিনে যতধরণের পাকিস্তানী সেনারা ছিলো তারা যেন হয়েই গেলো `বিদেশী হানাদার শত্রু বাহিনী` এবং তাদের নিজস্ব এই জন্মভূমির মাটি থেকে তাড়াতে যে যুদ্ধ শুরু হলো- সেটাই হচ্ছে `মুক্তিযুদ্ধ`, স্বাধীনতার যুদ্ধ একথাটা- “একটু ভুল”। আর ‘২৬ মার্চ’- থেকেই যদি আমরা শুরুর প্রক্রিয়াতে স্বাধীন না হই তাহলে, মুক্তিযুদ্ধটা কিন্তু আর- `মুক্তিযুদ্ধ` থাকে না, পাকিস্তানের সঙ্গে গৃহযুদ্ধ হয়ে যায়। সুতরাং, এমন বিদেশী দখলদার বাহিনীদের সহিত দীর্ঘ- ”নয় মাস” আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে এদেশে ‘বিজয়’ আনে, তাই তো আমরা পেয়েছি ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস।
 
এ পৃথিবীতে মাত্র দুইটি দেশ- "স্বাধীনতার ডাক বা কথা`` ঘোষণা দিয়েই দেশ স্বাধীন করেছে। এ `বাংলাদেশ আর আমেরিকা`। সেই হিসাবে ২৬ মার্চ থেকেই এ বাংলাদেশ স্বাধীন, তা অবশ্যই সাংবিধানিক ভাবেই প্রতিষ্ঠিত, এটা নিয়ে আদৌ তর্কের কোন অবকাশ নেই। বলা প্রয়োজন যে, পাকিস্তানের শাসকরাই চেয়ে ছিল ক্ষমতা সব সময় পশ্চিম পাকিস্তানীদের কাছে থাকুক। সুতরাং তারা যেন দিনে দিনে পূর্ব পাকিস্তান কিংবা বাংলাদেশের মানুষকে যাঁতা কলে বন্দি রাখার বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে।পূর্ব পাকিস্তানের ‘পাট’, ‘চামড়া’ বা ‘চা’ রপ্তানি করেই যে বিদেশি মুদ্রা আয় হতো- তা পশ্চিম পাকিস্তানের উন্নয়ন কাজে চতুরতার সঙ্গে তারা ব্যয় করতো। পূর্ব পাকিস্তান এর চাষ করা ফসলের বাজার দাম পশ্চিম পাকিস্তানেই অনেক কম আর পূর্ব পাকিস্তানে অনেক বেশি। এই সব অসংখ্য তথ্য রয়েছে। যা পূর্ব পাকিস্তান এবং আজকের বাংলাদেশের সকল জনতা মেনে নিতে পারেন নি। আর ভেতরে ভেতরে যেন একধরনের ক্রোধ সৃৃষ্টি হয়েছিল এ দেশের জনগণের। সারা পূর্ব পাকিস্তান বা আজকের এ দেশ তখন মিছিলের নগরী হয়েছিল। 
 
১মার্চ পাকিস্তানের সেই প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান সাহেব জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করার পরে বিভিন্ন কাজে পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তান মুখোমুখি অবস্থানেই দাঁড়িয়ে যায়। পশ্চিমা শাসক গোষ্ঠির মুখোশ উম্মোচিত হয়। পূর্ববাংলার জনসাধারণ বুুঝতে পারে এইবার তারা আলাদা জন্ম ভূমি গড়তে পারবে। এ দেশের পরিস্হিতি যদিও আয়ত্তের বাইরে চলে যায়, তবুও ৩ মার্চে ঢাকাতে `কারফিউ জারি` করে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়েছিল। এই খবর বাংলার জনতা জানার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকার বাইরের যারা তাদেরও যেন দেশের জন্য উত্তেজনা বাড়তে শুরু করেছিল। আর সেই সময়ে মিছিলমিটিংয়ের নতুন গতি পেয়েছিল। আবার ২মার্চে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এদেশের পতাকা ওড়িয়েছিল ডাকসুর ভিপি, আ স ম আব্দুর রব আর ৪মার্চে ঢাকায় স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেছিল ছাত্রলীগ নেতা, শাহজাহান সিরাজ। তার ভিত্তিতেই বলা যায় এই দেশে কারফিউ হয়ে ছিল। আসলেই মার্চ থেকে ঘটে যাওয়া অনেক ঘটনার দৃষ্টান্তমূলকভাবে আলোচনা করার ইচ্ছা থাকলেও অল্প পরিসরেই তা সম্ভব হচ্ছেনা। তবুও বলি এদেশটা পাওয়ার উদ্দ্যেশে আওয়ামীলীগের ডাকেই সকাল ছয়টা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত জোরদার ভাবে হরতাল পালিত হয়েছিল।
 
জাতির জনক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নির্দেশনায়- দুপুর আড়াইটা থেকেই বিকেল ৪ টা পর্যন্ত অতি জরুরি কাজ করার জন্যে সরকারি বেসরকারি অফিস কিংবা ব্যাংক খোলে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল। তাছাড়াও তিনি জরুরি সার্ভিস, হাসপাতাল, ঔষধের নানান দোকান অ্যাম্বুলেন্স সহ সংবাদ পত্র এবং সংবাদ পত্রের গাড়ি, পানি, বিদ্যুৎ, টেলিফোন এইগুলো সেই হরতালের বাহিরে রেখে ছিল। এক কথায় বলতে গেলে, জাতির জনক "বঙ্গবন্ধু" যা যা বলেছিল তাই ঘটেছিল। তার নির্দেশে পূর্ববাংলার সকল জনতা একীভূত হয়ে এই দেশটি স্বাধীন করেছে। আরো জানা দরকার, ৬ মার্চ পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ‘ইয়াহিয়া খান’ রেড়িওতে জাতির উদ্দেশ্যে যে ভাষণ দেয়। এতেই ”২৫ মার্চ” জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে বসার ঘোষণা ছিল। আর তার সঙ্গে বিশৃঙ্খলা যেন না হয়, এক প্রকার হুমকি বা ধমক দিয়েছিল। তখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব তা একেবারেই যেন সহ্য করতে পারেননি, তিনিও ৭ মার্চের ভাষণেই তার অনেক জবাব দিয়ে ছিল। আবার ১৫ মার্চ প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান আমাদের পূর্ব পাকিস্তান আসে এবং ১৬মার্চ মুজিব-ইয়াহিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়। সে বৈঠকে কোনো কাজ না আসলে বঙ্গবন্ধু- ``শেখ মুজিবুর রহমান" বাংলা ছাড়ার ডাক দেন। ক্ষুব্ধ `ইয়াহিয়া` রাগেই যেন ফোঁস ফোঁস করে। এ ধরনের আরো অনেক বৈঠক হয়েছিল। কিন্তু কোনো প্রকার কাজ হয়নি। অনেকাংশে তাদের কাল ক্ষেপণের মধ্য দিয়ে যেন পশ্চিম পাকিস্তান থেকেই- গোলা বারুদ, সৈন্য-সামন্ত বাংলার জমিনে খুব দ্রুত গতিতে আসতে থাকে। তখনই পূর্ববাংলার মানুষরা যুক্তিতর্কের উর্ধ্বে উঠেই যেন স্বাধীনতা অর্জনের নেশায় উম্মত্ত হয়ে যায় এবং যার যাছিল গাইতি, বল্লম, রামদা, বর্শা, লাঠি এই গুলো নিয়েই রাস্তায় নেমে পড়ে। সুতরাং তারাই তো আমাদের ‘মুক্তিযোদ্ধা’, তাঁরা এই বাংলাদেশ স্বাধীন করেছে।
 
বাংলাদেশের “স্বাধীনতা সংগ্রাম” ছিল দুর্নীতির বিরুদ্ধে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে এবং শোষণের বিরুদ্ধে। ১৮ মার্চ এক অসহযোগ আন্দোলনে ১৬ দিনেই তারা "পদার্পণ করে"। এ আন্দোলনের ঢেউ গ্রাম হতে গ্রামান্তরে ছড়িয়ে পড়ে। সংকটাপন্ন অবস্থায় এইদেশ, যুদ্ধ চলছে, চলছে লাশের মিছিল। ২০ মার্চ জয়দেবপুরের রাজ-বাড়ীতেই অবস্থিত ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একটি দক্ষ `ব্যাটালিয়ন` তাদের হাতিয়ার ছিনিয়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্রকে `নস্যাৎ` করে দেয়। তারপরে শহর হতে গ্রামাঞ্চলের অসংখ্য মানুষ একত্রিত হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তারা সবাই মিলে টঙ্গী এবং জয়দেবপুরের মোড়ে একটা ব্যারিকেড গড়ে তোলে নব নির্বাচিত জাতীয় পরিষদের সদস্য, মোঃ শামসুল হকের নেতৃত্বে। ২২ মার্চে শহর হতে গ্রাম পর্যন্ত স্বাধীনতার জন্য বাঙালী সংগ্রামে গর্জে ওঠে। এমন ভাবে যতই দিন রাত অতিবাহিত হচ্ছিল, ‘`রাজনৈতিক সঙ্কট`’ ততই গভীরতর হয়ে যাচ্ছিল। এর পরে আরও আসে, ইতিহাসের একটি ভয়ালতম কালোরাত্রি। সে কালো রাতটা যেন বাঙালির ইতিহাসে সবচেয়ে আতংকের রাত। পশ্চিমপাকিস্তানের সামরিক সরকার থেকে গণ হত্যার নির্দেশ আসে। তখন ব্যাপক পরিমাণেই পশ্চিম পাকিস্তানি সৈন্যদের সমাগম ঘটে। অপারেশন সার্চ লাইটের নামে নির্বিচারে গণ হত্যা শুরু হয় এমন রাতে। ২৫ মার্চ কালো রাত ও অপারেশন সার্চলাইট অপারেশনে নেমেছিল সেই কুচক্রী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মাধ্যমে যেন নির্বিচার হত্যার সাথে সাথেই জ্বালাও পোড়াও স্বাধীনতাকামী বাঙালীর কণ্ঠস্বরটাকে বুলেট দিয়ে চিরতরে স্তব্ধ করার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে। এ অপারেশনের মূল লক্ষ্য ছিলো ইপিআর (“ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস”, বর্তমানে বিজিবি) ও এই দেশের পুলিশ সহ বাঙালী সেনা সদস্যদের নিরস্ত্র করা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ আওয়ামীলীগ এর নেতা এবং গুরুত্ব পূর্ণ ১৬ জন ব্যক্তির বাসায় হানা দিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করে। জ্বলছে ঢাকা আর মরছেও বাঙালী`রা। একই সাথে শুরু হয়ে গেছে মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতার প্রথম প্রহর। এ ভাবেই ‘`মুক্তিযুদ্ধ`’ চলতে চলতে যখন হানাদার পাকবাহিনী বুঝে গেল পরাজয় তাদের অনিবার্য তখনই তারা এ পূর্ব বাংলাকে মেধা-শূন্য, পঙ্গু, কিংবা নেতৃত্বহীন করার জন্যই ১৪ ডিসেম্বর রাজাকার, আল-বদর, আল -শামস বাহিনীর সহযোগিতায় অন্ধকার রাতে হত্যা করে  বহু সংখ্যক অধ্যাপক, প্রকৌশলী, ডাক্তার, আইনজীবী, শিল্পী বা কবি-সাহিত্যিকদের। তথ্যের আলোকেই প্রথম সারির দু শতাধিক বাঙালি বুদ্ধিজীবীকে হত্যার মাধ্যমে ইতিহাসের একটি কলঙ্কময় অধ্যায়ের সূচনা করে ছিল।এই দেশে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়েই প্রায় দুই লাখ মা বোনদের ইজ্জতের বিনিময়ে এই `স্বাধীনতা`৷ আবার বহু জন তাঁদের মূল্যবান ধনসম্পদকেও হারিয়ে ছিল। ‘অগ্নি সংযোগ’, ‘নারী ধর্ষণ’, ‘গণহত্যা’, ‘সংঘর্ষ’ কিংবা ‘হামলা’, আর লুটতরাজের মতো অনেক অপ্রীতিরক ঘটনা-ঘটে যাওয়ার পরও বাঙালির চেতনায় যেন স্বাধীনতা ছিল।
 
ইশতেহারে বলাই ছিল, আজ থেকেই “স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ” এমন ঘোষণার কথাটা পূর্ণবাংলার মানুষের প্রাণশক্তি, আর তাইতো ৫৪ হাজার বর্গমাইলের ৭কোটি মানুষের আবাস ভূূমির নাম হবে বাংলাদেশ, এতে‌ আজ বাঙালি গর্বিত। মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধের পর যুদ্ধ সুকৌশলে চালিয়েই পাক-বাহিনীর আত্ম সমর্পণের মধ্য দিয়েই ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় করেছে। সুতরাং, অভ্যুদয় ঘটেছে স্বাধীন বাংলাদেশের। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু হয়ে ছিল বাঙালি জাতির মুল কর্ণধার। সারাবিশ্বের দরবারে বা মানচিত্রে সংযোজিত হয়েছে `নতুন ও স্বাধীন` এদেশ, ``গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ``। এই বাংলার জনপ্রিয় নেতা,- ``বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান" জেল থেকে বাহির হয়েই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেছিল আর তিনিই এ দেশের স্থপতি, তাকে স্মরণীয় ও বরণীয় করে রাখার জন্যেই প্রতিকী ভাস্কর্য নির্মাণ করা জাতির কাছে হবে অনেক গর্বের বিষয়। তাছাড়াও তরুণ প্রজন্ম আগামীতে মহান ব্যক্তিকে স্মরণ করায় হয়তো বাধাগ্রস্ত হবে। ভুলে গেলে কি চলবে, তিনিই ছিলেন সকল জাতি‌ পেশার একজন‌ অসাম্প্রদায়িক নেতা। সুতরাং যুুুুগেযুগে এমন কালজয়ী সর্বশ্রেষ্ঠ মহানায়কের হাত ধরে অর্জিত হওয়া "লাল সবুজের জাতীয় পতাকা" এবং তাঁর ভাস্কর্য অক্ষন্ন রাখা আমার, আপনার অসাম্প্রদায়িক চেতনাতে লালন করা উচিত। 
 
লেখক: 
নজরুল ইসলাম তোফা, টিভি ও মঞ্চ অভিনেতা, চিত্রশিল্পী, সাংবাদিক, কলামিষ্ট এবং প্রভাষক।
অশ্লীলতাকে বর্জন করে যথার্থভাবে ইউটিউব চ্যানেল পরিচালিত হো
                                  
নজরুল ইসলাম তোফা: বর্তমানে সারাবিশ্বের ঘরে ঘরে বিনোদনের জন্য অনেকেই পছন্দের তালিকায় রেখেছে ইউটিউব। ইউটিউব মুলত নানা প্রকারের ভিডিও প্রচার কিংবা প্রকাশনার এক বৃহৎ ওয়েবসাইট। দেখা যায় যে, এমন প্রক্রিয়ায় কোটি কোটি মানুষ এখন ভিডিও নির্মাণ ক্লিপ ইউটিউবে দিচ্ছে। সেখানে সব সময় চলমান থাকে  শিক্ষা মূলক নানা অনুষ্ঠান, ডকুমেন্টারি, টিউটোরিয়াল, গান, নাটক, সিনেমা, কৌতুকসহ কৌতুকমূলক নাট্যাংশ থেকেই বিভিন্ন ধরনের রান্না, ভ্রমণ, ঐতিহ্য পূর্ণ স্হানের পাশাপাশি নানা ধরনের ৫০০ কোটি ভিডিও এক দিনেই দেখা যায় ইউটিউবে। বিস্ময়ের শেষ এখানেই নয়। প্রতি মিনিটে এখানে আপলোড কিংবা যোগ হচ্ছে প্রায়- ৩০০ ঘণ্টার ভিডিও। প্রায় ১৩০ কোটি খুব সাধারণ মানুষ সহ অভিজ্ঞ মানুষ`রা ইউটিউব ব্যবহার করেন। এই জনপ্রিয় মাধ্যমে ভিডিও নির্মাণ এবং প্রচার প্রচারণা যারা করেন তাদেরকে যেন ইউটিউবার বলছেন। ইউটিউব কর্তৃপক্ষ গুগল মানসম্পন্ন কিংবা জনপ্রিয় ভিডিও গুলোর জন্যে নিবন্ধিত ইউটিউবারগনরা `অর্থমূল্যেও পুরস্কৃত` হচ্ছেন। বছর না ঘুরতেই কোটিপতি বনে যাচ্ছেনও কেউ কেউ। কিন্তু দুঃখের বিষয়টা হচ্ছে, আমাদের বাংলাদেশে কিছু ইউটিউবার`রা অসৎ উপায় অবলম্বন করছেন। তারা সে স্বপ্নে বিভোর হয়ে অশ্লীলতার পথে পা বাড়িয়েছেন।
 
ইউটিউব সান ব্রুনো, ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত একটি মার্কিন অনলাইন ভিডিও-শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম থেকে বেশ কিছু দিকনির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও তারা নির্বুদ্ধিতা পরিচয় দিচ্ছেন। দু্ঃখ হয় যে,- বর্তমানে মানুষদের ভিডিও দেখা মানেই `ইউটিউব`। এমন কাউকেই খুঁজে পাওয়া যাবে না যে, তাদের মোবাইল আছে বা ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তারা ইউটিউবের প্রোগ্রামগুলি দেখেন না। কেউনা কেউ যেকোনো ধরনের শিক্ষা, খেলা-ধুলা, বিনোদন, সংবাদ, প্রযুক্তি, সাজসজ্জা, রান্না ও ভ্রমণ থেকে শুরু করে প্রায় সবধরনের ইউটিউবের ভিডিওতে দেখেন। ভালোমন্দের সমাহারে এগিয়ে যাচ্ছে ইউটিউব। কিন্তু আমাদের দেশে তরুণ প্রজন্মের ছেলেরা ভিডিও ক্লিপ নির্মাণে শুধুমাত্রই অশ্লীলতা খোঁজছেন। ইউটিউবে প্রকাশ করলেই তাদের `অশ্লীলতার ছড়াছড়ি`। শিক্ষা-বিনোদনের নামে পরিবার থেকে অনুমতি নিয়েই নোংরা পথে হাঁটছেন। এক অনন্য মাধ্যম যদি হয় ইউটিউব তবে সেখানে নির্মাতাদের বাবা মাকে দৃষ্টি রাখা উচিত। এমন অশ্লীল নির্মাতারাই তাদের প্রিয়জন ও বাবা মাদের ভুল বুঝিয়ে বা অর্থ উপার্জনের সফলতার পথ শুনায়ে শুটিং স্পটে নোংরামি করছে। এ জনপ্রিয় মাধ্যম অর্থ দিলেও তারা অশ্লীলতার উপর ভর করে সমাজ পরিবেশকে নষ্ট করছে। যেকোনো সরকার   ক্ষমতায় থাকুক না কেন, সেই সরকারসহ এই সমাজের সামাজিক সচেতন ব্যক্তিরা তরুণপ্রজন্মকেই সচেতনতা কথা বুঝাতে হবে। ইউটিউবে চ্যানেল তৈরি করেই যেমন স্বাধীনভাবে কাজ করা যায় তেমনি অনেক আয়ও করা যায়। তার মানে স্বাধীনতা পেয়েই কি নোংরামি করবেন। আপনার কি সামাজিক দায়বদ্ধতা নেই।
 
 
ইউটিউব ব্যবহারকারীদের আপলোড দেওয়া বা দেখার সুযোগ প্রদানসহ তাকে মূল্যায়ন করা, শেয়ার, প্লেলিস্টে যুক্তকরণ, রিপোর্ট, ভিডিওগুলিতেও মন্তব্য করা কিংবা অন্যান্য ব্যবহারকারীদের সাবস্ক্রাইব করার খুবই সুবিধা প্রদান করেছে। এই ইউটিউব ব্যবহারকারী-উৎপাদিত ও কর্পোরেট মিডিয়ায় ভিডিও গুলো যেন একটি বিস্তারিত উপস্থাপন প্রদান করে। উপলভ্য সামগ্রীর মধ্যেই ভিডিও ক্লিপ, মুভি ট্রেলার, টিভি শো ক্লিপ, স্বল্পদৈর্ঘ্য বা প্রামাণ্য চলচ্চিত্র, অডিও রেকর্ডিং, সঙ্গীত ভিডিও, ভিডিও ব্লগিং ও লাইভ স্ট্রিম, স্বল্পদৈর্ঘ্য মূল ভিডিও কিংবা শিক্ষামূলক ভিডিওর মতো অন্যান্য সামগ্রী অন্তর্ভুক্ত আছে বলে এই  ইউটিউবে বেশিরভাগ সামগ্রী ব্যক্তিগতভাবে আপলোড করা যায়। তবে ভেভো, বিবিসি, সিবিএস কি়ংবা হুলুসহ মিডিয়া কর্পোরেশন সমূহ `ইউটিউব` এর অংশীদারিত্বের প্রোগ্রামে অংশ হিসাবেই তাদের কিছু উপাদান ইউটিউব এর মাধ্যমে সরবরাহ করে। এইখানে যিনি ইউটিউব এর নিবন্ধিত বা ব্যবহারকারী তারাই কেবল মাত্র এ সাইটেই ভিডিও দেখতে। তবে তাদেরকে কোনোকিছু আপলোড করার সুযোগ সুবিধা দেওয়া হয় নাই। আর যা পারবেন, তা হলো নিবন্ধিত ব্যবহারকারীদেরও `সীমাহীন সংখ্যক` ভিডিও আপলোড সহ বিভিন্ন ভিডিওতেই মন্তব্য করার অনুমতি। আবার বয়স-সীমাবদ্ধ এমনধরনের বেশকিছু ভিডিওগুলো কেবল নিবন্ধিত ব্যবহারকারীদের জন্যেই কমপক্ষে `১৮ বছর` বয়সের মানুষদের স্বীকৃতি প্রদানের মাধ্যমে দেখার অনুমোদন রয়েছে।
 
 
ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করা ভিডিওর মধ্যে থাকা  যাকিছু কপিরাইটযুক্ত বিষয়বস্তু তাকে দেখাশুনা কিংবা পরিচালনা করার জন্য যেন ইউটিউব সদাসর্বদা আছে। সেইগুলির রিপোর্ট অনুসারেই অ্যালগরিদম ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ও মিথ্যাচার প্রচার বিষয়ক কমিটি আছে। এমন ভিডিও গুলিকেই ইউটিউব স্থগিত করে। আবার শিশুদের লক্ষ্য করেই ভিডিও গুলোতে জনপ্রিয় চরিত্র গুলোতে জড়িত সহিংস এবং যৌন পরামর্শদায়ক সামগ্রী, নাবালিকাদের ভিডিও মন্তব্য বিভাগে যেন `পেডোফিলিক ক্রিয়াকলাপ` আকর্ষণ ও বিজ্ঞাপনে নগদীকরণের জন্যেও `ইউটিউব` উপযুক্ত সামগ্রী বা অর্থ প্রদানের একটি বৃহৎ ওঠানামার নীতিমালা রয়েছে। ইউটিউব বা নির্বাচিত নির্মাতা গুগল অ্যাডসেন্স থেকে বিজ্ঞাপন উপার্জন অর্জন করে থাকে, এটি এমন একটি `প্রোগ্রাম` যা সাইটের সামগ্রী ও শ্রোতা অনুযায়ী বিজ্ঞাপনকে লক্ষ্য করে। এই ইউটিউবের সিংহ ভাগ ভিডিও নিখরচায় দেখার জন্য উন্মুক্ত। তবে একটা কথা যে, এটি "সাবস্ক্রিপশন-ভিত্তিক প্রিমিয়াম চ্যানেল"। চলচ্চিত্র ভাড়ার পাশাপাশিও ইউটিউব মিউজিক কিংবা ইউটিউব প্রিমিয়াম সহ সাবস্ক্রিপশন পরিসেবাগুলি যথা ক্রমে প্রিমিয়াম, বিজ্ঞাপন-মুক্ত সঙ্গীত স্ট্রিমিং ও উল্লেখ যোগ্য ব্যক্তিত্ব থেকেই `কমিশন যুক্ত একচেটিয়া সামগ্রী` সহ সমস্ত সামগ্রীতে বিনা মূল্যে প্রবেশযোগ্য। 
 
যাক এ আলোচনায় যা বলতে চাই তা হলো, ইউনিসেফ বলছে,- বিশ্বজুড়ে রোজ ১ লাখ ৭৫ হাজার কোমলমতি শিশু নতুন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। এর অর্থ হচ্ছে, প্রতি ৩০ সেকেন্ডে একজন শিশু প্রথম বারের মতো ইন্টারনেট জগতে প্রবেশ করে। আর সেই শিশুদের ইউটিউব চ্যানেল ব্যবহার করাটাই তাদের মূখ্য কাজে দাঁড়ায়। ইউটিউবের ক্ষতিকারক বিষয়বস্তুর হাত থেকে এই শিশুদের রক্ষা করার দায়িত্ব সরকারসহ সকল মানুষের। বলতে দ্বিধা নেই যদি এক্ষেত্রে সরকার, পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এগিয়ে না আসে। তবে তাদের ভবিষ্যৎ হবে খুব ভয়াবহ। এই প্রযুক্তি শিল্পগুলোর সাথে তারা ব্যবসায় জড়িত তাদেরও এক্ষেত্রে ভূমিকা রয়েছে, তাদের পরিচ্ছন্নভাবেই ভিডিও নির্মাণ করতে হবে। তারা নোংরামিকে বর্জন করলে হয়তো শিশুরা সমাজের বৃহৎ বৃহৎ কাজে লাগার সম্ভাবনা আছে। ক্ষীণবুদ্ধি সম্পূর্ণ যে সকল মানুষগুলো আছে, পর্যবেক্ষণে দেখা যায়- তারাই‌ ইউটিউব চ্যানেলে সুবিধা মতো টাকা উপার্জনের জন্যই কাজ করছে। কোয়ালিটি সম্পন্ন কাজ বেশ কিছু মানুষ করতে পারলেও এই সমাজকে দেখাতে পারেনা। কারণ হলো `ভালো মানুষের শত্রু বেশি` এবং তারা ইউটিউবের মে সাবস্ক্রাইব বিষয়টা আছে সেখানে সাবস্ক্রাইব করতে চাননা। কারো ভালো আজকে এ সমাজে কেউ চায় না।মূঢ়তার পরিচয় দিয়ে আর কাউকে অপমান করতে চাই না। দেশের জন্য, জাতির জন্য হলেও ইউটিউবে ``ভালো কিছু আপলোড করতে হবে। সর্বশেষে একটা কথা বলা যায়, সফলতার জন্য সময় ও শ্রমের যথাযত মুল্যায়নটা জরুরি, তা হতে হবে সৎ উদ্দেশ্যে। অভিভাবকদের ১টা ইউটিউব চ্যানেলে লিংক দেওয়া হচ্ছে-https://www.youtube.com/watch?v=LqmvxKlqFEQ&feature=share&app=desktop&persist_app=1 সাবস্ক্রাইব করে তাদের ভালো ভালো কাজের সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে পারেন। 

✍️লেখক:
নজরুল ইসলাম তোফা, টিভি ও মঞ্চ অভিনেতা, চিত্রশিল্পী, সাংবাদিক, কলামিষ্ট এবং প্রভাষক।

বিয়ের আগে এই বিষয়গুলো সঙ্গীকে না জানালেই বিপদ
                                  

বিয়ে একটি পারিবারিক বন্ধন। এ বন্ধনে আবদ্ধ হতে প্রাপ্তবয়স্ক একজন ছেলে ও মেয়ের লিখিত চুক্তির মাধ্যমে শুরু হয় একসঙ্গে পথ চলা। কিন্তু এই পথচলা সব সময় সহজ হয় না।সংসার যাত্রার দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে বুঝেশুনে চলতে হয়। শুধু ভালোবাসায় সংসার টেকে না। ভালোবাসার পাশাপাশি আরো অনেক কিছু জানার আছে। ভালোবাসা টিকে থাকে বিশ্বাসের ওপর। এর জন্য বিয়ের আগে সঙ্গীকে কিছু বিষয়ে জানানো উচিত। যদি আপনার কোনো খারাপ অভ্যাস থাকে, সেটিও অসংকোচে জানিয়ে দিন হবু জীবন সঙ্গীকে।

আপনি আপনার জীবন সঙ্গীকে যেমন বিশ্বাস করবেন; আপনারে জীবন সঙ্গীও ঠিক তেমনই আপনাকে বিশ্বাস করবে। তাই যদি কোনো গোপনীয়তা থাকে; সে সম্পর্কে সঙ্গীকে জানিয়ে দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। 
অনেকেরই দীর্ঘমেয়াদী পুরোনো কিছু রোগ থাকে। এগুলোর বেশিরভাগই জিনগত। যা আপনাকে তো বটেই, আপনার পরিবারকেও সমস্যায় ফেলে। তাই দীর্ঘমেয়াদী রোগ থাকলে বিয়ের আগেই সঙ্গীকে জানিয়ে দিন। কোনো মানসিক অসুস্থতা থাকলে তা-ও জানাতে ভুলবেন না।

অনেকেরই বিভিন্ন নেশা থাকে। কারো বইপড়া, কারো গেম খেলায়। আবার কারো রান্না বা বেড়াতে যাওয়ার নেশা। অনেকের আবার খারাপ নেশাও থাকে। যেমন- ধূমপান, মদপান বা মাদকাসক্তি। এসব ক্ষেত্রে যার সঙ্গে বাকি জীবনটা কাটাবেন ঠিক করেছেন, তাকে আগে থাকতে জানিয়ে রাখুন।

অর্থ বা সম্পদ নিয়ে কখনো বাড়িয়ে বলবেন না সঙ্গীকে। এতে দাম্পত্য সম্পর্কের ওপর খুব খারাপ প্রভাব পড়ে। আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে আপনার পার্টনারের স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।

আপনি যদি অতীতে কোনো অপরাধে অভিযুক্ত হয়ে থাকেন; সে বিষয়েও বিয়ের আগে সঙ্গীকে জানিয়ে দিন। আপনার সব সত্য় জেনেও যদি সঙ্গী আপনাকে ভালোবাসতে পারেন, সেটাই বড় প্রাপ্তি।

যে সময়ে হাঁটলে বেশি উপকার পাবেন
                                  

ফিচার ডেস্ক : হাঁটা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, একথা কে না জানে! আপনি যদি প্রতিদিন নিয়ম করে হাঁটেন, তবে বেশকিছু উপকারিতা মিলবে। শরীর ভালো থাকার পাশাপাশি কমবে ওজনও। যাদের পক্ষে ভারী কোনো ব্যায়াম করা সম্ভব নয়, তাদের ওজন কমানোর জন্য প্রতিদিন হাঁটার অভ্যাস করতে হবে।

নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে যে. খাওয়ার পরে হাঁটলে অতিরিক্ত উপকার পাওয়া যায়। দিনের যেকোনো সময়ই কি হাঁটা যায়? নাকি নির্দিষ্ট কোনো সময় রয়েছে যখন হাঁটলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায়? দিনে ঠিক কতক্ষণ হাঁটা প্রয়োজন? এ সম্পর্কে বিস্তারিত প্রকাশ করেছে ইন্ডিয়ান টাইমস-

সেরা সময়
দিনের যো কোনো সময়েই হাঁটা শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। ওজন কমানোর জন্য খাওয়ার পরে হাঁটতে পারেন। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতেও খাওয়ার পরে হাঁটা ভালো। যাদের কোনো শারীরিক সমস্যা নেই, তারা নিরোগ ভবিষ্যতের জন্য প্রতিদিনই হাঁটতে পারেন।

কীভাবে হাঁটবেন
বাড়িতে হাঁটাচলা এবং কাজকর্ম করার ফলে নির্দিষ্ট পরিমাণ ক্যালোরি আমরা রোজ বার্ন করি। একে বলে রেস্টিং মেটাবলিজম। এর সঙ্গে আমরা ব্যায়াম বা জগিং করলে বা হাঁটাহাঁটি করলে অতিরিক্ত ক্যালোরি বার্ন হয়। আপনি যত নড়াচড়া বাড়াবেন, তত বেশি ক্যালোরি বার্ন হবে।

প্রতিদিন দ্রুত পায়ে বেশ কিছুক্ষণ হাঁটলে শুধু যে ওজন কমে তাই নয়, এর ফলে ব্লাড সুগার লেভেলও নিয়ন্ত্রণে থাকে। প্রতিদিন খাওয়ার পরে দশ মিনিট হাঁটলে ডায়াবিটিস রোগীদের রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে। দিনের যেকোনো সময় টানা ত্রিশ মিনিট হাঁটার থেকে খাওয়ার পরে দশ মিনিট হাঁটা অনেক বেশি কার্যকরী।

হাঁটার সময় আমাদের হার্টরেট বেড়ে যায় এবং মাসল শরীরে জমে থাকা কার্বোহাইড্রেট বা সুগার থেকে এনার্জি সংগ্রহ করে। খাওয়ার পরে হাঁটলে আপনার খাবার থেকে শরীর যে কার্বোহাইড্রেট সংগ্রহ করেছে, সেখান থেকে মাসল এনার্জি সংগ্রহ করে। ফলে অতিরিক্ত কার্বস শরীরে ফ্যাটের আকার নিতে পারে না। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন জানাচ্ছে যে সপ্তাহে ১৫০ মিনিট হাঁটলে তা আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী।

ফ্রিজে রাখা খাবারের স্বাদ অটুট রাখবেন যেভাবে
                                  

ফিচার ডেস্ক : ফ্রিজ আমাদের ব্যস্ত জীবনে এক প্রকার আশীর্বাদ। কারণ ফ্রিজে খাবার সংরক্ষণের কারণে অনেক খাবার নষ্ট হওয়ার হাত থেকে বেঁচে যায়, বেঁচে যায় অনেকটা সময়ও। কারণ খাবার ফ্রিজে না রাখলে তখন বারবার গরম করে রাখতে হয়। তাতে সময় নষ্ট হয় অনেকখানি।

নিঃসন্দেহে ফ্রিজে খাবার রাখার অনেক ভালো দিক আছে। কিন্তু ফ্রিজে খাবার রাখার কারণে অনেকসময় এর স্বাদ নষ্ট হয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেন অনেকে। অনেকে আবার ফ্রিজে রাখা খাবার থেকে এক ধরনের গন্ধ পান। তারা ফ্রিজে রাখা খাবার খেতে পারেন না। কী করলে ফ্রিজে রাখা খাবারের স্বাদ অটুট থাকবে? চলুন জেনে নেয়া যাক-

* কোনো খাবার ফ্রিজের গায়ে লাগিয়ে রাখবেন না, কোনো রকম ফল শাকসবজি একেবারেই রাখবেন না। যদি অনেকদিন ভালো রাখতে চান তাহলে একদম এয়ারটাইট পাত্রে ভরে ফ্রিজে রাখবেন।

* মজার একটা ব্যাপার হলো, চানাচুর, গুঁড়ো দুধ ফ্রিজে রাখলে তা অনেকদিন মুচমুচে থাকে। এর জন্য এটিকে প্লাস্টিকের পাত্রে সংরক্ষণ করতে হবে।

* ফ্রিজে যা-ই রাখুন না কেন, এয়ারটাইট পাত্রে ভরে রাখবেন। মাঝেমধ্যে পাত্র সোডা ও পানি দিয়ে পরিষ্কার করবেন।

* একটি কাটা লেবু সবসময় ফ্রিজে রেখে দেয়ার চেষ্টা করবেন। এর ফলে কোনো দুর্গন্ধ ছড়াবে না। তবে একই লেবু অনেকদিন রাখবেন না। ক’দিন পরপর লেবু বদলে দিন।

* বেশি মাছ রাখলে তা অবশ্যই লবণ-পানি দিয়ে ধুয়ে রাখবেন। এতে করে ফ্রিজের ভেতর দুর্গন্ধ ছড়াবে না।

* যদি কাটা কোনো সবজি রাখতে হয় তাহলে একটি কনটেইনারের কিছুটা লবণ দিয়ে এয়ারটাইট ভাবে রাখবেন।

* ডিম রাখতে হলে ডিম রাখার ট্রেতে না রেখে একটি বাটিতে করে ভিতরে রাখবেন।

* ফল রাখার থাকলে যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু কেটে বাকিগুলো আস্ত রাখার চেষ্টা করবেন।

মিনি সিঙ্গারা তৈরির রেসিপি
                                  

ছোট ছোট সিঙ্গারা। এক কামড়েই একটি খেলে ফেলা যায় এমন ছোট। দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, খেতেও তেমনই সুস্বাদু। মজার এই খাবারটি রাখতে পারেন বিকেলের নাস্তায় কিংবা অতিথি আপ্যায়নে। চলুন জেনে নেয়া যাক রেসিপি-

উপকরণ:
৩ কাপ ময়দা
পানি পরিমাণমতো
তেল (ডো তৈরি ও ভাজার জন্য)
লবণ স্বাদ মতো
১ চা চামচ কালোজিরা

পুরের জন্য:
১ কাপ কলিজা (ছোট কিউব করে টুকরো করা)
১ কাপ গাজর (ছোট কিউব করে টুকরো করা)
১ কাপ আলু (ছোট কিউব করে টুকরো করা)
১ কাপ পেঁয়াজ কুচি
১ টেবিল চামচ ধনে পাতা কুচি
১ চা চামচ আদা-রসুন বাটা
আধা চা চামচ গরম মসলা গুঁড়া
তেল পরিমাণ মতো।

প্রণালি:
প্রথমে ময়দা, লবণ ও তেল পরিমাণ মতো দিয়ে ভালো করে মেখে ডো তৈরি করে নিন। ডো তৈরি করে ১ ঘণ্টা ঢেকে রেখে দিন। একটি প্যানে তেল গরম করে এতে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে নরম করে ভেজে নিয়ে এতে দিন আদা-রসুন বাটা, গরম মসলাগুঁড়া এবং লবণ। খানিকক্ষণ নেড়ে নিয়ে এতে দিন কলিজার টুকরোগুলো।

কলিজা একটু কষে এলে আলু, গাজর দিয়ে ভালো করে নেড়ে মিশিয়ে সেদ্ধ করার জন্য পরিমাণমতো পানি দিয়ে রান্না করতে থাকুন। রান্না শেষ হলে স্বাদ ঢেকে চুলা থেকে নামিয়ে নিয়ে ঠান্ডা হতে দিন।

ময়দার ডো থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে রুটি বেলে নিন। এরপর রুটি অর্ধেক করে কেটে ঠোঙার মতো তৈরি করে নিন। এরপর ঠোঙার মধ্যে কলিজার পুর দিয়ে মুখ বন্ধ করে সিঙ্গারা তৈরি করে নিন। প্যানে ডুবো তেলে ভাজার জন্য তেল গরম করে নিন। এরপর সিঙ্গারা লালচে করে ভেজে তুলে নিন। এরপর সস, পেঁয়াজ অথবা সালাদের সাথে গরম গরম পরিবেশন করুন।

চিকেন খাবসা তৈরির রেসিপি জেনে নিন
                                  

অ্যারাবিয়ান রেসিপি চিকেন খাবসা। এটি আমাদের দেশেও জনপ্রিয়তা লাভ করেছে দ্রুত। অনেকটা বিরিয়ানির মতোই এটি রান্না করার পদ্ধতি। তৈরি করা যায় সহজেই। অতিথি আপ্যায়ন কিংবা উৎসবে রাখতে পারেন এই খাবার। চলুন রেসিপি জেনে নেয়া যাক-

উপকরণ:
সয়াবিন তেল- ১/২ কাপ।
মুরগি- দেড় কেজি
পোলাওর চাল- ৫০০ গ্রাম
পেঁয়াজ কুচি- ১/২ কাপ
রসুনকুচি- ৬ কোয়া
টমেটো কুচি- ৩ টি
টমেটো বাটা- ১/৪ কাপ
গাজর মিহিকুচি- ১ কাপ
মুরগির স্টক- ২ কাপ
কিসমিস- ১/৮ কাপ
গরম মসলা- ১/২ চা চামচ
সিরকা- ১/২ চামচ
এলাচি গুঁড়া- ১/৪ চামচ
দারুচিনি গুঁড়া- ১/২ চামচ
ফুড কালার/স্যাফরন- ১/২ চামচ
জিরা গুঁড়া- ১/২ চামচ
ধনিয়া গুঁড়া- ১/২ চামচ
পাপরিকা পাউডার- ১ চামচ
লবঙ্গ- ২ টা
সরিষাবাটা- ১ চা-চামচ
জায়ফল গুঁড়া- ১ চিমটি
কালো গোলমরিচ গুঁড়া- ১/২ চামচ
লবণ স্বাদ অনুযায়ী।


প্রণালি:
মশলার সব উপকরণ একটি বাটিতে আলাদা মিশিয়ে নিন। একটি ননস্টিক হাঁড়ি চুলায় বসান এবং এতে ১/৪ কাপ তেল দিন। তেল গরম হলে এতে পেঁয়াজ এবং রসুনকুচি দিন। হালকা বাদামি রং ধরলে এতে মুরগির টুকরোগুলো দিয়ে ভাজতে থাকুন হালকা বাদামি রং হওয়া পর্যন্ত। এরপর দিয়ে দিন টমেটোবাটা। এই মিশ্রণে এবার মশলার মিশ্রণটি ঢেলে দিন এবং সাথে দিন টমেটো কিউব ও সিরকা।

মুরগি সেদ্ধ হয়ে গেলে সস থেকে তুলে নিন এবং একে ওভেনে ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বেক করুন বাদামি রং হওয়া পর্যন্ত। এখন এবার গ্রেভি সসের মধ্যে পোলাওয়ের চাল দিয়ে দিন, সাথে গরম পানি দিন। চাল সিদ্ধ হয়ে গেলে এর মধ্যে মুরগিগুলো বসিয়ে দিন, উপরে গরম মসলাগুঁড়া, গাজর কুচি, কিসমিস দিয়ে নামিয়ে নিন। গরম গরম পরিবশেন করুন ভিন্নস্বাদের এরাবিয়ান কাবসা বা খাবসা।

হুমকির মুখে অতিথি পাখির ক্যাম্পাস
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সবুজের মাঝে অতিথি পাখি, প্রজাপতি, গুইসাপ, বেজি, গিরগিটি, কাঠবিড়ালিসহ নানা ধরনের প্রাণীর সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববৈচিত্র। গ্রাম্য প্রকৃতির আবহের কারণেই জাহাঙ্গীরনগরকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বলা হয়ে থাকে। তবে যে জীববৈচিত্রের কারণে এই বিশ্ববিদ্যালয়েকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বলা হয়ে থাকে তা হুমকির মুখে পড়েছে।

অধিক গাছপালা ও তৎসংলগ্ন ঝোপঝাড় বন্যপ্রাণীর জন্য প্রাকৃতিক অভয়াশ্রমের কাজ করে। তবে প্রশাসনের উদাসীনতাসহ নানা কারণে নষ্ট হচ্ছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বণ্যপ্রাণীদের আবাসস্থল।

সর্বশেষ রোববার (১ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হল সংলগ্ন জঙ্গলের তিন একরেরও বেশি জায়গা আগুনে পুড়েছে। রোববার দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সাড়ে ৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ওই এলাকা আগুনে পুড়তে থাকে। এর মধ্যে আগুন নেভাতে প্রশাসনের কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি। প্রায়ই জঙ্গলগুলোতে এমন আগুন জ্বলতে দেখা যায় বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

রোববার সন্ধ্যা ৬টার দিকে মীর মশাররফ হোসেন হলের প্রাধ্যক্ষের বাসভবনের পাশে গিয়ে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ সড়ক থেকে একটু ভেতরের দিকের জঙ্গলে ছোট ছোট গাছপালা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সেখানে ৩৫ থেকে ৪০টি গাছ কেটে ফেলে রাখা হয়েছিল। সেসবও আগুনে পুড়ে গেছে। এ সময় দুটি শিয়ালকে দৌড়াদৌড়ি করতে দেখা যায়। জঙ্গলের ভেতরের দিকে তখনও দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছিল। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট কার্যালয়ে জানানো হলে তারা আগুন নেভানোর চেষ্টা করে।

এভাবে প্রাণকূলের আবাসস্থল ও প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস হওয়ার ফলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববৈচিত্র্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্যও হারাতে বসেছে বলে মত বিশ্লেষকদের।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ক্যাম্পাসের জঙ্গলগুলোতে সাপ, বেজি, শিয়াল, বিভিন্ন প্রজাতির পাখিসহ নানা ধরনের বন্যপ্রাণী বাস করে। কিন্তু প্রতি বছরই এসব জঙ্গলে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। এতে করে এসব প্রাণীর খাবার ও বাসস্থানের সংকট সৃষ্টি হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘একটা সময় ক্যাম্পাসে নানা ধরনের বন্যপ্রাণীর দেখা মিলতো। দিনকে দিন সেসব কমে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনই সতর্ক না হলে অদূর ভবিষ্যতে এসব প্রাণী হারিয়ে যাবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত এস্টেট কর্মকর্তা ও মুখ্য উদ্যানতত্ত্ববিদ নুরুল আমিন বলেন, ‘কে বা কারা আগুন জ্বালিয়েছে তা আমরা জানতে পারিনি। তবে আগুন লাগানোর খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা নেভানোর চেষ্টা করি।’ এছাড়া এস্টেট কার্যালয়ে জনবল সংকট রয়েছে বলেও জানান তিনি।

অসৎ নারী চেনার উপায় কী?
                                  

নতুনবাজার ডেস্কঃ

অনেকের মতে নারী বহু শক্তির অধিকারী। নারীতে পুরুষের ফাঁসি। সব নারী মমতাময়ী হয় না। কিছু নারী থাকে যে নিজের স্বার্থের জন্য সব কিছু করতে পারে। পুরুষ মনে করে নারী খুব জটিল প্রাণী। জেনে রাখুন, লোভী নারীর সংখ্যাই আমাদের সমাজে বেশি। ঘরে-বাইরে দীর্ঘদিনের ট্রেনিংয়ের ফলেই এই প্রকার নারীর আবির্ভাব।

একটা নির্বোধ টাইপ নারী আছে, যার কোনও ইগোফিগো নেই। যে নারী কোনও ছকে চলে না, তাকে নিয়েই যত জ্বালা। সে হাসলে পুরুষ ভেবে নেয় অনেক কিছু। খেতে দিলে, শুতে চায়। এই নারী নিতান্ত সরল টাইপ। এই টাইপটাকে মানুষ সহজেই ভুল বোঝে। সে যদি ভালো মনে কিছু করতেও যায়, খারাপটাই ভেবে নেয় সকলে। মনে করে অন্য কোনও মতলব আছে তার।

কিন্তু এই দুই প্রকার নারীর বাইরেও আরও একপ্রকার নারী আছে, যে ফ্লার্টিংকে শিল্পের পর্যায় নিয়ে গেছে। আলাপের প্রথম প্রথম এমন হাবভাব করে, যেন ভাজা মাছটা উল্টে খেতে শেখেনি। পৃথিবীর রং, রূপ, গন্ধ- সবই প্রথম দেখছে। শিহরিত হচ্ছে পলকে পলকে। সেই মেকি সারল্যের প্রেমে পড়ে পুরুষ।

তখনই অনেকটা জিতে যায় ছলনাময়ী। ক্রমে সুতো ছাড়তে শুরু করে। এই ধরনের নারী কিন্তু খুব ধীর স্থির। হড়বড় করে কথা বলে না। খুব মার্জিত চালচলন। মিষ্টি হাসিটাও ফেক। দীর্ঘ দিনের হোমওয়ার্ক করে আনা। সাধারণত কমিটমেন্টে বিশ্বাস করে না। একই সময় বহুপুরুষের সঙ্গে সদ্ভাব রাখতে পারে। এমন নারী বিশ্বাসের অযোগ্য হলেও, সবাই তাকে বিশ্বাস করে নেয়। সে আসে, দেখে, জয় করে।

কী করে চিনবেন এমন নারীকে, কী করে বুঝবেন তিনি ফ্লার্ট করছেন আপনার সঙ্গে। জেনে নিন –

১. লজ্জাই নারীর ভূষণ। এই ধরনের নারীরা আপাত ভদ্র হলেও তাদের মধ্যে নির্লজ্জ হাবভাব প্রকাশ পায়। পুরুষের চোখের দিকে চেয়ে থেকে এমনভাবে, যেন তার ভিতরটা পড়ে ফেলছে। নারীর ওই দৃষ্টি পুরুষের সর্বনাশের কারণ।

২. মাথার চুল নিয়ে নাড়াচাড়া করতে শুরু করে কথা বলার সময়। পুরুষকে বাধ্য করে তার রূপের দিকে নজর দিতে। ইচ্ছে করে ইঙ্গিতবাহী পোশাক পরে আসে তার সামনে। যাতে সহজেই আকৃষ্ট করতে পারে।

৩. পুরুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে প্রথমে। তারপর তার বাড়ির ব্যাপারে খোঁজ নিতে থাকে। যেহেতু এই নারীকে পুরুষ সহজেই বিশ্বাস করে নেয়, নিজের সম্পর্কে সবই তাকে বলে ফেলে। এমন নারী কিন্তু পুরুষকে ফাঁদে ফেলতে ওস্তাদ। নানাভাবে বিশ্বাস অর্জন করে, ব্ল্যাকমেইল করতেও পিছপা হয় না।

৪. নানা ছুতোয় কথা বলার সুযোগ খোঁজে এই নারী। এড়িয়ে গেলে বাড়ি চলে আসে। যেহেতু ততদিনে বাড়ির লোকের সঙ্গেও সদ্ভাব করে নেয়, তাই বাড়ির লোকের নজরেও সে বিশ্বাসযোগ্য।

৫. বারংবার দেখা করার ফাঁক খোঁজে। সেই দেখা হওয়া কিন্তু একান্তে। অন্য কাউকে ডাকে না তখন।

৬. মাঝরাতে মেসেজ করে। রাত ১টা, ২টার সময় মাখোমাখো মেসেজ পাঠাতে থাকে।

৭. এমন নারীর সঙ্গে কখনওই মদ্যপান করা উচিত নয়। হতেই পারে অচৈতন্য মুহূর্তের সুযোগ নিয়ে পরবর্তীকালে সমস্যায় ফেলে দিল।

৮. এই নারী নানা অছিলায় যৌনতাকে নিয়ে আসে আলোচনার মধ্যে। পুরুষকে যৌনভাবে উত্তেজিত করার চেষ্টা করে। সেই উত্তেজনার বশে পুরুষ যদি মাত্রাতিরিক্ত কিছু করেও ফেলে, বিপদ কিন্তু পুরুষেরই। এই নারী কিন্তু অবলীলায় দোষ চাপিয়ে দিতে পারে পুরুষের ঘাড়ে।

যেসব কারণে পরকীয়ায় নারীদের আগ্রহ বেশি!
                                  

ডেস্কঃ বিয়ের কিছুদিন কিংবা কয়েক বছর পরই দাম্পত্য কলহে ঘর ভাঙছে, স্বামী-স্ত্রীর ছাড়াছাড়ি হয়ে যাচ্ছে। স্ত্রীর প্রতি আকর্ষণ হারিয়ে স্বামী হয়তো পাশের বাড়ির কোনও সুন্দরী নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হচ্ছে। আবার স্বামীর দায়িত্বহীনতা ও অক্ষমতা হয়তো কোনও কোনও স্ত্রীকে পরপুরুষের দিকে আকৃষ্ট করছে।

এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, শতভাগ না হলেও অন্তত ৭৭ ভাগ নারী প্রেমিক কিংবা স্বামীর সঙ্গে প্রতারণা করে অন্য পুরুষকে সময় দেয়। যেখানে প্রতিবেশী কোনও পুরুষের সঙ্গেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলের নারীরা।

সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, পরকীয়ার জন্য ডেটিং অ্যাপগুলোতে প্রতিদিনই ভিড় বাড়ছে। বর্তমানে এই ডেটিং অ্যাপের সদস্য সংখ্যা ৬ লাখেরও বেশি। সদস্যদের অনেকের বয়সই ৩৪ থেকে ৩৯ বছর। যেখানে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যাই বেশি।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে- বিবাহিত নারীরা কেন পরপুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হন? কিসের টানে কিসের অভাবে তারা নিজের স্বামীর সঙ্গে প্রতারণা করেন? দাম্পত্য কলহ, অভাব-অনটন নাকি অন্য কিছু?

এ বিষয়ে সমীক্ষা বলছে, অনেক নারীই বিয়ের পর দীর্ঘ জীবন স্বামীর সঙ্গে কাটাতে চান না। তাদের মধ্যে এক ধরনের একঘেয়েমি চলে আসে। তাই নতুন কারও সঙ্গ পেতেই তারা পরপুরুষের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন।

তথ্য মতে, প্রতিবেশীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়ান ৩১ শতাংশ নারী। ৫২ থেকে ৫৭ শতাংশ নারী বিজনেস ট্রিপের সময় অন্য পুরুষের শয্যাসঙ্গিনী হন।

আর এই পরকীয়া সম্পর্ককে কেন্দ্র করে প্রায় প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিবাহবিচ্ছেদ বাড়ছে। বাড়ছে পারস্পরিক বিশ্বাস ভালোবাসা আর আস্থা। কতশত সুখের সংসার পুড়ে ছাড়খার হচ্ছে।

সম্প্রতি মিসৌরি টেস্ট ইউনিভার্সিটির সমাজতত্ত্বের অধ্যাপক অ্যালিসিয়া ওয়াকার প্রায় ১০০০ বিবাহিত নারী-পুরুষের মধ্যে সমীক্ষা চালিয়ে এক গবেষণা প্রতিবেদনে দেখিয়েছেন, প্রত্যেক সুস্থ ও স্বাভাবিক নারী সপ্তাহে অন্তত দু‘বার শারীরিক সম্পর্কের চাহিদা অনুভব করেন। যখন কোনও নারী বিবাহিত জীবনে শারীরিক অপূর্ণতা অনুভব করেন তখনই হিতে বিপরীত ঘটে। তখনই ঘরের নারী বাইরের পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পরকীয়ায় জড়ান।

সীমান্ত হত্যা-চোরা চালান ও অপরাধ দমনে ঠাকুরগাঁও সীমান্তে গড়ে ওঠেছে কৃষি খামার
                                  

আবুল খায়ের,ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

সংসার চলছিল না বাবার রোজগারে। বিয়ের উপযুক্ত হয়ে দাঁড়াচ্ছে দুই বোন। এই চিন্তায় দুমড়ে মুছড়ে পড়ে শাহ্ আলম। অবশেষে ঠিক করে এলাকার গরু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ওপারে(ভারত) যাওয়ার। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অবৈধ ভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে সে প্রতিবেশী দেশে যায় গরু আনতে । কিন্তু তার আর বাড়ি ফেরা হয়নি (নিজ দেশে)। ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বি,এস,এফ) গুলিতে প্রাণ হারায় কিশোর বয়সী শাহ্ আলম। এই নির্মম ঘটনার শিকার হয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার শুটকা বস্তি গ্রামের হত দরিদ্র শের আলীর ছেলে।
গত ২০১৪ সালের ১৯ নভেম্বর ৮ম শ্রেণীর ছাত্র শাহ্ আলম নিহত হয়। পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তরের সময় বিজিবির ঠাকুরগাঁও ৩০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে.ক. তুষার বিন ইউনুস আবেগ প্রবল হয়ে পড়েন। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারটিকে শান্তনা দিতে গিয়ে তিনি সিদ্ধান্ত নেন শাহ্ আলমের মত আর কেউ যেন এভাবে ঝড়ে না পড়েন। যেই ভাবনা সেই কাজ শুরু করেন তিনি। এ গ্রামকে  ঘিরে বিজিবির তদারকিতে কর্মসৃজন একটি প্রকল্প চালু করা হয়েছে। স্থাণীয় ভাবে সংগ্রহ দান-অনুদানের ৮ লাখ ৯৭ হাজার ৫শ ২২ টাকা মুলধন নিয়ে এই প্রকল্পের যাত্রা শুরু হয় ২০১৫ সালের ২০ এপ্রিল। এটিকে লোন দিয়ে সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও বে-সরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইএসডিও। বিজিবির উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের আঞ্চলিক কমান্ডার (রংপুর) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহফুজুর রহমান এই প্রকল্পের উদ্ধোধন করেন। এলাকার ২৩টি পরিবারের ৮০ জন সদস্য এই প্রকল্প থেকে সরাসরি উপকৃত হচ্ছেন। কর্মসুচিতে গরুর খামার, হাঁস মুরগি কবুতর পালন, মাশরুম চাষ, মৌ পালন, বায়ো গ্যাস প্ল্যান্ট,জৈব সার তৈরি, বিভিন্ন প্রকার খাবার ফল,ঔষধি গাছ উৎপাদন ও সবজি চাষ,কুটির শিল্প সহ নানা প্রকল্প রয়েছে। এ ছাড়া শিশুদের চিত্ত বিণোদনের জন্য পার্ক স্থাপন করা হয়েছে।
ছেলেটি নেই কিন্তু আয়ের পথ তৈরি করে গেছে শাহ্ আলম। আজ ছেলেটা বেঁচে থাকলে কতটাই খুশি হতো। এই বলে শের আলী বার বার মুর্চ্ছা যাচ্ছিলেন। এ সময় ঘঁড়ির কাটায় বেজে ওঠে বিকাল ৩টা। সে দিনটি ছিলো রোববার(২০মার্চ)। দৈব ক্রমে হাজির হন স্থাণীয় ইউপি চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী। তিনি জানান বিজিবির উদ্যোগ এলাকায় সাড়া ফেলেছে। প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ায় অনেক চোরা কারবারি সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরছে বলে জানান ঐ জনপ্রতিনিধি। শুটকা বস্তি গ্রামের পেয়ারা বেগম বলেন,তিনি সেখানে পাপোস তৈরির কাজ করে ছেলে মেয়ের লেখা পড়া শিখাচ্ছেন। একই সুরে বলেন সাবিনা বেগম তিনিও এ প্রকল্পের উপকার পাচ্ছেন।
বিজিবির ঠাকুরগাঁও -৩০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক অধিনায়ক লে.কর্নেল তুষার বিন ইউনুস বলেন, সবার সহযোগিতা পেলে জেলার সীমান্ত এলাকায় এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রসাশস মুকেশ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, বিজিবি কর্তৃক যে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে তা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। এ ধরনের প্রোগ্রাম সমস্ত সীমান্ত এলাকায় যদি চালু করা যায় তাহলে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা সুদৃঢ হবে বলে এই মন্তব্য করেন তিনি।


   Page 1 of 2
     ফিচার
ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি’ বলায় ক্ষেপে গেলেন ইয়ামি
.............................................................................................
অতীতের ভুল থেকে বিএনপিকে শিক্ষা নিতে হবে
.............................................................................................
যে রহস্যময় বই আজও কেউ পড়তে পারেনি
.............................................................................................
চিকিৎসকের অবহেলায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের মৃত্যু
.............................................................................................
সিলেটের ওসমানীনগরে ভারতীয় নাসির বিড়িসহ আটক ২
.............................................................................................
মানবতার কল্যাণে বিজয়ের ইতিহাস স্মরণীয় হোক
.............................................................................................
অশ্লীলতাকে বর্জন করে যথার্থভাবে ইউটিউব চ্যানেল পরিচালিত হো
.............................................................................................
বিয়ের আগে এই বিষয়গুলো সঙ্গীকে না জানালেই বিপদ
.............................................................................................
যে সময়ে হাঁটলে বেশি উপকার পাবেন
.............................................................................................
ফ্রিজে রাখা খাবারের স্বাদ অটুট রাখবেন যেভাবে
.............................................................................................
মিনি সিঙ্গারা তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
চিকেন খাবসা তৈরির রেসিপি জেনে নিন
.............................................................................................
হুমকির মুখে অতিথি পাখির ক্যাম্পাস
.............................................................................................
অসৎ নারী চেনার উপায় কী?
.............................................................................................
যেসব কারণে পরকীয়ায় নারীদের আগ্রহ বেশি!
.............................................................................................
সীমান্ত হত্যা-চোরা চালান ও অপরাধ দমনে ঠাকুরগাঁও সীমান্তে গড়ে ওঠেছে কৃষি খামার
.............................................................................................
সবুজ চা বিপ্লবে ঘুরে যাচ্ছে উত্তরাঞ্চলের তেঁতুলিয়া
.............................................................................................
পৃথিবীর খুব কাছে আসছে জমজ ধুমকেতু
.............................................................................................
মার্চ মানেই অগ্নিঝরা রক্তক্ষয়ী মাস
.............................................................................................
টানা তিনবছর হেটে দশ হাজার মাইল!
.............................................................................................
বেলুনে ওড়ানো চিঠি ১৪৬ বছর পর অস্ট্রেলিয়ায়!
.............................................................................................
দিনাজপুরে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ভরা খানসামা যার অন্যতম পুরাতন মুসলিম স্থাপত্য ‘আওকরা মসজিদ’
.............................................................................................
বৃক্ষমানবের আঙুলে অস্ত্রোপচার শনিবার
.............................................................................................
শাহরুখের গাড়িতে হিন্দু মৌলবাদীদে হামলা
.............................................................................................
দেশে বৈধ সিমের সংখ্যা ১৩ কোটি
.............................................................................................
সমুদ্রে মাছের চেয়েও বেশি প্লাস্টিক!
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম.এ মান্নান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আজমল হোসেন বাবু। র্বাতা সম্পাদক আবু ইউসুফ আলী মন্ডল, ফোন ০১৬১৮৮৬৮৬৮২

ঠিকানাঃ বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়- নারায়ণগঞ্জ, সম্পাদকীয় কার্যালয়- জাকের ভিলা, হাজী মিয়াজ উদ্দিন স্কয়ার মামুদপুর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। শাখা অফিস : নিজস্ব ভবন, সুলপান্দী, পোঃ বালিয়াপাড়া, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ-১৪৬০, রেজিস্ট্রেশন নং 134 / নিবন্ধন নং 69 মোবাইল : 01731190131, 01930226862, E-mail : mannannews0@gmail.com, web: notunbazar71.com, facebook- notunbazar / সম্পাদক dhaka club
    2015 @ All Right Reserved By notunbazar71.com

Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop