| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ডিএসই পুঁজিবাজারকে এগিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর

ঢাকা: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান ইউনুসুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সূচক অত্যন্ত ভালো অবস্থানে সে তুলনায় পুঁজিবাজারের উন্নয়নে অনেক সুযোগ রয়েছে। ডিএসই পুঁজিবাজারকে এগিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর।

 

এক্ষেত্রে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ গ্রুপের সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের জন্য সহায়ক হবে।  

শুক্রবার (৫ নভেম্বর) লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। ডিএসই থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বৈঠকে দেশের পুঁজিবাজারে বন্ড মার্কেটের প্রসার ও উন্নয়ন বিশেষত গ্রিন বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে পুঁজি সংগ্রহ করে দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, ঢাকা স্টক একচেঞ্জকে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিকমানে উন্নয়ন, দেশের তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্তির মাধ্যমে পুঁজি সংগ্রহের সুযোগ সৃষ্টি, নতুন প্রোডাক্ট ও বাজার উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকে উপস্থিত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার অধ্যাপক ড. শামসুদ্দিন আহমদ বলেন, বাজারের গভীরতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ইকুইটি মার্কেটের পাশাপাশি পণ্যবৈচিত্রময় বাজার গড়ে তুলতে বর্তমান কমিশন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে কমিশন গ্রিন বন্ড, মিউনিসিপাল বন্ডসহ বিভিন্ন বন্ড, ইটিএফ, ডেরিভেটিপস প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করছে। তিনি এসব পণ্যগুলোকে ডুয়েল লিস্টিংয়ের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া এবং পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সর্বক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অভিজ্ঞতা বিনিময়ে যৌথভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন৷

লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের প্রতিনিধিরা ডিএসই প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এ বৈঠকের মাধ্যমে উভয় পক্ষের সহযোগিতার দ্বার উন্মোচিত হলো। বাংলাদেশের পুঁজিবাজার উন্নয়নে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ কাজ করতে আগ্রহী৷ একই সঙ্গে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ গ্রুপের প্রতিনিধিরা।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রতিনিধি দলের মধ্যে ছিলেন ডিএসইর পরিচালক মো. শাকিল রিজভী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক আমিন ভূইয়া, মহাব্যবস্থাপক ও কোম্পানি সচিব মোহাম্মদ আসাদুর রহমান, উপ-মহাব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, সহকারী মহাব্যবস্থাপক রুহুল আমিন ও উপ-ব্যবস্থাপক মো. শাহাদাত হোসেন।

বৈঠকে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ গ্রুপের পক্ষে ছিলেন পুঁজিবাজারের প্রাইমারি মার্কেটের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ডেভেলপমেন্টের প্রধান টম অ্যাটেনবরো, এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড প্রোডাক্ট অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অর্ডার বুক-এর বিজনেস ডেভেলপমেন্টের প্রধান লিডা এসলাম, লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ গ্রুপের আফ্রিকা এবং সাউথ এশিয়ান স্ট্র্যাটেজির পরিচালক ইবুকুন আদেবায়ো এবং বিজনেস ডেভেলপমেন্টের সিনিয়র অ্যাসোসিয়েট মাল্টি-অ্যাসেট প্রাইমারি মার্কেট ফেদেরিকা গিয়াকোমেটি।

ডিএসই পুঁজিবাজারকে এগিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর
                                  

ঢাকা: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান ইউনুসুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সূচক অত্যন্ত ভালো অবস্থানে সে তুলনায় পুঁজিবাজারের উন্নয়নে অনেক সুযোগ রয়েছে। ডিএসই পুঁজিবাজারকে এগিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর।

 

এক্ষেত্রে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ গ্রুপের সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের জন্য সহায়ক হবে।  

শুক্রবার (৫ নভেম্বর) লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। ডিএসই থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বৈঠকে দেশের পুঁজিবাজারে বন্ড মার্কেটের প্রসার ও উন্নয়ন বিশেষত গ্রিন বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে পুঁজি সংগ্রহ করে দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, ঢাকা স্টক একচেঞ্জকে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিকমানে উন্নয়ন, দেশের তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্তির মাধ্যমে পুঁজি সংগ্রহের সুযোগ সৃষ্টি, নতুন প্রোডাক্ট ও বাজার উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকে উপস্থিত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার অধ্যাপক ড. শামসুদ্দিন আহমদ বলেন, বাজারের গভীরতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ইকুইটি মার্কেটের পাশাপাশি পণ্যবৈচিত্রময় বাজার গড়ে তুলতে বর্তমান কমিশন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে কমিশন গ্রিন বন্ড, মিউনিসিপাল বন্ডসহ বিভিন্ন বন্ড, ইটিএফ, ডেরিভেটিপস প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করছে। তিনি এসব পণ্যগুলোকে ডুয়েল লিস্টিংয়ের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া এবং পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সর্বক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অভিজ্ঞতা বিনিময়ে যৌথভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন৷

লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের প্রতিনিধিরা ডিএসই প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এ বৈঠকের মাধ্যমে উভয় পক্ষের সহযোগিতার দ্বার উন্মোচিত হলো। বাংলাদেশের পুঁজিবাজার উন্নয়নে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ কাজ করতে আগ্রহী৷ একই সঙ্গে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ গ্রুপের প্রতিনিধিরা।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রতিনিধি দলের মধ্যে ছিলেন ডিএসইর পরিচালক মো. শাকিল রিজভী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক আমিন ভূইয়া, মহাব্যবস্থাপক ও কোম্পানি সচিব মোহাম্মদ আসাদুর রহমান, উপ-মহাব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, সহকারী মহাব্যবস্থাপক রুহুল আমিন ও উপ-ব্যবস্থাপক মো. শাহাদাত হোসেন।

বৈঠকে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ গ্রুপের পক্ষে ছিলেন পুঁজিবাজারের প্রাইমারি মার্কেটের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ডেভেলপমেন্টের প্রধান টম অ্যাটেনবরো, এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড প্রোডাক্ট অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অর্ডার বুক-এর বিজনেস ডেভেলপমেন্টের প্রধান লিডা এসলাম, লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ গ্রুপের আফ্রিকা এবং সাউথ এশিয়ান স্ট্র্যাটেজির পরিচালক ইবুকুন আদেবায়ো এবং বিজনেস ডেভেলপমেন্টের সিনিয়র অ্যাসোসিয়েট মাল্টি-অ্যাসেট প্রাইমারি মার্কেট ফেদেরিকা গিয়াকোমেটি।

বিশ্বের অন্যতম সেরা বিনিয়োগ গন্তব্য বাংলাদেশ
                                  

ঢাকা: বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে ব্রিটেনের ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দেশের ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।

শুক্রবার (৫ নভেম্বর) লন্ডনে ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিবিসিসিআই) সঙ্গে নেটওয়ার্কিং বিজনেস মিটিংয়ে এফবিসিসিআই সভাপতি এই আহ্বান জানান।

 

বৈঠকে তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে চমৎকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। যুক্তরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ব্যবসা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সক্রিয় অংশ নিচ্ছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার হওয়ার পরও যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের রপ্তানি তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল, হিমায়িত মাছসহ অল্প কিছু পণ্যের মধ্যে আটকে আছে।

এশিয়া অঞ্চলে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম সেরা বিনিয়োগ গন্তব্য বলে মন্তব্য করেন এফবিসিসিআই সভাপতি। বলেন, তাই অর্থনৈতিক উন্নয়নের পরিপ্রেক্ষিতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিশাল সুযোগ ও সম্ভাবনা রয়েছে।

এফবিসিসিআইর সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু বলেন, বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিংকে উন্নত করতে এবং রপ্তানি বৈচিত্র্যকে সহজতর করার জন্য একত্রে কাজ করতে পারে এফবিসিসিআই ও বিবিসিসিআই। এলডিসি পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যা কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এ সময় তিনি প্রবাসীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

সহ-সভাপতি এম এ মোমেন ব্যবসায়িক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য এফবিসিসিআই ও বিবিসিসিআইর মধ্যে সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন। বাংলাদেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশের যে কোনো ব্যবসায়িক স্বার্থের সুবিধার্থে এফবিসিসিআই সব সময় পাশে থাকবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন তিনি।

এদিন কমনওয়েলথ এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান হুগো সোয়ারের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন এফবিসিসিআই সভাপতি।

জ্বালানির দাম বৃদ্ধিতে রাজনৈতিক দলের প্রতিবাদ
                                  

জ্বালানি তেল ও এলপি গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়েছে দেশের কয়েকটি রাজনৈতিক দল। বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) বিকালে গণমাধ্যমে পাঠানো পৃথক প্রতিক্রিয়ায় দলগুলো অবিলম্বে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি থেকে সরে আসতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

বাম গণতান্ত্রিক জোট কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদ প্রতিক্রিয়ায় বলেছে, ডিজেল, কেরোসিন ও এলপিজি গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির ফলে কৃষি উৎপাদনে সেচ খরচ বাড়বে, ডিজেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পরিবহনে যাত্রী ভাড়া ও পণ্য পরিবহন ব্যয় বাড়বে। এলপিজির দাম বৃদ্ধিতে পরিবহন ও গৃহস্থালিতে, হোটেল-রেস্টুরেন্টে রান্নার ব্যয় বাড়বে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত সাধারণ জনগণ।

 

খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন বলেন, ‘দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জনগণের যখন নাভিশ্বাস উঠছে, ঠিক সেই সময়ে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম হঠাৎ করে ২৩% বৃদ্ধি করে জনগণের সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে।’

ভারতে শুল্ক কমিয়ে জ্বালানি তেলের দাম কমানো হয়েছে আর আমাদের দেশে মূল্য বৃদ্ধি করা হলো— উল্লেখ করেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘বিপিসিকে তেল আমদানি করতে ৩ ধরনের শুল্ক ও  ট্যাক্স প্রদান করতে হয়, যা কমালে তেলের দাম বৃদ্ধি না করে কমানো সম্ভব। কিন্তু সরকার লোকসানের দোহাই দিয়ে জনগণের পকেট কাটার দিকেই মনোযোগী বেশি, যা অত্যন্ত অযৌক্তিক ও গণবিরোধী।’

ডিজেল ও কেরোসিনের মূল্যবৃদ্ধি আত্মঘাতী বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ  চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া। বিবৃতিতে তারা বলেন, ‘সরকারের মন্ত্রীদের কর্মকাণ্ড ও অবস্থান দেখলে মনে হয়, তারা দেশের জনগণ নয়, লুটেরা গোষ্ঠীর স্বার্থরক্ষায় ব্যস্ত। ডিজেল ও কেরোসিনের মূল্য বৃদ্ধির সরকারি সিদ্ধান্ত জনবিরোধী।’

বাসদ (মার্কসবাদী)-এর ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়কারী ফখরুদ্দিন কবির আতিক উল্লেখ করেন, ‘অসংখ্য মানুষ কাজ হারিয়ে বেকারত্বের বোঝা বহন করছে। সংসার চালানোই হয়ে পড়েছে দুষ্কর। এই অবস্থায় সরকার পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধে কার্যকর কোনও ব্যবস্থা তো নেয়ইনি, উল্টো এখন ডিজেল-কেরোসিনের মূল্যবৃদ্ধির মধ্য দিয়ে পণ্যমূল্য আরও বৃদ্ধির পথ করে দিলো। ফলে জীবনযাপন ব্যয় আরও বাড়বে। জনগণের জীবন হয়ে উঠবে দুঃসহ।’

এছাড়া বিবৃতিতে প্রতিবাদ জানিয়েছেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার সহ-সভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতির সভাপতি হাফিজুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান কবির। ইসলামি আন্দোলন, গণসংহতি আন্দোলন ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টও প্রতিবাদ জানিয়েছে জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে।
এদিকে, ডিজেল-কেরোসিনের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে  শুক্রবার (৫ নভেম্বর) বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি ডেকেছে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল। 

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভাণ্ডারে এক্সিম ব্যাংকের কম্বল
                                  

ঢাকা: আসন্ন শীতে দেশের বিভিন্ন স্থানের অসহায় মানুষের সাহায্যার্থে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভাণ্ডারে দেড় লাখ কম্বল দিয়েছে এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক অব বাংলাদেশ লিমিটেড।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে গণভবন থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব ড. আহমদ কায়কাউস এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদারের কাছ থেকে কম্বল গ্রহণ করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মো. নূরুল আমিন ফারুক এবং অঞ্জন কুমার সাহা।

আবারও বাড়লো ডলারের দাম
                                  

ঢাকা: আমদানির জোয়ার ও প্রবাসী আয়ের ভাটায় আবারও বেড়েছে ডলারের দাম। গত দুদিনে ডলারের দাম বেড়েছে আরও ছয় পয়সা।

 

এর মধ্যে সোমবারই (১ নভেম্বর) বেড়েছে ৪ পয়সা। আর খোলা বাজারে গত কয়েক দিন ধরে বিক্রি হচ্ছে ৯১ টাকা পর্যন্ত।  

আমদানির জোয়ার ও প্রবাসী আয়ের ভাটার কারণে দিন দিন ডলার সংকট প্রকট হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বাজারে ডলার সরবরাহ করেও দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না।  

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, আট কর্মদিবস স্থির থাকার পরে আবারও বাড়ছে ডলারের দাম। রোববার ও সোমবার বেড়েছে ছয় পয়সা। সোমবারই বেড়েছে চার পয়সা।  

কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলারের দাম বাড়ানোর ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোও ডলারের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করছে ৮৫ টাকা ৬৭ পয়সায়। দুদিন আগেও বিক্রি করতো ৮৫ টাকা ৬১ পয়সায়। আর নগদ ডলার বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৯১ টাকায়।  

এদিকে গত কয়েক মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে কমেছে প্রবাসী আয়। অক্টোবর মাসে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১ হাজার ৬৪৭ মিলিয়ন ডলার। মহামারির কারণে আমদানি কমে যাওয়ায় এবং বৈধপথে প্রবাসী আয় বাড়ায় ডলারের দাম অনেকটা নিয়ন্ত্রিত ছিল। 

দাম বেড়েছে পেঁয়াজ-তেলের, তবে ডিমে...
                                  

দুই সপ্তাহ ধরে বেড়েই চলেছে নিত্যপণ্যের দাম। পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, চিনি, মসুর ডাল, তেল ও মুরগির দাম বেড়েছে। তবে বাজার ভেদে ডিমের দামে তারতম্য রয়েছে। কোথাও ডজনপ্রতি মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকায়, কোথায় ১১০টাকায়। আর হাঁসের ডিম কোথাও ডজনপ্রতি ১৬৫ টাকা, কোথাও ১৭৫ টাকা।

শুক্রবার (৮ অক্টোবর) রাজধানীর শেওড়াপাড়া, মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট ও কাওরান বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

কাওরান বাজারে গত দুই সপ্তাহ ধরে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। তবে ডিমের দাম কমেছে বলে জানালেন কয়েকজন বিক্রেতা।

হামিদ স্টোরের বিক্রেতা ফাহিম হোসেন বলেন, ‘গত দুই সপ্তাহ ধরে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়েছে। তবে ডিমের দাম কমেছে।’

মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে গিয়ে দেখা যায়, পেঁয়াজ ৪৫ টাকা থেকে বেড়ে ৬৫, চিনি ৬১ থেকে ৮০ ও মসুর ডাল ৭০ টাকা থেকে ৯০ টাকা। তবে চালের দাম কমেছে বলে জানালেন বিক্রেতারা। মিনিকেট দাম কমে ৬৫ টাকা থেকে ৬০, আটাশ ৫৫ থেকে ৫০ ও নাজিরশাইল ৭০ থেকে কমে ৬৫ টাকা।

 

তবে বেড়েছে মুরগির দাম। বয়লার মুরগি ১৪০ থেকে বেড়ে ১৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু দেশি মুরগির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। সোনালী মুরগি ২২০ টাকা থেকে বেড়ে ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 বিভিন্ন ব্যান্ডের তেলের দাম প্রতি লিটারে ৭ টাকা বেড়েছে। প্রতি ৫ লিটার তেলের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৬০ টাকা।

 

প্রতিদিন জেনারেল স্টোরের সত্ত্বাধিকারী আব্দুল কুদ্দুস জানান, পাইকারি বাজার থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে, এজন্য বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

 দাম বাড়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘আমদানি কম হচ্ছে, এজন্য দাম বেড়ে গেছে।’

তবে, দাম বাড়ার কারণ হিসেবে ভিন্নমত দিলেন বরিশাল জেনারেল স্টোরের স্বত্বাধিকারী মো. খালিদ হোসেন চৌধুরী। দাম কেন বাড়ছে এমন প্রশ্নের জবাবে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটকে দায়ী করে তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কারসাজিতে দাম বেড়েছে। আমাদের পাইকারি বেশি দামে কিনতে হচ্ছে, এজন্য বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।’

এদিকে নিত্যপ্রয়োজনী পণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে হিমশিম খেতে হচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষের। বেড়েছে ব্যয়। এজন্য আয়-ব্যয়ের সামঞ্জ্যহীনতা দেখা দিচ্ছে।কাঁচামরিচ কিনছিলেন একটি বেসরকারি ফার্মাসিউটিক্যালসে চাকরি করেন আব্দুল আলীম। বর্তমানে কাঁচামরিচ ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কয়েকদিন আগে কাঁচা মরিচের দাম ছিলো ৮০ টাকা।তিনি বলেন, ‘প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়ে গেছে। এজন্য পরিবার নিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।’ কাওরান বাজারের ডিম বিক্রেতা সাহেদ আলী জানান, বর্তমানে ডিমের সরবরাহ বেশি। এজন্য ডিমের দাম কমেছে।তবে মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে ডিমের দাম বেশি দেখা গেছে। বিক্রেতা মুহিউল্লাহ জানান, ডিমের চাহিদা বেশি। পাইকারি বাজার থেকে বেশি দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে, এজন্য দাম বেশি।

শেওড়াপাড়া কাঁচা বাজারের বিক্রেতা আলীম উদ্দিন জানান, তেল, ডাল, আদা ও পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। পাইকারি বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

 

 

 

বাজার করতে এসেছিলেন গার্মেন্টসকর্মী মোছা. ফরিদা খাতুন। তিনি বলেন, ‘আমরা নিম্ন আয়ের মানুষ। সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় আমাদের সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছে।’

 

বাংলাদেশকে ২৫ কোটি ডলার ঋণ দেবে এডিবি
                                  

করোনা মহামারির অর্থনৈতিক ধকল কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশকে ২৫ কোটি মার্কিন ডলার নীতিভিত্তিক ঋণ সহায়তা দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক(এডিবি)।শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে ব্যাংকটি জানিয়েছে, টেকসই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কর্মসূচির ৫০ কোটি মার্কিন ডলারের প্রথম কিস্তি হিসেবে এই অর্থ দেওয়া হবে।

যত দ্রুত সম্ভব করোনা মহামারির অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠা, কর্মসংস্থান তৈরি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্ত থেকে ছোট ব্যবসার সম্প্রসারণ ঘটাতেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

এডিবি বলছে, নীতি সংস্কারের মাধ্যমে এই কর্মসূচি কার্যকর করা হবে। যাতে, ক্ষুদ্র, কুটির, ছোট ও মাঝারি আকারের উদ্যোক্তা (সিএমএসএমইএস)-সহ জনগণের ব্যয় বাড়ানো যায় এবং নতুন রাজস্বের সুযোগ তৈরি হয়।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা, অবকাঠামো খাতে সরকারি বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক তৎপরতা ও পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনা থেকে দেওয়া হচ্ছে এই ঋণ সহায়তা।

এডিবির প্রধান অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ শ্রীনিভাষণ জানার্দানাম বলেন, এই কর্মসূচির অধীন সরকারের নতুন রাজস্বের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এছাড়া সামাজিক, অর্থনৈতিক ও অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে সুযোগ করে দেবে।

তিনি বলেন, এই ঋণ সহায়তায় সরকারি বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনার দক্ষতা বাড়াবে। বিশেষ করে দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণদের ঋণ সহায়তায় প্রবেশের সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করবে।

রাজস্ব স্থায়িত্ব বাড়াতে মারাত্মকভাবে প্রয়োজনীয় স্বাভাবিক ও সামাজিক অবকাঠামোরর সীমাবদ্ধতা দূর করতে এই কর্মসূচি সরকারকে সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে এডিবি।

এছাড়া ২০২১-২২ সালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আগের প্রাক্কলন কমিয়ে ছয় দশমিক আট শতাংশ করেছে ম্যানিলাভিত্তিক ব্যাংকটি। গত এপ্রিলে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানটি সাত দশমিক দুই শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) পূর্বাভাস দিয়েছিল। সরকারও একই ধরনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল।

বিশ্বব্যাংক বলছে, ২০২১-২২ রাজস্ব বছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে পাঁচ দশমিক এক শতাংশ।

কেবল বাংলাদেশ নয়, প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন পুরো দক্ষিণ এশিয়ার জন্যই কমিয়েছে এডিবি। আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার সম্মিলিত প্রবৃদ্ধির প্রক্ষেপণ এপ্রিলের ৯ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৯ দশমিক ৮ শতাংশ ধরা হয়েছে।

প্রক্ষেপণ কমিয়ে আনার মূল কারণ করোনাভাইরাসের সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ। যা এ বছর পুরো দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে দারুণভাবে ব্যাহত করেছে। করোনাভাইরাসের অতি সংক্রামক ডেল্টা ধরনের প্রাদুর্ভাবে এ বছরও কয়েক দফা লকডাউনের বিধিনিষেধ দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।

পাশাপাশি টিকাদানের ধীরগতির কারণেও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কাঙ্ক্ষিত গতি পাচ্ছে না বলে এডিবি মনে করছে।
 

 

 
 
খুলনায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রাক-বাজেট আলোচনা সভা
                                  

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বলেছেন, আমরা সবাই উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ দেখতে চাই। আমরা সমৃদ্ধ দেশের নাগরিক হতে চাই। এর জন্য সরকারের রাজস্ব ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে হবে। তাহলেই দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

আজ শুক্রবার দুপুরে খুলনার অভিজাত হোটেলে ২০২১-২০২২ অর্থ বছরের প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও খুলনা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন খুলনা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি কাজী আমিনুল হক। 

বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য, করনীতি মো. আলমগীর হোসেন, সদস্য কাষ্টমস নীতি ও আইসিটি সৈয়দ গোলাম কিবরীয়া এবং সদস্য মুসক নীতি মো. মাসুদ সাদিক। 

ময়মনংসিহরে ভালুকা উথুরা বাজারে অগ্রণী ব্যাংক এজেন্ট শাখার কার্যক্রম চালু
                                  

 ভালুকা উপজেলার প্রতিনিধি 

 ময়মসংিহরে ভালুকা উপজেলার ১নং উথুরা ইউনিয়নের উথুরা বাজারে অগ্রণী ব্যাংক এজেন্ট শাখার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত ২৮ জানুয়ারী থেকে অগ্রণী ব্যাংক উথুরা বাজার এজেন্ট ব্যাংক শাখায় সকল কার্যক্রম শুরু করা হয়। উথুরা অগ্রনী ব্যাংক শাখায় যে সমস্ত সেবা প্রদান করা হয়,
যেমনঃ সঞ্চয়ী হিসাব খোলা,চলতি হিসাব খোলা, এস এন টি ডি হিসাব,স্কুল ব্যাংকিং হিসাব,ডি পি এস হিসাব,ফিক্সড ডিপোজিট হিসাব,টাকা জমা ও উত্তোলন, অনলাইন সার্ভিস (যে কোন শাখায়), বিভিন্ন ভাতা বিতরণ (যেমনঃ বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা), ঋণ বিতরণ ও কিস্তি পরিশোধ, যেকোন ব্যাংকের যেকোন একাউন্টে টাকা পাঠানো এবং বিদেশী রেমিট্যান্স প্রদান। এছাড়াও সরকারি সকল কর্মচারীদের বেতন EFT এর মাধ্যমে উথুরা বাজার অগ্রণী ব্যাংক এজেন্ট শাখা থেকে প্রদান করা হয়।
অগ্রণী ব্যাংক উথুরা বাজার শাখাটি উথুরা বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের বিপরীতে আমেরিকান প্রবাসী আব্দুল খালেক সরকার মার্কেটের ২য় তলায় অবস্হিত । অত্র শাখায় শুক্রবার বাদে প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে সন্ধা ৬ টা পর্যন্ত সকল প্রকার লেনদেন / কার্যক্রম পরিচালিত হয়। **হাতের কাছেই ব্যাংকিং সেবার সকল ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় উথুরাবাসী এর সুফল ভোগ করতে পারবে বলে, ধারণা করছেন স্হানীয় সচেতন মহল। এ ব্যাপারে অগ্রণী ব্যাংক উথুরা বাজার শাখার এজেন্ট নুর মোহাম্মদ বলেন, সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে এবং হয়রানি বন্ধে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা লক্ষ্যে এই শাখার এজেন্ট নিয়েছি। আমার একটাই উদ্দেশ্য মানুষকে সেবা প্রদান। উথুরা বাজারে অগ্রণী ব্যাংকের এজেন্ট শাখা কার্যক্রম শুরু হওয়ার মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত গ্রাম হবে, শহর কার্যক্রম আরো একধাপ এগিয়ে গেল। এজেন্ট নুর মোহাম্মদ আরো বলেন, ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পেতে আমাদের সাথে যে কেউ যোগাযোগ করতে পারবে – ০১৭২৬- ৯৩৮০৭০, ০১৭১৮ -১৭৬৪৪৪ নাম্বারে। আমরা ২৪ ঘন্টা সর্বসাধারণকে ব্যাংকিং সেবা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য বা পরামর্শ দিয়ে থাকি।

বর্ডারে চালের ট্রাক আটকে আছে, এলেই দাম কমবে: খাদ্যমন্ত্রী
                                  

ভারত থেকে আমদানি করা চাল স্থলবন্দরে খালাসে দেরি হওয়ায় তা এখনো বাজারে প্রবেশ করেনি। এ কারণেই অসাধু ব্যবসায়ীরা বাড়তি দামে তা বিক্রির সুযোগ নিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর প্রবাসী কল্যাণ ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের চালের মোকামগুলোতেও সরকারের বিভিন্ন সংস্থার নজরদারি আছে।  

তিনি আরও বলেন, বর্ডারে ট্রাকের লাইন ধরে আছে। চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে হয়ে যাবে আমদানি করা চাল দেশের বাজারে প্রবেশ করলে। তখন দাম কমে যাবে। আটকে থাকা পাথরবাহী ট্রাকের কারণে চালবাহী ট্রাক ঢুকতে পারছে না। কোনো সিন্ডেকেট নেই, আমদানির ক্ষেত্রে এলসি দুই চার পাঁচ জনকে দেওয়া হয়নি, ৪০০ জনের পর ব্যবসায়ীকে আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যখন অসাধু ব্যবসায়ী দেখছেন বর্ডারে চাল আটকে পড়ছে সহজে আসছে না এ সুযোগে তারা বাড়তি দামে বিক্রির সুযোগ নিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কাছে আমাদের রিপোর্ট যায়।

মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : ২০২১ সালে মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) বাংলাদেশ ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।

আইএমএফের ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুকের (ডব্লিউইও) তথ্য অনুযায়ী, ডলারের হিসাবে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি ২০২০ সালে এক হাজার ৮৮৮ ডলার হয়ে ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে ভারতের মাথাপিছু জিডিপি ১০.৫ শতাংশ কমে ১ হাজার ৮৭৭ ডলারে নেমে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছে, যা গত চার বছরে সর্বনিম্ন হবে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনোমিকস টাইমস ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড জানিয়েছে, করোনার ধাক্কায় ভারত দক্ষিণ এশিয়ায় তৃতীয় গরিব দেশ হচ্ছে। দেশটি থেকে কেবল পিছিয়ে থাকছে নেপাল এবং পাকিস্তান।

এদিকে বাংলাদেশ, ভুটান, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ ভারতের চেয়ে এগিয়ে থাকবে।

ডব্লিউইও প্রতিবেদন অনুযায়ী, শ্রীলঙ্কার পরে দক্ষিণ এশিয়ায় করোনা মহামারীতে ভারতীয় অর্থনীতি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে, দেশটির মাথাপিছু জিডিপি বর্তমান পঞ্জিকা বছরে ৪ শতাংশ সংকুচিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে নেপাল ও ভুটান এ বছর তাদের অর্থনীতি বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আইএমএফ আগামী বছরে ভারতে ব্যাপক অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের পূর্বাভাস দিয়েছে।

আইএমএফের পরিসংখ্যানে ২০২১ সালে আবার ভারতের অগ্রগতির পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। ওই সময়ে বাংলাদেশের চেয়ে অল্প ব্যবধানে এগিয়ে থাকতে পারে প্রতিবেশী দেশটি।

২০২১ সালে ভারতের মাথাপিছু জিডিপি ৮.২ শতাংশ অগ্রগতি হয়ে ২ হাজার ৩০ ডলারে দাঁড়াতে পারে। বিপরীতে বাংলাদেশের অগ্রগতি হতে পারে ৫.৪ শতাংশ বা ১ হাজার ৯৯০ ডলার।

পাঁচ বছর আগেও ভারতের মাথাপিছু জিডিপি বাংলাদেশের চেয়ে প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি ছিল।

ঘরে বসেই যেভাবে ৩৬ টাকায় মিলবে পেঁয়াজ!
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

খন থেকে অনলাইনে অর্ডার করে ঘরে বসেই কেনা যাবে সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পেঁয়াজ। একজন ৩৬ টাকা কেজি দরে তিন কেজি করে পেঁয়াজ কিনতে পারবে।


রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং ই-কমার্সের আয়োজনে জুম প্লাটফর্মে টিসিবির ‘ঘরে বসে স্বস্থির পেঁয়াজ’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, আমাদের সমস্যা আছে এবং সেই সমস্যা সমাধানের সর্বোচ্চ পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি। সাধারণ মানুষের কাছে একটা ম্যাসেজ পৌঁছানো দরকার সেটা হলো যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু কিনলে কোনো সমস্যা হবে না।

তিনি আরো বলেন, আমাদের এখনো পর্যাপ্ত পেঁয়াজ মজুদ আছে। এছাড়া যদি কিছুটা কমও পড়ে সেটি আগামী ১ মাসের মধ্যে তুরস্ক, মিয়ানমার থেকে চলে আসবে। সবকিছু আমাদের হাতের নাগালেই আছে।

মন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। দেশের অভ্যন্তরে দেশি ও আমদানিকৃত পর্যাপ্ত পেঁয়াজ মজুত রয়েছে। ভারত ইতোমধ্যে ২৫ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি প্রদান করেছে, এগুলো বাংলাদেশে প্রবেশ শুরু হয়েছে। আশা করা যায় আরো ১০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি প্রদান করবে ভারত।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, অন্যান্য পণ্যের মতো এখন সাশ্রয়ী মূল্যের পেঁয়াজও ক্রেতাগণ বাসায় বসে কিনতে পারবেন। ই-কমার্সের মাধ্যমে পেঁয়াজ বিক্রয়ের ধারণাটি নতুন। এ ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা আসতে পারে। আমরা থেমে থাকব না, সমস্যার সমাধান করে এগিয়ে যাবো।

মন্ত্রী আরো বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে শুধু ঢাকা ও চট্রগ্রামে এ পেঁয়াজ বিক্রয় শুরু করা হচ্ছে। পর্যায় ক্রমে ই-কমার্সের আওতায় দেশের সকল স্থানে টিসিবি সাশ্রয়ী মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করবে। এ জন্য ক্রেতা-বিক্রেতা এবং সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

এদিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি প্রতিরোধ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির ক্রেতাদের ই-কমার্সে পেঁয়াজ পেতে এ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার। প্রাথমিকভাবে দেশের ৫টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৩৬ টাকা মূল্যে ৩ কেজি করে পেঁয়াজ বিক্রি করা হবে। পরে বাড়ানো হবে প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ও পেঁয়াজের পরিমাণ।

ই-ক্যাব জানায়, আপাতত পাঁচটি অনলাইন প্রতিষ্ঠান ঢাকা ও চট্টগ্রামে অনলাইনে পেঁয়াজ বিক্রি করতে পারবে। প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত টিসিবির অনলাইন ডিলারশিপ পেতে যাচ্ছে- চালডাল, স্বপ্ন অনলাইন, সিন্দাবাদ ডট কম, সবজিবাজার ডট কম এবং বিডিসোল কম।

সোমবার থেকে যাচাই ডটকম, একশপ ও অন্য একটি প্রতিষ্ঠান এই ধারাবাহিকতায় যুক্ত হতে পারে। এছাড়া উইন্ডি নামে নারী উদ্যোক্তাদের একটি কমন প্ল্যাটফর্ম থেকেও টিসিবির পেঁয়াজ বিক্রি করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আরিফুল হাসান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্তি সচিব (রপ্তানি) মো. ওবায়দুল আজম এবং অতিরিক্ত সচিব (আমদানি) হাফিজুর রহমান। আরও বক্তব্য রাখেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের মহাপরিচালক এবং ই-কমার্স প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, ই-কমার্সের প্রেসিডেন্ট শমি কায়সার, চালডাল কর্মসূচির পরিচালক ইসরাত জাহান নাবিলা এবং নাদিয়া বিনতে আমীন।

৩০ টাকায় টিসিবির পেঁয়াজ মিলবে কাল থেকে
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আগামীকাল রোববার থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করবে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। সারা দেশে ২৭৫টি ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে এ পেঁয়াজ বিক্রি করা হবে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটি একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ ২ কেজি করে কিনতে পারবেন। এ ছাড়া পেঁয়াজের সঙ্গে চিনি, মশুর ডাল ও সয়াবিন তেলও ভর্তুকি মূল্যে বিক্রি হবে।

টিসিবির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার এ তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতিকেজি চিনি ও মশুর ডাল ৫০ টাকা কেজি দরে একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ ২ কেজি করে কিনতে পারবেন। এ ছাড়া সয়াবিন তেল প্রতিলিটার ৮০ টাকা দরে একজন ভোক্তা দুই লিটার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পাঁচ লিটার পর্যন্ত কিনতে পারবেন।

টিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমান করোনা পরিস্থিতি ও বন্য পরবর্তী পরিস্থিতিতে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে করে টিসিবি এসব পণ্য বিক্রি করবে। সেক্ষেত্রে ঢাকায় ৪০টি ট্রাক, চট্টগ্রামে ১০টি, রংপুর ৭টি, ময়মনসিংহে ৫টি, রাজশাহীতে ৫টি, খুলনায় ৫টি, বরিশালে ৫টি, সিলেটে ৫টি, বগুড়ায় ৫টি, কুমিল্লায় ৫টি, ঝিনাইদহে ৩টি ও মাদারীপুরে ৩টি করে অবশিষ্ট জেলা ও উপজেলায় প্রত্যেকটিতে ২টি করে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে পণ্য বিক্রি করা হবে। এ ছাড়া টিসিবির আঞ্চলিক কার্যালয়ের আওতাভুক্ত উপজেলায় অতিরিক্ত ৫টি ট্রাকে ও বন্যাকবলিত জেলা ও উপজেলায় পরিস্থিতি বিবেচনায় ১৩টি ট্রাক পণ্য বিক্রি করবে। আর এই বিক্রি কার্যক্রম শুক্রবার ও শনিবার বাদে ১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলবে। এছাড়াও প্রতিটি ট্রাকে চিনি ৫০০-৭০০ কেজি বরাদ্দ থাকবে। সঙ্গে মশুর ডাল ৪০০-৬০০ কেজি, সয়াবিন তেল ৭০০ থেকে এক হাজার লিটাল ও পেঁয়াজ ২০০ থেকে সর্বোচ্চ ৪০০ কেজি বরাদ্দ থাকবে।

গত বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, পেঁয়াজের দাম বাজারে একটু বেড়েছে। বন্যার কারণে সরবরাহে সমস্যা হয়েছে। আমরা দাম কমাতে চেষ্টা করছি। টিসিবি বড় পরিসরে নামছে। আগামী ১৩ তারিখ (রোববার) থেকে ন্যায্যমূল্যে খোলাবাজারে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করবে টিসিবি। এ ছাড়া এবার আমরা সর্বকালের রেকর্ড ভঙ্গ করে সর্বোচ্চ পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি করব। আমরা ফুল মনিটর করছি।

ফের অস্থিতিশীল পেঁয়াজের বাজার!
                                  

কাউসার আহম্মেদঃ

বছর না ঘুরতেই আবার অস্থিতিশীল পেঁয়াজের বাজার। অজুহাত একই- দেশের বাজারে সরবরাহ ঘাটতি, দাম বাড়ছে ভারতের বাজারেও। তবে এটি নিছকই খোঁড়া যুক্তি। প্রতিকেজি পেঁয়াজ ১৪ থেকে ১৫ টাকায় ভারত থেকে আমদানি করা হচ্ছে। আর সেই পেঁয়াজ কয়েক হাত বদল হয়ে খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে চার গুণ বেশি দামে- ৬০ টাকায়।

গত মাসে বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি হয়েছে ৮৩ হাজার ৬৬৬ টন পেঁয়াজ। এর বেশিরভাগই এসেছে ভারত থেকে। ১৫ টাকা ব্যয়ে আমদানি করা পেঁয়াজ কেন খুচরা বাজারে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর কারণ খুঁজতে গিয়ে বরাবরের মতো মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের কারসাজির তথ্যই উঠে এসেছে। পর্যাপ্ত পেঁয়াজ মজুদ থাকলেও তারা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে আবারও দাম বাড়াচ্ছেন।


সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির কোনো বাস্তবসম্মত কারণ নেই। এর পরও হঠাৎ করে কেন দাম বাড়ছে তা খতিয়ে দেখা উচিত। তারা বলছেন, পেঁয়াজের মূল্য কারসাজি করে যেসব ব্যবসায়ী বারবার মুনাফা লুটছেন, তাদের বিরুদ্ধে কখনো দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। ফলে তারা কারসাজি করে বারবার ক্রেতাদের পকেট কাটার সুযোগ পেয়ে যাচ্ছেন।



সূত্র জানায়, ফের ‘সেপ্টেম্বর আতঙ্কে’ দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্থির হয়ে উঠেছে। গত তিন সপ্তাহে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে সব ধরনের পেঁয়াজের দাম। দেশি পেঁয়াজের দাম দ্বিগুণ বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। গত মাসের মাঝামাঝিতে যার দাম ছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। আর আমদানি করা ভারতের পেঁয়াজের দাম এখন ৫০ থেকে ৬০ টাকা, যা আগে ছিল ২৫ থেকে ৩০ টাকা। রাজধানীর মানিকনগরের এক দোকানি বলেন, শ্যামবাজারের মোকাম থেকে বেশি পেঁয়াজ আনতে পারিনি। দাম অনেক বেড়েছে। আমরা বেশি দামে কিনে সামান্য লাভ রেখে বিক্রি করি। দাম বাড়লে বিক্রি করতে আমাদের মতো দোকানদারদের সমস্যা বেশি হয়।

কিন্তু দাম বৃদ্ধির জন্য বরাবরের মতো একে অপরকে দোষারোপ করছেন বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা। রাজধানীর কারওয়ানবাজারের আড়তদার হাবিবুর রহমান বলেন, আমরা সরাসরি ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করি না। কিছু আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তারাই পেঁয়াজ আমদানি করে আমাদের সরবরাহ করেন। আমরা তাদের দাম অনুযায়ী বাজারে পেঁয়াজ ছাড়ি। এখানে আমরা সামান্য কিছু কমিশন পেয়ে থাকি। বেশি দামে কিনে বিক্রিও করি বেশি দামে।


বিদেশ থেকে পণ্য আমদানির তথ্য পর্যবেক্ষণ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সপ্তাহভিত্তিতে ব্যাংকগুলোর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই পর্যবেক্ষণ করা হয়। সবশেষ গত আগস্টে ব্যাংকগুলোতে ঋণপত্র (এলসি) খুলে ৮৩ হাজার ৬৬৬ টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে। এতে আমদানিকারকদের ব্যয় হয়েছে এক কোটি ৩৯ লাখ ৩৬ হাজার ডলার বা ১১৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। প্রতিটনে ব্যয় হয়েছে ২২৭ ডলার। গত বছরের আগস্টে আমদানি করা হয় ৫৭ হাজার ৪৭৯ টন। এই হিসাবে এ বছর আমদানি বেড়েছে ৪৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- আগস্টের প্রথম ও শেষ সপ্তাহে প্রতিকেজি পেঁয়াজ ১৫ টাকা দরে আমদানি করা হয়। দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ সপ্তাহে দাম আরও কম ছিল- ১৪ টাকা কেজি। গত বছরের আগস্টে আমদানিতে পেঁয়াজের দাম ছিল কেজিপ্রতি ১৭ থেকে ২৫ টাকা। এই হিসাবে এবার আমদানিতে দাম কমেছে ১৭ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত। তবে আগস্টের শেষ সপ্তাহে নতুন করে আমদানি করতে গিয়ে যে এলসি খোলা হয়েছে, তাতে পেঁয়াজের দাম কয়েক টাকা বেড়েছে। প্রতিকেজি পেঁয়াজের দাম পড়েছে ১৯ টাকা।

ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানিকারক হাফিজুর রহমান জানান, পেঁয়াজ আসতে অন্তত এক সপ্তাহ প্রয়োজন হয়। আগে এলসি খোলা হলেও পেঁয়াজ আনতে হয় সপ্তাহখানেক পরের দামে। ভারতে এখন পেঁয়াজের দাম অনেকখানি বেড়েছে। তাই আমাদেরও বেশি দামে পেঁয়াজ আনতে হয়েছে। তার ওপর পরিবহন ভাড়া, শ্রমিকদের মজুরি দিয়ে দেশের বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে।

আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা জানান, বন্দরে পেঁয়াজের চালান আসার পর সরকারি কিছু খরচসহ আনুষঙ্গিক ব্যয় বাবদ প্রতিকেজিতে আরও এক টাকা খরচ হয়। এ ছাড়া এসব পেঁয়াজ বন্দর থেকে রাজধানী পর্যন্ত আসতে কেজিপ্রতি আরও এক থেকে দেড় টাকা খরচ হয়ে থাকে। এর পর আমদানিকারকরা পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছে এসব পেঁয়াজ বিক্রি করেন। পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তা খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছে। সব মিলিয়ে ভারত থেকে আমদানি করার পর তিন-চার হাত হয়ে পেঁয়াজ ভোক্তার কাছে পৌঁছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দেশে বার্ষিক পেঁয়াজের চাহিদা ২৪ লাখ টন। গত বছর উৎপাদন হয় ২৩ দশমিক ৩০ লাখ টন। বাকিটা আমদানি করা হয়।

দেশি পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে মালিবাগের পাইকারি ব্যবসায়ী শাহাবুদ্দিন বলেন, দেশে পেঁয়াজের সংকট নেই। ভারতে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ায় একশ্রেণির অসাধু মজুদদার বাজারে পেঁয়াজ কম ছাড়ছে। এতে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হচ্ছে, দেশি পেঁয়াজের দামও বেড়ে যাচ্ছে। পেঁয়াজ এখন মজুদদারদের কাছে। সেখানে বৃষ্টি-বন্যায় পেঁয়াজের ক্ষতি হওয়ার কথা নয়। যতটুকু ক্ষতি হয়, সেটুকু ক্ষতি বিবেচনা করেই দাম নির্ধারণ করা থাকে। নতুন করে দাম বাড়ার কথা নয়।

গত বছর সেপ্টেম্বরে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির কারণ জানতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর তদন্ত চালায়। সেখানে দাম বৃদ্ধির জন্য আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত মুনাফার লোভে কারসাজি ছাড়াও কিছু বাস্তবসম্মত কারণ উল্লেখ করা হয়। দাম বৃদ্ধির অন্যতম মূল কারণ হচ্ছে- আমদানির জন্য এককভাবে ভারত নির্ভরতা। তাই আমদানির জন্য বিকল্প দেশ খোঁজা এবং সারাবছর সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করে ওই কমিটি।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, ব্যবসার ক্ষেত্রে নীতিমালা চলে না। ব্যবসায়ীদের একটাই নীতি কীভাবে মুনাফা হবে। তাই তারা কেবল সুযোগ খোঁজেন। এর আগেও কারসাজিবাজদের তালিকা হয়েছে। কিন্তু দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়নি। এতে অসাধু ব্যবসায়ীরা আরও সাহসী হয়ে উঠছে। তিনি আরও বলেন, ভারতে দাম বাড়ছে। সরকারের উচিত মিয়ানমার, মিসর ও চীনের মতো বিকল্প উৎস থেকে পেঁয়াজের আমদানি বাড়িয়ে দেওয়া। এতে দাম কমে আসবে। তবে সরকারের উচিত দেশের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা। আমদানি নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসা। চাহিদার বিপরীতে দেশীয় উৎপাদন সন্তোষজনক পর্যায়ে থাকলে বাজার আপনা থেকেই স্থিতিশীল থাকবে।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে ভারত রপ্তানি বন্ধ করলে দেশের বাজারে হু হু করে বেড়ে পেঁয়াজের কেজি ২৫০ টাকা পর্যন্ত উঠে যায়। সংকট কাটাতে মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, মিসর, চীন, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। এমনকি বিমানে করেও আনা হয় পেঁয়াজ। এর পর চলতি বছরের মার্চের শুরুতে ভারত রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। এতে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম ৩০ থেকে ৪০ টাকায় নামে।

‘পিঁয়াজের দাম মনিটরিং জোরদার করা হচ্ছে’
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

এবার রেকর্ড পরিমাণে পিঁয়াজ আমদানি করা হবে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, পিঁয়াজের দাম মনিটরিং জোরদার করা হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর নিজ দপ্তরে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সঙ্গে হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট প্রতিনিধিদলের বৈঠক শেষে তিনি একথা জানান।

পিঁয়াজের দাম খুব শিগগিরই নিয়ন্ত্রণে আসবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, পিঁয়াজ আমদানিতে ৫ শতাংশ ট্যাক্স কমানো হচ্ছে। এছাড়াও আমরা সর্বকালের রেকর্ড ভেঙে সর্বোচ্চ পরিমাণ পিঁয়াজ আমদানি করব। ফলে খুব শিগগিরই দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বেশ কয়েকটি টিম আমদানির স্থানগুলোতে যেমন, বেনাপোল ও হিলিতে যাবে। সেখানে দেখবে আমদানির কী অবস্থা। একটু দাম বেড়েছে বাজারে। বন্যার কারণে সরবরাহে সমস্যা হয়েছে। আমরা খুব চেষ্টা করছি। টিসিবি বড় পরিসরে নামছে। আগামী ১৩ তারিখ থেকে ন্যায্যমূল্যে খোলাবাজারে পিঁয়াজ বিক্রি শুরু করবে।

নতুন মাইলফলকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

করোনাভাইরাস সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নতুন মাইলফলক অতিক্রম করতে চলেছে। বৃহস্পতিবার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৮.৯০ বিলিয়ন ডলার, যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। করোনাকালে রিজার্ভের পরিমাণ বাড়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা।

প্রতি মাসে চার বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় হিসেবে এই রিজার্ভ দিয়ে সাড়ে নয় মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। আগামী সপ্তাহের শুরুতেই রিজার্ভ ৩৯ বিলিয়ন (তিন হাজার ৯০০ কোটি) ডলার ছাড়াবে বলে প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের পাশাপাশি রফতানি আয় বাড়ায় রিজার্ভ নতুন মাইলফলক অতিক্রম করতে চলেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, চলতি আগস্টের গত ২০ দিনে প্রবাসীরা ১৩৪ কোটি ১০ লাখ ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন। গতবছরের পুরো আগস্টে ১৪৪ কোটি ৪৭ লাখ ডলার রেমিটেন্স এসেছিল।

প্রবাসীরা গত জুলাইয়ে ২৬০ কোটি ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছিলেন দেশে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে এক মাসে এত রেমিটেন্স কখনো আসেনি। এর আগে এক মাসে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স এসেছিল গত জুনে। ওই মাসে ১৮৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার রেমিটেন্স এসেছিল।


   Page 1 of 7
     অর্থ-বাণিজ্য
ডিএসই পুঁজিবাজারকে এগিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর
.............................................................................................
বিশ্বের অন্যতম সেরা বিনিয়োগ গন্তব্য বাংলাদেশ
.............................................................................................
জ্বালানির দাম বৃদ্ধিতে রাজনৈতিক দলের প্রতিবাদ
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভাণ্ডারে এক্সিম ব্যাংকের কম্বল
.............................................................................................
আবারও বাড়লো ডলারের দাম
.............................................................................................
দাম বেড়েছে পেঁয়াজ-তেলের, তবে ডিমে...
.............................................................................................
বাংলাদেশকে ২৫ কোটি ডলার ঋণ দেবে এডিবি
.............................................................................................
খুলনায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রাক-বাজেট আলোচনা সভা
.............................................................................................
ময়মনংসিহরে ভালুকা উথুরা বাজারে অগ্রণী ব্যাংক এজেন্ট শাখার কার্যক্রম চালু
.............................................................................................
বর্ডারে চালের ট্রাক আটকে আছে, এলেই দাম কমবে: খাদ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ
.............................................................................................
ঘরে বসেই যেভাবে ৩৬ টাকায় মিলবে পেঁয়াজ!
.............................................................................................
৩০ টাকায় টিসিবির পেঁয়াজ মিলবে কাল থেকে
.............................................................................................
ফের অস্থিতিশীল পেঁয়াজের বাজার!
.............................................................................................
‘পিঁয়াজের দাম মনিটরিং জোরদার করা হচ্ছে’
.............................................................................................
নতুন মাইলফলকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ
.............................................................................................
শস্য ও ফসল চাষের ঋণে আগ্রহ নেই ২৮ ব্যাংকের
.............................................................................................
দাম কমেছে স্বর্ণ ও রুপার
.............................................................................................
দেশে মাথাপিছু গড় আয় বেড়েছে ১৫৫ ডলার
.............................................................................................
আজ থেকে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম
.............................................................................................
সারা দেশে পানির দামে চামড়া বিক্রি!
.............................................................................................
চামড়া শিল্প নগরীতে অভিযান
.............................................................................................
নির্ধারিত দামের চেয়েও কমে বিক্রি হচ্ছে চামড়া
.............................................................................................
১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খুলে নেয়া যাবে নগদ সহায়তা
.............................................................................................
দাম বাড়বে যেসব পণ্যের
.............................................................................................
যেসব পণ্যের দাম কমবে
.............................................................................................
মোবাইল রিচার্জে ১০০ টাকায় ২৫ টাকা নেবে সরকার
.............................................................................................
বিড়ি-সিগারেটসহ তামাকজাত পণ্যের দাম বাড়বে
.............................................................................................
দাম বাড়তে পারে যেসব পণ্যের
.............................................................................................
বুড়িমারী স্থালবন্দর বন্ধ করে দিল ভারত
.............................................................................................
১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার রেকর্ড ঘাটতি বাজেট আসছে
.............................................................................................
১০ লাখ নতুন করদাতা শনাক্তের টার্গেট
.............................................................................................
দ্বিতীয় দিনেই শেয়ারবাজারে বড় দরপতন
.............................................................................................
শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু
.............................................................................................
৩১ মে থেকে স্বাভাবিক হচ্ছে ব্যাংকিং কার্যক্রম
.............................................................................................
ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরু
.............................................................................................
৮০০ মিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা
.............................................................................................
দেড় মাস পর ভারত-বাংলাদেশের বানিজ্য শুরু
.............................................................................................
পোশাক শিল্পে ৫ হাজার কোটি টাকা অনুদান নয়, স্বল্পসুদে ঋণ
.............................................................................................
করোনা: অর্থনৈতিক ক্ষতি মোকাবেলায় সিগারেটের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব
.............................................................................................
করোনার ধাক্কায় মন্দার কবলে বিশ্ব অর্থনীতি
.............................................................................................
হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু
.............................................................................................
গার্মেন্টসহ কর্মীঘন প্রতিষ্ঠানে প্রবেশে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পরামর্শ
.............................................................................................
আসছে ভারতীয় পেঁয়াজ
.............................................................................................
৪ বছরে বেসিক ব্যাংকের ক্ষতি ৩৮৮৪ কোটি টাকা
.............................................................................................
নির্দেশনা অমান্য করায় ৯ ব্যাংককে জরিমানা
.............................................................................................
বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি বন্ধ
.............................................................................................
১৮ মার্চ থেকে বাজারে পাওয়া যাবে ২০০ টাকার নোট
.............................................................................................
ভারতের পেঁয়াজ আসবে ১৫ মার্চ থেকে
.............................................................................................
আট মাসে রেমিট্যান্স বৃদ্ধি ২০ শতাংশ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম.এ মান্নান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আজমল হোসেন বাবু, সহ সম্পাদক কাওসার আহমেদ র্বাতা সম্পাদক আবু ইউসুফ আলী মন্ডল, সহকারী বার্তা সম্পাদক শারমিন আক্তার । বার্তা বিভাগ ফোন০১৬১৮৮৬৮৬৮২

ঠিকানাঃ বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়- নারায়ণগঞ্জ, সম্পাদকীয় কার্যালয়- জাকের ভিলা, হাজী মিয়াজ উদ্দিন স্কয়ার মামুদপুর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। শাখা অফিস : নিজস্ব ভবন, সুলপান্দী, পোঃ বালিয়াপাড়া, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ-১৪৬০, রেজিস্ট্রেশন নং 134 / নিবন্ধন নং 69 মোবাইল : 01731190131, 01930226862, E-mail : mannannews0@gmail.com, web: notunbazar71.com, facebook- notunbazar / সম্পাদক dhaka club
    2015 @ All Right Reserved By notunbazar71.com

Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop