| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   গণমাধ্যম -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
সাংবাদিক আফতাব হত্যায় ৫ আসামির ফাঁসির মৃত্যুদণ্ড বহাল

রাজধানীর রামপুরায় আলোকচিত্র সাংবাদিক আফতাব আহমেদকে হত্যার ঘটনায় পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

বুধবার রাষ্ট্রপক্ষের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন) অনুমোদন করে এবং আসামিদের আপিল খারিজ করে বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি মো. বশির উল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া পাঁচ আসামি হলো— আফতাব আহমেদের গাড়িচালক হুমায়ুন কবির মোল্লা, ডাকাতিতে জড়িত বিল্লাল হোসেন কিসলু, হাবিব হাওলাদার, রাজু মুন্সি ও মো. রাসেল।

২০১৭ সালের ২৮ মার্চ ঢাকার চার নম্বর দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল ওই পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি আসামি মো. সবুজ খানকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। আসামিদের মধ্যে রাজু মুন্সি ও রাসেল মামলার শুরু থেকেই পলাতক।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে এ মামলায় শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সামিরা তারানুম রাবেয়া মিতি।

আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী এসএম শাহজাহান ও হেলাল উদ্দিন মোল্লা এবং দুই পলাতক আসামির পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী এসএম শফিকুল ইসলাম।

বিচারিক আদালতের রায় হাইকোর্ট বহাল রেখেছেন জানিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সামিরা বলেন, ট্রায়াল কোর্ট পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। এ রায়ই বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। দণ্ডিত আসামিদের মধ্যে রাজু মুন্সি ও রাসেল এ মামলার শুরু থেকেই পলাতক রয়েছেন।

২০১৩ সালের ২৫ ডিসেম্বর পশ্চিম রামপুরায় নিজ বাসা থেকে আফতাব আহমেদের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ৯ বছর আগে ডাকাতি করতে গিয়ে তাকে খুন করেন আসামিরা।

পরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলা হলে দায় স্বীকার করে হুমায়ুন কবির, হাবিব হাওলাদার ও বিল্লাল হোসেন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। ওই জবানবন্দিতে তারা স্বীকার করে, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আফতাব আহমেদের বাসায় ডাকাতি করার সময় তাকে গামছা দিয়ে বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যা করে তারা।

আসামি বিল্লাল হোসেন কিসলু আফতাব আহমেদের বাসার ড্রয়ার ভেঙে ৭২ হাজার টাকা লুট করে। পরে তারা স্থানীয় বউবাজার এলাকায় গিয়ে এক জায়গায় এ টাকা ভাগাভাগি করে নেয়।

পরে ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ প্রবীণ সাংবাদিক আফতাব আহমেদ হত্যা মামলায় ওই পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার চার নম্বর দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবদুর রহমান সরদার।

পরে নিয়মানুসারে মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য নথি (ডেথ রেফারেন্স) হাইকোর্টে পাঠনো হয়। পাশাপাশি আসামিদের পক্ষ থেকে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়। মঙ্গলবার এ বিষয়ে শুনানি শেষ হলে বুধবারের রায়ে বিচারিক আদালতের রায় বহাল রাখলেন উচ্চ আদালত।

২০০৬ সালে একুশে পদক পাওয়া আফতাব দীর্ঘদিন ইত্তেফাকের জ্যেষ্ঠ আলোকচিত্রী হিসাবে কাজ করেন। আফতাব আহমেদের গ্রামের বাড়ি রংপুরের গঙ্গাচড়ায়। আলোকচিত্র সাংবাদিক হিসাবে তিনি ইত্তেফাকে যোগ দেন ১৯৬২ সালে।

সাংবাদিক আফতাব হত্যায় ৫ আসামির ফাঁসির মৃত্যুদণ্ড বহাল
                                  

রাজধানীর রামপুরায় আলোকচিত্র সাংবাদিক আফতাব আহমেদকে হত্যার ঘটনায় পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

বুধবার রাষ্ট্রপক্ষের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন) অনুমোদন করে এবং আসামিদের আপিল খারিজ করে বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি মো. বশির উল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া পাঁচ আসামি হলো— আফতাব আহমেদের গাড়িচালক হুমায়ুন কবির মোল্লা, ডাকাতিতে জড়িত বিল্লাল হোসেন কিসলু, হাবিব হাওলাদার, রাজু মুন্সি ও মো. রাসেল।

২০১৭ সালের ২৮ মার্চ ঢাকার চার নম্বর দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল ওই পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি আসামি মো. সবুজ খানকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। আসামিদের মধ্যে রাজু মুন্সি ও রাসেল মামলার শুরু থেকেই পলাতক।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে এ মামলায় শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সামিরা তারানুম রাবেয়া মিতি।

আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী এসএম শাহজাহান ও হেলাল উদ্দিন মোল্লা এবং দুই পলাতক আসামির পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী এসএম শফিকুল ইসলাম।

বিচারিক আদালতের রায় হাইকোর্ট বহাল রেখেছেন জানিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সামিরা বলেন, ট্রায়াল কোর্ট পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। এ রায়ই বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। দণ্ডিত আসামিদের মধ্যে রাজু মুন্সি ও রাসেল এ মামলার শুরু থেকেই পলাতক রয়েছেন।

২০১৩ সালের ২৫ ডিসেম্বর পশ্চিম রামপুরায় নিজ বাসা থেকে আফতাব আহমেদের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ৯ বছর আগে ডাকাতি করতে গিয়ে তাকে খুন করেন আসামিরা।

পরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলা হলে দায় স্বীকার করে হুমায়ুন কবির, হাবিব হাওলাদার ও বিল্লাল হোসেন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। ওই জবানবন্দিতে তারা স্বীকার করে, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আফতাব আহমেদের বাসায় ডাকাতি করার সময় তাকে গামছা দিয়ে বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যা করে তারা।

আসামি বিল্লাল হোসেন কিসলু আফতাব আহমেদের বাসার ড্রয়ার ভেঙে ৭২ হাজার টাকা লুট করে। পরে তারা স্থানীয় বউবাজার এলাকায় গিয়ে এক জায়গায় এ টাকা ভাগাভাগি করে নেয়।

পরে ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ প্রবীণ সাংবাদিক আফতাব আহমেদ হত্যা মামলায় ওই পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার চার নম্বর দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবদুর রহমান সরদার।

পরে নিয়মানুসারে মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য নথি (ডেথ রেফারেন্স) হাইকোর্টে পাঠনো হয়। পাশাপাশি আসামিদের পক্ষ থেকে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়। মঙ্গলবার এ বিষয়ে শুনানি শেষ হলে বুধবারের রায়ে বিচারিক আদালতের রায় বহাল রাখলেন উচ্চ আদালত।

২০০৬ সালে একুশে পদক পাওয়া আফতাব দীর্ঘদিন ইত্তেফাকের জ্যেষ্ঠ আলোকচিত্রী হিসাবে কাজ করেন। আফতাব আহমেদের গ্রামের বাড়ি রংপুরের গঙ্গাচড়ায়। আলোকচিত্র সাংবাদিক হিসাবে তিনি ইত্তেফাকে যোগ দেন ১৯৬২ সালে।

কমতে পারে তাপমাত্রা, কোথাও কোথাও বৃষ্টি
                                  

সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

 

 

 

মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

 

 

 

আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

 

 

 

তাপপ্রবাহের বিষয়ে তিনি বলেন, রাজশাহী, পাবনা, রংপুর, দিনাজপুর নীলফামারী ও চুয়াডাঙ্গা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু কিছু জায়গায় প্রশমিত হতে পারে।

 

 

 

পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা অর্থাৎ তিনদিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে বলেও জানান তিনি।

 

 

 

গত ২৪ ঘণ্টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বোচ্চ ৮৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় দেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রাজশাহীতে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল সীতাকুণ্ডে।

 

 

 

আবহাওয়া পূর্বাভাসে সিনেপটিক অবস্থায় বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

গণমাধ্যম মনে হচ্ছে তেঁতুল গাছের মত; যে কেউ একটা ধাক্কা দিবেই
                                  

মোঃ শহিদুল ইসলাম,সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ সাংবাদিকদের জন্য নতুন কোন আইন হচ্ছেনা বলেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। আবার প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজাম উদ্দিন বলেছেন সাংবাদিকরা অন্যায় করলে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে সংসদে আইন পাস হচ্ছে। সাংবাদিকদের নিয়ে যা খুশি তাই করা হচ্ছে; দয়া করে এগুলো বাদ দিন। সাংবাদিক নিয়োগ নীতিমালাকে গণমাধ্যমকর্মী আইনে রুপান্তরিত করারও নীল নকশাও চলছে। এদিকে সংবাদ কর্মীদের চাকরির শর্তকে আইনি কাঠামো দিতে সংসদে তোলা ‘গণমাধ্যম কর্মী (চাকরির শর্তাবলি) বিল-২০২২’ নিয়ে বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করবে সংসদীয় কমিটি। বুধবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। জানাগেছে, গত ২৮ মার্চ খসড়া এই আইনটি সংসদে তোলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। পরে বিলটি ৬০দিনের মধ্যে পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়। গত ৬ জুন এজন্য আরও ৬০ দিন সময় চাইলে সংসদে ভোটাভোটির মাধ্যমে তাতে অনুমোদন দেওয়া হয়। বিলটি সংসদে ওঠার পর এ নিয়ে কোনো বৈঠক করেনি সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। তবে এর অনেকগুলো ধারা নিয়ে বিরোধিতা করেছে সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠনসহ মালিকদের সংগঠন।হাসানুল হক ইনু বলেন, “সাংবাদিক নেতারা আমার সঙ্গে বিলটি নিয়ে কথা বলেছিল। আমরা তাদের লিখিত প্রস্তাব দিতে বলেছি। এরপর আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে কমিটির বৈঠকে তাদের আমন্ত্রণ জানাব।”জনাব ইনু জানান, সাংবাদিকদের ট্রেড ইউনিয়ন বিএফইউজে, ডিইউজে, টেলিভিশন মালিকদের সংগঠন অ্যাটকো, সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াব এবং সংবাদপত্রের কর্মচারীদের সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করবে সংসদীয় কমিটি।এছাড়া ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সঙ্গেও বৈঠক হতে পারে বলে জানান সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি। এতে বলা হয়, গণমাধ্যমকর্মীদের ন্যূনতম ওয়েজ বোর্ড প্রতি পাঁচ বছর পর পর গঠন হবে। ওয়েজ বোর্ড সংবাদপত্র, সংবাদ সংস্থা, বেসরকারি টেলিভিশন, বেতার ও নিবদ্ধিত অনলাইন মাধ্যমের জন্য প্রয়োজনে পৃথক পৃথক বেতন কাঠামো নির্ধারণ করবে। প্রস্তাবিত আইনটিতে বলা আছে, গণমাধ্যমে পূর্ণকালীণ কর্মরত সাংবাদিক, কর্মচারী এবং নিবন্ধিত সংবাপত্রের মালিকানাধীন ছাপাখানাসহ নিবন্ধিত অনলাইন গণমাধ্যমে বিভিন্নকর্মে নিয়োজিত কর্মীদের ‘গণমাধ্যমকর্মী’ বলা হবে। গণমাধ্যমকর্মীদের তিনটি বিভাগ করা হয়েছে এই বিলে। আগে গণমাধ্যম কর্মীরা চলতেন ‘দ্য নিউজপেপার এমপ্লয়িজ (চাকরির শর্তাবলী) আইন- ১৯৭৪’ এর আওতায়। এর সঙ্গে শ্রম আইনের কিছু বিষয় সাংঘর্ষিক হচ্ছিল। পরে সাংবাদিকদেরকে শ্রম আইনের আওতায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাদের শ্রমিক হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়। সরকার ওই আইনকে রহিত করে সব শ্রমিকের জন্য ২০০৬ সালে ‘শ্রম আইন’ প্রণয়ন করে, যাতে সংবাদপত্রের সাংবাদিক, প্রেস শ্রমিক ও প্রেস কর্মচারীদের বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরে ২০১৮ সালে বিলটিতে নীতিগত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। এদিকে মফস্বলের সাংবাদিকদের নিয়ে কাজ করা জাতীয় সংগঠন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকারের উচিৎ মাঠ পর্যায়ে সাংবাদিকদের নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর তালিকা করে তাদেরকে ডেকে কথা বলা; নয়তো দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে যেই তিমিরে থাকা গণমাধ্যম সেই তিমিরেই থেকে যাবে-যার প্রমাণ ৫৭ধারা,৩৪ ধারাসহ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। ঐ সকল নেতাদের অধিকাংশই ডুয়েল পার্ট করায় অর্ধ শত বছর ধরে গণমাধ্যম অঙ্গনে ত্রাহিবস্থা বিরাজ করছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আগে সাংবাদিক সুরক্ষা আইন পাস করুন, সাংবাদিক নিয়োগ নীতিমালাটি প্রণয়ন করুন, সম্প্রতি সরকারী ভাবে প্রণীত পেশাদার সাংবাদিকদের তালিকাটি দ্রুত প্রকাশ করে আইডি নাম্বার প্রকাশ করুন। সরকার ঘোষিত সবশেষ ওয়েজবোর্ড অনুযায়ী সাংবাদিকদের বেতন-ভাতা প্রাপ্তিতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন করুন। সাংবাদিকদের জন্য সরকারের যা জরুরী, তা না করে কার বুদ্ধি-পরামর্শে সাংবাদিক সমাজকে তৃতীয় পক্ষে দাঁড় করানো হচ্ছে ঠিক তা বুঝে আসছেনা। আমার কেন যেন মনে হচ্ছে সরকারের মাঝে সরকার বিরোধী কোন অপশক্তি সরকারকে ভুল বুঝিয়ে একেক সময় একেকটি আইন প্রণয়নের মাধ্যমে গণমাধ্যম অঙ্গণকে কোনঠাসা করা হচ্ছে। এই ধরুন-আইপি টিভি এবং অনলাইন গণমাধ্যম; যা গোটা বিশ্বে এখন জয়জয়কার। গণমাধ্যমকে আতুরঘরে হত্যার মিশনেও নামানো হচ্ছে সরকারকে। বিশ্ব আজ ডিজিটাল প্রযুক্তির মহাসড়কে আছে। সেখানে গণমাধ্যমও একটি মাধ্যম। সবক্ষেত্রেই ডিজিটালের ছোঁয়ায় জয়জয়কার। যেখানে মুদি দোকান থেকে হোটেল রেস্তোরা এমনকি লঞ্চ, গাড়ি,ট্টেনের টিকেটও ডিজিটাল পদ্ধতিতে কিংবা অনলাইনের মাধ্যমে চলছে। সেখানে গণমাধ্যমের উন্নয়নে বাঁধা কোথায়! আর কেনইবা গণমাধ্যমকে বারংবার খাটো করে বারংবার কাঠগোড়ায় দাঁড় করানো হচ্ছে। কৈ কোথাওতো অভিযান দেখছিনা যে কেন আপনার হোটেলে কিংবা মুদি দোকানে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বেচাকেনা করছেন? তবে কেনইবা ডিজিটাল পদ্ধিতিতে পরিচালিত অনলাইন কিংবা আইপি টিভির ওপর বারংবার অভিযান চালিয়ে, আইনের যাতাকলে নানা দোষ চাপানো হচ্ছে! যা গণমাধ্যমের জন্য অশুভ লক্ষণ মনে হচ্ছে। দেশ স্বাধীনের ৫০ বছর সময়কালেও সাংবাদিকদের জন্য বেতন-ভাতা , কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও পরিচিতির জায়গাটি চরম নরবড়ে অবস্থানে লক্ষনীয়। গণমাধ্যমকে মনে হচ্ছে তেঁতুল গাছের মত; গাছের গোঁড়ায় যে যখন যাবে তখনই একটা নাড়া দেবে। ৫৭ ধারা থেকে ৩৪ ধারা পরবর্তী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন যেন কাল সাপের বিষের মত। আমি আগেই বলেছি, রাষ্ট্র কিংবা সরকারের মাঝে লুকিয়ে থাকা পাক দোসররা রাষ্ট্রের চতুথর্থ স্তম্ভখ্যাত গণমাধ্যমকে ৫০ বছরের ঝাঁকুনিতে প্রায় লন্ডভন্ড করে ফেলেছে।অতিমাত্রায় অনিরাপদ গণমাধ্যমে আজ আর শিক্ষিত কিংবা বংশীয় ঘরের ছেলে-মেয়েরা পেশাটিতে যুক্ত হতে চায়না বরং পেশাটি ছেড়ে চলে গেছে বহু সাংবাদিক। ঝক্কিঝামেলা এড়াতে তারা অন্যপেশায় যুক্ত হচ্ছেন। আসুন; পেশাটিকে বাঁচাতে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই। লেখক: আহমেদ আবু জাফর,প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অব ট্রাস্টি, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম-বিএমএসএফ,

সাংবাদিকতায় জেরিনের হাতেখড়ি
                                  

আবু ইউসুফ নিজস্ব প্রতিনিধি

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক আহমেদ আবু জাফরের একমাত্র কণ্যা সুস্মিতা আহমেদ জেরিন শিশু সাংবাদিকতায় প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে হাতেখড়ি দিয়েছে। বিশ্বে শিশু সাংবাদিকতায় প্রথম বাংলা সাইট হ্যালো ডটকম ও বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এর আয়োজনে দু’দিন ব্যাপী সাংবাদিকতায় প্রশিক্ষণ কর্মশালায় জেরিন অংশ নেয়। শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১১ টায় ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো: জোহর আলী এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন।

জাতিসংঘ শিশু তহবিল-ইউনিসেফ এর সহযোগিতায় জেলার ২০ জন শিশু এ কর্মশালায় অংশ নেয়।
শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কোর্সে হ্যালোর সমন্বয়ক ও বিডি নিউজের জেলা প্রতিনিধি পলাশ রায় সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করছেন।

জেরিন ঝালকাঠি সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী। জেরিনের এ পথচলায় পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের নিকট দোয়া চাওয়া হয়েছে।

এম এ মান্নান এখন সিরাজগঞ্জে
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

অনলাইন নিউজপোর্টাল নতুনবাজার৭১.কম এর সম্পাদক ও প্রকাশক এম এ মান্নান জরুরী কাজে সিরাজগঞ্জ সদরে গিয়েছেন। আজ সকালে তিনি সিরাজগঞ্জের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন।

নয়া দিগন্ত ও যায়যায়দিন সম্পাদকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দৈনিক নয়া দিগন্ত ও যায়যায় দিন পত্রিকার সম্পাদকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কূরুচিপূর্ণ লেখা প্রকাশ ও প্রচারের অভিযোগে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর হাকিম জিয়াউর রহমানের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে আগামি ২০ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দিয়েছেন। মামলায় আসামিরা হলেন দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকার সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন, যায়যায় দিন পত্রিকার সম্পাদক কাজী রুকুন উদ্দিন আহমেদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের চাকরিচ্যুত অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, মামলার অন্যতম আসামি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক (চাকরিচ্যুত) মোর্শেদ হাসান খান গত ২০১৬ সালের ৩০ মে দৈনিক যায়যায় দিন পত্রিকার ‘স্মৃতিময় জিয়া’ শিরোনামে একটি নিবন্ধন লেখেন। পরবর্তীতে ২০১৮ সালের ২৬ মার্চ দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকায় ‘জ্যোতির্ময় জিয়া’ শিরোনামে আরেকটি নিবন্ধন ছাপেন। ওই লেখা দুটিতে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে তথ্য বিকৃতি করে মিথ্যা, বানোয়াট ও অবমাননাকর বক্তব্য লেখেন, যা পরবর্তীতে দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকার সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন ও দৈনিক যায়যায় দিন প্রত্রিকার সম্পাদক কাজী রুকুন উদ্দিন আহমেদ যাচাই-বাছাই না করে প্রকাশ ও প্রচার করেন।

অভিযোগ আরও জানা যায়, আসামিদের এরূপ লেখা প্রকাশ ও প্রচারের ফলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কুরুচিপূর্ণ, ইতিহাস বিকৃতি, দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ বলে বাদী মনে করেন। আর এ জন্যই তিনি এ তিনজনের নামে মামলা দায়ের করেছেন।

এদিকে, ইতিহাস বিকৃতি ও বঙ্গবন্ধুকে অবমাননার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খানকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার ঢাবির সিন্ডিকেটের এক সভায় তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়। সেই ট্রাইবুনালের সুপারিশক্রমে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মু. সামাদ।

চলে গেলেন সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক রাহাত খান
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক ও কথাশিল্পী রাহাত খান আর নেই। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেনের বাসায় তিনি মারা যান। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাহাত খানের স্ত্রী অপর্ণা খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, রোববার বাসায় খাট থেকে নামতে গিয়ে কোমরে ব্যথা পান তিনি। এরপর চিকিৎসকের পরামর্শে এক্স-রে করা হলে পাঁজরে গভীর ক্ষত ধরা পড়ে। তারপর থেকে বাসায় বিশ্রামে ছিলেন তিনি। কিন্তু মঙ্গলবার সকালে তার শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে জরুরি ভিত্তিতে তাকে বারডেম হাসপাতালের আইসিউতে ভর্তি করা হয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, কিডনি, ডায়াবেটিস ইত্যাদি রোগ জটিলতায় ভুগছিলেন বলে জানান তার স্ত্রী।

অপর্ণা খান জানান, করোনা প্রাদুর্ভাবের পর থেকে তিনি সার্বক্ষণিকভাবে বাসাতেই অবস্থান করছিলেন। তবে গত দুই তিন দিন ধরে তিনি খাবার গ্রহণ করতে পারছিলেন না। প্রখ্যাত সাংবাদিক রাহাত খানের দ্রুত সুস্থতার জন্য তার স্ত্রী অপর্ণা খান সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

রাহাত খান ১৯৪০ সালের ১৯ ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার পূর্ব জাওয়ার গ্রামের খান পরিবারের জন্ম গ্রহণ করেন। কর্মসূত্রে রাহাত খান আপাদমস্তক সাংবাদিক। ১৯৬৯ সালে দৈনিক সংবাদ পত্রিকায় তার সাংবাদিকতা জীবনের হাতেখড়ি।

পরবর্তীতে ষাটের দশকে তিনি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় যোগদান করেন। ২০০৯ সাল থেকে তিনি দৈনিক ইত্তেফাকের সহকারী ও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৩ সালে তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় দৈনিক বর্তমান পত্রিকা। বর্তমানে তিনি দৈনিক প্রতিদিন পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

রাহাত খান ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত হন। জনপ্রিয় ও বিখ্যাত থ্রিলার সিরিজ সিরিজ মাসুদ রানার রাহাত খান চরিত্রটি তার অনুসরণেই তৈরি করা।

রাহাত খান ১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। শিক্ষা জীবন শেষ করে রাহাত খান কিছুদিন জোট পারচেজ ও বীমা কোম্পানিতে চাকরি করে ময়মনসিংহের নাসিরাবাদ কলেজে যোগদান করেন।

তারপর একে একে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, চট্টগ্রাম সরকারি কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যাপনা করার সুযোগ আসে তার।

বর্ণাঢ্য সাংবাদিকতা জীবনে রাহাত খান কথাশিল্প, ছোটগল্প, প্রবন্ধ-নিবন্ধ ও উপন্যাসের নিপুণ কারিগর হয়ে উঠেছেন। ১৯৭২ সালে তার প্রথম গল্পগ্রন্থ অনিশ্চিত লোকালয় প্রকাশিত হয়। তার পরবর্তী উপন্যাস ও গল্পগ্রন্থের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে অমল ধবল চাকরি, ছায়াদম্পতি, শহর, হে শূন্যতা, হে অনন্তের পাখি, মধ্য মাঠের খোলোয়াড়, এক প্রিয়দর্শিনী, মন্ত্রিসভার পতন, দুই নারী, কোলাহল ইত্যাদি।

ইতিমধ্যেই বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৭৩), সুহৃদ সাহিত্য পুরস্কার (১৯৭৫), সুফী মোতাহার হোসেন পুরস্কার (১৯৭৯), আবুল মনসুর আহমদ স্মৃতি পুরস্কার (১৯৮০), হুমায়ুন কাদির স্মৃতি পুরস্কার (১৯৮২), ত্রয়ী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৮) এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় একুশে পদক (১৯৯৬) পেয়েছেন।

১ম দফায় যে ৪৪টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল নির্বাচিত
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

৪৪টি অনলাইন নিউজ পোর্টালকে নিবন্ধনের জন্য নির্বাচিত করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) নির্বাচিত নিউজ পোর্টালগুলোর তালিকা প্রকাশ করেছে তথ্য মন্ত্রণালয়।

এর আগে, দুপুরে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানান, গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টের ভিত্তিতে দেশের ৫০টি অনলাইন গণমাধ্যমের তালিকা প্রকাশ করা হবে।

ঈদের পর এসব অনলাইন গণমাধ্যম নিবন্ধন ফি জমা দেয়াসহ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নিবন্ধন নিতে পারবে। এছাড়া যেসব অনলাইন গণমাধ্যমের ব্যাপারে নেতিবাচক রিপোর্ট পাওয়া গেছে তাদের নিবন্ধন না দেয়া এবং এসব পোর্টালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তথ্যমন্ত্রী।

নির্বাচিত পোর্টালগুলোর নিবন্ধনের পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তথ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এস এম মাহফুজুল হক বলেন, নিবন্ধন দেয়ার পদ্ধতিটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। সেটি হয়তো ঈদের পর চূড়ান্ত হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচিত পোর্টালগুলোকে নিবন্ধনের জন্য এককালীন একটা ফি দিতে হবে। এছাড়া প্রতিবছর ফি দিয়ে নবায়ন করতে হবে। নিবন্ধন ও নবায়ন ফি এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। তবে তা খুব বেশি হবে না।

নিবন্ধনের জন্য নির্বাচিত নিউজ পোর্টালগুলোর মধ্যে রয়েছে - সংবাদপ্রতিদিন২৪ডটকম, টাইমবাংলানিউজডটকম, বিডি২৪লাইভডটকম, ইউনাইটেডনিউজ২৪ডটকম, নিরাপদনিউজডটকম, ইপি-বিডিডটকম, একুশেসংবাদডটকম, দ্যমেইলবিডিডটকম, ইউ৭১নিউজডটকম, কারেন্টনিউজডটকমডটবিডি, লেটেস্টনিউজবিডিডটকম, সময়েরচিন্তাডটকম, বার্তা৭১ডটকম, দ্যরিপোর্ট২৪ডটকম, ডেইলিভোরেরপাতাডটকম, নিউজজার্নাল২৪ডটকম, আওয়ারনিউজবিডিডটকম, ওমেনআই২৪ডটকম, গ্রিনওয়াচবিডিডটকম, সিএননিউজভয়েসডটকম, ছবিনিউজ২৪ডটকম, আওয়ারনিউজ২৪ডটকম।

এছাড়া বাংলাট্রিবিউনডটকম, বিডিলাইভ২৪ডটকম, বাংলাদেশ২৪অনলাইনডটকম, দ্যফিন্যান্সিয়ালএক্সপ্রেস-বিডিডটকম, উত্তরাবার্তাডটকম, যুগবার্তাডটকম, হটনিউজ২৪বিডিডটকম, ভোরেরকাগজডটনেট, শীর্ষনিউজডটকম, দিনেরশেষেডটকম, সমকালডটকম, বার্তাবাজারডটকম, ঢাকাটাইমসডটকমডটবিডি, রাইজিংবিডিডটকম, বর্তমানখবরডটকম, ঢাকাডিপ্লোম্যাটডটকম, বিডিমর্নিংডটকম, বিবার্তা২৪ডটকম, জুমবাংলাডটকম, ঢাকাট্রিবিউনডটকম ও বণিকবার্তাডটকম নিবন্ধনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে।

তালিকা প্রকাশ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) একটি চলমান প্রক্রিয়া। যে সমস্ত অনলাইন নিউজ পোর্টালের পক্ষে সরকার নির্ধারিত সংস্থাসমূহের অনাপত্তি পাওয়া গেছে, শুধুমাত্র সেইগুলির তালিকা প্রকাশ করা হলো এবং তাদেরকে প্রাথমিক রেজিস্ট্রেশনের অনুমতি দেয়া হলো।

‌‌‌পরবর্তীতে অন্যান্য অনলাইন নিউজ পোর্টালের ব্যাপারে অনাপত্তি প্রতিবেদন প্রাপ্তির সাথে সাথে সেইগুলোকে নিবন্ধনের অনুমতি দেওয়া হবে। তাই এই বিষয়ে কোনো উদ্বেগের কারণ নেই।

অনাপত্তি প্রাপ্ত নিউজপোর্টালগুলোকে সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করে নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ থেকে ২০ কার্যদিবসের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করার অনুরোধ জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

রামগতি প্রেস ক্লাবের ৫ সাংবাদিক বহিস্কার
                                  

ডেস্ক রিপোর্টঃ
রামগতি প্রেসক্লাব হইতে সাংগঠনিক শৃংখলা ভংগ, শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য গোপন, সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি, মানুষের সাথে প্রতারণা, একাধিক পত্রিকার মিথ্যা পরিচয় দানসহ নানান অভিযোগে প্রেসক্লাবের সকল সদস্যর উপস্থিতিতে সাধারন সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ৫ পর্যবেক্ষক সদস্যকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়েছে।
রামগতি প্রেসক্লাব সভাপতি মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন ও সাধারন সম্পাদক মুহাম্মদ দিদারুল ইসলাম খন্দকার সাক্ষরিত পত্রের আলোকে জানা যায়, গত ১৪ মে প্রেসক্লাবের সভায় সকল সদস্যর উপস্থিতিতে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ৫ পর্যবেক্ষক সদস্যকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার হয়।
রামগতি প্রেসক্লাব সভাপতি ও সম্পাদক জানান, উল্লেখিত ৫ জন রামগতি প্রেসক্লাবের সাধারন পর্যবেক্ষক সদস্য ছিল। তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে পেশায় নিয়োগ, অনিয়ম, সাংগঠনিক শৃংখলা ভঙ্গ, চাঁদাবাজি সহ নানান অভিযোগ উঠে এবং এ সকল গুরুতর অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ায় এ ৫ জনকে স্থায়ীভাবে বহিস্কারের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
বহিস্কৃতরা হলো রিয়াজ মাহমুদ বিনু : তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষা নেই, তথ্য গোপন, চাঁদাবাজির হাতিয়ার,এক সময়ের ছিচকে চোর থেকে কয়েকটি পত্রিকার পরিচয়পত্র সংগ্রহ, পিআইবির আইন লংঘন।
আমানত উল্যাহ : অন্য উপজেলার, একাধিক পত্রিকার পরিচয় দান, ইউএনও মহোদয়কে জড়িয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ, নুন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ নেই। (কাওমি) যে সার্টিফিকেটের কোন ভিত্তি নাই। ফজুমিয়ার হাট এলাকায় মানুষের সাথে প্রতারণা করে ২বার এলাকায় ত্যাগ করে। বাবা ফজুমিয়ার হাটের গরু কসাই। সে জনগনকে টাকা পয়সা ও হাতে পায়ে ধরে ক্ষমা চেয়ে ছেলেকে আবার এলাকায় নিয়ে আসে।
মোখলেছুর রহমান ধনু : প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষা নেই, কোন পত্রিকার কার্ড নেই, অন্য উপজেলার, চাঁদাবাজির হাতিয়ার, বিভিন্ন অনৈতিক কাজের অভিযোগ রয়েছে। একসময় ব্রিকফিল্ডের কেরাণির দায়িত্ব ছিলেন। আহসান উল্লাহ বাদী হয়ে ২০১০সনে তার বিরুদ্ধে মামলা করেন। ধনুর হয়রাণি থেকে বাঁচতে মো. চৌধুরী বাদী হয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর দরখাস্ত করেন। হুমকি থেকে বাঁচতে বিবি কুলসুম বাদী হয়ে সদর থানায় জিডি করেন। জান্নাতুল ফেরদাউস বাদী হয়ে হয়রানি থেকে বাঁচতে ২০১৭ সালে পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ করেন।
শাহরিয়ার কামাল : শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই, মন চাইলেই গাড়ীর পিছনে একেক সময়ে একেক পত্রিকার নাম লিখেন, অন্য উপজেলার। ভুয়া অনলাইন পত্রিকা নাম বিক্রি করে বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি করেন। ২০১৯ সালে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা হয় যাহা এখনও চলমান।মুসা কালিমুল্লাহ : অন্য উপজেলার, চাঁদাবাজির হাতিয়ার, ধনুর অনৈতিক কাজের সহযোগী।
তারা আরো জানান যে, উপরোক্ত ব্যক্তিদ্বয়ের সাথে প্রেসক্লাবের কোন সম্পর্ক নেই। তাদের কোন বিষয়ে রামগতি প্রেসক্লাব দায় দায়িত্ব বহন করবেনা।

চট্টগ্রামে ৩৫ সাংবাদিকের নমুনা সংগ্রহ
                                  

মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ যাচাই করতে চট্টগ্রামে দুই দিনে ৩৫ সাংবাদিকের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক লতিফা রুনা আনসারী এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সম্প্রতি কয়েকজন সহকর্মীর করোনা পজেটিভ শনাক্তের পর অনেক সাংবাদিকের মধ্যে শংকা বিরাজ করছে।

আমি চাই না সাংবাদিকরা ঘোরাঘুরি করুক
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের ফলে দেশের সম্ভাব্য প্রতিকূল অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবেলায় প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমি চাই না সাংবাদিকরা ঘোরাঘুরি করে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হোক।’ আজ রোববার (৫ এপ্রিল) গণভবনে থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। সকাল ১০টায় তার সরকারি বাসভবন গণভবনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে তিনি সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরার পাশাপাশি সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানান। একইসঙ্গে জনসাধারণের করণীয় এবং বিভিন্ন সংস্থার করণীয় নিয়ে দিকনির্দেশনা দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকরা থাকেন। এবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংবাদ সম্মেলন হচ্ছে। কারণ আমি চাই না সাংবাদিকরা ঘোরাঘুরি করে সংক্রমিত হোক।’ এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাভাইরাস ঠেকাতে তার সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা বর্ণনা করেন।

করোনায় সাংবাদিক স্বপনের মৃত্যু
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি ফটো সাংবাদিক এ. হাই স্বপন মারা গেছেন।

স্থানীয় সময় সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে জ্যামাইকা কুইন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

জানা যায়, বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন এ. হাই স্বপন। পাঁচদিন আগে তিনি ডায়ালাইসিস করতে হাসপাতালে যান। ডায়ালাইসিস শেষে তাকে ছেড়ে দেয়ার প্রস্তুতি চলছিল।

শরীরে জ্বর থাকায় করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) পরীক্ষা করালে পজেটিভ রিপোর্ট আসে। আর একদিনের মধ্যে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। এরপর সোমবার তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন।

এ. হাই স্বপন দৈনিক বাংলাবাজার এবং দৈনিক মানবজমিন পত্রিকায় দীর্ঘদিন ফটো সাংবাদিক হিসেবে করেছিলেন।

নিউইয়র্কে সাপ্তাহিক আজকাল, প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা ও টিবিএন-২৪ টিভিতে কাজ করেছেন। সর্বশেষ ছিলেন আজকাল পত্রিকায়।

সচিবালয়ে সাংবাদিক প্রবেশে কড়াকড়ি
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে সাংবাদিক প্রবেশের বিষয়ে অলিখিত নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অফিস আদেশ এখনো জারি করেনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল থেকে সাংবাদিকরা সচিবালয়ে প্রবেশ করতে চাইলে নিরাপত্তাকর্মীরা তাতে বাধা দেন। তারা বলছেন, সচিবালয়ে সরকারি কর্মচারী ছাড়া অন্য কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না। যদি কোনো মন্ত্রণালয়ের নির্দিষ্ট সংবাদ সম্মেলন থাকে তবে সাংবাদিকদের ঢুকতে দেওয়া হবে বলে জানান তারা।

সচিবালয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কোনো মন্ত্রণালয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রোগ্রাম না থাকলে সার্বিক নিরাপত্তার (করোনাভাইরাস) স্বার্থে সাংবাদিকদের প্রবেশ সংকুচিত করা হয়েছে- গতকালই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এরকম একটি মৌখিক আদেশ দেওয়া হয়েছে। গেইটের নিরাপত্তাকর্মীরা সেটাই অনুসরণ করছেন। অফিসিয়াল আদেশ না হওয়ায় এ ব্যাপারে কেউ নাম প্রকাশ করে মন্তব্য করতে চাচ্ছেন না।

করোনা: জাতীয় প্রেসক্লাব লকডাউন
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস বিস্তার রোধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে এবার জাতীয় প্রেসক্লাব বন্ধ করা হয়েছে। ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২১ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় প্রেসক্লাবের সব ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধ থাকবে।

শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ২১ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ জাতীয় প্রেসক্লাবের সব কর্মকাণ্ড বন্ধ থাকবে। এ সময়ের মধ্যে প্রেসক্লাবের সব সদস্য, কর্মচারী, কর্মকর্তা ক্লাব চত্বরে আসা থেকে বিরত থাকবেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সবার সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

এদিকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা বিস্তার রোধে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন ধরনের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। সৌদি আরবসহ মুসলিমপ্রধান দেশগুলো মসজিদ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া বিশ্বের অন্য দেশগুলোতে বড় বড় বিপণী বিতান, এয়ারপোর্ট, বাস ও রেল স্টেশন, সমুদ্রবন্দর, সমুদ্র সৈকত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।


বাংলাদেশেও এই ভাইরাসে একজনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছে ১৭ জন। এরপরেই মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় গণপরিবহন চলাচলসহ দোকানপাট বন্ধ করা হয়েছে। আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য বিশ্ব ইজতেমা মাঠ প্রস্তুত করা হচ্ছে। সেনাবাহিনীকে দুইটি কোয়ারেনটাইন ক্যাম্প পরিচালনার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমসহ অনেক প্রতিষ্ঠানই কর্মীদের বাসায় বসে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে। দেশে সকল প্রকার সভা-সমাবেশ-গণজমায়েত বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডিইউজের নেতৃত্বে ফের গনি-শহিদ বিজয়ী
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) নির্বাচনে দপ্তর সম্পাদক ও একজন সদস্য ছাড়া কাদের গনি চৌধুরী-শহিদুল ইসলাম পূর্ণ প্যানেল বিজয়ী হয়েছে। শনিবার দিনব্যাপী ভোটগ্রহণের পর রাত ৮টার দিকে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

সভাপতি পদে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার কাদের গনি চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৮৭৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাহাঙ্গীর আলম প্রধান পেয়েছেন ৫৪৫ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে দৈনিক সংগ্রামের শহিদুল ইসলাম ৮৪১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এরফানুল হক নাহিদ পেয়েছেন ৫৯০ ভোট।

সহ-সভাপতি পদে বিজয়ীরা হলেন- শাহীন হাসনাত (৮৯৬) ,বাছির জামাল (৮৬৯) ও রাশেদুল হক (৭১৯)।

এছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে শাহজাহান সাজু (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত), কোষাধ্যক্ষ পদে মো. আনোয়ারুল হক (গাজী আনোয়ার) (৮৯৩), সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দিদারুল আলম (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত), প্রচার সম্পাদক পদে খন্দকার আলমগীর হোসাইন (৯৩৬), ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক পদে আবুল কালাম (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত), জনকল্যাণ সম্পাদক পদে দেওয়ান মাহমুদা সুলতানা (৮৩৬), দফতর সম্পাদক পদে ডি এম অমর (৭০২) নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাহী সদস্য পদে রফিক মুহাম্মদ (৮৪৫), শহিদুল ইসলাম (৮০৮), খন্দকার হাসনাত করিম পিন্টু(৭২৯), আবুল হোসেন খান(৬৮৮), কাজী তাজিম উদ্দিন (৬৭৭), জেসমিন (৭০২), রফিক লিটন (৬৩৭), আব্দুল হালিম (৬২৬)।

ডিইউজের সভাপতি কুদ্দুস সম্পাদক সাজ্জাদ তপু
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কুদ্দুস আফ্রাদ এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সাজ্জাদ আলম খান তপু। দুজন একই প্যানেল থেকে এই নির্বাচনে অংশ নেন।

শনিবার রাতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাশেম হুমায়ূন এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

এর আগে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। নির্বাচনে ৩ হাজার ১৬০ জন ভোটারের মধ্যে ২ হাজার ৪৩ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

ডিইউজের নবনির্বাচিত সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ কলকাতার প্রভাবশালী দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকার বাংলাদেশ প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। আর সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু যমুনা টেলিভিশনের বিজনেস এডিটর হিসেবে দায়িত্বপালন করছেন।


   Page 1 of 2
     গণমাধ্যম
সাংবাদিক আফতাব হত্যায় ৫ আসামির ফাঁসির মৃত্যুদণ্ড বহাল
.............................................................................................
কমতে পারে তাপমাত্রা, কোথাও কোথাও বৃষ্টি
.............................................................................................
গণমাধ্যম মনে হচ্ছে তেঁতুল গাছের মত; যে কেউ একটা ধাক্কা দিবেই
.............................................................................................
সাংবাদিকতায় জেরিনের হাতেখড়ি
.............................................................................................
এম এ মান্নান এখন সিরাজগঞ্জে
.............................................................................................
নয়া দিগন্ত ও যায়যায়দিন সম্পাদকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা
.............................................................................................
চলে গেলেন সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক রাহাত খান
.............................................................................................
১ম দফায় যে ৪৪টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল নির্বাচিত
.............................................................................................
রামগতি প্রেস ক্লাবের ৫ সাংবাদিক বহিস্কার
.............................................................................................
চট্টগ্রামে ৩৫ সাংবাদিকের নমুনা সংগ্রহ
.............................................................................................
আমি চাই না সাংবাদিকরা ঘোরাঘুরি করুক
.............................................................................................
করোনায় সাংবাদিক স্বপনের মৃত্যু
.............................................................................................
সচিবালয়ে সাংবাদিক প্রবেশে কড়াকড়ি
.............................................................................................
করোনা: জাতীয় প্রেসক্লাব লকডাউন
.............................................................................................
ডিইউজের নেতৃত্বে ফের গনি-শহিদ বিজয়ী
.............................................................................................
ডিইউজের সভাপতি কুদ্দুস সম্পাদক সাজ্জাদ তপু
.............................................................................................
ডিইউজে নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে
.............................................................................................
শৈলকুপা প্রেসক্লাবের সভাপতি লিটন সম্পাদক শিহাব নির্বাচিত
.............................................................................................
গণমাধ্যমের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আইনের শাসন
.............................................................................................
আগামীকাল মুন্সিগঞ্জ যাচ্ছেন নতুনবাজার৭১.কম’র সম্পাদক
.............................................................................................
জামিন পেলেন প্রথম আলো সম্পাদক
.............................................................................................
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
.............................................................................................
দুর্নীতিবাজরা ক্ষমতাসীনদের পোষ্য : মোমিন মেহেদী
.............................................................................................
অনলাইন প্রেস ইউনিটি কুষ্টিয়া জেলা অনুমোদন শৈবাল সভাপতি মিলন সাধারণ সম্পাদক
.............................................................................................
অনলাইন প্রেস ইউনিটির উপদেষ্টা হলেন মাহবুব আলম আব্বাসী
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম.এ মান্নান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আজমল হোসেন বাবু, সহ সম্পাদক: কাওসার আহমেদ, রাসেল মোল্লা। র্বাতা সম্পাদক: আবু ইউসুফ আলী মন্ডল, মাসুম হাসান৷ সহকারী-বার্তা সম্পাদক লাকী আক্তার । বার্তা বিভাগ ফোন০১৬১৮৮৬৮৬৮২

ঠিকানাঃ বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়- নারায়ণগঞ্জ, সম্পাদকীয় কার্যালয়- জাকের ভিলা, হাজী মিয়াজ উদ্দিন স্কয়ার মামুদপুর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। শাখা অফিস : নিজস্ব ভবন, সুলপান্দী, পোঃ বালিয়াপাড়া, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ-১৪৬০, রেজিস্ট্রেশন নং 134 / নিবন্ধন নং 69 মোবাইল : 01731190131,E-mail- notunbazar2015@gmail.com, E-mail : mannannews0@gmail.com, web: notunbazar71.com, facebook- notunbazar / সম্পাদক dhaka club
    2015 @ All Right Reserved By notunbazar71.com

Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD