| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   গণমাধ্যম -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
এম এ মান্নান এখন সিরাজগঞ্জে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

অনলাইন নিউজপোর্টাল নতুনবাজার৭১.কম এর সম্পাদক ও প্রকাশক এম এ মান্নান জরুরী কাজে সিরাজগঞ্জ সদরে গিয়েছেন। আজ সকালে তিনি সিরাজগঞ্জের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন।

এম এ মান্নান এখন সিরাজগঞ্জে
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

অনলাইন নিউজপোর্টাল নতুনবাজার৭১.কম এর সম্পাদক ও প্রকাশক এম এ মান্নান জরুরী কাজে সিরাজগঞ্জ সদরে গিয়েছেন। আজ সকালে তিনি সিরাজগঞ্জের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন।

নয়া দিগন্ত ও যায়যায়দিন সম্পাদকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দৈনিক নয়া দিগন্ত ও যায়যায় দিন পত্রিকার সম্পাদকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কূরুচিপূর্ণ লেখা প্রকাশ ও প্রচারের অভিযোগে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর হাকিম জিয়াউর রহমানের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে আগামি ২০ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দিয়েছেন। মামলায় আসামিরা হলেন দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকার সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন, যায়যায় দিন পত্রিকার সম্পাদক কাজী রুকুন উদ্দিন আহমেদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের চাকরিচ্যুত অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, মামলার অন্যতম আসামি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক (চাকরিচ্যুত) মোর্শেদ হাসান খান গত ২০১৬ সালের ৩০ মে দৈনিক যায়যায় দিন পত্রিকার ‘স্মৃতিময় জিয়া’ শিরোনামে একটি নিবন্ধন লেখেন। পরবর্তীতে ২০১৮ সালের ২৬ মার্চ দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকায় ‘জ্যোতির্ময় জিয়া’ শিরোনামে আরেকটি নিবন্ধন ছাপেন। ওই লেখা দুটিতে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে তথ্য বিকৃতি করে মিথ্যা, বানোয়াট ও অবমাননাকর বক্তব্য লেখেন, যা পরবর্তীতে দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকার সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন ও দৈনিক যায়যায় দিন প্রত্রিকার সম্পাদক কাজী রুকুন উদ্দিন আহমেদ যাচাই-বাছাই না করে প্রকাশ ও প্রচার করেন।

অভিযোগ আরও জানা যায়, আসামিদের এরূপ লেখা প্রকাশ ও প্রচারের ফলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কুরুচিপূর্ণ, ইতিহাস বিকৃতি, দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ বলে বাদী মনে করেন। আর এ জন্যই তিনি এ তিনজনের নামে মামলা দায়ের করেছেন।

এদিকে, ইতিহাস বিকৃতি ও বঙ্গবন্ধুকে অবমাননার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খানকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার ঢাবির সিন্ডিকেটের এক সভায় তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়। সেই ট্রাইবুনালের সুপারিশক্রমে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মু. সামাদ।

চলে গেলেন সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক রাহাত খান
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক ও কথাশিল্পী রাহাত খান আর নেই। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেনের বাসায় তিনি মারা যান। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাহাত খানের স্ত্রী অপর্ণা খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, রোববার বাসায় খাট থেকে নামতে গিয়ে কোমরে ব্যথা পান তিনি। এরপর চিকিৎসকের পরামর্শে এক্স-রে করা হলে পাঁজরে গভীর ক্ষত ধরা পড়ে। তারপর থেকে বাসায় বিশ্রামে ছিলেন তিনি। কিন্তু মঙ্গলবার সকালে তার শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে জরুরি ভিত্তিতে তাকে বারডেম হাসপাতালের আইসিউতে ভর্তি করা হয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, কিডনি, ডায়াবেটিস ইত্যাদি রোগ জটিলতায় ভুগছিলেন বলে জানান তার স্ত্রী।

অপর্ণা খান জানান, করোনা প্রাদুর্ভাবের পর থেকে তিনি সার্বক্ষণিকভাবে বাসাতেই অবস্থান করছিলেন। তবে গত দুই তিন দিন ধরে তিনি খাবার গ্রহণ করতে পারছিলেন না। প্রখ্যাত সাংবাদিক রাহাত খানের দ্রুত সুস্থতার জন্য তার স্ত্রী অপর্ণা খান সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

রাহাত খান ১৯৪০ সালের ১৯ ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার পূর্ব জাওয়ার গ্রামের খান পরিবারের জন্ম গ্রহণ করেন। কর্মসূত্রে রাহাত খান আপাদমস্তক সাংবাদিক। ১৯৬৯ সালে দৈনিক সংবাদ পত্রিকায় তার সাংবাদিকতা জীবনের হাতেখড়ি।

পরবর্তীতে ষাটের দশকে তিনি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় যোগদান করেন। ২০০৯ সাল থেকে তিনি দৈনিক ইত্তেফাকের সহকারী ও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৩ সালে তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় দৈনিক বর্তমান পত্রিকা। বর্তমানে তিনি দৈনিক প্রতিদিন পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

রাহাত খান ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত হন। জনপ্রিয় ও বিখ্যাত থ্রিলার সিরিজ সিরিজ মাসুদ রানার রাহাত খান চরিত্রটি তার অনুসরণেই তৈরি করা।

রাহাত খান ১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। শিক্ষা জীবন শেষ করে রাহাত খান কিছুদিন জোট পারচেজ ও বীমা কোম্পানিতে চাকরি করে ময়মনসিংহের নাসিরাবাদ কলেজে যোগদান করেন।

তারপর একে একে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, চট্টগ্রাম সরকারি কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যাপনা করার সুযোগ আসে তার।

বর্ণাঢ্য সাংবাদিকতা জীবনে রাহাত খান কথাশিল্প, ছোটগল্প, প্রবন্ধ-নিবন্ধ ও উপন্যাসের নিপুণ কারিগর হয়ে উঠেছেন। ১৯৭২ সালে তার প্রথম গল্পগ্রন্থ অনিশ্চিত লোকালয় প্রকাশিত হয়। তার পরবর্তী উপন্যাস ও গল্পগ্রন্থের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে অমল ধবল চাকরি, ছায়াদম্পতি, শহর, হে শূন্যতা, হে অনন্তের পাখি, মধ্য মাঠের খোলোয়াড়, এক প্রিয়দর্শিনী, মন্ত্রিসভার পতন, দুই নারী, কোলাহল ইত্যাদি।

ইতিমধ্যেই বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৭৩), সুহৃদ সাহিত্য পুরস্কার (১৯৭৫), সুফী মোতাহার হোসেন পুরস্কার (১৯৭৯), আবুল মনসুর আহমদ স্মৃতি পুরস্কার (১৯৮০), হুমায়ুন কাদির স্মৃতি পুরস্কার (১৯৮২), ত্রয়ী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৮) এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় একুশে পদক (১৯৯৬) পেয়েছেন।

১ম দফায় যে ৪৪টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল নির্বাচিত
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

৪৪টি অনলাইন নিউজ পোর্টালকে নিবন্ধনের জন্য নির্বাচিত করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) নির্বাচিত নিউজ পোর্টালগুলোর তালিকা প্রকাশ করেছে তথ্য মন্ত্রণালয়।

এর আগে, দুপুরে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানান, গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টের ভিত্তিতে দেশের ৫০টি অনলাইন গণমাধ্যমের তালিকা প্রকাশ করা হবে।

ঈদের পর এসব অনলাইন গণমাধ্যম নিবন্ধন ফি জমা দেয়াসহ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নিবন্ধন নিতে পারবে। এছাড়া যেসব অনলাইন গণমাধ্যমের ব্যাপারে নেতিবাচক রিপোর্ট পাওয়া গেছে তাদের নিবন্ধন না দেয়া এবং এসব পোর্টালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তথ্যমন্ত্রী।

নির্বাচিত পোর্টালগুলোর নিবন্ধনের পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তথ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এস এম মাহফুজুল হক বলেন, নিবন্ধন দেয়ার পদ্ধতিটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। সেটি হয়তো ঈদের পর চূড়ান্ত হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচিত পোর্টালগুলোকে নিবন্ধনের জন্য এককালীন একটা ফি দিতে হবে। এছাড়া প্রতিবছর ফি দিয়ে নবায়ন করতে হবে। নিবন্ধন ও নবায়ন ফি এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। তবে তা খুব বেশি হবে না।

নিবন্ধনের জন্য নির্বাচিত নিউজ পোর্টালগুলোর মধ্যে রয়েছে - সংবাদপ্রতিদিন২৪ডটকম, টাইমবাংলানিউজডটকম, বিডি২৪লাইভডটকম, ইউনাইটেডনিউজ২৪ডটকম, নিরাপদনিউজডটকম, ইপি-বিডিডটকম, একুশেসংবাদডটকম, দ্যমেইলবিডিডটকম, ইউ৭১নিউজডটকম, কারেন্টনিউজডটকমডটবিডি, লেটেস্টনিউজবিডিডটকম, সময়েরচিন্তাডটকম, বার্তা৭১ডটকম, দ্যরিপোর্ট২৪ডটকম, ডেইলিভোরেরপাতাডটকম, নিউজজার্নাল২৪ডটকম, আওয়ারনিউজবিডিডটকম, ওমেনআই২৪ডটকম, গ্রিনওয়াচবিডিডটকম, সিএননিউজভয়েসডটকম, ছবিনিউজ২৪ডটকম, আওয়ারনিউজ২৪ডটকম।

এছাড়া বাংলাট্রিবিউনডটকম, বিডিলাইভ২৪ডটকম, বাংলাদেশ২৪অনলাইনডটকম, দ্যফিন্যান্সিয়ালএক্সপ্রেস-বিডিডটকম, উত্তরাবার্তাডটকম, যুগবার্তাডটকম, হটনিউজ২৪বিডিডটকম, ভোরেরকাগজডটনেট, শীর্ষনিউজডটকম, দিনেরশেষেডটকম, সমকালডটকম, বার্তাবাজারডটকম, ঢাকাটাইমসডটকমডটবিডি, রাইজিংবিডিডটকম, বর্তমানখবরডটকম, ঢাকাডিপ্লোম্যাটডটকম, বিডিমর্নিংডটকম, বিবার্তা২৪ডটকম, জুমবাংলাডটকম, ঢাকাট্রিবিউনডটকম ও বণিকবার্তাডটকম নিবন্ধনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে।

তালিকা প্রকাশ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) একটি চলমান প্রক্রিয়া। যে সমস্ত অনলাইন নিউজ পোর্টালের পক্ষে সরকার নির্ধারিত সংস্থাসমূহের অনাপত্তি পাওয়া গেছে, শুধুমাত্র সেইগুলির তালিকা প্রকাশ করা হলো এবং তাদেরকে প্রাথমিক রেজিস্ট্রেশনের অনুমতি দেয়া হলো।

‌‌‌পরবর্তীতে অন্যান্য অনলাইন নিউজ পোর্টালের ব্যাপারে অনাপত্তি প্রতিবেদন প্রাপ্তির সাথে সাথে সেইগুলোকে নিবন্ধনের অনুমতি দেওয়া হবে। তাই এই বিষয়ে কোনো উদ্বেগের কারণ নেই।

অনাপত্তি প্রাপ্ত নিউজপোর্টালগুলোকে সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করে নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ থেকে ২০ কার্যদিবসের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করার অনুরোধ জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

রামগতি প্রেস ক্লাবের ৫ সাংবাদিক বহিস্কার
                                  

ডেস্ক রিপোর্টঃ
রামগতি প্রেসক্লাব হইতে সাংগঠনিক শৃংখলা ভংগ, শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য গোপন, সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি, মানুষের সাথে প্রতারণা, একাধিক পত্রিকার মিথ্যা পরিচয় দানসহ নানান অভিযোগে প্রেসক্লাবের সকল সদস্যর উপস্থিতিতে সাধারন সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ৫ পর্যবেক্ষক সদস্যকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়েছে।
রামগতি প্রেসক্লাব সভাপতি মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন ও সাধারন সম্পাদক মুহাম্মদ দিদারুল ইসলাম খন্দকার সাক্ষরিত পত্রের আলোকে জানা যায়, গত ১৪ মে প্রেসক্লাবের সভায় সকল সদস্যর উপস্থিতিতে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ৫ পর্যবেক্ষক সদস্যকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার হয়।
রামগতি প্রেসক্লাব সভাপতি ও সম্পাদক জানান, উল্লেখিত ৫ জন রামগতি প্রেসক্লাবের সাধারন পর্যবেক্ষক সদস্য ছিল। তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে পেশায় নিয়োগ, অনিয়ম, সাংগঠনিক শৃংখলা ভঙ্গ, চাঁদাবাজি সহ নানান অভিযোগ উঠে এবং এ সকল গুরুতর অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ায় এ ৫ জনকে স্থায়ীভাবে বহিস্কারের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
বহিস্কৃতরা হলো রিয়াজ মাহমুদ বিনু : তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষা নেই, তথ্য গোপন, চাঁদাবাজির হাতিয়ার,এক সময়ের ছিচকে চোর থেকে কয়েকটি পত্রিকার পরিচয়পত্র সংগ্রহ, পিআইবির আইন লংঘন।
আমানত উল্যাহ : অন্য উপজেলার, একাধিক পত্রিকার পরিচয় দান, ইউএনও মহোদয়কে জড়িয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ, নুন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ নেই। (কাওমি) যে সার্টিফিকেটের কোন ভিত্তি নাই। ফজুমিয়ার হাট এলাকায় মানুষের সাথে প্রতারণা করে ২বার এলাকায় ত্যাগ করে। বাবা ফজুমিয়ার হাটের গরু কসাই। সে জনগনকে টাকা পয়সা ও হাতে পায়ে ধরে ক্ষমা চেয়ে ছেলেকে আবার এলাকায় নিয়ে আসে।
মোখলেছুর রহমান ধনু : প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষা নেই, কোন পত্রিকার কার্ড নেই, অন্য উপজেলার, চাঁদাবাজির হাতিয়ার, বিভিন্ন অনৈতিক কাজের অভিযোগ রয়েছে। একসময় ব্রিকফিল্ডের কেরাণির দায়িত্ব ছিলেন। আহসান উল্লাহ বাদী হয়ে ২০১০সনে তার বিরুদ্ধে মামলা করেন। ধনুর হয়রাণি থেকে বাঁচতে মো. চৌধুরী বাদী হয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর দরখাস্ত করেন। হুমকি থেকে বাঁচতে বিবি কুলসুম বাদী হয়ে সদর থানায় জিডি করেন। জান্নাতুল ফেরদাউস বাদী হয়ে হয়রানি থেকে বাঁচতে ২০১৭ সালে পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ করেন।
শাহরিয়ার কামাল : শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই, মন চাইলেই গাড়ীর পিছনে একেক সময়ে একেক পত্রিকার নাম লিখেন, অন্য উপজেলার। ভুয়া অনলাইন পত্রিকা নাম বিক্রি করে বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি করেন। ২০১৯ সালে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা হয় যাহা এখনও চলমান।মুসা কালিমুল্লাহ : অন্য উপজেলার, চাঁদাবাজির হাতিয়ার, ধনুর অনৈতিক কাজের সহযোগী।
তারা আরো জানান যে, উপরোক্ত ব্যক্তিদ্বয়ের সাথে প্রেসক্লাবের কোন সম্পর্ক নেই। তাদের কোন বিষয়ে রামগতি প্রেসক্লাব দায় দায়িত্ব বহন করবেনা।

চট্টগ্রামে ৩৫ সাংবাদিকের নমুনা সংগ্রহ
                                  

মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ যাচাই করতে চট্টগ্রামে দুই দিনে ৩৫ সাংবাদিকের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক লতিফা রুনা আনসারী এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সম্প্রতি কয়েকজন সহকর্মীর করোনা পজেটিভ শনাক্তের পর অনেক সাংবাদিকের মধ্যে শংকা বিরাজ করছে।

আমি চাই না সাংবাদিকরা ঘোরাঘুরি করুক
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের ফলে দেশের সম্ভাব্য প্রতিকূল অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবেলায় প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমি চাই না সাংবাদিকরা ঘোরাঘুরি করে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হোক।’ আজ রোববার (৫ এপ্রিল) গণভবনে থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। সকাল ১০টায় তার সরকারি বাসভবন গণভবনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে তিনি সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরার পাশাপাশি সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানান। একইসঙ্গে জনসাধারণের করণীয় এবং বিভিন্ন সংস্থার করণীয় নিয়ে দিকনির্দেশনা দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকরা থাকেন। এবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংবাদ সম্মেলন হচ্ছে। কারণ আমি চাই না সাংবাদিকরা ঘোরাঘুরি করে সংক্রমিত হোক।’ এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাভাইরাস ঠেকাতে তার সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা বর্ণনা করেন।

করোনায় সাংবাদিক স্বপনের মৃত্যু
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি ফটো সাংবাদিক এ. হাই স্বপন মারা গেছেন।

স্থানীয় সময় সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে জ্যামাইকা কুইন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

জানা যায়, বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন এ. হাই স্বপন। পাঁচদিন আগে তিনি ডায়ালাইসিস করতে হাসপাতালে যান। ডায়ালাইসিস শেষে তাকে ছেড়ে দেয়ার প্রস্তুতি চলছিল।

শরীরে জ্বর থাকায় করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) পরীক্ষা করালে পজেটিভ রিপোর্ট আসে। আর একদিনের মধ্যে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। এরপর সোমবার তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন।

এ. হাই স্বপন দৈনিক বাংলাবাজার এবং দৈনিক মানবজমিন পত্রিকায় দীর্ঘদিন ফটো সাংবাদিক হিসেবে করেছিলেন।

নিউইয়র্কে সাপ্তাহিক আজকাল, প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা ও টিবিএন-২৪ টিভিতে কাজ করেছেন। সর্বশেষ ছিলেন আজকাল পত্রিকায়।

সচিবালয়ে সাংবাদিক প্রবেশে কড়াকড়ি
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে সাংবাদিক প্রবেশের বিষয়ে অলিখিত নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অফিস আদেশ এখনো জারি করেনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল থেকে সাংবাদিকরা সচিবালয়ে প্রবেশ করতে চাইলে নিরাপত্তাকর্মীরা তাতে বাধা দেন। তারা বলছেন, সচিবালয়ে সরকারি কর্মচারী ছাড়া অন্য কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না। যদি কোনো মন্ত্রণালয়ের নির্দিষ্ট সংবাদ সম্মেলন থাকে তবে সাংবাদিকদের ঢুকতে দেওয়া হবে বলে জানান তারা।

সচিবালয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কোনো মন্ত্রণালয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রোগ্রাম না থাকলে সার্বিক নিরাপত্তার (করোনাভাইরাস) স্বার্থে সাংবাদিকদের প্রবেশ সংকুচিত করা হয়েছে- গতকালই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এরকম একটি মৌখিক আদেশ দেওয়া হয়েছে। গেইটের নিরাপত্তাকর্মীরা সেটাই অনুসরণ করছেন। অফিসিয়াল আদেশ না হওয়ায় এ ব্যাপারে কেউ নাম প্রকাশ করে মন্তব্য করতে চাচ্ছেন না।

করোনা: জাতীয় প্রেসক্লাব লকডাউন
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস বিস্তার রোধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে এবার জাতীয় প্রেসক্লাব বন্ধ করা হয়েছে। ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২১ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় প্রেসক্লাবের সব ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধ থাকবে।

শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ২১ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ জাতীয় প্রেসক্লাবের সব কর্মকাণ্ড বন্ধ থাকবে। এ সময়ের মধ্যে প্রেসক্লাবের সব সদস্য, কর্মচারী, কর্মকর্তা ক্লাব চত্বরে আসা থেকে বিরত থাকবেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সবার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

এদিকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা বিস্তার রোধে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন ধরনের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। সৌদি আরবসহ মুসলিমপ্রধান দেশগুলো মসজিদ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া বিশ্বের অন্য দেশগুলোতে বড় বড় বিপণী বিতান, এয়ারপোর্ট, বাস ও রেল স্টেশন, সমুদ্রবন্দর, সমুদ্র সৈকত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।


বাংলাদেশেও এই ভাইরাসে একজনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছে ১৭ জন। এরপরেই মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় গণপরিবহন চলাচলসহ দোকানপাট বন্ধ করা হয়েছে। আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য বিশ্ব ইজতেমা মাঠ প্রস্তুত করা হচ্ছে। সেনাবাহিনীকে দুইটি কোয়ারেনটাইন ক্যাম্প পরিচালনার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমসহ অনেক প্রতিষ্ঠানই কর্মীদের বাসায় বসে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে। দেশে সকল প্রকার সভা-সমাবেশ-গণজমায়েত বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডিইউজের নেতৃত্বে ফের গনি-শহিদ বিজয়ী
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) নির্বাচনে দপ্তর সম্পাদক ও একজন সদস্য ছাড়া কাদের গনি চৌধুরী-শহিদুল ইসলাম পূর্ণ প্যানেল বিজয়ী হয়েছে। শনিবার দিনব্যাপী ভোটগ্রহণের পর রাত ৮টার দিকে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

সভাপতি পদে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার কাদের গনি চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৮৭৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাহাঙ্গীর আলম প্রধান পেয়েছেন ৫৪৫ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে দৈনিক সংগ্রামের শহিদুল ইসলাম ৮৪১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এরফানুল হক নাহিদ পেয়েছেন ৫৯০ ভোট।

সহ-সভাপতি পদে বিজয়ীরা হলেন- শাহীন হাসনাত (৮৯৬) ,বাছির জামাল (৮৬৯) ও রাশেদুল হক (৭১৯)।

এছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে শাহজাহান সাজু (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত), কোষাধ্যক্ষ পদে মো. আনোয়ারুল হক (গাজী আনোয়ার) (৮৯৩), সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দিদারুল আলম (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত), প্রচার সম্পাদক পদে খন্দকার আলমগীর হোসাইন (৯৩৬), ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক পদে আবুল কালাম (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত), জনকল্যাণ সম্পাদক পদে দেওয়ান মাহমুদা সুলতানা (৮৩৬), দফতর সম্পাদক পদে ডি এম অমর (৭০২) নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাহী সদস্য পদে রফিক মুহাম্মদ (৮৪৫), শহিদুল ইসলাম (৮০৮), খন্দকার হাসনাত করিম পিন্টু(৭২৯), আবুল হোসেন খান(৬৮৮), কাজী তাজিম উদ্দিন (৬৭৭), জেসমিন (৭০২), রফিক লিটন (৬৩৭), আব্দুল হালিম (৬২৬)।

ডিইউজের সভাপতি কুদ্দুস সম্পাদক সাজ্জাদ তপু
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কুদ্দুস আফ্রাদ এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সাজ্জাদ আলম খান তপু। দুজন একই প্যানেল থেকে এই নির্বাচনে অংশ নেন।

শনিবার রাতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাশেম হুমায়ূন এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

এর আগে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। নির্বাচনে ৩ হাজার ১৬০ জন ভোটারের মধ্যে ২ হাজার ৪৩ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

ডিইউজের নবনির্বাচিত সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ কলকাতার প্রভাবশালী দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকার বাংলাদেশ প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। আর সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু যমুনা টেলিভিশনের বিজনেস এডিটর হিসেবে দায়িত্বপালন করছেন।

ডিইউজে নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জাতীয় প্রেসক্লাবে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) নির্বাচন। এবারই প্রথম ছবিযুক্ত ভোটার তালিকায় নির্বাচন হচ্ছে। এবারের নির্বাচনে ৩ হাজার ১৬০ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

শনিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টায় শুরু হওয়া এ নির্বাচনে কোনো বিরতি ছাড়াই চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

এদিকে এ নির্বাচনকে ঘিরে জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণ সাংবাদিকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে। নির্বাচনে ৫ প্যানেলে মোট ৮৯ জন প্রার্থী রয়েছেন। ডিইউজে ইতিহাসে এবারই সর্বোচ্চ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী রয়েছেন ৫ জন। তারা হলেন- আবু জাফর সূর্য, এসএম মোশাররফ হোসেন, কুদ্দুস আফ্রাদ, সোহেল হায়দার চৌধুরী, নাসিমা আক্তার সোমা। সহ-সভাপতি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৫ জন। তারা হলেন- আতিকুর রহমান চৌধুরী, এমএ কুদ্দুস, খন্দকার মোজাম্মেল হক, ফিরোজ আলম মিলন, মো. মোশারফ হোসেন।

সাধারণ সম্পাদক পদে মোট ৮ প্রার্থী। তারা হলেন- আকতার হোসেন, অশীষ কুমার সেন, উম্মুল ওয়ারা সুইটি, জহিরুল ইসলাম, মো. মেহেদী হাসান, মো. শাহজাহান মিঞা, সাজ্জাদ আলম খান তপু, সৈয়দ শুক্কুর আলী শুভ।

যুগ্ম-সম্পাদক পদে প্রার্থী আছেন ৫ জন। খায়রুল আলম, মনিরুজ্জামান উজ্জল, মহিউদ্দিন কাদের, মানিক লাল ঘোষ, রফিক আহমেদ।

কোষাধ্যক্ষ পদে প্রার্থী হয়েছেন ৪ জন। আশরাফুল ইসলাম, জগলুল কবির নাসির, রেজাউল করিম, সাহাদাৎ রানা।

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন ৫ জন। এ জিহাদুর রহমান জিহাদ, গোলাম মুজতবা ধ্রুব, মতলু মল্লিক, মামুন আবেদীন, শফিক রহমান।

প্রচার সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন ৪ জন। আছাদুজ্জামান, একেএম ওবায়দুর রহমান, এম শাহজাহান, কায়সার হাসান।

ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন ৫ জন। দুলাল খান, ফজলুল হক বাবু, মহিউদ্দিন পলাশ, মোস্তফা কামাল সুমন মোস্তফা, মো. সাজেদুল ইসলাম রাজু।

জনকল্যাণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন ৫ জন। এম জহিরুল ইসলাম, জাহিদা পারভেজ ছন্দা, সমীরন রায়, সোহেলী চৌধুরী, রাজীব উদ দৌলা চৌধুরী।

দফতর সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন ৪ জন। আমানউল্লাহ আমান, এম সাইফ আলী, জান্নাতুল ফেরদৌস চৌধুরী, মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

এছাড়া নির্বাহী সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩৯ জন। তারা হলেন- অনজন রহমান, অজিত কুমার মহলদার, আকলিমা বেগম লিমা, আনিছুর রহমান, আব্দুল বাসেত আকন, আব্দুস সালাম, ইব্রাহিম খলিল খোকন, ইসমত জেরিন, ইস্রাফিল হাওলাদার, এএম শাহজাহান মিয়া, এম মামুন হোসেন, এসএম বাবুল হোসেন, জাফর আহমদ, জিএম মাসুদ ঢালী, নাইম আহমেদ জুলহাস, নাসির উদ্দিন বুলবুল, ফারুক মজুমদার, মহসিন বেপারী, মো. আনিসুর রহমান রাহাদ, মোহাম্মদ মহসীন আলী, মোতাহার হোসেন, মো. সফিউর রহমান, মো. রফিকুল ইসলাম, রাজু হামিদ, ফারজানা সুলতানা, শেখ মোহাম্মদ আমিনুর রহমান, শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক, শাহনাজ পারভিন এলিস, শাহিন বাবু, সাকিলা পারভিন, সিকে সরকার, সালাম মাহমুদ, সালাহ উদ্দিন আহমেদ, সলিম উল্লাহ সেলিম, সায়েদুল ইসলাম বাদল, সাহীন কাওসার, সুরাইয়া অনু, সিদ্ধার্থ শংকর ধর।

শৈলকুপা প্রেসক্লাবের সভাপতি লিটন সম্পাদক শিহাব নির্বাচিত
                                  

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ
উপজেলা পর্যায়ে ১৯৭৩ সালে স্থাপিত বাংলাদেশের প্রথম প্রতিষ্ঠিত শৈলকুপা প্রেসক্লাবের ২০২০-২১ বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। ঐতিহ্যবাহী ঝিনাইদহের শৈলকুপা প্রেসক্লাবের বার্ষিক নির্বাচন সোমবার বিকেলে প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে সম্পন্ন হয়। সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে স্বতস্ফূর্ত ভোটের মাধ্যমে এ বার্ষিক কমিটি গঠন করা হয়। সভাপতি পদে মাসুদুজ্জামান লিটন এবং সাধারন সম্পাদক শিহাব মল্লিক নির্বাচিত হন। সহ সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন শহিদুজ্জামান বাবু, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মনিরুজ্জামান সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ,এম ইমরান, অর্থ সম্পাদক মামুন হোসেন, দপ্তর সম্পাদক রাকিবুজ্জামান জিহা দৈনিক আনন্দবাজার ও বুরহান উদ্দীন, নির্বাহী সদস্য এনায়েত হোসেন, রেজাউল ইসলাম রাজু, শাফায়েত হোসেন ফরহাদ নির্বাচিত হন। এছাড়াও সাধারণ সদস্য পদে রাজিব মাহমুদ টিপু, আরাফাতুজ্জামান, সুজন বিশ^াস, রবিউল ইসলাম সাবু, পত্রিকার হাসান খসরু অপু শেখর আহম্মেদ, দৈনিক কুষ্টিয়া পত্রিকার আনিছুজ্জামান, আহসান হাবিব, আলী জনি, সাইফুল ইসলাম টিটো, উজ্জল হোসেন, আসলাম হোসেন আসাদুজ্জামান রয়েল, আলীম হোসেন, রুবেল হোসেন ও তানিয়া আফরোজসহ মোট ২৭ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। উল্লেখ্য, শহরের কবিরপুরে অবস্থিত শৈলকুপা প্রেসক্লাবের নির্মানাধীন স্থায়ী ভবনের কাজ প্রায় শেষ দিকে। শৈলকুপায় কর্মরত সকল গণমাধ্যম কর্মীরা খুব শিঘ্রই জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে প্রেসক্লাবের নিজস্ব ভবনটি উদ্বোধন করবেন।

গণমাধ্যমের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আইনের শাসন
                                  

ব্যারিস্টার তানজীব উল আলমঃ

গণমাধ্যমের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে আইনের শাসনের সরাসরি একটা সম্পর্ক আছে। আমরা যদি গণমাধ্যমের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার বিষয়টাকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করি তাহলে, গণমাধ্যমকে বলা হয় রাষ্ট্রের পঞ্চম অঙ্গ হিসেবে। ডেমোক্র্যাটিক সোসাইটিতে রাষ্ট্র যখন তার বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে, এ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে গিয়ে যদি কোথাও ব্যত্যয় ঘটে, তাহলে সেই ব্যত্যয়গুলো গণমাধ্যম তুলে ধরে। তখন জনগণকে জানাতে গিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা রক্ষা করলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যম একটা অবদান রাখে। অনেক সময় দেখা যায়, গণমাধ্যম তার এ দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কতটুকু স্বচ্ছতা রক্ষা করে? প্রশ্নটা আসে গণমাধ্যম যখন সরকারের কাছ থেকে জবাবদিহিতা চাচ্ছে, তখন গণমাধ্যম যদি তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাহলে কার কাছে গিয়ে তাদের জবাবদিহিতা চাওয়া যায়?

এই যে স্বচ্ছতার আইডিয়া, এটা আসলে পুরনো একটা ধারণা। স্বচ্ছতা কিংবা জবাবদিহিতা কোথাও না কোথাও শেষ করতে হবে। প্রত্যেকে যদি একজন আরেকজনের ওপর লাগে, তাহলে এটাতে ইনফিনি ডি ডাউন সিচুয়েশন তৈরি হয়। জবাবদিহিতাও থাকা দরকার, সেটা যেমন অস্বীকার করা যাবে না, জবাবদিহিতার নামে আপনি যদি গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করেন এটাও কাম্য হবে না। আমরা সাংবিধানিক ব্যাখ্যায় যেটা দেখেছি যে আমাদের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে বলা আছে মানুষের চিন্তার স্বাধীনতা, প্রত্যেক নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এখন যে আইনগন রেস্ট্রিকশনগুলো আছে, মানবাধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এ রেস্ট্রিকশনগুলো কি? আর্টিক্যাল ৩৯-এ বলা আছে, আপনি মানহানিকর কোনোকিছু লিখতে পারবেন না, কিংবা বাংলাদেশের সঙ্গে অন্য রাষ্ট্রের বা প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক হানিকর এবং আদালত অবমাননাকর কোনোকিছু করতে পারেন না। সো এর বাইরে অলমোস্ট আপনার সবকিছুর জন্য গণমাধ্যমকে একটা লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। আমরা বাস্তব ক্ষেত্রে যেটা দেখেছি সেটা হচ্ছে যে কিছু কিছু সংবাদপত্র মানুষের রাইট টু ইনফরমেশনের স্বীকৃতি বা বাক-স্বাধীনতার স্বীকৃতি এবং গণমাধ্যমের যে স্বীকৃতি সেটা এক করে দেখা হচ্ছে। এটারই অপব্যবহার করে অনেক পত্রিকা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে কোনো একজন রাজনীতিবিদ বা কোনো টার্গেটেড ব্যক্তিত্বে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে তাদের ইমেজ ক্ষুণ্ন করার একটা চেষ্টা করা হয়ে থাকে। এসব সিচুয়েশনে গণমাধ্যমকে যাতে করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা যায় এ জন্যই একটা জবাবদিহিতার কথা বলা হচ্ছে।

বাংলাদেশে যদি আইনের প্রয়োগের কথা বলা হয়ে থাকে তাহলে আমি বলব অন্যান্য ক্ষেত্রে আইনের প্রয়োগে গাফিলতি দেখা যায়, কোনো কোনো ক্ষেত্রে অপপ্রয়োগও দেখা যায় লিগ্যাল সিস্টেমটাকে নিজস্ব স্বার্থসিদ্ধির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, এমন উদাহরণও অনেক রয়েছে। এগুলোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটেই নয় যে কোনো সময়ের আইনের প্রয়োগের কথা বলে থাকেন তাহলে ওই বিষয়টা এখনো দুর্বলই রয়ে গেছে। এ দুর্বল রয়ে গেছে দেখেই সংবাদপত্রের ক্ষেত্রে যে জবাবদিহিতা থাকা উচিত সেটাও অনুপস্থিত দেখা যায়। একইভাবে দেখা যায় কোনো কোনো ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা রক্ষা করার কথা বলতে গিয়ে সংবাদপত্রের কণ্ঠ রোধের ঘটনাও আমরা দেখেছি। তার মানে হচ্ছে সরকারের কর্তৃপক্ষ বা আইনশৃঙ্খালা বাহিনী, যাই বলেন না কেন, দুদিকেই তাদের এক ধরনের আইন মানা না মানার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। এমনটা চললে তাহলে আইনের শাসনের যে কথাটা বলা হচ্ছে তা কখনোই বাস্তবায়ন হবে না।

আইনের শাসন বলতে আসলে কী বুঝায়? আইনের শাসন পুরনো একটা ধারণা। একজন দার্শনিক এবি ডাইসি, তিনি আইনের শাসনের সংজ্ঞাটা দিয়েছিলেন এভাবে, ‘রাষ্ট্র পরিচালনা করার সময় যে আইনের বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে শুধু আইনটাকে প্রধান্য দেওয়া হবে, ওই আইনটাকে প্রধান্য দিতে গিয়ে কোন ব্যক্তি কীভাবে আক্রান্ত হচ্ছে সেটা মুখ্য নয়, আইনের চোখে যখন সবাইকে সমানভাবে দেখা হবে এবং আইনের প্রয়োগ সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে হবে তখনই বলা যাবে একটা দেশে আইনের শাসন বিদ্যমান রয়েছে।

এ আইনের শাসন বিদ্যমান থাকার যে প্রচেষ্টা সেটার সঙ্গেই গণমাধ্যমের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা অঙ্গাঙ্গিভাবে সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশে এখন যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে তা আমি মনে করি গণমাধ্যমগুলো তাদের যে বাক-স্বাধীনতা তা পুরোপুরি ভোগ করছে এবং কোনো পত্রিকা বলেন, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া বলেন, সরকারের সমালোচনা বলেন, সরকারের ভুলত্রুটি শুধরে দেওয়ার ক্ষেত্রে বা জনগণের সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হচ্ছে না। সেটা এক ধরনের হেলদি অ্যাডমিনিস্ট্রেটি তৈরি করেছে যাতে করে মানুষ তাদের মৌলিক অধিকারটা বাস্তবায়ন করতে পারছে। প্রকৃতপক্ষে আইনের শাসন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা কতটুকু? গণমাধ্যমের এখনো অনেক সুযোগ রয়ে গেছে যে, আইনের শাসন বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে জনগণকে সচেতন করা থেকে শুরু করে সরকারের বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা রয়েছে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে বা তাদের যদি কোনো বেআইনি কর্মকাণ্ড থেকে থাকে সেগুলোর জন্য স্বচ্ছতার সঙ্গে মানুষের সামনে প্রকাশ করার মাধ্যমে এ ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ড থেকে নিবৃত করা যেতে পারে।

স্বচ্ছতার ক্ষেত্রে রিসেন্টলি নতুন আইন তৈরির কথা যে বলা হচ্ছে ৫৭ ধারা গণমাধ্যমের ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করছে। এ আইনটাকে ব্যবহার করে গণমাধ্যমের অনেক কর্মীকে মামলা হয়রানি বিভিন্ন পত্রিকার কণ্ঠরোধের কথা বিভিন্ন সময়ে বলা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে ৫৭ ধারা সংবিধানের সঙ্গে কতটুকু সামাঞ্জস্যপূর্ণ সেটাও প্রশ্ন উঠেছে। একই ধরনের একটা ইন্ডিয়ান সুপ্রিম কোর্ট তাদের সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে সেটা বাতিল করেছে। ৫৭ ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বাংলাদেশে হাই কোর্টে যেসব মামলা করা হয়েছে সেগুলো এখনো শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। এখন সরকারের যে নিত্যনতুন আইন তৈরি হচ্ছে সেগুলো কতটুকু গণমাধ্যমের স্বচ্ছতা বা গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করা হবে না, এটা একটা আশঙ্কার মতো তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি একটা নতুন আইন প্রস্তাব করা হয়েছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। এটাতেও বেশ কিছু ধারা সংবাদপত্রের কিংবা গণমাধ্যমকর্মীদের স্বার্থ পরিপন্থী বলে গণমাধ্যমকর্মী এবং সুশীল সমাজের লোকজন আপত্তি জানিয়েছেন।

এটার মধ্যে বিশেষত ৩২ ধারা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ৩২ ধারার এ আইনটি অন্যান্য আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও চেষ্টা করা হচ্ছে। ৩২ ধারায় যেটা বলা হয়েছে যে, কোন সরকারি অফিসে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে যদি ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমে কোনো ধরনের কাগজপত্র সংগ্রহ করা হয় কিংবা কোনো ধরনের গোপনীয় নথি এবং তথ্য সংগ্রহ করা হয় তাহলে সেটাকে একটা গুপ্তচরবৃত্তি হিসেবে ধরা হবে। এর জন্য ব্যাপক শাস্তির কথা বলা হয়েছে। আমার মনে হয় আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে সরকারের যে বিষয়টা মাথায় রাখা উচিত, সেটা এমন একটা আইন তৈরি করা হচ্ছে যেটা মানুষের বাক-স্বাধীনতার যে মৌলিক অধিকার আছে, সেটাকে কিছুটা হলেও সংকোচিত করবে। যখন মানুষের মৌলিক অধিকার সংকোচিত করার মতো না হয়ে মৌলিক অধিকার রক্ষাকবচের মতো আইন হতে হবে। বর্তমান যে আইনটা প্রস্তাব করা হয়েছে সেটা বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সংস্কৃতি ও কৃষ্টির সঙ্গে সামাঞ্জস্যপূর্ণ বা যুগোপযোগী হয়নি। এ প্রস্তাবিত আইনে যেসব ফেইক ট্রাম ব্যবহার করা হয়েছে সে ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনা জরুরি। বিশেষ করে ৩২ ধারাটি বাদ দেওয়া উচিত। যদিও সরকার বলছে ৩২ ধারা সরকারের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হবে না। এ গ্যারান্টি কেউ দিতে পারবে না। যে কেউ হয়রানিমূলকভাবে এটা ব্যবহার করবে। আইনের শাসনের কথা বলে অনেক ক্ষেত্রে হয়রানি করা হচ্ছে, এ আইনটি করার আগে বিশেষজ্ঞ, স্ট্রেকহোল্ডারদের সঙ্গে কথা বলে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটা আইন করা উচিত।

 

অনুলিখন : আরাফাত মুন্না

লেখক : আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।

আগামীকাল মুন্সিগঞ্জ যাচ্ছেন নতুনবাজার৭১.কম’র সম্পাদক
                                  

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ অনলাইন নিউজপোর্টাল নতুনবাজার৭১.কম’র সম্পাদক ও প্রকাশক এম এ মান্নান অফিসের কাজে আগামীকাল মুন্সিগঞ্জ যাচ্ছেন।


   Page 1 of 2
     গণমাধ্যম
এম এ মান্নান এখন সিরাজগঞ্জে
.............................................................................................
নয়া দিগন্ত ও যায়যায়দিন সম্পাদকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা
.............................................................................................
চলে গেলেন সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক রাহাত খান
.............................................................................................
১ম দফায় যে ৪৪টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল নির্বাচিত
.............................................................................................
রামগতি প্রেস ক্লাবের ৫ সাংবাদিক বহিস্কার
.............................................................................................
চট্টগ্রামে ৩৫ সাংবাদিকের নমুনা সংগ্রহ
.............................................................................................
আমি চাই না সাংবাদিকরা ঘোরাঘুরি করুক
.............................................................................................
করোনায় সাংবাদিক স্বপনের মৃত্যু
.............................................................................................
সচিবালয়ে সাংবাদিক প্রবেশে কড়াকড়ি
.............................................................................................
করোনা: জাতীয় প্রেসক্লাব লকডাউন
.............................................................................................
ডিইউজের নেতৃত্বে ফের গনি-শহিদ বিজয়ী
.............................................................................................
ডিইউজের সভাপতি কুদ্দুস সম্পাদক সাজ্জাদ তপু
.............................................................................................
ডিইউজে নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে
.............................................................................................
শৈলকুপা প্রেসক্লাবের সভাপতি লিটন সম্পাদক শিহাব নির্বাচিত
.............................................................................................
গণমাধ্যমের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আইনের শাসন
.............................................................................................
আগামীকাল মুন্সিগঞ্জ যাচ্ছেন নতুনবাজার৭১.কম’র সম্পাদক
.............................................................................................
জামিন পেলেন প্রথম আলো সম্পাদক
.............................................................................................
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
.............................................................................................
দুর্নীতিবাজরা ক্ষমতাসীনদের পোষ্য : মোমিন মেহেদী
.............................................................................................
অনলাইন প্রেস ইউনিটি কুষ্টিয়া জেলা অনুমোদন শৈবাল সভাপতি মিলন সাধারণ সম্পাদক
.............................................................................................
অনলাইন প্রেস ইউনিটির উপদেষ্টা হলেন মাহবুব আলম আব্বাসী
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম.এ মান্নান
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ হাজী মোবারক হোসেন।। সহ-সম্পাদক : কাউসার আহম্মেদ।
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আজমল হোসেন বাবু। র্বাতা সম্পাদক আবু ইউসুফ আলী মন্ডল, ফোন ০১৬১৮৮৬৮৬৮২

ঠিকানাঃ বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়- নারায়ণগঞ্জ, সম্পাদকীয় কার্যালয়- জাকের ভিলা, হাজী মিয়াজ উদ্দিন স্কয়ার মামুদপুর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। শাখা অফিস : নিজস্ব ভবন, সুলপান্দী, পোঃ বালিয়াপাড়া, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ-১৪৬০, মোবাইল : 01731190131, 01930226862, E-mail : mannannews0@gmail.com, mannan2015news@gmail.com, web: notunbazar71.com, facebook- notunbazar / সম্পাদক dhaka club
    2015 @ All Right Reserved By notunbazar71.com

Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop